অপরাধ

অফিসার্স ক্লাব থেকে সাবেক সচিবের মরদেহ উদ্ধার

জানিফ হাসান অক্টোবর ১৭, ২০২৬ 0
অফিসার্স ক্লাব থেকে সাবেক সচিবের মরদেহ উদ্ধার
মো. মোশাররফ হোসেনের মরদেহ উদ্ধার

 

রাজধানীর রমনায় অবস্থিত অফিসার্স ক্লাবের ভেতরে নির্মাণাধীন ভবন থেকে সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. মোশাররফ হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বেলা পৌনে ১২টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।


অফিসার্স ক্লাব সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে মোশাররফ হোসেন তার ছোট মেয়েকে নিয়ে অফিসার্স ক্লাবে প্রবেশ করেন। পরে সেখানে নির্মাণাধীন একটি ভবনের পাশে সামনের সুইমিংপুলে মেয়েকে দিয়ে তিনি ভবনের ভেতরে যান। ঘণ্টাখানেক পর নিচতলায় সিঁড়ির পাশে রক্তাক্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মোশাররফ হোসেন অফিসার্স ক্লাবের সদস্য। তিনি বনানীর একটি বাড়িতে পরিবারসহ বসবাস করতেন।

পারিবারিক সূত্র জানায়, তার বড় মেয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন। তিনি বাংলাদেশে এলে তার বাবা মোশাররফ হোসেনের দাফনকাজ সম্পন্ন করা হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) শেখ জাহিদুল ইসলাম বলেন, সকালে সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. মোশাররফ হোসেন তার ছোট মেয়েকে নিয়ে অফিসার্স ক্লাবের সুইমিংপুলে যান। তিনি চোখে কম দেখতেন। ওই ভবনের তৃতীয় তলা থেকে নিচতলার ফাঁকা অংশে পড়ে যান। সেখানে মরদেহের সুরতহাল সম্পন্ন করেছি।

ডিসি জাহিদুল বলেন, এ বিষয়ে তার পরিবার ময়নাতদন্ত করতে না চাওয়ায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

