শিক্ষা

গভীর রাতে ঢাকার ৬ প্রেস পরিদর্শনে শিক্ষামন্ত্রী, জানা গেল কারণ
গভীর রাতে ঢাকার ৬ প্রেস পরিদর্শনে শিক্ষামন্ত্রী, জানা গেল কারণ

  নতুন শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই ছাপার কাজ কতটা এগিয়েছে, বইয়ের মান ঠিক আছে কি না- তা সরেজমিনে দেখতে গভীর রাতে রাজধানীর ছয়টি ছাপাখানায় আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল মিলন। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টার পর পূর্বঘোষণা ছাড়াই এসব প্রেসে গিয়ে পাঠ্যবই ছাপার কাজের বাস্তব পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন তিনি। পরিদর্শন করা প্রেসগুলো হলো- মৌসুমী অফসেট প্রেস, ফায়িজা প্রিন্টিং প্রেস, শৈলী প্রিন্টার্স, বর্ণশিখা অফসেট প্রিন্টার্স, সোনালী ওয়েব প্রিন্টার্স ও ন্যাশনাল প্রিন্টার্স। নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরুর আগেই শিক্ষার্থীদের হাতে মানসম্মত পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়ার প্রস্তুতি কতটা সন্তোষজনক, তা যাচাই করতেই মন্ত্রীর এই আকস্মিক পরিদর্শন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। পরিদর্শনকালে মন্ত্রী বিভিন্ন প্রেসে পাঠ্যবই ছাপার কাজের অগ্রগতি সরেজমিনে দেখেন। পাশাপাশি বইয়ের ছাপার মান, কাগজের গুণগত মান এবং সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট প্রেস মালিক ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষার্থীদের হাতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মানসম্মত পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বই ছাপার ক্ষেত্রে নির্ধারিত মান বজায় রাখা এবং কোনো ধরনের গাফিলতি না করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মানসম্মত পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে ছাপার কাজে কোনো ধরনের গাফিলতি বা নির্ধারিত মানের সঙ্গে আপস করা যাবে না। পাঠ্যবই ছাপার কাজের সার্বিক অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি বইয়ের গুণগত মান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাও দেন শিক্ষামন্ত্রী।

News সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬ 0
পবিপ্রবি'র বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ পরিদর্শনে ইউজিসি সদস্য
পবিপ্রবি'র বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ পরিদর্শনে ইউজিসি সদস্য

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সৃজণী স্কুল এন্ড কলেজ পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. মো:আসলাম হোসেন।অদ্য ২৮ সেপ্টেম্বর দুপুর সাড়ে ১২টায় তিনি সৃজনী স্কুল এন্ড কলেজ পরিদর্শন করেন।     এ উপলক্ষে কলেজ অডিটোরিয়ামে এক মতবিনিময় সভায় কলেজ অধ্যক্ষ অধ্যাপক আবুল বাশার খান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. মো:আসলাম হোসেন।  বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পবিপ্রবি'র উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম সাইফুল ইসলাম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. আসলাম হোসেন বলেন, এই ঐতিহ্যবাহী ও সুপরিচিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সৃজনী স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গনে আসতে পেরে আমি আনন্দিত। আজ আমি এখানে কেবল একজন অতিথি হিসেবে আসিনি,এসেছি  তোমাদের কথা শুনতে, তোমাদের স্বপ্ন ও প্রত্যাশাগুলোকে কাছ থেকে উপলব্ধি করতে। ছাত্র- ছাত্রীদের বিভিন্ন দাবির প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, আজ তোমরা আমার কাছে তোমাদের কিছু যৌক্তিক দাবির কথা তুলে ধরেছ।তোমরা একটি আধুনিক লাইব্রেরী,সায়েন্স ল্যাবরেটরি চেয়েছ এবং খেলার মাঠ ভরাটসহ ক্যাম্পাসের কিছু অবকাঠামোগত সমস্যার কথা জানিয়েছ।আমি বলতে চাই তোমাদের এ দাবীগুলো কোন বিলাসিতা নয়, এগুলো তোমাদের অধিকার। একটি মানসম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য সুসজ্জিত লাইব্রেরী ও ল্যাবরেটরি অপরিহার্য। তোমাদের এই সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য আমি ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগ গ্রহণ করবো।   তিনি আরও বলেন, তোমরাই এদেশের ভবিষ্যৎ। আজকের এ  বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যুগে নিজেকে শুধু জিপিএ ৫ এর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। নতুন নতুন জ্ঞান অর্জন করতে হবে এবং মানবিক গুণসম্পন্ন সত্যিকার মানুষ হতে হবে। প্রধান অতিথি সৃজনী স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের ফলাফল,শিক্ষা  ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে মুগ্ধ  হন।তিনি স্কুলের  শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মনমুগ্ধকর  সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। পরে তিনি সৃজনী বিদ্যানিকেতন প্রাঙ্গনে গাছের চারা রোপণ করেন।  এর আগে প্রধান অতিথি পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি  বিশ্ববিদ্যালয়ের  অবকাঠামোগত বিভিন্ন  উন্নয়নমূলক কাজ পরিদর্শন করেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে  উপ উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম সাইফুল ইসলাম,  বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও   কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের সিনিয়র ডেপুটি ডিরেক্টর মো মাহফুজুর রহমান সবুজ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে

News সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬ 0
শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ও সংঘর্ষের আশঙ্কায় সাইন্সল্যাবে পুলিশ মোতায়েন
শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ও সংঘর্ষের আশঙ্কায় সাইন্সল্যাবে পুলিশ মোতায়েন

  ঢাকা কলেজ উচ্চমাধ্যমিক ও আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের আশঙ্কা এবং ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে নতুন ভিসি নিয়োগের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের কর্মসূচি ঘিরে সাইন্সল্যাবে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এ সময় জলকামানও প্রস্তুত রাখা হয়েছে ইউনিভার্সিটির শতাধিক শিক্ষার্থীকে সাইন্সল্যাব মোড়ে অবস্থান নেন। এর আগে বেলা ১১টার দিকে সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি নিয়োগের প্রতিবাদ জানিয়ে ঢাকা কলেজে জড়ো হতে থাকেন শিক্ষার্থীরা। পরবর্তীতে ঢাকা কলেজ মিছিল নিয়ে থেকে সাইন্সল্যাব মোড়ে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। এ বিষয়ে নিউমার্কেট থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আইয়ুব বলেন, সাইন্সল্যাবে ঢাকা কলেজ আর আইডিয়াল কলেজের ছাত্রদের মধ্যে একটু উত্তেজনা ছিল। সেটা যাতে না হয়, এজন্য পুলিশ সাইন্সল্যাবে অবস্থান করছে। কোনো অঘটন যাতে না ঘটে এজন্য পুলিশ ব্যবস্থা নিচ্ছে। তিনি বলেন, উভয় কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা কলেজের ভেতরে আছে। বাইরে থেকে কোনো ধরনের কেউ কাউকে ঢিল বা পাথর নিক্ষেপ না মারতে পারে, সেজন্য আমরা শক্ত অবস্থান নিয়েছি। সাইন্সল্যাবে ৬০ জনের মতো পুলিশ আছে। নিউমার্কেট, কলাবাগান এবং ধানমন্ডি তিন থানা থেকে আলাদা আলাদা স্থানে পুলিশ অবস্থান করছে।

News সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬ 0
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে র‍্যাগিংয়ের দায়ে ৯৯ শিক্ষার্থী বহিষ্কার
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে র‍্যাগিংয়ের দায়ে ৯৯ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

  রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) র‍্যাগিং, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, শারীরিক হামলা এবং সিল জালিয়াতির ঘটনায় ৯৯ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শাস্তির মধ্যে রয়েছে এক শিক্ষাবর্ষ (দুই সেমিস্টার) ছাত্রত্ব স্থগিত, আবাসিকতা বাতিল ও ভবিষ্যতে আবাসিকতার জন্য বিবেচনা না করা, কঠোরভাবে সতর্ক করা এবং অভিভাবকদের চিঠির মাধ্যমে শাস্তির বিষয়টি অবহিত করা। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই সিন্ডিকেট সদস্যের কাছ থেকে এ তথ্য জানা গেছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪৯তম সিন্ডিকেট সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সিন্ডিকেট সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের মোট ৯৯ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে ১৪ জন, সিল জালিয়াতির অভিযোগে ৩ জন এবং জুনিয়র কর্তৃক সিনিয়রের ওপর শারীরিক হামলার অভিযোগে ১ জনসহ মোট ১৮ শিক্ষার্থীর ছাত্রত্ব এক বছরের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। এছাড়া দুই শিক্ষার্থীর আবাসিকতা বাতিল করা হয়েছে। এক বছরের জন্য ছাত্রত্ব স্থগিত হওয়া ১৮ জনসহ মোট ২০ শিক্ষার্থীকে ভবিষ্যতে আবাসিকতার জন্য বিবেচনা না করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এছাড়া র‍্যাগিংয়ের দায়ে বিভিন্ন বিভাগের ৭৯ শিক্ষার্থীকে কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে। ভবিষ্যতে তাদের বিরুদ্ধে র‍্যাগিংয়ে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্পৃক্ততা পেলে অধিকতর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের চিঠির মাধ্যমে উল্লিখিত শাস্তির বিষয়ে অবহিত করা হবে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ডিসিপ্লিনারি বোর্ডের সভা-২০২৬-এ উপস্থাপিত অভিযোগের তালিকা বিশ্লেষণ করে জানা গেছে, শাস্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের ৩১ জন, ইতিহাস বিভাগের ১৮ জন, লোকপ্রশাসন বিভাগের ১৫ জন, ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের ১৩ জন, অ্যাগ্রোনমি অ্যান্ড অ্যাগ্রিকালচার এক্সটেনশন বিভাগের ৭ জন, চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের ৪ জন, শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের ৪ জন, চিত্রকলা, প্রাচ্যকলা ও ছাপচিত্র বিভাগের ৪ জন, অর্থনীতি বিভাগের ২ জন এবং গ্রাফিক ডিজাইন, কারুশিল্প ও শিল্পকলার ইতিহাস বিভাগের ১ জন রয়েছেন। সব মিলিয়ে এসব বিভাগে মোট ৯৯ জনকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবর রহমান বলেন, ডিসিপ্লিনারি বোর্ডের সুপারিশ অনুযায়ী র‍্যাগিং, বিভাগের মারামারি এবং সিল জালিয়াতির ঘটনায় বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী বিষয়ে গতকাল অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় আলোচনা হয়েছে শুনেছি। তবে আমি সিন্ডিকেটের সদস্য না হওয়ায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলতে পারছি না। তিনি বলেন, ডিসিপ্লিনারি বোর্ডের সুপারিশ বহাল থাকলে র‍্যাগিংয়ের ঘটনায় কেউ কঠোর শাস্তি, কেউ সতর্কতামূলক শাস্তি এবং কারও হলের আবাসিকতা স্থায়ীভাবে বাতিল হতে পারে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের পরিবারের কাছে চিঠি দিয়ে তাদের সন্তানদের বিষয়ে অবহিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। প্রক্টর আরও বলেন, শাস্তির উদ্দেশ্য শিক্ষার্থীদের ধ্বংস করা নয়, বরং ভুল থেকে তাদের ফিরিয়ে এনে ভবিষ্যৎ জীবন সুন্দর করার সুযোগ দেওয়া। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের সংশোধনের সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি অভিভাবকদেরও বিষয়গুলো সম্পর্কে অবহিত রাখতে চায়। জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, র‍্যাগিংয়ের ঘটনায় ডিসিপ্লিনারি বোর্ডের সিদ্ধান্ত গতকাল সিন্ডিকেট সভায় উপস্থাপন করা হয়েছে। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে প্রায় শত শিক্ষার্থীকে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ এক বছরের জন্য ছাত্রত্ব স্থগিত, আবাসিকতা বাতিল ও কঠোর সতর্কতাসহ বিভিন্ন ধরনের শাস্তি রয়েছে। উপাচার্য আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বার্তা থাকবে র‍্যাগিংয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়ে কোনো ধরনের কম্প্রোমাইজ করবে না বর্তমান প্রশাসন। এছাড়াও আরও বেশকিছু বিভাগ উপকমিটিতে তদন্তনাধীন রয়েছে, পরবর্তী সিন্ডিকেটে তাদের বিষয়েও সিদ্ধান্ত আসবে বলে জানান এ উপাচার্য।

News সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬ 0
বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট থেকে এক টাকাও না নেওয়ার দাবি মুসাদ্দিকের, ১২ মাসে প্রকাশ করেছেন ২৮টি বই
বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট থেকে এক টাকাও না নেওয়ার দাবি মুসাদ্দিকের, ১২ মাসে প্রকাশ করেছেন ২৮টি বই

  এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ২০২৫ কার্যনির্বাহী কমিটির সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ জানিয়েছেন, দায়িত্ব পালনের এক বছরে তিনি ডাকসু বা বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাদ্দ থেকে কোনো অর্থ গ্রহণ বা উত্তোলন করেননি। বরং বরাদ্দ সংকটের কারণে ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও বিভিন্নজনের সহযোগিতায় অধিকাংশ কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়েছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে গত এক বছরে নিজের দায়িত্ব পালনের বিভিন্ন কার্যক্রমের খতিয়ান তুলে ধরেন মুসাদ্দিক। লিখেন, ‘ডাকসু দায়িত্ব পাওয়ার পর গত ৩৬৫ দিনে প্রতিদিন কি করেছি– তা দিনলিপি হিসেবে একটি পুস্তিকা আকারে প্রকাশ করার অভিপ্রায় রয়েছে, আমি শীঘ্রই সেটি প্রকাশ করব ইনশাআল্লাহ।’ তুলে ধরেন নিজের সম্পাদনায় ও ব্যবস্থাপনায় প্রকাশিত সাহিত্য পত্রিকা ও স্মারক গ্রন্থের তথ্যও। এর আগে ১৪ সেপ্টেম্বর রাতে তার দায়িত্বের প্রাথমিক মেয়াদ শেষ হয়। মুসাদ্দিক লিখেন, ‘গত এক বছর শুধু পাগলপ্রায় হয়ে ছুটে গিয়েছি, দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়িয়েছি। কাজ করতে গিয়ে অনেক রাত ঘুমানোর সুযোগ পাইনি। শুধু নিজের আত্মসম্মান এবং আমার উপর শিক্ষার্থীরা যে আস্থা রেখেছেন, সেটির রক্ষার তাগিদে প্রতিটি মুহুর্তকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছি। পরিচিত ও অপরিচিত অনেক শিক্ষার্থী, বন্ধু, সিনিয়র ভাই ও আপু, ছোট ভাই, ছোট বোন স্বতঃস্ফূর্তভাবে শিক্ষার্থীদের দ্বারে দ্বারে গিয়েছেন, আমার জন্য ভোট চেয়েছেন। আমি তাদের কাছে অত্যন্ত কৃতজ্ঞ।’ তার ভাষায়, ‘আমি সবসময়ই এই বিষয়টি নিয়ে শঙ্কিত ছিলাম যে, আমার জন্য যারা এত পরিশ্রম করেছেন, দিন শেষে বিজয়ী হওয়ার পর যদি আমি তাঁদের সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারি–যে প্রত্যাশা নিয়ে তাঁরা শিক্ষার্থীদের কাছে গিয়ে আমার পক্ষে ভোট চেয়েছেন–তাহলে তাঁদের মুখ কালিমালিপ্ত হবে; তারা তাদের নিজ নিজ সার্কেলে আমার কারণে ছোট হবে। আমার সহপাঠী, ছোট ভাই, ছোট বোন ও সহযোদ্ধারা যে আস্থা ও সম্মান নিয়ে আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের সেই সম্মান রক্ষা করা আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সে কারণেই আমি আপ্রাণ চেষ্টা করেছি, যেন মেয়াদকাল শেষে অন্তত শিক্ষার্থীরা আমার ওপর যে আস্থা রেখেছিলেন, সেই আস্থাটুকু অক্ষুণ্ন রেখে তাঁদের প্রত্যাশার প্রতি সুবিচার করে দায়িত্বটি শেষ করতে পারি। তার জন্য গত একবছর আমি এক মুহূর্ত সময়ও অপচয় করিনি। প্রতি মুহূর্তই শিক্ষার্থীদের জন্য ছুটে গিয়েছি। শিক্ষার্থীদের পাশে দাড়াতে গিয়ে আক্রমণের শিকার হয়েছি, তারপরও থামিনি, শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা পূরণে চেষ্টা করে গিয়েছি অব্যাহতভাবে।’ ডাকসুর উদ্যোগের প্রকাশিত গ্রন্থডাকসু নেতা লিখেন, ‘আমি আশা করেছিলাম যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে বরাদ্দ দেওয়ার ক্ষেত্রে সুবিচার করবে। ১৯–এর ডাকসু তো শিক্ষার্থীবিরোধী ফ্যাসিবাদী প্রশাসনের সময় হয়েছিল, তারপরেও সেই ফ্যাসিবাদী প্রশাসন ১ কোটি ৮৪ লক্ষ টাকা ডাকসুকে বরাদ্দ দিয়েছিল এবং সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে বরাদ্দ দিয়েছিল মোট ৩০ লক্ষ টাকা। অথচ এবারের ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদককে মাত্র দেড় লাখ টাকার কাছাকাছি কিছু টাকা বরাদ্দ দেওয়ার ব্যাপারে বলেছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আমার কাছে মনে হয়েছিল এই অপমানজনক বরাদ্দ যদি আমরা গ্রহণ করি, তাহলে তারা যে প্রতারণামূলকভাবে সাহিত্য–সংস্কৃতিকে অবজ্ঞা করে একটা ভিক্ষামূলক বরাদ্দ দিয়েছে, সেটিকে বৈধতা দেওয়া হবে। পাশাপাশি আমার দাবি ছিল বাজেট অধিবেশনের মাধ্যমে বাজেট পাশ হতে হবে এবং বিগত ৩৫ বছর (১৯ এর ডাকসু আগের ২৮ বছর এবং পরের ৬ বছর এবং ১৯–সহ মোট ৩৫ বছর) শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ডাকসু বাবদ যে চাঁদা নেওয়া হয়েছে, সেই চাঁদার টাকার হিসাব দিতে হবে এবং ১৯ এর ডাকসুকে দেওয়া ১.৮৪ কোটি টাকার বরাদ্দের অডিট সম্পন্ন করতে হবে। তা না হলে আমি বাজেট গ্রহণ করব না, আমাদেরকে যে বরাদ্দ দেওয়া হবে সেটাও গ্রহণ করব না। সেজন্য আমি এই বরাদ্দটি গ্রহণ করিনি। এই বাজেটকে অনুমোদনও করিনি। ডাকসুর ফান্ড থেকে আমি একটি টাকাও উত্তোলন করিনি।’ মুসাদ্দিক লিখেন, দীর্ঘদিন আমরা অপেক্ষা করেছি; আন্দোলন করেছি যে, প্রক্রিয়াগুলো অনুসরণ করা হবে এবং সম্মানজনক বরাদ্দ আমরা পাব, কিন্তু পাইনি। যে কারণে আমাদের প্রতিটা কাজই ব্যক্তিগত উদ্যোগে ম্যানেজ করে করতে হয়েছে। দায়িত্ব পাওয়ার পরপরই শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে আমরা অনেকগুলো প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছিলাম, অনেকগুলো পত্রিকা প্রকাশ ও কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছিলাম। ফান্ড ক্রাইসিস এর কারণে সেগুলো যথাসময়ে সম্পন্ন করতে পারিনি। যে প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিলাম ডিসেম্বর মাসে, যে লেখালেখির আহ্বান করেছিলাম ডিসেম্বর মাসে, সেই প্রতিযোগিতার পুরস্কার বা সেই লেখাটি প্রকাশ করতে আমাদের সেপ্টেম্বর মাস অর্থাৎ ৮ মাস লেগে গেছে। এই দীর্ঘসূত্রিতার একমাত্র কারণ ছিলো ফান্ড সংকট।তিনি আরও লিখেন, ‘আমি বিভিন্ন ছোট–বড় মিলিয়ে আনুমানিক প্রায় দেড়শতের মতো একক আয়োজন গত এক বছরে সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক হিসেবে করেছি। এর মধ্যে প্রকাশনা বের করেছি প্রায় ২৮টির মতো। এর বাইরে অসংখ্য সাংস্কৃতিক আয়োজন করেছি। আমরা চেষ্টা করেছি আমাদের সকল আয়োজনে সকলের অংশীদারত্ব নিশ্চিত করতে।’ স্ট্যাটাসের নিজের সম্পাদনায় ও ব্যবস্থাপনায় প্রকাশিত সাহিত্য পত্রিকা ও স্মারক গ্রন্থের তথ্য উল্লেখ করেন মুসাদ্দিক। এর মধ্যে রয়েছে– ১. ডাকসু সাহিত্য পত্রিকা, বর্ষ: ২০২৫, সংখ্যা: ০১ আভাস ২. ডাকসু সাহিত্য পত্রিকা, বর্ষ: ২০২৫, সংখ্যা: ০২ প্রকাশ ৩. সৈয়দ মীর নিসার আলী তিতুমীর এর শাহাদাৎ বার্ষিকী– ২০২৫ উপলক্ষ্যে স্মারকগ্রন্থ “তিতুমীরের বাঁশেরকেল্লা থেকে জুলাইয়ের নিরস্ত্র জনতার প্রতিরোধ” ৪. ভারতীয় আধিপত্যবাদের কাঁটাতারে ঝুলে থাকা শহিদ ফেলানী ৫. শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস স্মারকগ্রন্থ– ২০২৫ অধ্যাপক মুনীর চৌধুরীর বুদ্ধিবৃত্তিক উত্তরাধিকার ৬. ‘মানুষের এ মিছিলে দিতে পারো যদি গতিবেগ’ কবি ফররুখ আহমদ: পাঠ ও প্রাসঙ্গিকতা ৭. ২৮ অক্টোবর প্রেক্ষিত লগি–বৈঠার লাশতন্ত্র থেকে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের উত্থান ৮. ৭ নভেম্বর ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতি দিবস স্মরণে জনতার নয়া রাজনীতির আকাঙক্ষা: বিপ্লব ও সংহতি দিবস ৯. ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব: স্মরণে শহিদ আবরার ফাহাদ ১০. অবাঙালি অর্থাৎ চাকমা, মারমা, সাাঁওতাল ইত্যাদি জাতিগোষ্ঠীর মাতৃভাষার স্মারক গ্রন্থ– ২০২৬ বহুমাত্রিক ১১. ডাকসু সাহিত্য পত্রিকা, বর্ষ: ২০২৫, সংখ্যা: ০৩ প্রতিভাস ১২. গেস্টরুম–গণরুম: নির্যাতনের দাগ ও খতিয়ান ১৩. শহীদ শরিফ ওসমান হাদির বক্তব্য সংকলন বারুদমাখা কথামালা ১৪. দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য গেস্টরুম–গণরুম এর বই এর ব্রেইল ভার্সন। ১৫. ক্যাম্পাসে দখলবাজি ও আধিপত্য বিস্তারের লড়াইয়ে নিভে যাওয়া জীবন প্রদীপ স্মারক গ্রন্থ–২০২৫ রক্তের আখরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৬. ডাকসু লেখালেখি ও নাট্য কর্মশালা স্মারক–২০২৫ হাতেখড়ি ১৭. নবাব সলিমুল্লাহ স্মারক গ্রন্থ– ২০২৬ ইশারাত মনজিল ১৮. জুলাই বিপ্লব গল্প সংকলন ‘মহাকালের মর্সিয়া’ ১৯. জুলাই বিপ্লব শীর্ষক উপন্যাসের নাম: রক্তে লেখা জুলাই– জনতার অভ্যুত্থান ২০. জুলাই বিপ্লব শীর্ষক উপন্যাসের নাম: শ্রাবণের কান্না ২১. জুলাই বিপ্লব শীর্ষক উপন্যাসের নাম: ধূসর কৃষ্ণচূড়া ২২. জুলাই বিপ্লব শীর্ষক উপন্যাসের নাম: ব্যারিকেডের ওপারে ২৩. জুলাই বিপ্লব শীর্ষক উপন্যাসের নাম: রক্তাক্ত কোটায় কৃষ্ণচূড়া ২৪. জুলাই বিপ্লব শীর্ষক উপন্যাসের নাম: রক্তে ভেজা জুলাই. ২৫. জুলাই বিপ্লব শীর্ষক উপন্যাসের নাম: লস্করহাট ২৬. জুলাই বিপ্লব শীর্ষক উপন্যাসের নাম: লাল জুলাইয়ের দিনগুলো ২৭. জুলাই বিপ্লব শীর্ষক উপন্যাসের নাম: ইলিশ ফাইল ২৮. এফ আর হলে হল সংসদের সাথে যৌথভাবে দেয়াল পত্রিকা স্থাপন।

