শিক্ষা

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ঢাকায় স্বাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৭তম হেনরি ডুনান্ত মেমোরিয়াল মুট কোর্ট প্রতিযোগিতা ২০২৬ উদ্বোধন করেন। তিনি মানবিক মূল্যবোধ ও পেশাগত নিষ্ঠার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান হেনরি ডুনান্ত মেমোরিয়াল মুট কোর্ট প্রতিযোগিতা উদ্বোধন

Desk Reporter নভেম্বর ৮, ২০২৬ 0

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার স্বাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে শুক্রবার ১৭তম হেনরি ডুনান্ত মেমোরিয়াল মুট কোর্ট প্রতিযোগিতা ২০২৬-এর উদ্বোধন করেন।

এই প্রতিযোগিতাটি আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি (আইসিআরসি) এবং স্বাধীন বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ (আইইউবি) যৌথভাবে আয়োজন করে।

মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, আইন পেশায় সফলতার জন্য মানবিক মূল্যবোধ, পেশাগত দক্ষতা, সততা ও পূর্ণ নিষ্ঠা অপরিহার্য। তিনি বলেন, আইনজীবীদের অবশ্যই আর্থিক সক্ষমতার পার্থক্য না দেখে সঠিক আইনগত যুক্তি উপস্থাপন করতে হবে এবং পেশাগত দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করতে হবে।

আইন পেশাকে কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এই পেশায় পূর্ণকালীন নিবেদন, পেশাদারিত্ব, অধ্যবসায় ও গবেষণা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, ক্লায়েন্টের প্রদত্ত ফি নয়, আইনজীবীর যুক্তি উপস্থাপনের দক্ষতা গুরুত্বপূর্ণ।

মন্ত্রী আইনজীবীদের জন্য বিনামূল্যে আইনগত সহায়তা প্রদানকে জাকাতের মতো পেশাগত দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি আন্তর্জাতিক মানবিক আইন ও মানবাধিকার আইনের পার্থক্যও তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, যুদ্ধের প্রকৃতি পরিবর্তিত হয়েছে; এখন অর্থনৈতিক চাপ, বাণিজ্য বিরোধ, বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা ও ভিসা সীমাবদ্ধতাও রাষ্ট্র চাপের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এছাড়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উন্নয়ন আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

মন্ত্রী তরুণ প্রজন্মকে তাদের প্রতিভা, বুদ্ধিমত্তা, যুক্তি, কঠোর পরিশ্রম ও নিষ্ঠার মাধ্যমে দেশ নেতৃত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ার গুরুত্ব জানান।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন স্বাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম. তামিম। অন্যান্য বক্তৃতায় অংশ নেন আইইউবি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান দিদার এ. হোসেন, আইসিআরসি বাংলাদেশের প্রতিনিধি নিকোলাস ফ্লুরি এবং আইইউবি স্কুল অব ল’য়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক বোরহান উদ্দিন খান।

এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ থেকে ২৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৯টি দল লিখিত আইনগত যুক্তি ও গবেষণাপত্র জমা দেয়। এর মধ্যে ১৬টি দল কোয়ার্টারফাইনালে অংশগ্রহণের জন্য নির্বাচিত হয়।

মুট কোর্ট প্রতিযোগিতাটি শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক মানবিক আইন, সশস্ত্র সংঘাতের সময় সুরক্ষা, আইন প্রয়োগ, গবেষণা, বিশ্লেষণ ও যুক্তি উপস্থাপনার দক্ষতা অর্জনের সুযোগ প্রদান করে।

