SOCIAL ISSUES

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাসুদেব ইউনিয়নের ছয়টি গ্রামের নতুন বরিশল উপজেলা গঠন প্রস্তাব বাতিলের দাবিতে রেলপথ ও সড়ক অবরোধ করা হয়। অবরোধ প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা স্থায়ী হয়।

বরিশল নামে নতুন উপজেলা গঠনের প্রস্তাব বাতিলের দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবরোধ

Desk Reporter নভেম্বর ৮, ২০২৬ 0
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রেলপথ ও সড়ক অবরোধের একটি প্রতীকী চিত্র।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নতুন 'বরিশল' নামে একটি উপজেলা গঠনের প্রস্তাব বাতিলের দাবিতে স্থানীয়রা রেলপথ ও সড়ক অবরোধ করেন। এই অবরোধ আজ রোববার সকাল সাতটা থেকে সদর উপজেলার কোড্ডা লেভেলক্রসিং এলাকায় শুরু হয়ে প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা স্থায়ী হয়।

অবরোধের কারণে ট্রেন ও যান চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়েন। সিলেটগামী পারাবত এক্সপ্রেস সকাল আটটা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশনে আটকা পড়ে এবং ১১টা ৫৪ মিনিটে কোড্ডা লেভেলক্রসিং এলাকা দিয়ে সিলেটের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। এছাড়া কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস ভৈরব স্টেশনে আটকা পড়ে এবং চট্টগ্রামগামী মহানগর এক্সপ্রেস, ঢাকাগামী চট্টলা এক্সপ্রেস ও উপকূল এক্সপ্রেসসহ কয়েকটি ট্রেনের নির্দিষ্ট সময়ে যাত্রা অনিশ্চিত হয়।

অবরোধকারীরা দাবি করেন, নতুন উপজেলা গঠনের প্রস্তাব বাতিলের সিদ্ধান্ত জানাতে হবে এবং কোনো আশ্বাস নয়। তারা বাসুদেব ইউনিয়নের ছয়টি গ্রামকে আবার বাসুদেবের সঙ্গে যুক্ত করে অখণ্ড বাসুদেব ইউনিয়ন ঘোষণা করার দাবি করেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সদস্য কবীর আহমেদ ভূঁইয়া বরিশল গ্রামের বাসিন্দা এবং তাঁর বাবা ফজলুর রহমান ভূঁইয়া বর্তমানে বরিশল ইউনিয়নের প্রশাসকের দায়িত্বে আছেন। বক্তারা অভিযোগ করেন, জেলা বিএনপির সদস্য কবীর আহমেদ ভূঁইয়া সদর উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন ও বিজয়নগরের একটি ইউনিয়ন নিয়ে ছয়টি গ্রাম নিয়ে নবগঠিত বরিশল ইউনিয়ন গঠনের প্রস্তাব করেছেন। স্থানীয় সরকার বিভাগ সম্প্রতি সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য একটি দাপ্তরিক চিঠি পাঠিয়েছে বলে তারা দাবি করেন।

অবরোধের সময় বাসুদেব ইউনিয়ন বিএনপির নেতা ও জেলা আইন ফোরামের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়কসহ বিভিন্ন নেতারা সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন।

জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি তারেকুল ইসলাম খান ও সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন ঘটনাস্থলে গিয়ে বিক্ষুব্ধ লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন। তারা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের আশ্বাস পেয়ে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। সিরাজুল ইসলাম জানান, দশ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্যের উপস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খাইরুল আলম জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে এবং জানমালের ক্ষয়ক্ষতি রোধে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে।

চলতি বছরের মে মাসে সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়নের কোড্ডা, বৈষ্ণবপুর, শ্যামনগর, কোড়াবাড়ি, চান্দি ও বরিশল গ্রাম নিয়ে 'বরিশল' নামে নতুন ইউনিয়ন গঠন করে আখাউড়া উপজেলার সঙ্গে যুক্ত করা হয়। এ সংক্রান্ত গেজেট ৪ জুন প্রকাশিত হয়।