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
‘জবাবদিহির আওতায় আসছেন এসএসসির খাতা দেখায় অবহেলাকারীরা
‘জবাবদিহির আওতায় আসছেন এসএসসির খাতা দেখায় অবহেলাকারীরা

  শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, এসএসসির পুনঃনিরীক্ষণের ফলে ৩ হাজারেও বেশি জিপিএ ৫ পেয়েছে। এবারের এসএসসির খাতা দেখায় যারা অবহেলা করেছেন, তাদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে (আমাই) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষাবৃত্তি ও ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী। আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘৩ হাজার ৭৯ জন জিপিএ ৫ পেয়েছেন। আপনার শিক্ষকরা আমার সামনে বসে আছেন। এটা কি আপনাদের মনে প্রশ্ন আসে না? হঠাৎ করে ৩ হাজার ৭৯ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়ে গেল। প্রশ্নটা কী আসে? কেন?’ তিনি বলেন, ‘আজকে যদি আমি পাবলিক পরীক্ষা অ্যাক্ট ১৯৮০-তে খাতা পুনঃপরীক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি না করতাম, এই ৩ হাজার শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ থেকে বঞ্চিত হতো কি না? বঞ্চিত হতো। তাহলে এর প্রমাণ কী? আমাদের খাতা পরীক্ষণের মধ্যে সমস্যা রয়েছে বলেই তো এই ৩ হাজার শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ থেকে বঞ্চিত হয়েছিল।’ শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এখান থেকে আমরা কী শিক্ষা পেলাম? এক্সামিনার ট্রেনিং প্রোগ্রাম আমাকে করাতেই হবে। যে পরীক্ষক খাতাগুলো ঠিকমতো দেখেননি, তাঁকে জবাবদিহির মুখোমুখি করতে হবে। শুধু নম্বর দিয়ে দিয়ে আমি চুপচাপ বসে থাকব, তা হবে না।’ তিনি বলেন, ‘আগের নিয়ম ছিল, ট্যাবুলেশন শিটের যোগফল ঠিক আছে কি না, সেটা দেখা হবে। কিন্তু খাতার ভেতরে পরীক্ষক ঠিকমতো দেখেছেন কি না, আন্ডারমার্কিং বা ওভারমার্কিং করেছেন কি না, তা দেখার সুযোগ ছিল না। এই সুযোগ দেওয়ায় অনেকে অপব্যবহারও করেছেন। অনেক ক্ষেত্রেই আমাকে অনেক বেশি খাতা দেখতে হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। পরিবর্তন হয়েছে। তাহলে ডিফল্ট পরীক্ষকদের মধ্যেই ছিল। আই মাস্ট গো ব্যাক অ্যান্ড ভেরিফাই থিং। আমি খাতাগুলো আলাদা রেখেছি।’ শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘টিচিং প্রফেশনে আসলেও আমাদের শিক্ষকরা অনেক সময় হাল ছেড়ে যায়। এটা তাদের দোষ নয়। আমাদের প্রয়োজন তাদেরকে গাইড করা, মোটিভেট করা, প্রশিক্ষণ দেওয়া। আমাদেরকে শিক্ষাব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতেই হবে। না আনলে ভবিষ্যৎ অন্ধকার। এজন্য সবাইকে কাজ করতে হবে।’ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক। সভাপতিত্ব করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ। এ ছাড়াও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত বিভিন্ন কলেজের শিক্ষকরা উপস্থিত রয়েছেন। শিক্ষাবৃত্তি অনেক আগে থেকে চালু থাকলেও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে এবারই প্রথমবারের মতো ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড চালু হলো।

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় চাকরি হারানোর অভিযোগ মিরপুর গার্লসের শিক্ষিকার
রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় চাকরি হারানোর অভিযোগ মিরপুর গার্লসের শিক্ষিকার

