অপরাধ

ঠাকুরগাঁওয়ে মাদকসহ গ্রেপ্তার, যুবকের ৩ মাসের কারাদণ্ড

রতন লাল সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬ 0
ঠাকুরগাঁওয়ে মাদকসহ গ্রেপ্তার, যুবকের ৩ মাসের কারাদণ্ড
২৪ টিউবওয়েল

 

 রহমত আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

ঠাকুরগাঁও শহরের ২৪ টিউবওয়েল এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালিয়ে মাদকসহ মো. আনোয়ার হোসেন খোকন (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।


মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে শহরের ২৪ টিউবওয়েল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার মো. আনোয়ার হোসেন খোকন পঞ্চগড়ের রামেরডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা।


মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, নিয়মিত তল্লাশির অংশ হিসেবে ওই এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহন ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তল্লাশি করা হচ্ছিল। এ সময় আনোয়ার হোসেন খোকনের কাছ থেকে মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হলে তাকে আটক করা হয়।


পরে তাকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইমরান কবিরের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তাকে ৩ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০০ টাকা অর্থদণ্ড দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আনোয়ার হোসেন খোকনকে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 রহমত আরিফ ঠাকুরগাঁও 
০১৭৪০৮৬১০৮০

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

নতুন জোট গঠনের ঘোষণা দিল প্রধান তিন বিরোধী দল

ঢাকা – দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে, যখন দেশের প্রধান তিনটি বিরোধী দল—জাতীয় গণফ্রন্ট, উন্নয়ন পার্টি ও জননেতা পরিষদ—আজ এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ‘গণঐক্য জোট’ নামে একটি নতুন রাজনৈতিক জোট গঠনের ঘোষণা দিয়েছে। এই জোটের মুখ্য লক্ষ্য হলো আগাম জাতীয় সংসদ নির্বাচন আদায় করা, বর্তমান সরকারের পদত্যাগ দাবি এবং একটি নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ভোট আয়োজন নিশ্চিত করা। জাতীয় গণফ্রন্টের সভাপতি শহীদুল হক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “দেশে এখন গণতন্ত্র নেই, জনগণের ভোটাধিকার নেই। তাই আমাদের এই ঐক্য—সত্যিকার অর্থে একটি গণআন্দোলনের সূচনা।” জোটের কর্মসূচি জোট নেতারা জানান, আগামী মাস থেকে সারা দেশে বিক্ষোভ, গণঅবস্থান, মানববন্ধন এবং জেলা পর্যায়ে গণসংলাপ কর্মসূচি শুরু হবে। তারা বলেছেন, এই জোট শুধুমাত্র সরকারবিরোধী নয়, বরং এটি একটি ভবিষ্যত রাজনৈতিক বিকল্প হিসেবেও কাজ করবে। সরকারের প্রতিক্রিয়া সরকারি দলের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি, তবে অঘোষিতভাবে কয়েকজন শীর্ষ নেতা বলেছেন, “বিরোধীদের এই জোট জনভিত্তিহীন এবং জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা।” বিশ্লেষকদের মত রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. মাহবুব হাসান বলেন, “এই জোট নির্বাচনী রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারে, যদি তারা মাঠে বাস্তব আন্দোলন ও বিকল্প নেতৃত্ব দিতে পারে। তবে সরকার যেভাবে শক্ত হাতে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখছে, তাতে সংঘাতময় পরিস্থিতি তৈরির আশঙ্কাও রয়েছে।” আগামী সপ্তাহে জাতীয় প্রেস ক্লাবে জোটের পক্ষ থেকে পূর্ণাঙ্গ কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়েছে। রাজনৈতিক মহল এই জোটকে ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনের ‘গেম চেঞ্জার’ হিসেবেও দেখছে।

অপরাধ

View more
ঠাকুরগাঁওয়ে মাদকসহ গ্রেপ্তার, যুবকের ৩ মাসের কারাদণ্ড
ঠাকুরগাঁওয়ে মাদকসহ গ্রেপ্তার, যুবকের ৩ মাসের কারাদণ্ড