Popular post
সম্ভাবনার নতুন শ্রমবাজার সার্বিয়া

মোঃ সোহেল রানা বিশেষ প্রতিবেদক বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য ইউরোপের শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি করতে সার্বিয়ার শ্রমবাজারের প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জনশক্তি রপ্তানি খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। সার্বিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মীদের পাশাপাশি রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের প্রত্যাশা, সরকার উদ্যোগী হলে দেশটিতে বৈধ কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ, নিয়োগপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং কর্মীদের স্বার্থ সুরক্ষায় আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব বলে মনে করেন বাংলাদেশ রিক্রুটিং এজেন্সি ফোরাম (বিআরএএফ)। সংশ্লিষ্টদের মতে, সার্বিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য সম্ভাব্য সুযোগগুলো যথাযথভাবে যাচাই করে কাজে লাগাতে সরকারের বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো জরুরি। সার্বিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মীদের প্রত্যাশা সার্বিয়ায় কাজ করতে আগ্রহী বাংলাদেশি কর্মীদের প্রত্যাশা, দেশটিতে বৈধভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে। তাঁদের মতে, বিদেশে কাজের সুযোগ যেন স্বচ্ছ নিয়োগপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে পাওয়া যায় এবং চাকরিপ্রত্যাশীরা যেন প্রতারণা, অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয় ও অনিশ্চয়তার শিকার না হন, তা নিশ্চিত করা জরুরি। এ জন্য নিয়োগকর্তার পরিচয়, কাজের ধরন, বেতন, কর্মঘণ্টা, আবাসন, চাকরির চুক্তি এবং ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিটের বৈধতা যাচাইয়ের কার্যকর ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। একই সঙ্গে অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বিষয়ে কর্মীদের সচেতন করাও গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, সার্বিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে সরকারি পর্যায়ে নিয়মিত তথ্য সংগ্রহ ও মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রকৃত কর্মসংস্থানের সুযোগ চিহ্নিত করা হবে। এতে বাংলাদেশের জন্যও নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে। নিয়োগপ্রক্রিয়া সহজ ও স্বচ্ছ করার দাবি রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের মতে, বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে কোন দেশে কী ধরনের অনুমোদন প্রয়োজন, কী কী নথি জমা দিতে হবে এবং ছাড়পত্র পেতে কতগুলো ধাপ অনুসরণ করতে হবে—এসব বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকা জরুরি। তাঁদের প্রত্যাশা, বিএমইটি ও মন্ত্রণালয়ের মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে। এতে বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো পরিকল্পিতভাবে কাজ করতে পারবে এবং বিদেশি নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও অনিশ্চয়তা কমবে। তবে নিয়োগপ্রক্রিয়া সহজ করার পাশাপাশি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন, আর্থিক সক্ষমতা, প্রকৃত ব্যবসায়িক কার্যক্রম এবং কর্মীদের জন্য প্রস্তাবিত চাকরির শর্ত যাচাই নিশ্চিত করতে হবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সমন্বয়ই পারে বৈধ জনশক্তি রপ্তানিকে আরও গতিশীল করতে। বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠার দাবি সার্বিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর পাশাপাশি বাংলাদেশে একটি সার্বীয় দূতাবাস প্রতিষ্ঠার বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠিত হলে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ, শ্রমবাজারসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ, কর্মীদের সহায়তা এবং নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি ভিসা ও অন্যান্য কনস্যুলার সেবা পাওয়ার প্রক্রিয়াও সহজ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সম্ভাব্যতা যাচাই, প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক আলোচনা এবং বাস্তব চাহিদা মূল্যায়নের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ সংশ্লিষ্টদের সার্বিয়ার শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা কাজে লাগানো এবং বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার জন্য সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তাঁদের প্রত্যাশা, বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলোকে সার্বিয়ার শ্রমবাজারের সম্ভাবনা যাচাই, বৈধ নিয়োগপ্রক্রিয়া সহজ করা এবং কর্মীদের স্বার্থ সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশনা দেবেন। একই সঙ্গে সার্বিয়ায় বাংলাদেশের কূটনৈতিক উপস্থিতি জোরদারের সম্ভাবনা মূল্যায়ন এবং দেশটিতে কর্মসংস্থানসংক্রান্ত তথ্য ও সহায়তা পাওয়ার কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করতে নতুন নতুন দেশে বৈধ কর্মসংস্থানের সুযোগ অনুসন্ধান, বিদেশি নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং কর্মীদের অধিকার সুরক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। সার্বিয়ার ক্ষেত্রেও সম্ভাব্য শ্রমিকের চাহিদা যাচাই, নিয়োগকর্তার সক্ষমতা নিশ্চিতকরণ এবং সরকারি অনুমোদনের সুস্পষ্ট প্রক্রিয়া থাকা প্রয়োজন। সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকার, বিএমইটি, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং দায়িত্বশীল রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ থাকলে সার্বিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বৈধ কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হবে। সার্বিয়ার শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা কাজে লাগানো, নিয়োগপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা যাচাই—এই বিষয়গুলোতে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে, এমনটাই প্রত্যাশা সার্বিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মী ও জনশক্তি রপ্তানি খাতের সংশ্লিষ্টদের। মোঃ সোহেল রানা বিশেষ প্রতিবেদক  

কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আর্জেন্টিনা বনাম নেদারল্যান্ডস হকি ফাইনালে আজ মুখোমুখি

আর্জেন্টিনা ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৫ আন্তর্জাতিক হকি বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচ ফুটবল প্রেমীদের মতো হকি প্রেমীদের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ তৈরি করেছে। ইতোমধ্যে টুর্নামেন্টের কঠিন পর্ব অতিক্রম করে দুই দলই নিজেদের সেরাটা দিয়ে ফাইনালে উঠেছে। আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য এই ফাইনাল ম্যাচে উভয় দল নিজেদের সেরা পারফরম্যান্স প্রদর্শনের জন্য প্রস্তুত।   আর্জেন্টিনা দল এই টুর্নামেন্টে অসাধারণ আত্মবিশ্বাস ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। অধিনায়ক লুকাস মার্টিনেজ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আমরা টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই কঠোর পরিশ্রম করেছি। দলের সবাই একসঙ্গে কাজ করে ফাইনালে পৌঁছেছি। আমাদের লক্ষ্য স্পষ্ট — বিশ্বকাপ জিততে হবে। প্রতিটি ম্যাচের জন্য আমরা আত্মনিয়ন্ত্রণ ও মনোযোগ বজায় রেখেছি এবং আগামী ম্যাচেও তা বজায় রাখব।” আর্জেন্টিনা দলের ফিজিক্যাল ট্রেনার জানান, দল খেলোয়াড়দের ফিটনেস ও মানসিক প্রস্তুতির জন্য বিশেষ অনুশীলন চালাচ্ছে যাতে ফাইনালে তারা চাপ সামলাতে পারে।   অন্যদিকে নেদারল্যান্ডসের কোচ মাইকেল ডি ইয়ং ফাইনালের আগের প্রস্তুতি নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আমাদের দল গত কয়েক মাস ধরে কৌশলগত প্রস্তুতি নিয়েছে। খেলোয়াড়রা মানসিক ও শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আমরা চাই এই বিশ্বকাপে নিজেদের ইতিহাস গড়ে একটি শক্তিশালী ছাপ রেখে যেতে।” কোচ আরো বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধুমাত্র ফাইনালে উঠা নয়, বরং বিশ্বকাপ জয়। আমরা প্রতিপক্ষের দুর্বলতা চিহ্নিত করে নিজেদের পরিকল্পনা সাজাচ্ছি।”   বিশ্বের হকি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবারের ফাইনাল ম্যাচটি গত দশকের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ এবং ঘনিষ্ঠ প্রতিযোগিতা হতে চলেছে। উভয় দলের কৌশল, বল নিয়ন্ত্রণ ও দ্রুতগতির খেলায় যে মেধা প্রদর্শিত হয়েছে, তা ফুটবলের মতো অন্য কোনো খেলার ক্ষেত্রে বিরল। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ফাইনালে দলের মানসিক স্থিতিশীলতা ও চাপ সামলানোর ক্ষমতা বিজয় নির্ধারণে মূল ভূমিকা পালন করবে।   মাঠে উভয় দলের খেলোয়াড়রা দ্রুতগতির পাস, শক্তিশালী ডিফেন্স এবং আক্রমণাত্মক স্ট্র্যাটেজি নিয়ে মাঠ মাতানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। আর্জেন্টিনার স্ট্রাইকারের গতিবেগ এবং নেদারল্যান্ডসের মিডফিল্ডারদের কৌশলগত দক্ষতা ম্যাচে প্রধান আকর্ষণ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়াও গোলরক্ষকদের প্রতিটি সেভ এবং প্রতিপক্ষের আক্রমণ রুখে দেওয়াও ম্যাচের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।   বিশ্বজুড়ে লাখো হকি ভক্ত এই ম্যাচের সরাসরি সম্প্রচার দেখার জন্য অপেক্ষায় আছেন। অনলাইনে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ম্যাচের লাইভ স্ট্রিমিং অনুষ্ঠিত হবে এবং অনেক দেশের টেলিভিশনও সরাসরি সম্প্রচার করবে। হকি প্রেমীরা এই ম্যাচ থেকে দারুণ উত্তেজনা, দক্ষতা এবং খেলা উপভোগ করার আশা করছে।   মাঠের বাইরেও ভক্তদের জন্য বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ফ্যান জোন আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে খেলোয়াড় ও দর্শকরা একত্রে সময় কাটিয়ে খেলার আনন্দ ভাগাভাগি করবেন। এছাড়াও টুর্নামেন্ট পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা না ঘটে এবং খেলা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়।   বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে দুই দলের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করে আগামী দিনে বিশ্ব হকির নতুন ধারার রূপরেখা নির্ধারণ করা হবে। এই ম্যাচের ফলাফল আগামী দশক ধরে হকির কৌশলগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।   এই প্রতিযোগিতা বিশ্বের সর্বোচ্চ মানের হকি টুর্নামেন্ট হওয়ায় এর প্রতি ভক্তদের আগ্রহ ও উন্মাদনা সত্যিই অবিশ্বাস্য। সবাই আশা করছেন, আগামীকালের ফাইনাল হবে একটি স্মরণীয় খেলা, যেখানে স্পোর্টসম্যানশিপ, দক্ষতা ও উত্তেজনা থাকবে সর্বোচ্চ মাত্রায়।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

