জাতীয়

ইস্টার্ণ রিফাইনারি সম্প্রসারণে ১ বিলিয়ন ডলার দিচ্ছে ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক

Montu Mian সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬ 0
ইস্টার্ণ রিফাইনারি সম্প্রসারণে ১ বিলিয়ন ডলার দিচ্ছে ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক
আইএসডিবি)।

 


ইস্টার্ণ রিফাইনারির আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের জন্য ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থায়নে চুক্তি সই করেছে ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (আইএসডিবি)।


আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও আইএসডিবি গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ আল জাসেরের উপস্থিতিতে এ চুক্তি সই হয়।

বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) অতিরিক্ত সচিব ড. মো. মিজানুর রহমান এবং আইএসডিবি গ্রুপের পক্ষে সংস্থাটির কান্ট্রি প্রোগ্রামসের ডিরেক্টর জেনারেল আনাসি আইসামি চুক্তিতে সই করেন।

প্রকল্পটির আওতায় ইস্টার্ণ রিফাইনারিতে বছরে আরও ৩০ লাখ মেট্রিক টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল পরিশোধনের সক্ষমতা তৈরি হবে। এটি বাস্তবায়িত হলে দেশের পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যের চাহিদার প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ শতাংশ স্থানীয়ভাবে পূরণ করা সম্ভব হবে।


আইএসডিবি এই প্রকল্পে মোট ১ হাজার ৪ দশমিক ২৯ মিলিয়ন (প্রায় ১ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার অর্থায়ন করছে। প্রকল্পটির কাজ ২০৩০ সালের নভেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতি


 

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
ইস্টার্ণ রিফাইনারি সম্প্রসারণে ১ বিলিয়ন ডলার দিচ্ছে ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক
ইস্টার্ণ রিফাইনারি সম্প্রসারণে ১ বিলিয়ন ডলার দিচ্ছে ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক

  ইস্টার্ণ রিফাইনারির আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের জন্য ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থায়নে চুক্তি সই করেছে ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (আইএসডিবি)। আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও আইএসডিবি গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ আল জাসেরের উপস্থিতিতে এ চুক্তি সই হয়। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) অতিরিক্ত সচিব ড. মো. মিজানুর রহমান এবং আইএসডিবি গ্রুপের পক্ষে সংস্থাটির কান্ট্রি প্রোগ্রামসের ডিরেক্টর জেনারেল আনাসি আইসামি চুক্তিতে সই করেন। প্রকল্পটির আওতায় ইস্টার্ণ রিফাইনারিতে বছরে আরও ৩০ লাখ মেট্রিক টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল পরিশোধনের সক্ষমতা তৈরি হবে। এটি বাস্তবায়িত হলে দেশের পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যের চাহিদার প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ শতাংশ স্থানীয়ভাবে পূরণ করা সম্ভব হবে। আইএসডিবি এই প্রকল্পে মোট ১ হাজার ৪ দশমিক ২৯ মিলিয়ন (প্রায় ১ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার অর্থায়ন করছে। প্রকল্পটির কাজ ২০৩০ সালের নভেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতি  

News সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬ 0
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন

জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র

জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র

সড়কে উল্টোপথে মন্ত্রীর গাড়ি, মামলা

সড়কে উল্টোপথে মন্ত্রীর গাড়ি, মামলা

তরুণদের ব্যবসার ধারণা থাকলেই মিলবে ২০ লাখ, অর্ধেক ঋণ অর্ধেক অনুদান
তরুণদের ব্যবসার ধারণা থাকলেই মিলবে ২০ লাখ, অর্ধেক ঋণ অর্ধেক অনুদান