   রহমত আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁও শহরের ২৪ টিউবওয়েল এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালিয়ে মাদকসহ মো. আনোয়ার হোসেন খোকন (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে শহরের ২৪ টিউবওয়েল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার মো. আনোয়ার হোসেন খোকন পঞ্চগড়ের রামেরডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, নিয়মিত তল্লাশির অংশ হিসেবে ওই এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহন ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তল্লাশি করা হচ্ছিল। এ সময় আনোয়ার হোসেন খোকনের কাছ থেকে মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হলে তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইমরান কবিরের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তাকে ৩ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০০ টাকা অর্থদণ্ড দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আনোয়ার হোসেন খোকনকে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।  রহমত আরিফ ঠাকুরগাঁও  ০১৭৪০৮৬১০৮০

News সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬ 0
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরের সাক্ষাৎ

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরের সাক্ষাৎ

শিল্পকলার শামীম আকতারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি-জালিয়াতির অভিযোগ

শিল্পকলার শামীম আকতারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি-জালিয়াতির অভিযোগ

তিন পাসপোর্টে আট বছরে অন্তত ২৫ বার বিদেশ ভ্রমণ করেন কাস্টমসের সহকারী কমিশনার মো. আইয়ুব!

তিন পাসপোর্টে আট বছরে অন্তত ২৫ বার বিদেশ ভ্রমণ করেন কাস্টমসের সহকারী কমিশনার মো. আইয়ুব!

অধ্যাপক জাফর ইকবাল ও ঢাবির সাবেক ভিসি ড. মাকসুদ কামালের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা
অধ্যাপক জাফর ইকবাল ও ঢাবির সাবেক ভিসি ড. মাকসুদ কামালের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

  জুলাই আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় উসকানির অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়টির সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. জাফর ইকবালসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে মাকসুদ কামাল, জাফর ইকবালসহ পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।  প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ আদেশ দেন। এর আগে ৬ আগস্ট জুলাই আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার বিষয়ে উসকানির ঘটনায় অধ্যাপক ড. জাফর ইকবাল, অধ্যাপক ড. মাকসুদ কামালসহ ৮ জনকে আসামি করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। পরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন টিমের কাছে তদন্ত সংস্থা কর্তৃক এ প্রতিবেদন দাখিলের তথ্য নিশ্চিত করেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। চিফ প্রসিকিউটর বলেন, জুলাই আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় হওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দীর্ঘদিন ধরে তদন্ত করে তদন্ত সংস্থা। দীর্ঘ তদন্ত শেষে চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা। পরে তা পর্যালোচনা করা হয়। এরপর ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আকারে ট্রাইব্যুনালে জমা দেওয়া হয়। মামলার আরও উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন– শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. জাফর ইকবাল, সাবেক বিচারপতি এ বি এম নিজামুল হক মানিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দিন ও ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান।

News সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ 0
বাঁশের লাঠি দিয়ে অপ্রতিমের মাথায় আঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়’

বাঁশের লাঠি দিয়ে অপ্রতিমের মাথায় আঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়’

স্বৈরাচার পূণঃ বাসনে ফ্যাসিবাদের প্রেতাত্মা গণপূর্ত প্রকৌশলী ফযসাল আলম!

স্বৈরাচার পূণঃ বাসনে ফ্যাসিবাদের প্রেতাত্মা গণপূর্ত প্রকৌশলী ফযসাল আলম!

গণপূর্ত প্রকৌশলী তামজিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও ধর্ষণের অভিযোগ

গণপূর্ত প্রকৌশলী তামজিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও ধর্ষণের অভিযোগ

ক্যাবের ‘আলাদিনের চেরাগ’ প্রকৌশলী শাহিনুর
ক্যাবের ‘আলাদিনের চেরাগ’ প্রকৌশলী শাহিনুর