আর্জেন্টিনা বনাম নেদারল্যান্ডস হকি ফাইনালে আজ মুখোমুখি

আর্জেন্টিনা ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৫ আন্তর্জাতিক হকি বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচ ফুটবল প্রেমীদের মতো হকি প্রেমীদের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ তৈরি করেছে। ইতোমধ্যে টুর্নামেন্টের কঠিন পর্ব অতিক্রম করে দুই দলই নিজেদের সেরাটা দিয়ে ফাইনালে উঠেছে। আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য এই ফাইনাল ম্যাচে উভয় দল নিজেদের সেরা পারফরম্যান্স প্রদর্শনের জন্য প্রস্তুত।   আর্জেন্টিনা দল এই টুর্নামেন্টে অসাধারণ আত্মবিশ্বাস ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। অধিনায়ক লুকাস মার্টিনেজ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আমরা টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই কঠোর পরিশ্রম করেছি। দলের সবাই একসঙ্গে কাজ করে ফাইনালে পৌঁছেছি। আমাদের লক্ষ্য স্পষ্ট — বিশ্বকাপ জিততে হবে। প্রতিটি ম্যাচের জন্য আমরা আত্মনিয়ন্ত্রণ ও মনোযোগ বজায় রেখেছি এবং আগামী ম্যাচেও তা বজায় রাখব।” আর্জেন্টিনা দলের ফিজিক্যাল ট্রেনার জানান, দল খেলোয়াড়দের ফিটনেস ও মানসিক প্রস্তুতির জন্য বিশেষ অনুশীলন চালাচ্ছে যাতে ফাইনালে তারা চাপ সামলাতে পারে।   অন্যদিকে নেদারল্যান্ডসের কোচ মাইকেল ডি ইয়ং ফাইনালের আগের প্রস্তুতি নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আমাদের দল গত কয়েক মাস ধরে কৌশলগত প্রস্তুতি নিয়েছে। খেলোয়াড়রা মানসিক ও শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আমরা চাই এই বিশ্বকাপে নিজেদের ইতিহাস গড়ে একটি শক্তিশালী ছাপ রেখে যেতে।” কোচ আরো বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধুমাত্র ফাইনালে উঠা নয়, বরং বিশ্বকাপ জয়। আমরা প্রতিপক্ষের দুর্বলতা চিহ্নিত করে নিজেদের পরিকল্পনা সাজাচ্ছি।”   বিশ্বের হকি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবারের ফাইনাল ম্যাচটি গত দশকের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ এবং ঘনিষ্ঠ প্রতিযোগিতা হতে চলেছে। উভয় দলের কৌশল, বল নিয়ন্ত্রণ ও দ্রুতগতির খেলায় যে মেধা প্রদর্শিত হয়েছে, তা ফুটবলের মতো অন্য কোনো খেলার ক্ষেত্রে বিরল। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ফাইনালে দলের মানসিক স্থিতিশীলতা ও চাপ সামলানোর ক্ষমতা বিজয় নির্ধারণে মূল ভূমিকা পালন করবে।   মাঠে উভয় দলের খেলোয়াড়রা দ্রুতগতির পাস, শক্তিশালী ডিফেন্স এবং আক্রমণাত্মক স্ট্র্যাটেজি নিয়ে মাঠ মাতানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। আর্জেন্টিনার স্ট্রাইকারের গতিবেগ এবং নেদারল্যান্ডসের মিডফিল্ডারদের কৌশলগত দক্ষতা ম্যাচে প্রধান আকর্ষণ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়াও গোলরক্ষকদের প্রতিটি সেভ এবং প্রতিপক্ষের আক্রমণ রুখে দেওয়াও ম্যাচের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।   বিশ্বজুড়ে লাখো হকি ভক্ত এই ম্যাচের সরাসরি সম্প্রচার দেখার জন্য অপেক্ষায় আছেন। অনলাইনে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ম্যাচের লাইভ স্ট্রিমিং অনুষ্ঠিত হবে এবং অনেক দেশের টেলিভিশনও সরাসরি সম্প্রচার করবে। হকি প্রেমীরা এই ম্যাচ থেকে দারুণ উত্তেজনা, দক্ষতা এবং খেলা উপভোগ করার আশা করছে।   মাঠের বাইরেও ভক্তদের জন্য বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ফ্যান জোন আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে খেলোয়াড় ও দর্শকরা একত্রে সময় কাটিয়ে খেলার আনন্দ ভাগাভাগি করবেন। এছাড়াও টুর্নামেন্ট পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা না ঘটে এবং খেলা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়।   বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে দুই দলের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করে আগামী দিনে বিশ্ব হকির নতুন ধারার রূপরেখা নির্ধারণ করা হবে। এই ম্যাচের ফলাফল আগামী দশক ধরে হকির কৌশলগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।   এই প্রতিযোগিতা বিশ্বের সর্বোচ্চ মানের হকি টুর্নামেন্ট হওয়ায় এর প্রতি ভক্তদের আগ্রহ ও উন্মাদনা সত্যিই অবিশ্বাস্য। সবাই আশা করছেন, আগামীকালের ফাইনাল হবে একটি স্মরণীয় খেলা, যেখানে স্পোর্টসম্যানশিপ, দক্ষতা ও উত্তেজনা থাকবে সর্বোচ্চ মাত্রায়।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

অপরাধ

View more
বন অধিদপ্তরে কালো বিড়ালের থাবা—প্রকল্পের নামে শত শত কোটি টাকা লোপাট!
বন অধিদপ্তরে কালো বিড়ালের থাবা—প্রকল্পের নামে শত শত কোটি টাকা লোপাট!

