রাজনীতি

আ.লীগঘেঁষা চিকিৎসক এবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ পদে

হোসেন মাঝি সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬ 0
আ.লীগঘেঁষা চিকিৎসক এবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ পদে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে

 


আওয়ামী লীগঘেঁষা হিসেবে পরিচিত চিকিৎসক ডা. কিশালয় সাহাকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়ন করা হয়েছে। গত ১ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।


কুয়াকাটার ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা থেকে তাকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাখালী কার্যালয়ে সহকারী পরিচালক (চলতি দায়িত্ব), শ্রেণি-১ পদে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে দাপটের সঙ্গে চলাফেরা এবং দলটির নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ থাকা এই চিকিৎসককে এমন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব দেওয়ায় স্বাস্থ্য বিভাগের সংশ্লিষ্টদের মধ্যে বিস্ময় দেখা দিয়েছে।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উপসচিব সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের কর্মকর্তা ডা. কিশালয় সাহাকে বর্তমান কর্মস্থল থেকে বদলি করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মহাখালী, ঢাকায় সহকারী পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) পদে পদায়ন করা হয়েছে। তার বিসিএস পরিচিতি নম্বর ১০১১৮১১৫।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আগামী ৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তাকে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে। অন্যথায় ৭ সেপ্টেম্বর থেকে বর্তমান কর্মস্থল থেকে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজ) বলে গণ্য হবেন।

ডা. কিশালয় সাহা আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তিনি ক্ষমতাসীন দলের ঘনিষ্ঠ হিসেবে দাপটের সঙ্গে চলাফেরা করতেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিভিন্ন সময়ের কর্মকাণ্ড ও ছবিতেও আওয়ামী লীগঘেঁষা অবস্থানের চিত্র পাওয়া যায়।

তার ফেসবুক প্রোফাইলে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পাওয়া গেছে। সম্প্রতি তার পদায়নের পর ওই ছবিগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় এসেছে। 

এছাড়া ডা. কিশালয় সাহার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগও রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, সে সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারেক রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য ও বক্তব্য দিয়েছিলেন তিনি। এ সংক্রান্ত তথ্য-প্রমাণও রয়েছে।

ডা. কিশালয় সাহার কর্মজীবনের আরেক পর্যায় নিয়েও রয়েছে নানা অভিযোগ। হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চাকরির সময় তিনি তৎকালীন এমপি, পরবর্তীতে বিমান প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মাহবুব আলীর আস্থাভাজন হিসেবে প্রভাব বিস্তার করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, ওই সময়ে ক্ষমতাসীনদের প্রভাব কাজে লাগিয়ে এলাকায় দাপট দেখাতেন তিনি। নিয়মিত মাদক সেবন করতেন চেম্বারে বসে। এতে বাধা দেওয়ায় তৎকালীন স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয় বলে অভিযোগ করেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের দাবি, এসব কর্মকাণ্ডে তৎকালীন এমপির প্রভাব ব্যবহার করা হয়েছিল।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাখালী কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) পদটি প্রশাসনিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। অধিদপ্তরের বিভিন্ন শাখার কার্যক্রম, প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা ও স্বাস্থ্যসেবা-সংক্রান্ত নানা বিষয়ে এ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালন করতে হয়।

সংশ্লিষ্টদের প্রশ্ন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে দলীয় ঘনিষ্ঠতা ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে এমন একজন কর্মকর্তাকে কীভাবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সদর দপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব দেওয়া হলো।

তাদের মতে, সরকার পরিবর্তনের পর প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মকর্তাদের পদায়নের ক্ষেত্রে অতীত ভূমিকা, রাজনৈতিক প্রভাব ও বিতর্কিত কর্মকাণ্ড বিবেচনায় নেওয়া জরুরি।

অভিযোগ রয়েছে, কুয়াকাটার ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা থেকে সরাসরি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সদর দপ্তরে সহকারী পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) পদে পদায়নের পেছনে একটি স্বার্থান্বেষী মহল কাজ করেছে। তাদের সহযোগিতা ছাড়া এমন পদায়ন সম্ভব নয় বলেও সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ দাবি করেছেন।

সংশ্লিষ্টদের দাবি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিকভাবে বিতর্কিত কোনো কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হলে সরকারের ভাবমূর্তি প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। বিশেষ করে স্বাস্থ্য প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত এমন পদে দায়িত্ব দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার অতীত ভূমিকা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

