রাজনীতি

সংসদে মির্জা আব্বাস, স্বাগত জানালেন স্পিকার

Montu Mian সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬ 0
সংসদে মির্জা আব্বাস, স্বাগত জানালেন স্পিকার
মির্জা আব্বাস

 

চিকিৎসা শেষে দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ মাস পর দেশে ফিরে সংসদ অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) মির্জা আব্বাস। এ সময় তাকে স্বাগত জানান সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) হুইলচেয়ারে করে সংসদ অধিবেশনে যোগ দেন তিনি।

মির্জা আব্বাসকে স্বাগত জানিয়ে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘মাননীয় সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস উদ্দিন দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ মাস পর চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরে এসেছেন। আপনাকে এই সংসদে স্বাগতম জানাচ্ছি।’

এর আগে, বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া ৯টার দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে তিনি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। তার সঙ্গে স্ত্রী ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাসও দেশে ফিরেছেন।

গত ১১ মার্চ রমজান মাসে ইফতারের সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন মির্জা আব্বাস। সেদিন রাতেই তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানে মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়।


পরে ১৫ মার্চ উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে চিকিৎসকদের পরামর্শে ১৪ এপ্রিল সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতাল থেকে মালয়েশিয়ার প্রিন্স কোর্ট মেডিকেল সেন্টারে স্থানান্তর করা হয়।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

রাজনীতি

View more
সংসদে মির্জা আব্বাস, স্বাগত জানালেন স্পিকার
সংসদে মির্জা আব্বাস, স্বাগত জানালেন স্পিকার

  চিকিৎসা শেষে দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ মাস পর দেশে ফিরে সংসদ অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) মির্জা আব্বাস। এ সময় তাকে স্বাগত জানান সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) হুইলচেয়ারে করে সংসদ অধিবেশনে যোগ দেন তিনি। মির্জা আব্বাসকে স্বাগত জানিয়ে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘মাননীয় সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস উদ্দিন দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ মাস পর চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরে এসেছেন। আপনাকে এই সংসদে স্বাগতম জানাচ্ছি।’ এর আগে, বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া ৯টার দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে তিনি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। তার সঙ্গে স্ত্রী ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাসও দেশে ফিরেছেন। গত ১১ মার্চ রমজান মাসে ইফতারের সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন মির্জা আব্বাস। সেদিন রাতেই তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানে মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। পরে ১৫ মার্চ উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে চিকিৎসকদের পরামর্শে ১৪ এপ্রিল সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতাল থেকে মালয়েশিয়ার প্রিন্স কোর্ট মেডিকেল সেন্টারে স্থানান্তর করা হয়।

News সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬ 0
‘রাজধানীর জিরো পয়েন্ট থেকে সদরঘাট পর্যন্ত রাস্তায় কোনো হকার বসতে পারবে না’

‘রাজধানীর জিরো পয়েন্ট থেকে সদরঘাট পর্যন্ত রাস্তায় কোনো হকার বসতে পারবে না’

আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ ৪ জনের দুর্নীতির অনুসন্ধান শুরু

আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ ৪ জনের দুর্নীতির অনুসন্ধান শুরু

দুই দেশের জনগণের স্বার্থের কথা বিবেচনা করে ভারত সফরে যাবেন তারেক রহমান : দীনেশ ত্রিবেদী

দুই দেশের জনগণের স্বার্থের কথা বিবেচনা করে ভারত সফরে যাবেন তারেক রহমান : দীনেশ ত্রিবেদী

‘৪০ কেজি পোনার মধ্যে মৃত ছিল আধা কেজিরও কম, তুচ্ছ ঘটনাকে রাজনৈতিক ইস্যু বানানোর চেষ্টা’
‘৪০ কেজি পোনার মধ্যে মৃত ছিল আধা কেজিরও কম, তুচ্ছ ঘটনাকে রাজনৈতিক ইস্যু বানানোর চেষ্টা’