    জাহিদুল আলম,  রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে চাকরি হারানোর অভিযোগ করেছেন মিরপুর গার্লস আইডিয়াল ল্যাবরেটরি ইনস্টিটিউটের প্রাথমিক শাখার সহকারী শিক্ষক মোসাম্মৎ রোকেয়া খাতুন। প্রায় ১৫ বছর চাকরি করার পর ২০২৫ সালের ২২ মে তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছেন তিনি। বর্তমানে চাকরিতে পুনর্বহাল ও পেশাগত অধিকার ফিরে পাওয়ার দাবি জানিয়েছেন ওই শিক্ষিকা। সম্প্রতি জাতীয় প্রেসক্লাবে দেওয়া এক লিখিত অভিযোগে রোকেয়া খাতুন এসব অভিযোগ করেন। অভিযোগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, ২০১০ সালের ৮ আগস্ট মিরপুর গার্লস আইডিয়াল ল্যাবরেটরি ইনস্টিটিউটের প্রাথমিক শাখায় সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। দীর্ঘ ১৫ বছর সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করার পর তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়। রোকেয়া খাতুনের অভিযোগ, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা করার কারণে তাকে ‘অপরাধী’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তার দাবি, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষিকা জিনাত ফারহানা ও সহকারী প্রধান শিক্ষক আহমাদুল্লাহ কাসেমী তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেন। প্রশাসনের নির্দেশ অমান্যের অভিযোগ অভিযোগপত্রে রোকেয়া খাতুন আরও বলেন, চাকরি হারানোর পর তিনি চাকরিতে পুনর্বহালের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন করেন। তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না পাওয়ায় কর্তৃপক্ষ তাকে চাকরিতে যোগদানের অনুমতি দিলেও প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষিকা ও সহকারী প্রধান শিক্ষক প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে তাকে কাজে যোগ দিতে বাধা দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগও তুলেছেন লিখিত অভিযোগে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগও উত্থাপন করেছেন রোকেয়া খাতুন। তার দাবি, মিরপুর গার্লস আইডিয়াল ল্যাবরেটরি ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠান পরিচালনা, শিক্ষক নিয়োগসহ বিভিন্ন বিষয়ে অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগপত্রে তিনি দাবি করেন, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষিকা জিনাত ফারহানার বিরুদ্ধে ৪৫ লাখ টাকা এবং সহকারী প্রধান শিক্ষক আহমাদুল্লাহ কাসেমীর বিরুদ্ধে ২২ লাখ টাকা জরিমানা করেছিল। তবে এসব দাবির স্বতন্ত্র প্রমাণ বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নথি অভিযোগপত্রের সঙ্গে দেখা যায়নি। এ ছাড়া প্রধান শিক্ষিকা ও সহকারী প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার এবং দলীয় নেতাদের সঙ্গে সম্পর্কের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও করেছেন ওই শিক্ষিকা। প্রধানমন্ত্রীর কাছে পুনর্বহালের আবেদন অভিযোগপত্রের শেষাংশে রোকেয়া খাতুন নিজেকে প্রায় দেড় বছর ধরে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে উল্লেখ করেন। তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার না করে মিরপুর গার্লস আইডিয়াল ল্যাবরেটরি ইনস্টিটিউটের প্রাথমিক শাখার সহকারী শিক্ষক পদে তাকে পুনর্বহালের ব্যবস্থা নিতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আবেদন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমি ন্যায়বিচার ও আমার পেশাগত অধিকার ফিরে পেতে চাই।” যে প্রশ্নগুলো সামনে রোকেয়া খাতুনের অভিযোগ সত্য হলে চাকরি থেকে অব্যাহতির সিদ্ধান্তের পেছনে রাজনৈতিক বিবেচনা কাজ করেছে কি না, প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুনরায় যোগদানের অনুমতি দেওয়ার পরও কেন তাকে কাজে যোগ দিতে দেওয়া হয়নি এবং প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অনিয়মের অভিযোগগুলোর বিষয়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল—এসব প্রশ্নের উত্তর এখন গুরুত্বপূর্ণ। তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে মিরপুর গার্লস আইডিয়াল ল্যাবরেটরি ইনস্টিটিউটের কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা প্রয়োজন। প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান ওয়েবসাইটে স্কুলটি মিরপুর-১০, ঢাকায় পরিচালিত হচ্ছে এবং প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে জিনাত ফারহানার নাম উল্লেখ রয়েছে।

News সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬ 0
কালাইয়ে ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন
কালাইয়ে ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

  মো: মিশিকুল মন্ডল  স্টাফ রিপোর্টার জয়পুরহাটের কালাইয়ে ‘নজরুল বর্ষ ২০২৬’ উদযাপন উপলক্ষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) সকাল ১০টায় কালাই উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন করা হয়। কালাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফয়সাল আহমেদ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল আলম এবং উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।  অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কালাই উপজেলা পরিষদের সিএ এস এম শওকত। উদ্বোধনী বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদ বলেন, “আমরা অতীতে দেখেছি, আমাদের তরুণ প্রজন্মের মাঝে কাজী নজরুল ইসলামের সৃষ্টিকর্ম ও চেতনার প্রতি ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে। নজরুল কেবল বিদ্রোহী কবি নন, তিনি আমাদের অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাতিঘর। ভবিষ্যতেও তরুণ প্রজন্মকে নজরুলের সেই সাম্য ও অসাম্প্রদায়িক আদর্শ ধারণ করে দেশপ্রেমের পথে এগিয়ে যেতে হবে। এ লক্ষ্যেই উপজেলা পর্যায়ে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।” আয়োজকরা জানান, এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা নজরুলের কবিতা, সংগীত ও জীবনদর্শন সম্পর্কে জানার সুযোগ পাবে, যা তাদের সুস্থ সাংস্কৃতিক বিকাশে সহায়ক হবে। উদ্বোধনী দিনে উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে।এসময় উপস্থিত ছিলেন পিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণ।

News আগস্ট ৩১, ২০২৬ 0
নোবিপ্রবির তৃতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠানে থাকবেন রাষ্ট্রপতি
নোবিপ্রবির তৃতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠানে থাকবেন রাষ্ট্রপতি

  নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) তৃতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে সম্মত হয়েছেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানীর আমন্ত্রণে তিনি এ সম্মতি জানান। সোমবার (৩১ আগস্ট) বঙ্গভবনে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন নোবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। এ সময় উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতিকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান। পাশাপাশি তার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সফলতা কামনা করেন। সাক্ষাৎকালে উপাচার্য নোবিপ্রবির শিক্ষা, গবেষণা ও সামগ্রিক অগ্রগতি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। এ সময় দেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার বিকাশে নোবিপ্রবির অবদান, বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েও তাদের মধ্যে আলোচনা হয়। পরে উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী আগামী ২৪ জানুয়ারি ২০২৭ অনুষ্ঠিতব্য নোবিপ্রবির তৃতীয় সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতিকে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আমন্ত্রণ গ্রহণ করে সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার সদয় সম্মতি জানান। রাষ্ট্রপতির এ সম্মতিতে নোবিপ্রবি পরিবার আনন্দিত ও গর্বিত বলে জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। তার উপস্থিতি বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় সমাবর্তনকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ ও স্মরণীয় করে তুলবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

News আগস্ট ৩১, ২০২৬ 0
পবিপ্রবি'র প্রথম উপাচার্যের প্রয়াণে স্মরণসভা ও দোয়া মোনাজাত
পবিপ্রবি'র প্রথম উপাচার্যের প্রয়াণে স্মরণসভা ও দোয়া মোনাজাত

 পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম আবদুল হান্নান ভূঁইয়ার স্মরণে স্মরণসভা ও দোয়া মোনাজাত অদ্য ৩০ আগস্ট সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয় টিএসসি অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।রেজিস্ট্রার প্রফেসর মোহাম্মদ জামাল হোসেন  এর সভাপতিত্বে ও ড. আমিনুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস.এম হেমায়েত জাহান।   বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এবিএম সাইফুল ইসলাম, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান।অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. বদিউজ্জামান,আইকিউএসি'র পরিচালক প্রফেসর ড.মাহবুব রব্বানী,পোস্ট গ্রাজুয়েট স্টাডিজ এর ডিন প্রফেসর ড.মো:মাসুদুর রহমান, প্রক্টর প্রফেসর আবুল বাশার খান, জনসংযোগ ও প্রকাশনা  বিভাগের সিনিয়র ডেপুটি ডিরেক্টর মো: মাহফুজুর রহমান সবুজ, ডেপুটি রেজিস্ট্রার ড. হাচিব মোহাম্মদ তুষার, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সোহেলরানা জনি,কর্মচারী প্রতিনিধি আলমগীর হোসেন আলম প্রমুখ।    প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস.এম হেমায়েত জাহান বলেন, "দেশবরেণ্য শিক্ষাবিদ ড. আবদুল হান্নান ভূঁইয়ার মৃত্যুতে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা খাত বিশেষ করে কৃষি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষার ক্ষেত্রে এক অপূরনীয় ক্ষতি হয়েছে। প্রফেসর ড. একেএম আবদুল হান্নান ভূঁইয়া  দক্ষিনবঙ্গের একটি নবীন বিশ্ববিদ্যালয়কে তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব, অক্লান্ত পরিশ্রম  এবং প্রজ্ঞা দিয়ে আমেরিকান কোর্স কারিকুলার আদলে সেন্টার অব এক্সিলেন্স হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করেছেন। তাঁর হাত ধরেই পবিপ্রবি প্রতিষ্ঠানটি আজ একটি আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর বিদ্যাপীঠ হিসেবে  আত্মপ্রকাশ করেছে। নিয়োগের ক্ষেএে তিনি সর্বাধিক যোগ্যদের অগ্রাধিকার দিয়েছেন। তাঁর নিয়োগকৃত অনেক শিক্ষকরা আজ  দেশের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি,প্রোভিসি ও ট্রেজারার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।     তাঁর মতো একজন নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষাবিদের বিদায় আমাদের  ব্যতিথ করেছে।তাঁর  বিদায় আমাদের জন্য বড় শূন্যতা যা পূরণ হবার নয়। স্মরণসভার শুরুতে প্রথম  ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. একেএম হান্নান ভূঁইয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মোনাজাত করা হয়। দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মো: আব্দুল কুদ্দুস। উক্ত স্মরণসভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষক কর্মকর্তা, ছাত্রছাএী ও অংশগ্রহণ করেন।

News আগস্ট ৩০, ২০২৬ 0
শূন্য পাস করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী
শূন্য পাস করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী

  শূন্য পাস করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, এমপিওর সব সুবিধা নেবে অথচ একজন শিক্ষার্থীও পাস করবে না, তা হতে দেওয়া যায় না। আজ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলে (বার্ক) ‘সমৃদ্ধ অর্থনীতি বিনির্মানে শিক্ষা’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এসময় তিনি দেশের শিক্ষাব্যবস্থা অত্যন্ত নাজুক অবস্থায় রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যত্রতত্র আর কোনো নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতি দেওয়া হবে না। বিদ্যমান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গুণগত মান বাড়াতেই এখন কাজ করা হচ্ছে। ভঙ্গুর শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে কাজে নেমেছি। শিক্ষাব্যবস্থার ভঙ্গুর অবস্থাকে অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। গত ২০ বছরে আমরা পেছনের দিকে গিয়েছি।  এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার সম্প্রতি প্রকাশিত ফলাফলের প্রসঙ্গ টেনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, জোর করে কাউকে যেমন পাস করানো যায় না, তেমনি জোর করে ফেলও করানো যায় না। যারা এবার ভালো করতে পারেনি, তার দায় শুধু শিক্ষার্থীদের নয়, এই দায় তিনি নিজের কাঁধেও নিচ্ছেন বলে জানান। মন্ত্রী বলেন, শিক্ষাব্যবস্থার কোথায় ‘ডিফেক্ট’ বা ত্রুটি রয়েছে, প্রকৃত মান কেমন এবং সঠিক উপাত্ত কী—তা নিরপেক্ষভাবে খুঁজে বের করতে হবে। শিক্ষক সঙ্কট ও আইনি জটিলতার চিত্র তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মানসম্মত শিক্ষকের তীব্র অভাব রয়েছে। ২০১৭ সালে ৩২ হাজার শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিরো, যা তিনি নিষ্পত্তি করার পরেও আবার আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। এছাড়া ১৪ হাজার ৩০০ শিক্ষকের এখনো পদায়ন হয়নি। চলতি ডিসেম্বরের মধ্যেও পর্যাপ্ত শিক্ষক পাওয়া যাচ্ছে না জানিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন, শিক্ষক সঙ্কট রেখে আগামী পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফলের আশা কীভাবে করা যায়? এনটিআরসিএ সম্পর্কিত সাম্প্রতিক কিছু খবরের ব্যাখ্যা দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী জানান, বিষয়টি নিয়ে কেবল আলোচনা হয়েছিলো, কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। আলোচনার ভেতরের তথ্য আংশিক কেটে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ করায় অহেতুক অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এছাড়া শিক্ষক প্রতিনিধিদের ঘন ঘন মামলা করার মানসিকতার সমালোচনা করে তিনি বলেন, একটু কিছু হলেই মামলা করা হয়, যার ফলে নিয়োগ আটকে গিয়ে পুরো শিক্ষাব্যবস্থা থমকে যায়। মন্ত্রী বলেন, শূন্য পাস করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমপিওর সব সুবিধা নেবে অথচ একজন শিক্ষার্থীও পাস করবে না, তা হতে দেওয়া যায় না। একই সঙ্গে যত্রতত্র আর কোনো নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতি দেওয়া হবে না জানিয়ে তিনি বলেন, বিদ্যমান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গুণগত মান বাড়াতেই এখন কাজ করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এই ৫ মাসের নতুন সরকারের বিরুদ্ধে ঘন ঘন আন্দোলন করা সমীচীন নয়। বিনা কারণে হৈচৈ করে অস্থিরতা সৃষ্টি না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের বলবো, যেকোনো আন্দোলন করার আগে আমার সঙ্গে বসুন, কথা বলুন।

News আগস্ট ১১, ২০২৬ 0
সব জাদুঘরে সপ্তাহে একদিন ফ্রি প্রবেশের সুযোগ, পাবেন যারা
সব জাদুঘরে সপ্তাহে একদিন ফ্রি প্রবেশের সুযোগ, পাবেন যারা

  জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরসহ দেশের সব জাদুঘর শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সে হিসেবে সপ্তাহে অন্তত একদিন কোনো ধরনের টিকিট ছাড়াই শিক্ষার্থীরা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করতে পারবেন। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের নানা কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তথ্য উপদেষ্টা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান জাদুঘরের একটি নির্দিষ্ট দিন শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারণ করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে স্কুলের ওপরের শ্রেণির শিক্ষার্থীরা এই সুযোগ পাবেন। এই ব্যবস্থা কেবল সরকারি স্কুলেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং পর্যায়ক্রমে সব ধরনের স্কুলের শিক্ষার্থীদের এর আওতায় আনা হবে। জাদুঘর পরিদর্শনে শিক্ষার্থীদের টিকিটের বিষয়ে জানতে চাইলে উপদেষ্টা স্পষ্ট করে বলেন, ‘টিকিট ফ্রি, ইটস ফ্রি অব কষ্ট।’ তিনি আরও জানান, এই উদ্যোগ কেবল একটি জাদুঘরেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরসহ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং অন্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা ঢাকার বাইরের সব জাদুঘরেও সরকারি ব্যবস্থাপনায় শিক্ষার্থীদের নিয়ে গিয়ে ঘুরিয়ে দেখানোর পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হচ্ছে। উদ্বোধনের পর থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান জাদুঘর ঘিরে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় ও ব্যাপক আগ্রহের কথা উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, শুরুর দিকে অতিরিক্ত উপচে পড়া মানুষের আগ্রহের কারণে একদিন সামান্য ব্যবস্থাপনার সমস্যা দেখা দিয়েছিল। তবে দ্রুত তা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়েছে এবং বর্তমানে অত্যন্ত শৃঙ্খলার সঙ্গেই দর্শনার্থীরা পরিদর্শন করছেন। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত জাদুঘরমুখী করা এবং তাদের কাছে দেশের সমৃদ্ধ ইতিহাস, ঐতিহ্য ও গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ঘটনাবলি সম্পর্কে সরাসরি প্রত্যক্ষ ধারণা তৈরির লক্ষ্যেই সরকারের এই পদক্ষেপ বলে জানান তিনি।

News আগস্ট ১১, ২০২৬ 0
রাঙ্গামাটির বিদ্যুৎহীন ৩০০ প্রাথমিক বিদ্যালয় পাচ্ছে সোলার প্যানেল
রাঙ্গামাটির বিদ্যুৎহীন ৩০০ প্রাথমিক বিদ্যালয় পাচ্ছে সোলার প্যানেল

  রাঙ্গামাটি জেলার ১০টি উপজেলায় ৩৮৯টি বিদ্যুৎবিহীন বিদ্যালয় রয়েছে। এসব বিদ্যালয়ের মধ্যে প্রায় ৩০০টি বিদ্যালয় অতি দুর্গম এলাকায়। বিদ্যুৎ সরবরাহের সুব্যবস্থা হলে বিদ্যালয়গুলোতে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা যাবে। এমন বাস্তবতায় এসব বিদ্যুৎবিহীন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সোলার প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপনের পরিকল্পনা করছে সরকার।  বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের নবায়নযোগ্য জ্বালানি অধিশাখার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রাঙ্গামাটি জেলার অতি দুর্গম এসব বিদ্যালয়ে সোলার প্যানেল স্থাপন করে বিদ্যুৎ সংযোগের কথা ভাবছে সরকার। এ বছর জেলা প্রশাসক সম্মেলনে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে সোলার প্যানেল স্থাপনের প্রস্তাব করেছেন রাঙ্গামাটি জেলার জেলা প্রশাসক। বিষয়টি নিয়ে কাজ করতে সম্মত হয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, আগামী পাঁচ বছরে অর্থাৎ দীর্ঘ মেয়াদে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কথা চিন্তা করা হচ্ছে। তবে আগে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিদ্যালয়ের তালিকা তৈরি করে বিদ্যুৎ বিভাগে জমা দিতে হবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাস হওয়ার পর প্রকল্পগুলোর আর্থিক সক্ষমতা যাচাই করে কাজ করবে সরকার। এসব কাজে মাঠ পর্যায়ে জেলা প্রশাসন মূল তদারকি করবে। এখনও এই প্রকল্পগুলো উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে (ডিপিপি) স্থান পায়নি। জেলা প্রশাসন ও বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা এ প্রস্তাবের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে বলেছেন, বিদ্যুৎ সংযোগ পেলে এসব বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মাল্টিমিডিয়া ক্লাস, ডিজিটাল তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ পাবে। দুর্গম এলাকার এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের অধিকাংশ পরিবার দারিদ্র সীমার নিচে বসবাস করে। বিদ্যুৎ সংযোগ পেলে তারা দেশের অগ্রগামী বিদ্যালয়গুলোর সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে পারবে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটির ৫৫০টি বিদ্যালয়ে টিভি ও মাল্টিমিডিয়া সংযোগ রয়েছে। ১৪৯টি বিদ্যালয় ই-লার্নিং প্রক্রিয়ায় যুক্ত। পাবর্ত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে শতভাগ বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার। দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে সোলার প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রকল্প (৩য় পর্যায়ে) করতে সরকারি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি)  অননুমোদিত বা বরাদ্দহীন প্রকল্প হিসেবে একটি প্রস্তাব নথিভুক্ত হয়েছে। নতুন প্রস্তাবিত এসব প্রকল্পকে ‘সবুজ পাতা প্রকল্প’ বলা হয়। এটি ভবিষ্যৎ কাজের নীতিগত সম্মতি বা প্রাথমিক তালিকা, যা পরে অনুমোদন পেলে মূল কার্যক্রম বা ডিপিপিতে স্থান পায়। তিনি আরও বলেন, যদি প্রকল্পটি ডিপিপিতে স্থান পায়, তাহলে দীর্ঘ মেয়াদে অর্থাৎ পাঁচ বছর মেয়াদে প্রকল্পটির কাজ শুরু হবে। এটি ২০২৬ সালে শুরু হয়ে শেষ হবে ২০৩১ সালে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, পার্বত্য তিন জেলার দুর্গম এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ ত্বরান্বিত করা যাচ্ছে না এবং কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। একইসাথে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখতে পিছিয়ে পড়ছে এই অঞ্চল। ফলে নতুন করে প্রকল্পের কাজ শুরু করা যেতে পারে। চলতি বছরের মে মাসে জেলা প্রশাসক সম্মেলনে বিদ্যুৎ বিভাগ সম্পর্কিত বিষয়াবলিতে রাঙ্গামাটির দুর্গম পাহাড়ের ৩০০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সোলার প্যানেল স্থাপনের প্রস্তাব আসে। পরে এটির বাস্তবসম্মত অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে প্রকল্প বাস্তবায়নের বাস্তবতা রয়েছে কি না, তা বিবেচনার জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়। কাজের অগ্রগতি জানিয়ে বিদ্যুৎ বিভাগ দীর্ঘ মেয়াদে প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমে সোলার প্যানেল স্থাপনের পক্ষে মতামত তুলে ধরেছে।

