দেশজুড়ে

ধনবাড়ী নওয়াব ইনস্টিটিউশনের শিক্ষার্থীদের ফ্রি স্বাস্থ্যসেবা প্রদান

Jamil Saxona সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
ধনবাড়ী নওয়াব ইনস্টিটিউশনের শিক্ষার্থীদের ফ্রি স্বাস্থ্যসেবা প্রদান
ধনবাড়ী নওয়াব ইনস্টিটিউশন স্কুলে

 

মোঃ জাকির খান ধনবাড়ী ( টাঙ্গাইল )

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীর ঐতিহ্যবাহী স্বনামধন্য সরকারি ধনবাড়ী নওয়াব ইনস্টিটিউশন স্কুলে আজ সকাল ১০,৩০ মিনিটে থেকে ২:৩০ মিনিট পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ফ্রিতে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করেন "ডাক্তার সামরিন শাহরিয়ার (শ্রেষ্ঠা)" ,  

এ স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন এটি একটি মহৎ উদ্যোগ, বিষয়টা অনেকদিন ধরে আমরা ভাবতেছি যা আজ বাস্তবে রূপ নিয়েছে, আমাদের ভালো লেগেছে ডাক্তার সাহেবকে আমাদের বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ 

আমাদের বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সেবা প্রদান করা হয় সে বিষয়ে ডাক্তারের প্রতি আহ্বান জানান, 
 এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ সাইদুল ইসলাম আপন বলেন আমাদের বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে ফ্রিতে স্বাস্থ্যসেবা দেয়া হচ্ছে আমরা খুবই আনন্দিত, আশা করব এই ধারাবাহিকতা যেন অব্যাহত থাকে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে সেই সাথে স্বাস্থ্য সেবার মান যেন এগিয়ে থাকে এই প্রত্যাশা এ ব্যাপারে ডাক্তার সামরিন শাহরিয়ার (শ্রেষ্ঠা)  

বলেন অনেক সময়  নারী শিক্ষার্থীরা  অনেক ক্ষেত্রে বয়:সন্ধ্যিকালীন সময় তাদের অনেক বিষয়গুলো বিশেষ করে মা সহ অন্যান্যদের কাছে শেয়ার করতে লজ্জা বা সংকোচ বোধ করেন, এইসব বিষয়গুলো মাথায় রেখে আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি শিক্ষার্থী বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের কে তাদের সাথে বন্ধুসুলভ আচরণ করে তাদের সমস্যাগুলো শুনে তাদেরকে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করব, শুধু সরকারি নওয়াব ইনস্টিটিউশন স্কুলই নয় এরপর আরো অন্যান্য বিদ্যালয়ে সহ কলেজ গুলোতেও আমি ফ্রিতে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করার ইচ্ছা আছে আমার ।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