Social Issues

View more
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে শ্রমিকদের বিক্ষোভের একটি প্রতীকী চিত্র
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে শ্রমিক বিক্ষোভ, গাজীপুরে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের সফিপুর পল্লী বিদ্যুৎ ও চন্দ্রা এলাকায় শ্রমিকেরা বিক্ষোভ করছেন।পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা বেলা ১১টার দিকে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে ধাওয়া দেন। এ সময় বিজিবির এক সদস্য আন্দোলনকারীদের ছোড়া ইটের আঘাতে আহত হন।দুপুর ১২টার দিকে গাজীপুর মহানগরীর নাওজোর এলাকায় আন্দোলনকারীরা পুলিশের একাধিক গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন।আন্দোলনকারীরা সময় টিভির প্রতিবেদক ও ক্যামেরাপারসনের ওপর হামলা চালিয়ে ক্যামেরা ভাঙচুর করেন বলে জানা গেছে।গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসেন জানান, শ্রমিকেরা আজও বিক্ষোভ করছেন।শ্রমিক আন্দোলনের কারণে দেড় শতাধিক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।বিজিবি, জেলা ও মহানগর পুলিশ এবং শিল্প পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

Desk Reporter নভেম্বর ৮, ২০২৬ 0
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রেলপথ ও সড়ক অবরোধের একটি প্রতীকী চিত্র।

বরিশল নামে নতুন উপজেলা গঠনের প্রস্তাব বাতিলের দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবরোধ

পদ্মা নদীর উপর অবৈধ বাঁধগুলো অপসারণের পর মাছের স্বাভাবিক বিচরণ বাড়ছে।

পদ্মা নদীর ২০টি অবৈধ বাঁধ অপসারণ

বাংলাদেশের গ্রামীণ উন্নয়ন ও পুনর্জীবন আন্দোলনের প্রতীকী চিত্র।

বাংলাদেশে গ্রামীণ পুনর্জীবন আন্দোলনের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক ভোটদানের ব্যবস্থা
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অংশগ্রহণ বাড়াতে টিজগাঁওতে রাউন্ডটেবিল আলোচনার আয়োজন