News আগস্ট ১১, ২০২৬ 0
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ ১০ আগস্ট
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ ১০ আগস্ট

  মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে ১০ আগস্ট । সোমবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবদুল খালেক এ তথ্য জানান। ২০ জুলাই এসএসসির ফলাফল প্রকাশের কথা ছিল, কিন্তু প্রস্তুতি শেষ না হওয়ায় তা পিছিয়ে যায়। এ বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় ২১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে, পরীক্ষা চলে ২০ মে পর্যন্ত। এরপর ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়া হয়। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন দাখিল এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় এ বছর পরীক্ষার্থী ছিল ১৮ লাখ ৫৭ হাজারের বেশি।

News জুলাই ২৭, ২০২৬ 0
এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী
এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

  প্রতিকূল আবহাওয়া বা অনিবার্য কারণে যারা কোনো বিষয়ে এইচএসসি পরীক্ষা দিতে পারেননি তারা চট্টগ্রাম বোর্ডের সঙ্গে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে একই তারিখে পরীক্ষা দিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বুধবার (১৫ জুলাই) চলমান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার বিষয়ে জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেয়া এক বিবৃতিতে এমনটা জানান তিনি। তিনি বলেন, বৈরি আবহাওয়ার কারণে পাঁচটি জেলায় (চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান) পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছিল। তবে চট্টগ্রাম বোর্ডের বাইরেও ঢাকাসহ দেশের কিছু কিছু জেলায় বিচ্ছিন্নভাবে কিছু পরীক্ষার্থী বৈরি আবহাওয়ার কারণে নির্ধারিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেনি। শিক্ষার্থীদের জীবনের এ গুরুত্বপূর্ণ ধাপটির কথা বিবেচনা করে মন্ত্রী বলেন, যারা চলমান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার কোনো বিষয়ে অংশগ্রহণ করতে পারেনি, তারা চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের ইতিমধ্যে স্থগিত হওয়া সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্ধারিত একই তারিখে ও সময়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। বিশেষ বিবেচনায় শিক্ষার্থীদের এ সুযোগ দেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এদিকে এইচএসসি পরীক্ষার পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্রে ভুলের বিষয়ে কড়া পদক্ষেপের কথা জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সংসদে মন্ত্রী জানান, পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রে ভুল প্রশ্নপত্র প্রণয়নের সঙ্গে দায়ী ব্যক্তিদের ইতিমধ্যেই সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে পরীক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের ৬ নম্বর এবং ৭ নম্বর প্রশ্নে যে ভুল হয়েছে, তার জন্য পরীক্ষার্থীদের পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে।

News জুলাই ১৫, ২০২৬ 0
এইচএসসি পরীক্ষা আজ, শিক্ষার্থীদের জন্য ১১ নির্দেশনা...
এইচএসসি পরীক্ষা আজ, শিক্ষার্থীদের জন্য ১১ নির্দেশনা...

  ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আজ, চলবে আগামী ৮ আগস্ট পর্যন্ত। এছাড়া ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করতে হবে ১৫ আগস্টের মধ্যে। এবার সব সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল ১০টায় শুরু হয়ে বেলা ১টা পর্যন্ত পরীক্ষা চলবে। পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার কক্ষে পরীক্ষার্থীদের আসন গ্রহণ করতে হবে। প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে এবার নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পরীক্ষা শুরুর তিন দিন আগে ট্রেজারি বা থানা লকারে সংরক্ষিত প্রশ্নপত্র সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে যাচাই করতে হবে। পরীক্ষার দিন নির্ধারিত প্রশ্নপত্র ট্যাগ অফিসার ও পুলিশের পাহারায় কেন্দ্রে আনা হবে। মোবাইলের মাধ্যমে নির্ধারিত সেট কোড পাওয়ার পরই প্রশ্নপত্র খোলা যাবে। নির্ধারিত সেটের বাইরে পরীক্ষা নেওয়া হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পরীক্ষার কক্ষে ২০ জন পরীক্ষার্থীর জন্য একজন করে কক্ষপরিদর্শক থাকবেন। কোনো কক্ষে দুজনের কম দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। বসার ক্ষেত্রেও নির্ধারণ করা হয়েছে নির্দিষ্ট মানদণ্ড। পাঁচ বাই ছয় ফুট দীর্ঘ বেঞ্চে দুজন এবং চার ফুট বেঞ্চে একজন পরীক্ষার্থী বসতে পারবেন। সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা আয়োজনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড। যদি প্রশ্নফাঁসের মতো ঘটনা ঘটে, তাহলে সারা দেশে সেই দিনের পরীক্ষা স্থগিত করে পরে নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া হবে। যদিও সব বোর্ডে একই মানদণ্ড বজায় রেখে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা এবং প্রশ্নফাঁস প্রতিরোধ করাই প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন শিক্ষাবিদরা। এবার এইচএসসি পরীক্ষায় ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন এবং আর মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ২ লাখ ৮৬৯ পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। বাংলা প্রথম প্রত্র দিয়ে শুরু হচ্ছে এবারের পরীক্ষা। চলতি বছর ২ হাজার ৯৯৭টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে পরীক্ষা। এর মধ্যে ১৪৫টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। যার ৪০টিই ঢাকায়। পরীক্ষার্থীদের জন্য ১১ নির্দেশনা পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা বোর্ড। এগুলো হলো: পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীকে নির্ধারিত কক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে। প্রথমে বহুনির্বাচনী ও পরে সৃজনশীল ও রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ নম্বরের বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ৩০ মিনিট, আর ৭০ নম্বরের সৃজনশীল (সিকিউ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে। পরীক্ষার্থীরা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানপ্রধানের নিকট হতে অন্তত সাত দিন আগে প্রশ্নপত্র সংগ্রহ করবেন। উত্তরপত্রে পরীক্ষার রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয় কোড ইত্যাদি ওএমআর ফরমে যথাযথভাবে লিখে বৃত্ত ভরাট করবেন পরীক্ষার্থীরা। কোনো অবস্থাতেই মার্জিনের মধ্যে লেখা কিংবা অন্য কোনো প্রয়োজনে উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না। পরীক্ষার্থীকে তত্ত্বীয়, বহুনির্বাচনী ও ব্যবহারিক অংশে (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) পৃথকভাবে পাস করতে হবে। প্রত্যেক পরীক্ষার্থী কেবল রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও প্রবেশপত্রে উল্লিখিত বিষয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। কোনো অবস্থাতেই অন্য বিষয়ের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। পরীক্ষার্থীরা কাঁটাযুক্ত হাতঘড়ি ব্যবহার করতে পারবেন। পরীক্ষায় শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর (নন-প্রোগ্রামেবল) ব্যবহার করতে পারবেন। প্রোগ্রামিং ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে না। পরীক্ষাকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না। কোনো পরীক্ষার্থী পরীক্ষাকেন্দ্রে মোবাইল ফোন আনতে পারবেন না। জরুরি যোগাযোগ ও সার্বিক সমন্বয় কার্যক্রম এই কন্ট্রোল রুম থেকেই পরিচালনা করা হবে। সেজন্য ১টি টেলিফোন নম্বর, তিনটি মোবাইল ফোন নম্বর এবং একটি ই-মেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হয়েছে। কন্ট্রোল রুমের ফোন নম্বর, মোবাইল নম্বর ও ই-মেইল ঠিকানা সর্বসাধারণের অবগতির জন্য বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচার এবং সংবাদ স্ক্রলে প্রদর্শনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কন্ট্রোল রুমের টেলিফোন নম্বরটি হলো- ০২-২২৩৩৬৯৮১৫। এছাড়া যোগাযোগের জন্য মোবাইল নম্বর ০১৫৫০৪১১২০৩, ০১৭১৪৯৯৪০৭৩ ও ০১৭৫৬১০৩১৫২ নির্ধারণ করা হয়েছে।

News জুলাই ২, ২০২৬ 0
আমাদের দেশে নিউটন-আইনস্টাইনের অভাব নেই: শিক্ষামন্ত্রী
আমাদের দেশে নিউটন-আইনস্টাইনের অভাব নেই: শিক্ষামন্ত্রী

  এবার শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, এখানে প্রতিটি স্টল ঘুরে আমাদের মনে হলো দেশে নিউটন–আইনস্টাইনের অভাব নেই। প্রধানমন্ত্রী এখনে সময় প্রতিটি স্টল ঘুরে দেখেছেন। প্রতিজনকে প্রশ্ন করেছেন। সোমবার (২৯ জুন) বাংলাদেশ–চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রামে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

News জুন ৩০, ২০২৬ 0
সততা, জবাবদিহীতা ও আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে-- ভিসি ড. হেমায়েত জাহান
সততা, জবাবদিহীতা ও আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে-- ভিসি ড. হেমায়েত জাহান