  বন অধিদপ্তরে কর্মকর্তাদের পদায়ন ও বদলিতে ঘুষের নির্ধারিত দর থাকার তথ্য পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুই বছরের জন্য প্রথম শ্রেণির বিভাগীয় বন কর্মকর্তা পদায়নে ৫০ লাখ টাকা, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ৩০ লাখ এবং তৃতীয় শ্রেণিতে ২০ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া রেঞ্জ কর্মকর্তা ও চেকপোস্টের স্টেশন কর্মকর্তা পদায়নেও রয়েছে নির্ধারিত ঘুষের হার। এমনকি নির্ধারিত মেয়াদ শেষে নতুন পদায়ন না হওয়া পর্যন্ত কর্মকর্তাদের মাসিক মাসোহারা দেওয়ারও অভিযোগ পেয়েছে সংস্থাটি। তবে এসব অভিযোগে দেড় বছর আগে অভিযান চালিয়ে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করলেও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি সংস্থাটি। এছাড়া পাখি আমদানির আড়ালে শত শত কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে বন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে নতুন করে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক। এ অভিযোগে প্রধান বন সংরক্ষকের কার্যালয় থেকে শুরু করে বন বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের যোগসাজশ খতিয়ে দেখা হবে। বন অধিদপ্তরের বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম, বরাদ্দের অর্থ আত্মসাৎ এবং বদলি-পদায়নসহ সার্বিক কার্যক্রমে দুর্নীতির অভিযোগে ২০২৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি বন ভবনে অভিযান চালায় সংস্থাটির এনফোর্সমেন্ট টিম। অভিযানে প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী, উপপ্রধান বন সংরক্ষক ও টেকসই বন ও জীবিকা (সুফল) প্রকল্পের পরিচালক গোবিন্দ রায়সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সংগ্রহ করা হয় বিভিন্ন নথিপত্র ও তথ্য-উপাত্ত। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুদকের মুখপাত্র ও উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম বলেন, এসব বিষয়ে দুদকে অনুসন্ধান ও তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে। দুদকের এনফোর্সমেন্ট প্রতিবেদনে বলা হয়, বন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বদলি ও পদায়ন হওয়ার কথা ২০০৪ সালের বদলি-সংক্রান্ত নীতিমালা অনুযায়ী। তবে বাস্তবে বনাঞ্চলের বিভিন্ন রেঞ্জ, স্টেশন ও বিভাগীয় বন বিভাগকে শ্রেণিভেদে ভাগ করে পদায়নের ক্ষেত্রে ঘুস নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, দুই বছরের জন্য প্রথম শ্রেণির রেঞ্জ কর্মকর্তা পদায়নে ১৫ লাখ টাকা, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ১০ লাখ এবং তৃতীয় শ্রেণিতে পাঁচ লাখ টাকা নেওয়া হতো। এক বছরের জন্য প্রথম শ্রেণির চেকপোস্টে স্টেশন কর্মকর্তা পদায়নে ২০ লাখ, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ১০ লাখ এবং তৃতীয় শ্রেণিতে পাঁচ লাখ টাকা নেওয়ার তথ্য পেয়েছে দুদক। অন্যদিকে, দুই বছরের জন্য প্রথম শ্রেণির বিভাগীয় বন কর্মকর্তা পদায়নে ৫০ লাখ, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ৩০ লাখ এবং তৃতীয় শ্রেণিতে ২০ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নতুন পদায়ন না হওয়া পর্যন্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা, চেকপোস্টের স্টেশন কর্মকর্তা ও বিভাগীয় বন কর্মকর্তাদের মাসিক মাসোহারা দিতে হতো বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নির্ধারিত নীতিমালা লঙ্ঘন করে অর্থের বিনিময়ে বদলি ও পদায়ন করা হতো। এ ব্যবস্থার সঙ্গে বন অধিদপ্তরের একটি সিন্ডিকেট জড়িত থাকার তথ্যও অভিযানে উঠে আসে। বন অধিদপ্তরের দেড় হাজার কোটি টাকার সুফল প্রকল্পেও অনিয়মের অভিযোগ অনুসন্ধানাধীন রয়েছে দুদকে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়িত এ প্রকল্পের আওতায় কক্সবাজারের রামু উপজেলার জোয়ারিয়ানালা রেঞ্জের জোয়ারিয়ানালা বিটে ২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মোট ৮৭২ হেক্টর এলাকায় নার্সারি ও বনায়ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। দুদকের এনফোর্সমেন্ট প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৫১০ হেক্টর এলাকায় বাগান সৃজনের বরাদ্দ থাকলেও বাস্তবে আনুমানিক ১৬০ হেক্টরে চারা লাগানো হয়েছিল। বাকি এলাকায় বনায়ন না করে শুধু সীমানা নির্ধারণের জন্য দুই সারি চারা লাগানোর অভিযোগ পাওয়া যায়। কোথাও কোথাও চারা রোপণ না করেই বরাদ্দের অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যেসব এলাকায় বাগান করা হয়েছিল, সেখানেও নিয়মিত পরিচর্যা, আগাছা পরিষ্কার, সার ও কীটনাশক প্রয়োগ এবং রক্ষণাবেক্ষণের ঘাটতি ছিল। ফলে অনেক চারা প্রথম বছরেই মারা যায়। কোনো কোনো এলাকায় বাগানের অস্তিত্ব না থাকলেও সাইনবোর্ডে চারার সংখ্যা ও গাছের প্রজাতির বিবরণ দেওয়া ছিল। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আরও ৩৬২ হেক্টর এলাকায় বনায়ন ও নার্সারি সৃজনের উদ্যোগেও একই ধরনের অনিয়মের চিত্র পাওয়া যায়। প্রতিবেদনে এসব অনিয়মের জন্য সংশ্লিষ্ট রেঞ্জ কর্মকর্তা ও প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দায়ের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সুফল প্রকল্পের পরিচালক গোবিন্দ রায় ও প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট অন্য কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সুপারিশ করে এনফোর্সমেন্ট প্রতিবেদন দাখিল করে দুদক। বন বিভাগের অসাধু কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগসাজশে পাখি আমদানির আড়ালে শত শত কোটি টাকা পাচারের অভিযোগেও অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক। এ অনুসন্ধানে অভিযোগ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও বন বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হবে। হিসাবকরুন দুদকের নথিতে বলা হয়েছে, অভিযোগটি অনুসন্ধানের জন্য একজন অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা এবং পরিচালককে (মানিলন্ডারিং) তদারককারী কর্মকর্তা নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪, দুদক বিধিমালা, ২০০৭, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা, ২০১৯ অনুযায়ী অনুসন্ধান শেষ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