    নিজস্ব প্রতিবেদক   বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জিয়া উদ্যানের পাশের ক্রিসেন্ট লেকে মৎস্য পোনা অবমুক্তিকে কেন্দ্র করে ‘ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচার’ চালানোর অভিযোগ তুলেছে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল। সংগঠনটির দাবি, প্রায় ৪০ কেজি মৎস্য পোনা অবমুক্ত করা হলেও সামান্য কিছু পোনা মারা যায়। অথচ একটি মহল ঘটনাটিকে অতিরঞ্জিত করে দল ও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে। জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের নেতাকর্মীরা জানান, ক্রিসেন্ট লেকে মৎস্য পোনা অবমুক্তির কর্মসূচিটি ছিল সম্পূর্ণভাবে সংগঠনের নিজস্ব উদ্যোগে। এতে সরকার বা সরকারের কোনো সংস্থার সহযোগিতা কিংবা অর্থ ব্যয় হয়নি। দলের নেতাকর্মীদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করা হয়। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, মোট ৪০ কেজি মৎস্য পোনা লেকে ছাড়া হয়। অবমুক্তির সময় ৮০ থেকে ৯০টি পোনা পানিতে ভেসে উঠতে দেখা যায়। এর মধ্যে কিছু ছিল অর্ধমৃত। খোলা পানির সংস্পর্শে এসে অক্সিজেন গ্রহণের পর অর্ধমৃত পোনাগুলোর কিছু স্বাভাবিক হয়ে পানিতে ডুবে যায়। শেষ পর্যন্ত মৃত পোনার পরিমাণ আধা কেজিরও কম বলে দাবি করেছেন তারা। সংশ্লিষ্টদের দাবি, পোনাগুলো রাত ৩টার দিকে কাঁচপুর ব্রিজের পাশ থেকে পলিথিনে অক্সিজেন দিয়ে প্যাকেটজাত করে ভোর ৬টার আগেই ক্রিসেন্ট লেকের পাশে নেওয়া হয়। এরপর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের কাছে তা হস্তান্তর করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি সকাল সাড়ে ৯টায় থাকায় নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের নির্দেশে সকাল ৮টার দিকে পলিথিন থেকে পোনাগুলো ড্রামে রাখা হয়। তাদের অভিযোগ, পোনাগুলো প্রায় দেড় ঘণ্টা ড্রামে থাকার সময় পর্যাপ্ত পরিচর্যা ও উপযুক্ত পরিবেশ না পাওয়ায় কিছু পোনা দুর্বল হয়ে পড়ে এবং এ থেকেই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তবে পুরো ৪০ কেজি পোনার তুলনায় ক্ষতির পরিমাণ ছিল অত্যন্ত সামান্য বলে দাবি তাদের। নিরাপত্তাজনিত কারণে কর্মসূচিস্থলে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের মাত্র পাঁচজন নেতাকে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা। তাদের মধ্যে কোনো প্রশিক্ষিত মৎস্যকর্মী বা ট্রেইনার ছিলেন না। ট্রেইনার থাকলে পরিস্থিতি আরও ভালোভাবে সামাল দেওয়া সম্ভব হতো বলে দাবি তাদের। সংগঠনটির নেতাকর্মীরা আরও জানান, কর্মসূচির সময় প্রধানমন্ত্রীও বিষয়টি বাস্তবতার আলোকে দেখেছেন এবং মৃত পোনাগুলো সরিয়ে ফেলার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে পরবর্তী সময়ে কিছু সাংবাদিক ও কনটেন্ট নির্মাতার বিরুদ্ধে ঘটনাটিকে অতিরঞ্জিত করে প্রচারের অভিযোগ তুলেছেন তারা। তাদের দাবি, একটি সামান্য ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে দল ও সরকারের ভাবমূর্তি বিনষ্টের চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ধরনের প্রচারণাকে তারা ‘ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত’ আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের পক্ষ থেকে প্রকৃত ঘটনা যাচাই না করে কোনো ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে দল ও সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচার থেকে সবাইকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।

News সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬ 0
মির্জা আব্বাস দেশে ফিরছেন আজ

মির্জা আব্বাস দেশে ফিরছেন আজ

প্রবাসীর স্বর্ণ ছিনতাই: বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক বহিষ্কার

প্রবাসীর স্বর্ণ ছিনতাই: বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক বহিষ্কার

ঠাকুরগাঁওয়ে ২০২৬-২৭ মৌসুমের আখ রোপণ কার্যক্রম শুরু

ঠাকুরগাঁওয়ে ২০২৬-২৭ মৌসুমের আখ রোপণ কার্যক্রম শুরু

মোহনপুরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর র‍্যালি, নেতৃত্বে এমপি মিলন
মোহনপুরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর র‍্যালি, নেতৃত্বে এমপি মিলন

  রাজশাহী প্রতিনিধি:   বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত র‍্যালিতে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে র‍্যালিটি মোহনপুরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় নেতাকর্মীরা দলীয় বিভিন্ন স্লোগান দেন। র‍্যালিকে কেন্দ্র করে মোহনপুরের রাজপথে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। র‍্যালিতে উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

News সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬ 0
কালাইয়ে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নেতাকর্মীদের সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী

কালাইয়ে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নেতাকর্মীদের সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী

স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

রানা প্লাজা ভবন নির্মাণে দুর্নীতি, রানাসহ ৮ জনের রায় পিছিয়েছে

রানা প্লাজা ভবন নির্মাণে দুর্নীতি, রানাসহ ৮ জনের রায় পিছিয়েছে

0 Comments