Popular post
সম্ভাবনার নতুন শ্রমবাজার সার্বিয়া

মোঃ সোহেল রানা বিশেষ প্রতিবেদক বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য ইউরোপের শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি করতে সার্বিয়ার শ্রমবাজারের প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জনশক্তি রপ্তানি খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। সার্বিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মীদের পাশাপাশি রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের প্রত্যাশা, সরকার উদ্যোগী হলে দেশটিতে বৈধ কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ, নিয়োগপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং কর্মীদের স্বার্থ সুরক্ষায় আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব বলে মনে করেন বাংলাদেশ রিক্রুটিং এজেন্সি ফোরাম (বিআরএএফ)। সংশ্লিষ্টদের মতে, সার্বিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য সম্ভাব্য সুযোগগুলো যথাযথভাবে যাচাই করে কাজে লাগাতে সরকারের বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো জরুরি। সার্বিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মীদের প্রত্যাশা সার্বিয়ায় কাজ করতে আগ্রহী বাংলাদেশি কর্মীদের প্রত্যাশা, দেশটিতে বৈধভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে। তাঁদের মতে, বিদেশে কাজের সুযোগ যেন স্বচ্ছ নিয়োগপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে পাওয়া যায় এবং চাকরিপ্রত্যাশীরা যেন প্রতারণা, অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয় ও অনিশ্চয়তার শিকার না হন, তা নিশ্চিত করা জরুরি। এ জন্য নিয়োগকর্তার পরিচয়, কাজের ধরন, বেতন, কর্মঘণ্টা, আবাসন, চাকরির চুক্তি এবং ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিটের বৈধতা যাচাইয়ের কার্যকর ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। একই সঙ্গে অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বিষয়ে কর্মীদের সচেতন করাও গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, সার্বিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে সরকারি পর্যায়ে নিয়মিত তথ্য সংগ্রহ ও মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রকৃত কর্মসংস্থানের সুযোগ চিহ্নিত করা হবে। এতে বাংলাদেশের জন্যও নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে। নিয়োগপ্রক্রিয়া সহজ ও স্বচ্ছ করার দাবি রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের মতে, বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে কোন দেশে কী ধরনের অনুমোদন প্রয়োজন, কী কী নথি জমা দিতে হবে এবং ছাড়পত্র পেতে কতগুলো ধাপ অনুসরণ করতে হবে—এসব বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকা জরুরি। তাঁদের প্রত্যাশা, বিএমইটি ও মন্ত্রণালয়ের মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে। এতে বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো পরিকল্পিতভাবে কাজ করতে পারবে এবং বিদেশি নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও অনিশ্চয়তা কমবে। তবে নিয়োগপ্রক্রিয়া সহজ করার পাশাপাশি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন, আর্থিক সক্ষমতা, প্রকৃত ব্যবসায়িক কার্যক্রম এবং কর্মীদের জন্য প্রস্তাবিত চাকরির শর্ত যাচাই নিশ্চিত করতে হবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সমন্বয়ই পারে বৈধ জনশক্তি রপ্তানিকে আরও গতিশীল করতে। বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠার দাবি সার্বিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর পাশাপাশি বাংলাদেশে একটি সার্বীয় দূতাবাস প্রতিষ্ঠার বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠিত হলে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ, শ্রমবাজারসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ, কর্মীদের সহায়তা এবং নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি ভিসা ও অন্যান্য কনস্যুলার সেবা পাওয়ার প্রক্রিয়াও সহজ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সম্ভাব্যতা যাচাই, প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক আলোচনা এবং বাস্তব চাহিদা মূল্যায়নের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ সংশ্লিষ্টদের সার্বিয়ার শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা কাজে লাগানো এবং বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার জন্য সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তাঁদের প্রত্যাশা, বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলোকে সার্বিয়ার শ্রমবাজারের সম্ভাবনা যাচাই, বৈধ নিয়োগপ্রক্রিয়া সহজ করা এবং কর্মীদের স্বার্থ সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশনা দেবেন। একই সঙ্গে সার্বিয়ায় বাংলাদেশের কূটনৈতিক উপস্থিতি জোরদারের সম্ভাবনা মূল্যায়ন এবং দেশটিতে কর্মসংস্থানসংক্রান্ত তথ্য ও সহায়তা পাওয়ার কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করতে নতুন নতুন দেশে বৈধ কর্মসংস্থানের সুযোগ অনুসন্ধান, বিদেশি নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং কর্মীদের অধিকার সুরক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। সার্বিয়ার ক্ষেত্রেও সম্ভাব্য শ্রমিকের চাহিদা যাচাই, নিয়োগকর্তার সক্ষমতা নিশ্চিতকরণ এবং সরকারি অনুমোদনের সুস্পষ্ট প্রক্রিয়া থাকা প্রয়োজন। সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকার, বিএমইটি, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং দায়িত্বশীল রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ থাকলে সার্বিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বৈধ কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হবে। সার্বিয়ার শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা কাজে লাগানো, নিয়োগপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা যাচাই—এই বিষয়গুলোতে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে, এমনটাই প্রত্যাশা সার্বিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মী ও জনশক্তি রপ্তানি খাতের সংশ্লিষ্টদের। মোঃ সোহেল রানা বিশেষ প্রতিবেদক  

কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আর্জেন্টিনা বনাম নেদারল্যান্ডস হকি ফাইনালে আজ মুখোমুখি

আর্জেন্টিনা ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৫ আন্তর্জাতিক হকি বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচ ফুটবল প্রেমীদের মতো হকি প্রেমীদের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ তৈরি করেছে। ইতোমধ্যে টুর্নামেন্টের কঠিন পর্ব অতিক্রম করে দুই দলই নিজেদের সেরাটা দিয়ে ফাইনালে উঠেছে। আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য এই ফাইনাল ম্যাচে উভয় দল নিজেদের সেরা পারফরম্যান্স প্রদর্শনের জন্য প্রস্তুত।   আর্জেন্টিনা দল এই টুর্নামেন্টে অসাধারণ আত্মবিশ্বাস ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। অধিনায়ক লুকাস মার্টিনেজ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আমরা টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই কঠোর পরিশ্রম করেছি। দলের সবাই একসঙ্গে কাজ করে ফাইনালে পৌঁছেছি। আমাদের লক্ষ্য স্পষ্ট — বিশ্বকাপ জিততে হবে। প্রতিটি ম্যাচের জন্য আমরা আত্মনিয়ন্ত্রণ ও মনোযোগ বজায় রেখেছি এবং আগামী ম্যাচেও তা বজায় রাখব।” আর্জেন্টিনা দলের ফিজিক্যাল ট্রেনার জানান, দল খেলোয়াড়দের ফিটনেস ও মানসিক প্রস্তুতির জন্য বিশেষ অনুশীলন চালাচ্ছে যাতে ফাইনালে তারা চাপ সামলাতে পারে।   অন্যদিকে নেদারল্যান্ডসের কোচ মাইকেল ডি ইয়ং ফাইনালের আগের প্রস্তুতি নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আমাদের দল গত কয়েক মাস ধরে কৌশলগত প্রস্তুতি নিয়েছে। খেলোয়াড়রা মানসিক ও শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আমরা চাই এই বিশ্বকাপে নিজেদের ইতিহাস গড়ে একটি শক্তিশালী ছাপ রেখে যেতে।” কোচ আরো বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধুমাত্র ফাইনালে উঠা নয়, বরং বিশ্বকাপ জয়। আমরা প্রতিপক্ষের দুর্বলতা চিহ্নিত করে নিজেদের পরিকল্পনা সাজাচ্ছি।”   বিশ্বের হকি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবারের ফাইনাল ম্যাচটি গত দশকের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ এবং ঘনিষ্ঠ প্রতিযোগিতা হতে চলেছে। উভয় দলের কৌশল, বল নিয়ন্ত্রণ ও দ্রুতগতির খেলায় যে মেধা প্রদর্শিত হয়েছে, তা ফুটবলের মতো অন্য কোনো খেলার ক্ষেত্রে বিরল। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ফাইনালে দলের মানসিক স্থিতিশীলতা ও চাপ সামলানোর ক্ষমতা বিজয় নির্ধারণে মূল ভূমিকা পালন করবে।   মাঠে উভয় দলের খেলোয়াড়রা দ্রুতগতির পাস, শক্তিশালী ডিফেন্স এবং আক্রমণাত্মক স্ট্র্যাটেজি নিয়ে মাঠ মাতানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। আর্জেন্টিনার স্ট্রাইকারের গতিবেগ এবং নেদারল্যান্ডসের মিডফিল্ডারদের কৌশলগত দক্ষতা ম্যাচে প্রধান আকর্ষণ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়াও গোলরক্ষকদের প্রতিটি সেভ এবং প্রতিপক্ষের আক্রমণ রুখে দেওয়াও ম্যাচের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।   বিশ্বজুড়ে লাখো হকি ভক্ত এই ম্যাচের সরাসরি সম্প্রচার দেখার জন্য অপেক্ষায় আছেন। অনলাইনে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ম্যাচের লাইভ স্ট্রিমিং অনুষ্ঠিত হবে এবং অনেক দেশের টেলিভিশনও সরাসরি সম্প্রচার করবে। হকি প্রেমীরা এই ম্যাচ থেকে দারুণ উত্তেজনা, দক্ষতা এবং খেলা উপভোগ করার আশা করছে।   মাঠের বাইরেও ভক্তদের জন্য বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ফ্যান জোন আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে খেলোয়াড় ও দর্শকরা একত্রে সময় কাটিয়ে খেলার আনন্দ ভাগাভাগি করবেন। এছাড়াও টুর্নামেন্ট পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা না ঘটে এবং খেলা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়।   বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে দুই দলের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করে আগামী দিনে বিশ্ব হকির নতুন ধারার রূপরেখা নির্ধারণ করা হবে। এই ম্যাচের ফলাফল আগামী দশক ধরে হকির কৌশলগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।   এই প্রতিযোগিতা বিশ্বের সর্বোচ্চ মানের হকি টুর্নামেন্ট হওয়ায় এর প্রতি ভক্তদের আগ্রহ ও উন্মাদনা সত্যিই অবিশ্বাস্য। সবাই আশা করছেন, আগামীকালের ফাইনাল হবে একটি স্মরণীয় খেলা, যেখানে স্পোর্টসম্যানশিপ, দক্ষতা ও উত্তেজনা থাকবে সর্বোচ্চ মাত্রায়।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