  অভিযোগ রয়েছে যে, ক্যাবের বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী মো. জাকারিয়া হোসেনকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ভয় দেখিয়ে এবং বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করে তিনি সরকারি প্রকৌশলী পদে পদোন্নতি বাগিয়ে নেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (ক্যাব)-এর বিভিন্ন পর্যায়ের অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা অভিযোগ রয়েছে। এবার সেই অভিযোগের তালিকায় উঠে এসেছে সংস্থাটির সহকারী প্রকৌশলী মো. শাহিনুর আলমের নাম। রাজনৈতিক ক্ষমতার পালাবদলের সঙ্গে নিজের অবস্থান বদল, বিমানবন্দরের বিভিন্ন উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণকাজে প্রভাব বিস্তার, ঠিকাদারদের কাছ থেকে অর্থ আদায় এবং অস্বাভাবিক সম্পদ অর্জনের অভিযোগ ঘিরে তাকে নিয়ে ক্যাব-এর অভ্যন্তরে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, গত সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে শাহিনুর আলম শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের একটি অংশে নিজের প্রভাব বলয় তৈরি করেছিলেন। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও তিনি দ্রুত অবস্থান পরিবর্তন করে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরির চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। রাজনৈতিক প্রভাব থেকে ‘নিজস্ব বলয়’ সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, ছাত্রজীবন থেকেই শাহিনুর আলম আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। কর্মজীবনে প্রবেশের পর রাজনৈতিক পরিচয়কে কাজে লাগিয়ে তিনি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ। ক্যাব-এর কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর অভিযোগ, দায়িত্ব পালনের সময় তার আচরণে এমন এক ধরনের প্রভাব ও ক্ষমতার প্রদর্শন দেখা যেত, যা সহকর্মীদের মধ্যে অস্বস্তি তৈরি করত। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক যোগাযোগের কারণে তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কথা বলতে অনেকে অনাগ্রহী ছিলেন।  পদোন্নতি নিয়ে প্রশ্ন শাহিনুর আলমের কর্মজীবনের পদায়ন ও পদোন্নতি নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন। সংশ্লিষ্টদের দাবি, বিভাগীয় অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের পর তাকে প্রায় তিন বছর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে উপ-সহকারী প্রকৌশলী  হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হয়। পরবর্তীতে প্রভাব খাটিয়ে তিনি ঢাকায় ফিরে আসেন বলে অভিযোগ রয়েছে। আরও অভিযোগ রয়েছে যে, ক্যাবের বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী মো. জাকারিয়া হোসেনকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ভয় দেখিয়ে এবং বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করে তিনি সরকারি প্রকৌশলী পদে পদোন্নতি আদায় করেন। তবে এই অভিযোগের বিষয়ে প্রধান প্রকৌশলী জাকারিয়ার বক্তব্যও এই প্রতিবেদনের জন্য পাওয়া যায়নি। পদোন্নতির প্রক্রিয়াটি বিধি অনুযায়ী হয়েছিল কি না, সেই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র নিরপেক্ষভাবে যাচাই প্রয়োজন। টেন্ডার ও সরবরাহকাজে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনালে ক্যাব-এর ই/এম ডিভিশন-১ এর উপ-সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শাহিনুর আলম। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও কর্মকর্তাদের অভিযোগ, ওই সময় টার্মিনালের বিভিন্ন উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজে তার প্রভাব উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক লাউঞ্জসহ টার্মিনালের বিভিন্ন অংশে প্যানেল লাইট, কনভেয়ার বেল্ট, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, পানির মোটরসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি সরবরাহ ও রক্ষণাবেক্ষণকাজের টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, নির্দিষ্ট কিছু ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে সুবিধা দেওয়ার পাশাপাশি কাজ পাইয়ে দেওয়া বা বিল পরিশোধের