তাদের মতে, একদিকে আওয়ামী লীগ আমলে দাপট দেখানোর অভিযোগ, অন্যদিকে বিএনপি নেতাকর্মীদের হয়রানির অভিযোগ থাকার পরও ডা. কিশালয় সাহাকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়ন কীভাবে হলো, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের যুগ্ম সচিব সাইফুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, ‘মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মহোদয় এ বিষয়ে অনুরোধ করেছিলেন। তবে মাননীয় মন্ত্রী (স্বাস্থ্যমন্ত্রী) গতকাল চলে গেছেন। তিনি নির্দেশনা দিয়েছেন, তিনি এসে বিষয়টি বাতিল করবেন। আপাতত এ বিষয়ে কোনো কার্যক্রম নেওয়া হবে না। সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক যেখানে আছেন, সেখানেই থাকবেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিষয়টি বাতিল করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী এসে এটি বাতিল করবেন।’

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

রাজনীতি

View more
খুলনায় প্রথম দফায় কৃষি কার্ড পাবেন ২৩ হাজার কৃষক
খুলনায় প্রথম দফায় কৃষি কার্ড পাবেন ২৩ হাজার কৃষক

  খুলনায় প্রথম দফায় ৯টি ইউনিয়নের ২৩ হাজার ১০৫ জন কৃষক কৃষি কার্ড পাবেন। বর্তমান সরকারের আমলে ৫ বছরে পর্যায়ক্রমে জেলায় কৃষি কার্ড পাবেন ৩ লাখ ৩৮ হাজার ৬০৩ জন কৃষক। খুলনা কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা যায়, কৃষকদের সুবিধার লক্ষ্যে ৯ উপজেলার ৯টি ইউনিয়নকে বেছে নেওয়া হয়েছে। এসব ইউনিয়নগুলো কয়েকটি ব্লকে ভাগ করা হয়েছে। এরইমধ্যে দুটি ব্লকের (এরিয়া) জরিপের কাজ শেষ হয়েছে। তৃতীয় ব্লকের জরিপের কাজ চলছে। ইউনিয়নগুলো হলো, রূপসা উপজেলার নৈহাটি, বটিয়াঘাটা উপজেলার আমিরপুর, দিঘলিয়া উপজেলার গাজিরহাট, ফুলতলা উপজেলার সদর, ডুমুরিয়া উপজেলার ভান্ডারপাড়া, তেরখাদা উপজেলার ছাগলাদাহ, দাকোপ উপজেলার সদর, পাইকগাছা উপজেলার হরিঢালি ও কয়রা উপজেলা সদর। কৃষি দপ্তর আরো জানায়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে ৭ সদস্যের কমিটি এ ৯ ইউনিয়নের ২৩ হাজার ১৫০ জন কৃষক কার্ড পাওয়ার যোগ্য বলে শনাক্ত করেছেন। এ কমিটির সদস্যরা মধ্য আগস্ট পর্যন্ত ১৮ হাজার ৪৭৯ জন কৃষকের নাম চূড়ান্ত করে তালিকা ব্যাংকে পাঠিয়েছে। কৃষকরা জনতা, সোনালী ও কৃষি ব্যাংক থেকে বার্ষিক অনুদানের অর্থ পাবে। প্রত্যেক কৃষক বছরে আড়াই হাজার টাকা করে অনুদান পাবেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, কার্ডধারী কৃষকরা ন্যায্য মূল্যে সেচ, প্রশিক্ষণ, যন্ত্রপাতি, রোগ বালাই দমনে পরামর্শ, কৃষি পণ্য বিক্রির সুবিধা, কৃষি বিমা প্রশিক্ষণ, ভর্তুকি-প্রণোদনা, ঋণ ও কৃষি উপকরণ পাবেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খুলনার অতিরিক্ত উপ-পরিচালক মো. তৌহিদীন ভুঁইয়া গণমাধ্যমকে বলেন, ব্যাংকের মাধ্যমে কৃষকরা কার্ড পাবেন। এটি ডেবিট কার্ড হিসেবে গণ্য হবে। এ কার্ডের মাধ্যমে প্রতিবছর কৃষকরা আড়াই হাজার টাকা করে সরকারি অনুদান পাবেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

News সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬ 0
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী: তেল সংকটে লংমার্চ অযৌক্তিক