শিক্ষা

View more
জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমির প্রশিক্ষণ কোর্সের সময়সীমা নির্দেশক চিত্র
জাতীয় পরিকল্পনা একাডেমির মহাপরিচালক ক্লাস সীমা অতিক্রমের অভিযোগে

জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমির মহাপরিচালক খায়রুল কবীর মেনন প্রশিক্ষণ কোর্সে সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ ১০টি ক্লাসের বিধান অমান্য করে বেশি ক্লাস নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।একাডেমির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নন-ক্যাডার কর্মকর্তাদের একটি কোর্সে তিনি নির্ধারিত সীমার তিন গুণ ক্লাস নিয়েছেন এবং স্বাস্থ্য ক্যাডার কর্মকর্তাদের দুটি কোর্সে সীমার প্রায় দ্বিগুণ ক্লাস নিয়েছেন।একাডেমির অভ্যন্তরীণ সূত্রের মতে, মহাপরিচালকের অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়ার কারণে বাইরের রিসোর্স পারসনদের সুযোগ সংকুচিত হয়েছে। তবে মহাপরিচালক শীর্ষ পদে থাকায় কেউ প্রকাশ্যে আপত্তি জানাতে পারছেন না।একাডেমির নিজস্ব নিয়ম ও বোর্ড অব গভর্নরসের পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ ১০টি ক্লাস নেওয়ার বিধান রয়েছে। ১৯৯৬ সালের বোর্ড সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।মহাপরিচালক খায়রুল কবীর মেনন বলেছেন, এই নিয়ম বাধ্যতামূলক নয় এবং অতীতে অন্য মহাপরিচালকরাও বেশি ক্লাস নিয়েছেন। তিনি আরও জানান, ক্লাস নেওয়ার আগে প্রচুর প্রস্তুতি লাগে এবং সম্মানী নেওয়ায় কোনো সমস্যা নেই।একাডেমির ফ্যাকাল্টি ও বাইরের রিসোর্স পারসনদের মধ্যে সেশন বণ্টনে সামঞ্জস্য রাখা এবং পদমর্যাদাভিত্তিক যৌক্তিকতা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা কমিটির সভায় আলোচিত হয়েছে।জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমি ১৯৮০ সালে একটি প্রকল্পের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে এবং ১৯৮৪ সালে ঢাকার নীলক্ষেতে নিজস্ব ভবনে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে। পরবর্তীতে একাডেমিকে ইনস্টিটিউট হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

Desk Reporter নভেম্বর ৮, ২০২৬ 0
স্বাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৭তম হেনরি ডুনান্ত মেমোরিয়াল মুট কোর্ট প্রতিযোগিতা উদ্বোধনের প্রতীকী চিত্র।

আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান হেনরি ডুনান্ত মেমোরিয়াল মুট কোর্ট প্রতিযোগিতা উদ্বোধন

নর্থ সাউথ ও ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ অ্যানথ্রপোলজি প্রোগ্রাম

নর্থ সাউথ ও ইউনান বিশ্ববিদ্যালয় যৌথ অ্যানথ্রপোলজি প্রোগ্রাম চালু

অডিটোরিয়াম কলেজে শিক্ষার্থী বিক্ষোভের দৃশ্য

অডিটোরিয়াম কলেজে শিক্ষার্থী বিক্ষোভে ১২ হাজার ৬০০ টাকার বিদ্যুৎ বিল দাবী

গোপালগঞ্জের একটি সরকারি স্কুলে শিক্ষার্থীদের অপসারণ সিদ্ধান্তের ছবি
গোপালগঞ্জের স্কুলে রাজনৈতিক স্লোগানে ছয়জন শিক্ষার্থীকে অপসারণ