  নিজস্ব প্রতিবেদক; পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) নবনিযুক্ত ভাইস-চ্যান্সেলর বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও গবেষক প্রফেসর ড. এস. এম. হেমায়েত জাহানের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শাখা প্রধানদের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার  বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান। সভায় আরও বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আব্দুল লতিফ, রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মো. হাবিবুর রহমান, পোস্ট গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজ অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, আইকিউএসি'র পরিচালক প্রফেসর ড. মাহবুব রব্বানী, আরটিসির পরিচালক প্রফেসর ড. মামুন-উর-রশিদ, অর্থ ও হিসাব বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. জসীম উদ্দিন, জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের সিনিয়র ডেপুটি ডাইরেক্টর মো: মাহফুজুর রহমান সবুজ, ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স সেলের পরিচালক ড. হাচিব মোহাম্মদ তুষার, ডেপুটি রেজিস্ট্রার খায়রুল বাশার মিয়া ও মো. তানজিলুর রহমান, অর্থ ও হিসাব বিভাগের উপ-পরিচালক সৈয়দ নিজাম উদ্দিন এবং সহকারী রেজিস্ট্রার রিয়াজ কাঞ্চন শহীদসহ বিভিন্ন দপ্তরের শাখা প্রধানরা। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয় কেবল উচ্চশিক্ষা প্রদানের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি জ্ঞান সৃষ্টি, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং মানবিক মূল্যবোধ বিকাশের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। একটি আধুনিক ও মানসম্পন্ন বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলতে হলে গবেষণাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই।" তিনি আরও বলেন, "অতীতে বিভিন্ন কারণে পবিপ্রবিতে শিক্ষার প্রত্যাশিত পরিবেশ ব্যাহত হয়েছিল। আমরা সবাই মিলে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে সেই পরিস্থিতি উত্তরণে কাজ করব। পবিপ্রবিকে দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান তথা একটি 'সেন্টার অব এক্সিলেন্স'-এ পরিণত করাই আমাদের লক্ষ্য।" ভাইস-চ্যান্সেলর শাখা প্রধানদের  সততা, জবাবদিহিতা, পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতার সঙ্গে নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, "প্রতিটি দপ্তরের দক্ষ ও স্বচ্ছ কার্যক্রমই বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক অগ্রগতিকে ত্বরান্বিত করবে। শিক্ষার্থী কল্যাণ, একাডেমিক উৎকর্ষ এবং গবেষণার প্রসারে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।" মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণকারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক হকার্যক্রমের উন্নয়ন, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং গবেষণার সুযোগ সম্প্রসারণে বিভিন্ন মতামত ও পরামর্শ তুলে ধরেন।.

News জুন ১১, ২০২৬ 0
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট: এক শিক্ষকেই সামলাচ্ছেন একাধিক শ্রেণি

দেশের প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরেই শিক্ষক সংকট একটি বড় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আসছে। বিশেষ করে গ্রামীণ ও দুর্গম অঞ্চলের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে এই সংকট আরও প্রকট। অনেক বিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষক না থাকায় একজন শিক্ষককেই একাধিক শ্রেণির পাঠদান করতে হচ্ছে। এতে করে পাঠদানের মান যেমন ব্যাহত হচ্ছে, তেমনি শিক্ষার্থীদের মধ্যে আগ্রহও কমে যাচ্ছে।   সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দেশের প্রায় ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিদ্যালয়েই শিক্ষক স্বল্পতা রয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে একটি বিদ্যালয়ে তিন থেকে চারজন শিক্ষক থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে দেখা যায়, কোনো কোনো স্কুলে মাত্র একজন বা দুজন শিক্ষক দিয়ে পুরো বিদ্যালয় চালানো হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে একজন শিক্ষককে একসঙ্গে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির পাঠদান করতে হয়, যা কোনোভাবেই মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে পারে না।   এ ধরনের পরিস্থিতিতে শিক্ষকরা চরম মানসিক চাপের মধ্যে পড়েন। একজন শিক্ষক যখন একই সময় একাধিক শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের পড়ান, তখন স্বাভাবিকভাবেই কোনো শ্রেণির উপর পর্যাপ্ত সময় ও মনোযোগ দেওয়া সম্ভব হয় না। ফলে শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় জ্ঞান অর্জনে ব্যর্থ হয়। এইভাবে ধাপে ধাপে শিখনের ঘাটতি তৈরি হয়, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে ভবিষ্যত শিক্ষাজীবনেও।   শুধু পাঠদানের ক্ষেত্রেই নয়, একজন শিক্ষককে বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাজ, মিডডে মিল, বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে সমন্বয়, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হিসাব রাখা, নানা রিপোর্ট প্রস্তুত করাসহ আরও অনেক দায়িত্ব পালন করতে হয়। এক্ষেত্রে শিক্ষক যতই আন্তরিক হোন না কেন, সীমিত জনবল ও অপ্রতুল সময়ের কারণে শিক্ষার মান উন্নয়ন অসম্ভব হয়ে পড়ে।   অন্যদিকে, শিক্ষার্থীরাও এই সংকটের কারণে দুর্বল ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে শিক্ষাজীবন শুরু করে। একজন শিক্ষক একসঙ্গে দুই-তিনটি শ্রেণির ক্লাস নেওয়ার সময় শিক্ষার্থীদের মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। এতে করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে একঘেয়েমি সৃষ্টি হয় এবং তারা ধীরে ধীরে স্কুলে আসার আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। এর ফলে ঝরে পড়ার হারও বাড়ছে।   সরকার শিক্ষক নিয়োগে বিভিন্ন সময় উদ্যোগ নিলেও তা বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে সংকট কাটছে না। অনেক সময় নিয়োগপ্রাপ্তরাও দুর্গম এলাকায় যোগদান করতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেন, ফলে গ্রামাঞ্চলের বিদ্যালয়গুলোতেই সংকট সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।   এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে দ্রুত ও কার্যকর শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু করা দরকার। বিশেষ করে দুর্গম ও গ্রামীণ অঞ্চলের স্কুলগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ, স্থায়ী পদ সৃষ্টি, নিয়োগপ্রাপ্তদের প্রণোদনা প্রদান এবং প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। এছাড়া প্রযুক্তিনির্ভর বিকল্প শিক্ষা পদ্ধতিও বিবেচনায় আনা যেতে পারে, যাতে শিক্ষক সংকট থাকা সত্ত্বেও শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় পাঠ গ্রহণ করতে পারে।   প্রাথমিক স্তরেই যদি শিক্ষার্থীরা মানসম্পন্ন শিক্ষা না পায়, তবে তা পুরো শিক্ষাজীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তাই এখনই সময় কার্যকর সিদ্ধান্ত নেওয়ার, যেন একজন শিক্ষককে আর একা একাধিক শ্রেণির ভার বইতে না হয় এবং দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একটি শক্ত ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে এগিয়ে যেতে পারে।

Mahidujjaman Tamim জুন ২৮, ২০২৫ 0
কারিগরি শিক্ষার প্রসারে প্রতিটি উপজেলায় আধুনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ

দেশে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব দিন দিন বেড়েই চলেছে। আধুনিক প্রযুক্তি ও শিল্প নির্ভর অর্থনীতিতে টিকে থাকতে হলে শুধু সাধারণ শিক্ষায় নয়, বাস্তবভিত্তিক ও হাতে-কলমে দক্ষতা অর্জনের দিকেও গুরুত্ব দিতে হবে। সেই বিবেচনা থেকেই সরকার এবার কারিগরি শিক্ষার প্রসারে নতুন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। প্রতিটি উপজেলায় আধুনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার লক্ষ্য হলো দেশের প্রতিটি অঞ্চলের যুবসমাজকে দক্ষ করে তোলা এবং তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো।   বর্তমানে দেশে কারিগরি শিক্ষার পরিসর সীমিত। অধিকাংশ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র জেলা বা বিভাগীয় শহরগুলোতেই সীমাবদ্ধ। ফলে গ্রামীণ ও প্রান্তিক এলাকার তরুণরা এই ধরনের শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়। তবে নতুন এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে প্রতিটি উপজেলায় একটি করে আধুনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপিত হবে, যেখানে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর বাস্তবভিত্তিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এতে করে একদিকে যেমন স্থানীয়ভাবে দক্ষ জনবল গড়ে উঠবে, অন্যদিকে কর্মসংস্থানেও নতুন দ্বার খুলবে।   প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে মূলত বিদ্যুৎ ও ইলেকট্রনিক্স, গাড়ি মেরামত, ফ্রিজ ও এসি রিপেয়ারিং, কম্পিউটার ও আইটি, ফ্যাশন ডিজাইন, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, সৌরবিদ্যুৎ এবং রোবোটিক্সের মতো চাহিদাসম্পন্ন কোর্স চালু করা হবে। এসব কোর্সের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা হাতে-কলমে শিখে চাকরি বা আত্মকর্মসংস্থানের উপযোগী হয়ে উঠবে। প্রশিক্ষণের শেষে তাদের সার্টিফিকেটও প্রদান করা হবে, যা চাকরির ক্ষেত্রেও মূল্যায়িত হবে। তাছাড়া অনেকে নিজের উদ্যোগেও ব্যবসা শুরু করতে পারবে, যার ফলে বেকারত্ব হ্রাস পাবে এবং গ্রামীণ অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।   এই প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে আধুনিক যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি সরবরাহ করা হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা বাস্তব জ্ঞান অর্জনে সক্ষম হয়। প্রশিক্ষকেরাও হবেন অভিজ্ঞ ও দক্ষ, যারা যুগোপযোগী পদ্ধতিতে পাঠদান করবেন। কিছু প্রশিক্ষণ কেন্দ্রকে বিশেষায়িত করাও হবে, যেমন কোনো এলাকায় কৃষিভিত্তিক প্রশিক্ষণ বেশি, আবার অন্য এলাকায় আইটি নির্ভর প্রশিক্ষণ বেশি দেওয়া হবে। এইভাবে স্থানীয় চাহিদা ও সম্ভাবনার ভিত্তিতে প্রশিক্ষণের ধরন নির্ধারণ করা হবে।   এই উদ্যোগ শুধু কর্মসংস্থানের দিক থেকেই নয়, সামাজিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে নারী ও প্রতিবন্ধীদের অংশগ্রহণ বাড়ানো হবে, যাতে কারিগরি শিক্ষা সবার জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করে। সরকারের পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণ শেষে ঋণ সুবিধা, উদ্যোক্তা পরামর্শ ও চাকরির সংযোগও দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে, যা প্রকল্পকে বাস্তবিক ও দীর্ঘমেয়াদি সফলতায় রূপান্তর করবে।   সার্বিকভাবে বললে, প্রতিটি উপজেলায় আধুনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের এই উদ্যোগ গ্রামীণ উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের তরুণ সমাজ আরও দক্ষ, আত্মনির্ভর ও ভবিষ্যতমুখী হয়ে উঠবে, যা স্মার্ট বাংলাদেশের পথে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে।

Mahidujjaman Tamim জুন ২৮, ২০২৫ 0
অনলাইন ক্লাসের প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ কমছে, বাড়ছে শিখন ঘাটতি