  ব্যবসা করার স্বপ্ন আছে, কিন্তু পুঁজি নেই—এমন তরুণদের জন্য সুখবর দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। শুধু একটি ভালো ও বাস্তবসম্মত ব্যবসায়িক ধারণা থাকলেই পাওয়া যাবে সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা। এর মধ্যে ১০ লাখ টাকা হবে ব্যাংক ঋণ, আর বাকি ১০ লাখ টাকা দেওয়া হবে অনুদান হিসেবে। উপজেলা পর্যায়ের সর্বোচ্চ ২৮ বছর বয়সী তরুণ-তরুণীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে ‘উদ্যোগ’ কর্মসূচির আওতায় এ অর্থায়ন করবে তফসিলি ব্যাংকগুলো। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান, সহকারী শাহরিয়ার সিদ্দিকীসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, ‘উদ্যোগ’ কোনো প্রচলিত প্রতিযোগিতা নয়। এ কর্মসূচির আওতায় তফসিলি ব্যাংকগুলো তাদের বিদ্যমান শাখা নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে উপজেলা পর্যায়ে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে সম্ভাবনাময় তরুণ উদ্যোক্তা খুঁজে বের করবে। পরে তাদের ব্যবসায়িক ধারণা, প্রকৃত অর্থের চাহিদা ও উদ্যোগের সম্ভাব্যতা যাচাই করে অর্থায়নের ব্যবস্থা করা হবে। নির্বাচিত উদ্যোক্তারা তাদের প্রকৃত চাহিদা অনুযায়ী সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকার অর্থায়ন প্যাকেজ পাবেন। এর ৫০ শতাংশ হবে ব্যাংক ঋণ এবং বাকি ৫০ শতাংশ অনুদান। গ্রাহক পর্যায়ে সুদ বা মুনাফার হার হবে সর্বোচ্চ ৪ থেকে ৭ শতাংশ। ঋণের বিপরীতে কোনো সহায়ক জামানত দিতে হবে না। তবে নির্ধারিত সময়ে ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে অনুদানের অর্থ সুদবিহীন ঋণে রূপান্তর করা হবে। একইসঙ্গে ওই ঋণ হিসাব প্রচলিত নিয়মে শ্রেণিকৃত হবে এবং ঋণগ্রহীতা খেলাপি হিসেবে বিবেচিত হবেন। ফলে পরবর্তীতে তিনি ঋণ পাওয়ার যোগ্যতা হারাবেন। কারা আবেদন করতে পারবেন বাংলাদেশের প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিক, যাদের বয়স আবেদনের শেষ তারিখে সর্বোচ্চ ২৮ বছর এবং সংশ্লিষ্ট উপজেলার বাসিন্দা, তারা এ কর্মসূচিতে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনকারীর আগে থেকে ব্যবসা পরিচালনার অভিজ্ঞতা থাকা বাধ্যতামূলক নয়। একটি বাস্তবসম্মত ব্যবসায়িক ধারণা থাকলেই আবেদন করা যাবে। কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, হস্তশিল্প, মৎস্য, পশুপালন, পর্যটন, সেবা ও প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্যোগসহ সব ধরনের বৈধ ব্যবসায়িক উদ্যোগকে সমানভাবে বিবেচনা করা হবে। আবেদন করতে কোনো ধরনের ফি লাগবে না। সংশ্লিষ্ট উপজেলায় অবস্থিত যেকোনো তফসিলি ব্যাংকের শাখায় নির্ধারিত ফর্মের মাধ্যমে আবেদন করা যাবে। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, কর্মসূচি বাস্তবায়নের বিস্তারিত নির্দেশনা সংবলিত সার্কুলার আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর জারি করা হবে। সার্কুলার জারির পরবর্তী এক মাস আবেদন করার সুযোগ থাকবে। প্রাথমিকভাবে দেশের আট বিভাগের আটটি জেলা-মানিকগঞ্জ, ফেনী, নওগাঁ, ঝিনাইদহ, ভোলা, হবিগঞ্জ, রংপুর ও নেত্রকোণায় এ কর্মসূচি চালু করা হবে। এসব জেলার ৬৪টি উপজেলায় কর্মসূচির কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রতিটি উপজেলা থেকে ১০ জন করে মোট ৬৪০ জন তরুণ উদ্যোক্তাকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করা হবে। পরবর্তী সময়ে দেশের অন্যান্য জেলার উপজেলাতেও কর্মসূচিটি সম্প্রসারণ করা হবে। ধারাবাহিকভাবে প্রতি বছর ৫ হাজার তরুণ উদ্যোক্তাকে অর্থায়ন ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের। অর্থায়নের পাশাপাশি প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ শুধু অর্থায়ন দেওয়ার মধ্যেই ‘উদ্যোগ’ কর্মসূচির কার্যক্রম সীমাবদ্ধ থাকবে না।  নির্বাচিত উদ্যোক্তাদের উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, অভিজ্ঞ মেন্টরের মাধ্যমে ধারাবাহিক পরামর্শ, ব্যবসা নিবন্ধন ও ব্যবসায়িক পরিকল্পনা তৈরিতে সহায়তা এবং বাজার সংযোগের সুযোগ দেওয়া হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক মনে করছে, একটি সফল ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা গড়ে ৩ থেকে ৫ জনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারেন। ফলে উপজেলা পর্যায়ে তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার এ উদ্যোগ একদিকে নতুন ব্যবসা সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখবে, অন্যদিকে কর্মসংস্থান বাড়িয়ে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নেও ইতিবাচক অবদান রাখবে।

News সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬ 0
কওমি মাদরাসার জন্য ৬ শিক্ষা বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্ত

কওমি মাদরাসার জন্য ৬ শিক্ষা বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্ত

প্রধানমন্ত্রী আট প্রশ্নের উত্তর দিলেন, সব প্রশ্নই সরকারি দলের, কী বললেন স্পিকার

প্রধানমন্ত্রী আট প্রশ্নের উত্তর দিলেন, সব প্রশ্নই সরকারি দলের, কী বললেন স্পিকার

২ লাখ বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের দাবি নাকচ করলো মালয়েশিয়া

২ লাখ বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের দাবি নাকচ করলো মালয়েশিয়া

জাতীয় সংসদের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা পুরোপুরি সোলারের ওপর নির্ভরশীল হবে: প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় সংসদের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা পুরোপুরি সোলারের ওপর নির্ভরশীল হবে: প্রধানমন্ত্রী

  জাতীয় সংসদের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই পুরোপুরি সোলারের (সৌরশক্তি) ওপর নির্ভরশীল করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার জাতীয় সংসদে বক্তব্য রাখার সময় সংসদ নেতা এই ঘোষণা দেন। স্পিকারের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মহান জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে আমরা কথা বলছি। ইনশাআল্লাহ আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এই জাতীয় সংসদের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা পুরোপুরি সোলারের ওপর ডিপেন্ডেন্ট হবে।’ তিনি আরও বলেন, এই কার্যক্রম বাস্তবায়িত হলে বর্তমান সময়ের জ্বালানি সংকট মোকাবিলা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বহুগুণ বাড়ানো সম্ভব হবে। জ্বালানি সংকট মোকাবেলা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টির লক্ষ্যে বর্তমান সরকার নানাবিধ কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলেও জানান সরকারপ্রধান।  

News সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬ 0
এআই বিচারব্যবস্থার সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে

এআই বিচারব্যবস্থার সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে

ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ের দুটি সার্ভিস লেন উন্মুক্ত, থাকবে টোলমুক্ত: সেতুমন্ত্রী

ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ের দুটি সার্ভিস লেন উন্মুক্ত, থাকবে টোলমুক্ত: সেতুমন্ত্রী

উত্তরার আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে দুদকের অভিযান

উত্তরার আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে দুদকের অভিযান

0 Comments