News অক্টোবর ১৭, ২০২৬ 0
অফিসার্স ক্লাব থেকে সাবেক সচিবের মরদেহ উদ্ধার

অফিসার্স ক্লাব থেকে সাবেক সচিবের মরদেহ উদ্ধার

গণপূর্তের গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের দায়িত্বে আওয়ামী লীগ নেতার সন্তান প্রকৌশলী রেজা তৈমূর মালিক

গণপূর্তের গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের দায়িত্বে আওয়ামী লীগ নেতার সন্তান প্রকৌশলী রেজা তৈমূর মালিক

দুর্নীতির মামলায় আবেদপুত্র সিয়ামের ৪ বছরের কারাদণ্ড

দুর্নীতির মামলায় আবেদপুত্র সিয়ামের ৪ বছরের কারাদণ্ড

জুলাই হত্যা মামলায় মাইটিভির সাথী আবারও গ্রেপ্তার
জুলাই হত্যা মামলায় মাইটিভির সাথী আবারও গ্রেপ্তার

  জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ঢাকার মিরপুর-১০ গোলচত্বর এলাকায় দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী মাহফুজুর রহমান হত্যা মামলায় বেসরকারি টিভি চ্যানেল মাইটিভির চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন সাথীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। গত ১৩ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার এসআই আব্দুল ওহিদ তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আদালত আসামির উপস্থিতিতে বৃহস্পতিবার শুনানির দিন ধার্য করেন। এদিন শুনানিকালে নাসির উদ্দিন সাথীকে আদালতে হাজির করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তা তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। রাষ্ট্রপক্ষে প্রসিকিউটর মো. কামরুজ্জামান স্বপন গ্রেপ্তার দেখানোর পক্ষে শুনানি করেন। তিনি বলেন, ‘মাইটিভির চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সাথী আন্দোলনের সময় নিজের টিভি চ্যানেলে আন্দোলনের খবর তুলে না ধরে অন্য বিষয় তুলে ধরেন। এ আসামি ঘটনার সঙ্গে জড়িত মর্মে তদন্তে উঠে এসেছে। তদন্ত কর্মকর্তা গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেছেন। তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর প্রার্থনা করছি।’ নাসির উদ্দিন সাথীকে গ্রেপ্তার না দেখানোর পক্ষে শুনানি করেন ঢাকা বারের সভাপতি আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়া। তিনি বলেন, ‘এ আসামি গত বছরের আগস্ট মাস থেকে গ্রেপ্তার হয়ে জেলে আছেন। এক বছরের বেশি সময় ধরে জেলে। এত দিনেও খবর হয়নি গ্রেপ্তার দেখানোর। আওয়ামী লীগে তার কোনো পদ-পদবি নেই। তিনি অসুস্থ, তাকে গ্রেপ্তার না দেখানোর প্রার্থণা করছি।’ মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই মিরপুর-১০ নম্বরের গোলচত্ত্বর এলাকায় আন্দোলনে অংশ নেন মাহফুজ। দুপুরের দিকে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান তিনি। এ ঘটনায় গত বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৫০ জনের মামলা দায়ের করেন। গত বছরের ১৭ আগস্ট গুলশান এলাকা থেকে নাসির উদ্দিন সাথীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এখন পর্যন্ত তাকে পাঁচ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর তথ্য দিয়েছেন তার আইনজীবী সোহরাব হোসেন রুবেল।