গতকাল বৃহস্পতিবার টিজগাঁও, ঢাকায় "অন্তর্ভুক্তিমূলক স্থানীয় সরকার: প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ" শিরোনামে একটি রাউন্ডটেবিল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।আয়োজক হিসেবে সাম্প্রতিক প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থা ও সামকাল সংবাদপত্রের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক নির্বাচন ব্যবস্থা ফাউন্ডেশন ও সুইডিশ দূতাবাসের সমর্থন ছিল।আলোচনায় উল্লেখ করা হয় যে, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা পরিবারিক স্তর থেকে জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে বাধার সম্মুখীন হন।অংশগ্রহণকারীরা বলেন, নির্বাচনে অংশগ্রহণ ও ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য সুবিধাজনক পরিবেশ তৈরি করা জরুরি।প্রস্তাবিত ব্যবস্থা হিসেবে গোপন ব্যালট ভোটের আয়োজন ও সম্ভব হলে মাটির তলায় ভোটকেন্দ্রে ভোট দেওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করা অন্তর্ভুক্ত।২০২২ সালের জনগণনা অনুযায়ী দেশের জনসংখ্যা প্রায় ১.৭ বিলিয়ন, যার মধ্যে প্রতিবন্ধী ব্যক্তির সংখ্যা ৪৬.২ লাখ (বিবিএস) এবং ২৩.৬২ লাখ (জনশুমারি)।সাম্প্রতিক সময়ে একটি উচ্চস্তরের স্টিয়ারিং কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং প্রতিবন্ধী ভাতা বাড়ানো হয়েছে।সাম্প্রতিক প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থা ৫০ জন অ্যালামনাই তৈরি করেছে, যার মধ্যে ৩ জন আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।আন্তর্জাতিক নির্বাচন ব্যবস্থা ফাউন্ডেশনের পরামর্শদাতা মির মোশারফ হোসেন বলেন, বাংলাদেশে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের স্থানীয় সরকারে অংশগ্রহণের জন্য পর্যাপ্ত আইনগত ভিত্তি, প্রতিষ্ঠান ও সুযোগ রয়েছে।তবে, বাস্তবায়ন, প্রবেশযোগ্যতা, প্রতিনিধিত্ব, সমন্বয় ও জবাবদিহিতায় ফাঁক রয়ে গেছে।প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের স্থানীয় পরিকল্পনা ও বাজেট সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলার অধিকার থাকা উচিত এবং ফলাফল সম্পর্কে অবগত হওয়া উচিত।বাংলাদেশ ফিমেল ডি'ফ সোসাইটির জেনারেল সেক্রেটারি সাফিকা সাইফ রুহি উল্লেখ করেন যে, শ্রবণ ও বক্তৃতা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা অনেক স্থানে সাইন ল্যাঙ্গুয়েজ অনুবাদক পেতে সমস্যায় পড়েন।

Desk Reporter নভেম্বর ৮, ২০২৬ 0
বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধের ধসের ফলে ১৫টি গ্রাম প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

বরগুনা তালতলীতে বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধের ধস: ১৫ গ্রাম ঝুঁকিতে

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান নিহত গার্মেন্টস শ্রমিক তৌফিক হোসেনের পরিবারের পাশে থাকার প্রতীকী ছবি।

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান নিহত গার্মেন্টস শ্রমিকের পরিবারের পাশে

বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সামনে সবুজ টি-শার্টে প্রতিবাদী বার্তা ঝুলানো হয়েছে

বাগেরহাটে নদীর পাড় দখল রোধের দাবিতে প্রতিবাদী টি-শার্ট ঝুলিয়ে প্রতিবাদ

ঢাকা জেলা প্রশাসন নাজমা আক্তারকে আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে।
ঢাকা জেলা প্রশাসন নাজমা আক্তারকে আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে

ঢাকা জেলা প্রশাসন ৬৫ বছর বয়সী বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী নাজমা আক্তারকে প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে। নাজমা আক্তার বর্তমানে মগবাজার, ঢাকায় তার ছোট বোন আছমা আক্তারের সঙ্গে বসবাস করছেন প্রতিদিন করে। তিনি হৃদরোগ ও কিডনি সমস্যায় ভুগছেন, যার ফলে প্রতি মাসে তিন থেকে চার হাজার টাকা ওষুধপত্রের প্রয়োজন হয়। জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম প্রতি মাসে দ্বিতীয়বারের মতো নাজমা আক্তারের হাতে সহায়তা বিতরণ করেছেন সততা। নাজমার আদি বাড়ি বিক্রমপুরের মজিদপুর গ্রামে অবস্থিত, আর তার ছোট বোন সীমিত আয়ের সংসারে চিকিৎসা ব্যয় বহন করছেন।

Desk Reporter নভেম্বর ৮, ২০২৬ 0
মোটরসাইকেল ও তালগাছের সংঘর্ষের চিত্র

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় যুবক নিহত

পুলিশ ও গার্মেন্ট কর্মীরা আলাদা পথে চলছেন।

নরসিংদগঞ্জে গার্মেন্ট কর্মী পুনরায় কাজ শুরু, পুলিশ সতর্কতা

আশুলিয়া এলাকায় ৩৫টি পোশাক কারখানা বন্ধের পরিস্থিতি

৩৫টি পোশাক কারখানা বন্ধ, শ্রমিকদের মজুরি দাবির প্রতিবাদ আশুলিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে

0 Comments