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী: তেল সংকটে লংমার্চ অযৌক্তিক

আ.লীগঘেঁষা চিকিৎসক এবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ পদে

আ.লীগঘেঁষা চিকিৎসক এবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ পদে

দাবি না মানলে ডিসেম্বরের মধ্যেই সরকারের পতন ঘটবে: অলি আহমদ

দাবি না মানলে ডিসেম্বরের মধ্যেই সরকারের পতন ঘটবে: অলি আহমদ

জামায়াত আমিরকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন ছাত্রদল নেতা, ভিডিও ভাইরাল
জামায়াত আমিরকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন ছাত্রদল নেতা, ভিডিও ভাইরাল

  মহাসড়কের ডিভাইডারের বসে লালকার্ড প্রদর্শন করেন ওই ছাত্রদল নেতা। এরপর ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়ে। লাল কার্ড দেখানো ওই যুবকের নাম তৌহিদুল ইসলাম নিশান। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল মিরসরাই উপজেলা ক্রীড়া পরিচালনা কমিটির সদস্য। দলীয় সূত্রে বলছে, শনিবার সন্ধ্যায় ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চটি মিরসরাই এলাকা অতিক্রম করার সময় বিরোধীদলীয় নেতা জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের গাড়িবহর লক্ষ্য করে লাল কার্ড দেখান নিশান। পরে সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তার নিজ আইডিতে আপলোড করেন। এরপরই ভিডিওটি ভাইরাল হয়। এ ঘটনার পর নিশানের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। ফলে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। এদিকে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় মিশ্র প্রতিক্রিয়া। কেউ নিশানের এই প্রতিবাদকে সাধুবাদ জানিয়েছেন, আবার কেউ সমালোচনা করেছেন।

News সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬ 0
হাইকোর্টে বিদিশার জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই

হাইকোর্টে বিদিশার জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই

ঠাকুরগাঁওয়ের পথে রাষ্ট্রপতি

ঠাকুরগাঁওয়ের পথে রাষ্ট্রপতি

দর্শক সারিতে বসে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করলেন প্রধানমন্ত্রী

দর্শক সারিতে বসে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করলেন প্রধানমন্ত্রী

সংসদে মির্জা আব্বাস, স্বাগত জানালেন স্পিকার
সংসদে মির্জা আব্বাস, স্বাগত জানালেন স্পিকার

  চিকিৎসা শেষে দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ মাস পর দেশে ফিরে সংসদ অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) মির্জা আব্বাস। এ সময় তাকে স্বাগত জানান সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) হুইলচেয়ারে করে সংসদ অধিবেশনে যোগ দেন তিনি। মির্জা আব্বাসকে স্বাগত জানিয়ে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘মাননীয় সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস উদ্দিন দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ মাস পর চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরে এসেছেন। আপনাকে এই সংসদে স্বাগতম জানাচ্ছি।’ এর আগে, বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া ৯টার দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে তিনি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। তার সঙ্গে স্ত্রী ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাসও দেশে ফিরেছেন। গত ১১ মার্চ রমজান মাসে ইফতারের সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন মির্জা আব্বাস। সেদিন রাতেই তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানে মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। পরে ১৫ মার্চ উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে চিকিৎসকদের পরামর্শে ১৪ এপ্রিল সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতাল থেকে মালয়েশিয়ার প্রিন্স কোর্ট মেডিকেল সেন্টারে স্থানান্তর করা হয়।

News সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬ 0
‘রাজধানীর জিরো পয়েন্ট থেকে সদরঘাট পর্যন্ত রাস্তায় কোনো হকার বসতে পারবে না’

‘রাজধানীর জিরো পয়েন্ট থেকে সদরঘাট পর্যন্ত রাস্তায় কোনো হকার বসতে পারবে না’

আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ ৪ জনের দুর্নীতির অনুসন্ধান শুরু

আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ ৪ জনের দুর্নীতির অনুসন্ধান শুরু

দুই দেশের জনগণের স্বার্থের কথা বিবেচনা করে ভারত সফরে যাবেন তারেক রহমান : দীনেশ ত্রিবেদী

দুই দেশের জনগণের স্বার্থের কথা বিবেচনা করে ভারত সফরে যাবেন তারেক রহমান : দীনেশ ত্রিবেদী

0 Comments