News অক্টোবর ১৫, ২০২৬ 0
ঢাকায় ভারতীয় নাগরিক গ্রেপ্তার, ৪ কেজি কুশ উদ্ধার

ঢাকায় ভারতীয় নাগরিক গ্রেপ্তার, ৪ কেজি কুশ উদ্ধার

ঢাকায় ভারতীয় নাগরিক গ্রেপ্তার, ৪ কেজি কুশ উদ্ধার

ঢাকায় ভারতীয় নাগরিক গ্রেপ্তার, ৪ কেজি কুশ উদ্ধার

বিপুল সম্পদের মালিক ময়মনসিংহের খাদ্য পরিদর্শক খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ

বিপুল সম্পদের মালিক ময়মনসিংহের খাদ্য পরিদর্শক খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ

ধানমন্ডিতে রাস্তায় বয়স্ক ব্যক্তিকে মারধরের ঘটনায় যুবক আটক
ধানমন্ডিতে রাস্তায় বয়স্ক ব্যক্তিকে মারধরের ঘটনায় যুবক আটক

  ধানমন্ডির ইবনে সিনা হাসপাতালের ফটকের সামনের ফুটপাতে বয়স্ক ব্যক্তিকে মারধর এবং কান ধরে ওঠবস করানোর ঘটনায় খালিদ হাসান (৩৫) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ধানমন্ডি মডেল থানাধীন মিনাবাজার এলাকা থেকে আটক করা হয়। তাকে আটকের বিষয়টি  নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) শেখ জাহিদুল ইসলাম। প্রসঙ্গত, গত ১২ অক্টোবর এক তরুণীর স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেওয়ার অভিযোগ ওঠে মারধরের শিকার শহীদ আব্দুল্লাহ আল মাসুদ (৪৮) এর নামে। এটি নিয়ে রাস্তায় হট্টগোল শুরু হলে কয়েকজন পথচারী ওই ব্যক্তিকে মারধর করেন। এ সময় ওই তরুণীও প্রতিবাদ করতে থাকেন। সেই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। তবে, সব ছাপিয়ে আলোচনায় আসে এক যুবকের মারধরের বিষয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে সাদা শার্ট পরা এক যুবককে বয়স্ক ব্যক্তিটিকে চড়থাপ্পড় ও লাথি মারতে দেখা যায়। খালিদ হাসান নামে ওই যুবককেই আটক করেছে পুলিশ। খালিদ হাসান পেশায় প্রাইভেট কোম্পানির গ্রাফিকস ডিজাইনার।

News অক্টোবর ১৪, ২০২৬ 0
আদালতের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও দোকানমালিকদের হয়রানির অভিযোগ, কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এনামুল হক বশিরের বিরুদ্ধে

আদালতের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও দোকানমালিকদের হয়রানির অভিযোগ, কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এনামুল হক বশিরের বিরুদ্ধে

গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামানকে শুনানিতে হাজিরের অনুরোধ

গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামানকে শুনানিতে হাজিরের অনুরোধ

রাজউক পরিচালক রেজাউলের ১৬৮ কোটি টাকার ঋণচুক্তি নিয়ে তোলপাড়, অনুসন্ধানে দুদক

রাজউক পরিচালক রেজাউলের ১৬৮ কোটি টাকার ঋণচুক্তি নিয়ে তোলপাড়, অনুসন্ধানে দুদক

0 Comments