ক্ষেত্রে অনৈতিক আর্থিক লেনদেনের চাপ দেওয়া হতো। এমনকি পবিত্র ওমরাহ পালনের সময় সৌদি আরবে অবস্থান করেও ঠিকাদারদের কাছ থেকে বিভিন্ন অজুহাতে অর্থ আদায়ের অভিযোগ করেছেন কয়েকজন ব্যবসায়ী। ঠিকাদারদের ক্ষোভ শাহিনুর আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ঠিকাদার তার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাদের একজনের ভাষায়, ক্যাবের বিভিন্ন পর্যায়ে অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার প্রবণতা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা থাকলেও শাহিনুর আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগের ধরন ও পরিমাণ আলাদা। আয়ের সঙ্গে সম্পদের অসামঞ্জস্য? শাহিনুর আলমের বিরুদ্ধে সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ তার কথিত বিপুল সম্পদ নিয়ে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো রাজধানী ঢাকা ও টাঙ্গাইলে তার নামে, পরিবারের সদস্যদের নামে কিংবা ঘনিষ্ঠজনদের মাধ্যমে সম্পদ থাকার দাবি করেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ঢাকার দক্ষিণখান এলাকায় তার মূল্যবান জমি, উত্তরা এলাকায় একাধিক ফ্ল্যাট এবং বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট রয়েছে। টাঙ্গাইলে রয়েছে বিপুল পরিমাণ কৃষিজমি, মাছের খামার এবং ডেইরি ফার্ম—এমন দাবিও করেছেন সংশ্লিষ্টরা। অভিযোগকারীদের ভাষ্যমতে, একজন সরকারি প্রকৌশলীর বৈধ আয় ও চাকরিজীবনের সঙ্গে এসব সম্পদের পরিমাণের সামঞ্জস্য রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তবে সম্পদের প্রকৃত মালিকানা, বাজারমূল্য, ক্রয়ের সময় এবং অর্থের উৎস যাচাই করতে ভূমি রেকর্ড, দলিল, কর নথি, আয়কর রিটার্ন, ব্যাংক হিসাব এবং সংশ্লিষ্ট কোম্পানি বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের তথ্য পর্যালোচনা প্রয়োজন। যোগাযোগের চেষ্টা ব্যর্থ উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে বক্তব্য জানতে শাহিনুর আলমের ব্যবহৃত বেশ কয়েকটি মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার ফোন করা হয়। খুদেবার্তাও পাঠানো হয়। কিন্তু তিনি কোনো প্রশ্নের উত্তর দেননি। প্রতিবেদকের নম্বর ব্লক করে দেওয়া হয়েছে বলেও দেখা যায়। ফলে অভিযোগগুলোর বিষয়ে তার বক্তব্য বা কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা এই প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়নি। তিনি পরবর্তীতে বক্তব্য দিলে তা যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে। অনুসন্ধান অব্যাহত শাহিনুর আলমের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে—রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার, পদায়ন ও পদোন্নতিতে অনিয়ম, টেন্ডার প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার, ঠিকাদারদের কাছ থেকে অর্থ আদায় এবং জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ অর্জন। এসব অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে ক্যাবের প্রশাসনিক নথি, টেন্ডার ডকুমেন্ট, কার্যাদেশ, বিল-ভাউচার, সম্পদ বিবরণী, আয়কর নথি এবং ভূমি রেজিস্ট্রেশন-সংক্রান্ত তথ্য পর্যালোচনা করা জরুরি। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সহকারী প্রকৌশলী শাহিনুর আলমের নামে ও বেনামে থাকা কথিত সম্পদের উৎস, সম্পত্তির অবস্থান, সংশ্লিষ্ট দলিল-নথি এবং উক্ত সম্পদ তার বৈধ আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না—এসব বিষয় নিয়ে ' অনুসন্ধান চলমান রয়েছে। এই বিষয়ে বিস্তারিত এই প্রতিবেদনের পরবর্তী পর্বে প্রকাশিত হবে।  

News সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ 0
সীমান্তে ৫৯ বিজিবি’র বড় সাফল্য ৩ কোটির ও বেশি টাকার চোরাচালানী পণ্য জব্দ

সীমান্তে ৫৯ বিজিবি’র বড় সাফল্য ৩ কোটির ও বেশি টাকার চোরাচালানী পণ্য জব্দ

স্ত্রীসহ আসিফ মাহমুদের তথ্য চেয়ে বিএফআইইউকে দুদকের চিঠি

স্ত্রীসহ আসিফ মাহমুদের তথ্য চেয়ে বিএফআইইউকে দুদকের চিঠি

অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগের মধ্যেই পদোন্নতির দৌড়ে এ কে এম সোহরাওয়ার্দী

অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগের মধ্যেই পদোন্নতির দৌড়ে এ কে এম সোহরাওয়ার্দী

0 Comments