নতুন জোট গঠনের ঘোষণা দিল প্রধান তিন বিরোধী দল

ঢাকা – দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে, যখন দেশের প্রধান তিনটি বিরোধী দল—জাতীয় গণফ্রন্ট, উন্নয়ন পার্টি ও জননেতা পরিষদ—আজ এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ‘গণঐক্য জোট’ নামে একটি নতুন রাজনৈতিক জোট গঠনের ঘোষণা দিয়েছে। এই জোটের মুখ্য লক্ষ্য হলো আগাম জাতীয় সংসদ নির্বাচন আদায় করা, বর্তমান সরকারের পদত্যাগ দাবি এবং একটি নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ভোট আয়োজন নিশ্চিত করা। জাতীয় গণফ্রন্টের সভাপতি শহীদুল হক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “দেশে এখন গণতন্ত্র নেই, জনগণের ভোটাধিকার নেই। তাই আমাদের এই ঐক্য—সত্যিকার অর্থে একটি গণআন্দোলনের সূচনা।” জোটের কর্মসূচি জোট নেতারা জানান, আগামী মাস থেকে সারা দেশে বিক্ষোভ, গণঅবস্থান, মানববন্ধন এবং জেলা পর্যায়ে গণসংলাপ কর্মসূচি শুরু হবে। তারা বলেছেন, এই জোট শুধুমাত্র সরকারবিরোধী নয়, বরং এটি একটি ভবিষ্যত রাজনৈতিক বিকল্প হিসেবেও কাজ করবে। সরকারের প্রতিক্রিয়া সরকারি দলের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি, তবে অঘোষিতভাবে কয়েকজন শীর্ষ নেতা বলেছেন, “বিরোধীদের এই জোট জনভিত্তিহীন এবং জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা।” বিশ্লেষকদের মত রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. মাহবুব হাসান বলেন, “এই জোট নির্বাচনী রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারে, যদি তারা মাঠে বাস্তব আন্দোলন ও বিকল্প নেতৃত্ব দিতে পারে। তবে সরকার যেভাবে শক্ত হাতে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখছে, তাতে সংঘাতময় পরিস্থিতি তৈরির আশঙ্কাও রয়েছে।” আগামী সপ্তাহে জাতীয় প্রেস ক্লাবে জোটের পক্ষ থেকে পূর্ণাঙ্গ কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়েছে। রাজনৈতিক মহল এই জোটকে ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনের ‘গেম চেঞ্জার’ হিসেবেও দেখছে।

দেশজুড়ে

View more
বাবুগঞ্জে বাসের ধাক্কায় শিক্ষিকা নিহত, সড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
বাবুগঞ্জে বাসের ধাক্কায় শিক্ষিকা নিহত, সড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

  বরিশালের বাবুগঞ্জে দ্রুতগতির বাসের ধাক্কায় এক সহকারী শিক্ষিকা নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সকাল ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের দ্বারিকা-শিকারপুর ব্রিজের ঢালের পশ্চিম পাশে রাকুদিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত রেহানা বেগম (৪৫) রাকুদিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা নাসিরউদ্দিনের স্ত্রী। স্থানীয় ও মাদরাসা সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে শিকারপুর ব্রিজের ঢাল এলাকায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক পার হচ্ছিলেন রেহানা বেগম। এ সময় ঢাকা থেকে বরিশালগামী লাবিবা কোম্পানির ‘আহনাফ পরিবহন’ নামের একটি বেপরোয়া গতির বাস তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি ছিটকে সড়কের পাশে পড়ে গিয়ে মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত পান। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে মাদরাসার শিক্ষকেরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে রেহানা বেগমকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুর খবর মাদরাসায় পৌঁছালে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে গভীর শোক ও তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা, দুর্ঘটনার জন্য দায়ী চালকের বিচার ও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া এবং মহাসড়কে বেপরোয়া গতিতে যানবাহন চলাচল বন্ধের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ সময় সড়ক অবরোধ করে রাখার কারণে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের উভয় পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়, ফলে দুর্ভোগে পড়েন হাজার হাজার যাত্রী ও সাধারণ মানুষ। সংবাদ পেয়ে এয়ারপোর্ট থানার পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ ও বাবুগঞ্জ থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। পরে চালক ও বাস আটকের আশ্বাসসহ লাবিবা কোম্পানির কয়েকটি বাস আটক করা হলে প্রায় এক ঘণ্টা পর শিক্ষার্থীরা অবরোধ প্রত্যাহার করে নেয়। এরপর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাবুগঞ্জ থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত নারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। বর্তমানে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে এবং দুর্ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
ধনবাড়ী নওয়াব ইনস্টিটিউশনের শিক্ষার্থীদের ফ্রি স্বাস্থ্যসেবা প্রদান