করোনা মহামারির সময় থেকেই দেশে অনলাইন ক্লাসের প্রচলন শুরু হয়। প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা পদ্ধতির এই প্রয়োগ অনেকটাই জরুরি অবস্থা মোকাবিলার অংশ ছিল। শুরুতে শিক্ষার্থীরা নতুন অভিজ্ঞতা হিসেবে বিষয়টি গ্রহণ করলেও ধীরে ধীরে এর প্রতি আগ্রহ কমতে শুরু করে। এখন দেখা যাচ্ছে, অনলাইন ক্লাসের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে এবং এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিখন ঘাটতির হার বাড়ছে।   বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন ক্লাস কার্যকর হতে হলে নির্দিষ্ট অবকাঠামো, উপযুক্ত পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের মনোযোগ ধরে রাখার কৌশল প্রয়োগ করতে হয়। কিন্তু বাস্তব চিত্র হচ্ছে, দেশের অনেক শিক্ষার্থী এখনো নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সুবিধা পায় না। আবার অনেকের বাড়িতে নেই প্রয়োজনীয় ডিভাইস, কিংবা থাকলেও তা পরিবারের একাধিক সদস্যের মাঝে ভাগ করে ব্যবহার করতে হয়। ফলে নিয়মিত ক্লাসে অংশগ্রহণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ বিভ্রাট, মোবাইল নেটওয়ার্কের দুর্বলতা এবং প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষতার অভাব শিক্ষার্থীদের অনলাইন ক্লাসে মনোযোগ হারানোর অন্যতম কারণ।   শুধু প্রযুক্তিগত সমস্যাই নয়, অনলাইন ক্লাসে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সরাসরি যোগাযোগ করতে না পারায় অনেক শিক্ষার্থী প্রশ্ন করার সুযোগ পায় না। অনেক সময় তারা বুঝেও না বোঝার ভান করে ক্লাস শেষ করে দেয়। এতে করে বিষয়বস্তুর প্রতি আগ্রহ কমে যায় এবং শিখনে ঘাটতি দেখা দেয়। বিশেষ করে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইন ক্লাস অনেক সময় একঘেয়েমি ও মানসিক চাপের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তারা ভার্চুয়াল মাধ্যমে বেশি সময় মনোযোগ ধরে রাখতে পারে না, ফলে শেখার গতি ব্যাহত হয়।   শিক্ষকদের একাংশ মনে করেন, অনলাইন ক্লাসে পাঠদানের পদ্ধতি এখনও যথাযথভাবে মানসম্মত হয়নি। অধিকাংশ শিক্ষকই শুধু পাঠ্যবই পড়ে শোনান, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে আকর্ষণ সৃষ্টি করে না। অপরদিকে, অনেক শিক্ষক নিজেরাও প্রযুক্তি ব্যবহারে স্বচ্ছন্দ নন, ফলে ক্লাস পরিচালনায় তারা দ্বিধাগ্রস্ত থাকেন। এর ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্লাসে সম্পৃক্ততা কমে যায় এবং তারা পড়াশোনা থেকে ধীরে ধীরে বিমুখ হয়ে পড়ে।   অভিভাবকরাও বলছেন, শিশুদের ঘরে বসে অনলাইনে পড়াশোনায় আগ্রহ ধরে রাখা অত্যন্ত কঠিন। অনেক সময় তারা মোবাইল বা ল্যাপটপে ক্লাসের নাম করে অন্য কিছুর প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ে, যা পড়াশোনার ক্ষতি করে। এছাড়া দীর্ঘসময় স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকার কারণে চোখে সমস্যা, মানসিক অস্থিরতা ও একাকীত্বও বাড়ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।   এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে প্রয়োজন হাইব্রিড লার্নিং পদ্ধতি—যেখানে অফলাইন ও অনলাইন উভয় মাধ্যমকে ভারসাম্যের সঙ্গে ব্যবহার করা হবে। এছাড়া অনলাইন ক্লাসের কনটেন্টকে আরও ইন্টারেক্টিভ ও শিক্ষার্থীবান্ধব করে তোলা, শিক্ষকদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং প্রযুক্তিগত অবকাঠামো উন্নত করার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আবারও আগ্রহ ফিরিয়ে আনা সম্ভব।   দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে হলে অনলাইন শিক্ষাব্যবস্থার দুর্বল দিকগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। নয়তো এই ধারাবাহিক শিখন ঘাটতি আগামী দিনে একটি প্রজন্মের শিক্ষা ও দক্ষতার মানকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলবে।

Mahidujjaman Tamim জুন ২৮, ২০২৫ 0
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

আর্জেন্টিনা বনাম নেদারল্যান্ডস হকি ফাইনালে আজ মুখোমুখি

আর্জেন্টিনা ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৫ আন্তর্জাতিক হকি বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচ ফুটবল প্রেমীদের মতো হকি প্রেমীদের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ তৈরি করেছে। ইতোমধ্যে টুর্নামেন্টের কঠিন পর্ব অতিক্রম করে দুই দলই নিজেদের সেরাটা দিয়ে ফাইনালে উঠেছে। আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য এই ফাইনাল ম্যাচে উভয় দল নিজেদের সেরা পারফরম্যান্স প্রদর্শনের জন্য প্রস্তুত।   আর্জেন্টিনা দল এই টুর্নামেন্টে অসাধারণ আত্মবিশ্বাস ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। অধিনায়ক লুকাস মার্টিনেজ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আমরা টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই কঠোর পরিশ্রম করেছি। দলের সবাই একসঙ্গে কাজ করে ফাইনালে পৌঁছেছি। আমাদের লক্ষ্য স্পষ্ট — বিশ্বকাপ জিততে হবে। প্রতিটি ম্যাচের জন্য আমরা আত্মনিয়ন্ত্রণ ও মনোযোগ বজায় রেখেছি এবং আগামী ম্যাচেও তা বজায় রাখব।” আর্জেন্টিনা দলের ফিজিক্যাল ট্রেনার জানান, দল খেলোয়াড়দের ফিটনেস ও মানসিক প্রস্তুতির জন্য বিশেষ অনুশীলন চালাচ্ছে যাতে ফাইনালে তারা চাপ সামলাতে পারে।   অন্যদিকে নেদারল্যান্ডসের কোচ মাইকেল ডি ইয়ং ফাইনালের আগের প্রস্তুতি নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আমাদের দল গত কয়েক মাস ধরে কৌশলগত প্রস্তুতি নিয়েছে। খেলোয়াড়রা মানসিক ও শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আমরা চাই এই বিশ্বকাপে নিজেদের ইতিহাস গড়ে একটি শক্তিশালী ছাপ রেখে যেতে।” কোচ আরো বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধুমাত্র ফাইনালে উঠা নয়, বরং বিশ্বকাপ জয়। আমরা প্রতিপক্ষের দুর্বলতা চিহ্নিত করে নিজেদের পরিকল্পনা সাজাচ্ছি।”   বিশ্বের হকি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবারের ফাইনাল ম্যাচটি গত দশকের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ এবং ঘনিষ্ঠ প্রতিযোগিতা হতে চলেছে। উভয় দলের কৌশল, বল নিয়ন্ত্রণ ও দ্রুতগতির খেলায় যে মেধা প্রদর্শিত হয়েছে, তা ফুটবলের মতো অন্য কোনো খেলার ক্ষেত্রে বিরল। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ফাইনালে দলের মানসিক স্থিতিশীলতা ও চাপ সামলানোর ক্ষমতা বিজয় নির্ধারণে মূল ভূমিকা পালন করবে।   মাঠে উভয় দলের খেলোয়াড়রা দ্রুতগতির পাস, শক্তিশালী ডিফেন্স এবং আক্রমণাত্মক স্ট্র্যাটেজি নিয়ে মাঠ মাতানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। আর্জেন্টিনার স্ট্রাইকারের গতিবেগ এবং নেদারল্যান্ডসের মিডফিল্ডারদের কৌশলগত দক্ষতা ম্যাচে প্রধান আকর্ষণ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়াও গোলরক্ষকদের প্রতিটি সেভ এবং প্রতিপক্ষের আক্রমণ রুখে দেওয়াও ম্যাচের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।   বিশ্বজুড়ে লাখো হকি ভক্ত এই ম্যাচের সরাসরি সম্প্রচার দেখার জন্য অপেক্ষায় আছেন। অনলাইনে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ম্যাচের লাইভ স্ট্রিমিং অনুষ্ঠিত হবে এবং অনেক দেশের টেলিভিশনও সরাসরি সম্প্রচার করবে। হকি প্রেমীরা এই ম্যাচ থেকে দারুণ উত্তেজনা, দক্ষতা এবং খেলা উপভোগ করার আশা করছে।   মাঠের বাইরেও ভক্তদের জন্য বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ফ্যান জোন আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে খেলোয়াড় ও দর্শকরা একত্রে সময় কাটিয়ে খেলার আনন্দ ভাগাভাগি করবেন। এছাড়াও টুর্নামেন্ট পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা না ঘটে এবং খেলা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়।   বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে দুই দলের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করে আগামী দিনে বিশ্ব হকির নতুন ধারার রূপরেখা নির্ধারণ করা হবে। এই ম্যাচের ফলাফল আগামী দশক ধরে হকির কৌশলগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।   এই প্রতিযোগিতা বিশ্বের সর্বোচ্চ মানের হকি টুর্নামেন্ট হওয়ায় এর প্রতি ভক্তদের আগ্রহ ও উন্মাদনা সত্যিই অবিশ্বাস্য। সবাই আশা করছেন, আগামীকালের ফাইনাল হবে একটি স্মরণীয় খেলা, যেখানে স্পোর্টসম্যানশিপ, দক্ষতা ও উত্তেজনা থাকবে সর্বোচ্চ মাত্রায়।

Top week

বগুড়ায় সার ডিলার নিয়োগে ‘এমপি কোটা’র অভিযোগ
জাতীয়

বগুড়ায় সার ডিলার নিয়োগে ‘এমপি কোটা’র অভিযোগ

News সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬ 0