On Oct 6, Gopalganj govt school gave TCs to nine students after political slogans displayed in classroom wall. The nine students were Mo. Aliraj, Shahjail Munshi, Kazi Saiuddin Islam Sai, Shranth Mojumdar, Sheikh Abdullah Tasin, Rayyan Khan, Rejail Munsi, Rezaul Karim, Sajid Kazi. Principal Mo. Jiuhal Hock confirmed the decision to issue TCs, and authorities formed a seven‑member committee on Oct 7. Committee reviewed CCTV footage and video recordings of the event before finalizing the discharge papers. The incident sparked Facebook discussion; Mofizur Rahman criticized it, while Gazi Asaduzzaman warned it could harm students' studies.

Desk Reporter নভেম্বর ৮, ২০২৬ 0
ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় অস্থায়ী কর্মী বরখাস্তের সিদ্ধান্ত

ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় ২৬৮ অস্থায়ী কর্মী বরখাস্ত, আর্থিক সংকটের কারণে

সেনাপ্রাঙ্গণ কনভেনশন হল অডিটোরিয়ামে সমাবর্তন অনুষ্ঠান

এভেরোজ লালমাটিয়া স্কুলে চতুর্থ হিফজ ও O/A Level সমাবর্তন সফলভাবে অনুষ্ঠিত

বিশ্ব বিশ্ববিদ্যালয় অফ বাংলাদেশ ও ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ ম্যালয়েশিয়ার সহযোগিতায় সেমিনার অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

IIUM-WUB যৌথ গবেষণা সেমিনার শুরু

ডা. জুবাইদা রহমানের ওম্যান লিডারশিপ সেমিনারে নারীর ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিয়ে বক্তব্যের দৃশ্য।
ডা. জুবাইদা রহমানের বক্তব্যে নারীর ক্ষমতায়ন ও স্বাধীনতা

ডা. জুবাইদা রহমান জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী। বৃহস্পতিবার তিনি রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ওম্যান লিডারশিপ সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দিয়েছেন। সেমিনারে নারীর ক্ষমতায়ন, কর্মসংস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ৫০.৮ শতাংশ নারী। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার ২০২৫ সালের হিসাব অনুযায়ী শ্রমশক্তিতে নারীদের অংশগ্রহণ ৩৮.৬ শতাংশ এবং পুরুষদের ৮০.৪ শতাংশ। দেশের ৯০,৪৯ গ্রামীন নারী অর্থনীতির মূলধারায় পর্যাপ্তভাবে যুক্ত হতে পারছেন না। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সরকার স্নাতক পর্যায় পর্যন্ত মেয়েদের বিনামূল্যে শিক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা অবৈতনিক করেছিলেন। নতুন কুঁড়ি ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, প্রায় ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ, যার ৮০ শতাংশ নারী, এবং ২৫ হাজার পেশাদার মিডওয়াইফ নিয়োগের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। দেশব্যাপী ডে-কেয়ার সেন্টার গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক সম্পর্কের ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে রাজধানীতে তিন দিনব্যাপী ৩০তম ইউএস ট্রেড শো আয়োজন করা হয়েছে, যা আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ ও ঢাকার মার্কিন দূতাবাস দ্বারা আয়োজিত। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল সেবা ও নতুন প্রযুক্তি কাজের ধরন বদলে দিচ্ছে।

Desk Reporter নভেম্বর ৮, ২০২৬ 0
বাংলাদেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের শাস্তি ও বহিষ্কারের পরিস্থিতি

এইচআরডব্লিউ প্রতিবেদন: বাংলাদেশে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাস্তি ও বহিষ্কার

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা ও বুলিং প্রতিরোধের প্রতীকী চিত্র

আন্তর্জাতিক বিদ্যালয় বুলিং প্রতিরোধ দিবস: ২০২৬ সালের থিম ও বাংলাদেশের দায়িত্ব

সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী সমিতির মিলনায়তনে সংবিধান আলোচনার দৃশ্য

সংবিধান ৫৪ বছর পূর্তি আলোচনায় সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির মিলনায়তনে সভা

0 Comments