ধনবাড়ী নওয়াব ইনস্টিটিউশনের শিক্ষার্থীদের ফ্রি স্বাস্থ্যসেবা প্রদান

আওয়ামী লীগ নেতার দোকানের তালা ভেঙে মজুত করা ৩ টন সার জব্দ

আওয়ামী লীগ নেতার দোকানের তালা ভেঙে মজুত করা ৩ টন সার জব্দ

পবায় ফ্রি টিকায় সুরক্ষিত হচ্ছে ৮৩ হাজার গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি, স্বস্তিতে প্রান্তিক খামারিরা

পবায় ফ্রি টিকায় সুরক্ষিত হচ্ছে ৮৩ হাজার গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি, স্বস্তিতে প্রান্তিক খামারিরা

কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে হাজতির মৃত্যু
কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে হাজতির মৃত্যু

  ঢাকার কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে আব্দুল মাবুদ (৫৮) নামের এক হাজতি মারা গেছেন। আজ রোববার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এর আগে, রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আব্দুল মাবুদ কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। কারারক্ষী মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, আব্দুল মাবুদ কেন্দ্রীয় কারাগারে হাজতি হিসেবে ছিলেন। তিনি চট্টগ্রাম জেলার চন্দনাইশ থানার হামিমপুর এলাকার আব্দুল সোবাহানের ছেলে। তবে কোন মামলার কারাবন্দি ছিলেন সে বিষয়ে কিছু বলতে পারবো না। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি কারা কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হবে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারে কাছে হস্তান্তর করা হবে বলেও জানান পুলিশ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান।

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
ডাকাত পড়েছে মাইকিং করে ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা

ডাকাত পড়েছে মাইকিং করে ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা

পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া বাংলাদেশী যাত্রীদের বিএসএফের কাছ থেকে উদ্ধার ও ফেরত আনয়ন ৫৩ বিজিবি'র সফল তৎপরতা

পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া বাংলাদেশী যাত্রীদের বিএসএফের কাছ থেকে উদ্ধার ও ফেরত আনয়ন ৫৩ বিজিবি'র সফল তৎপরতা

বগুড়ার শিবগঞ্জে আলোকবর্তিকা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

বগুড়ার শিবগঞ্জে আলোকবর্তিকা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে খেলাপি ঋণের পাহাড়: আর্থিক খাতের ভয়াবহ বাস্তবতা উন্মোচিত
রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে খেলাপি ঋণের পাহাড়: আর্থিক খাতের ভয়াবহ বাস্তবতা উন্মোচিত

  জাতীয় সংসদে ঘোষিত অর্থমন্ত্রীর সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, দেশের ছয়টি রাষ্ট্র-মালিকানাধীন ব্যাংকে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকা। ২০২৩ সালের জুনের এই হিসাব দেশের আর্থিক খাতের এক ভয়াবহ ও জঘন্য বাস্তবতাকে জনসমক্ষে উন্মোচিত করেছে। এককভাবে জনতা ব্যাংকেই খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৭৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি, যা মোট রাষ্ট্রায়ত্ত খেলাপি ঋণের অর্ধেকেরও বেশি। এছাড়া অগ্রণী, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকের হাজার হাজার কোটি টাকার মন্দ ঋণ প্রমাণ করে যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম, অপশাসন এবং চরম অব্যবস্থাপনার শিকার। দেশের জনগণের করের টাকায় পরিচালিত ব্যাংকগুলোর এই দশা কোনো আকস্মিক দুর্ঘটনা নয়; বরং এটি বছরের পর বছর ধরে চলা রাজনৈতিক বিবেচনায় ঋণ বণ্টন, ভুয়া জামানত, প্রভাবশালী ঋণখেলাপিদের তোষণ এবং দুর্বল তদারকির অনিবার্য ফল। বিশেষ করে কোনো কোনো একক ব্যাংকে এত বিপুল পরিমাণ খেলাপি ঋণ পুঞ্জীভূত হওয়ার অর্থ হলো—সেখানে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছিল। রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সদিচ্ছার অভাবে ব্যাংকিং খাতে যে ‘ঋণ খেলাপি অপসংস্কৃতি’ তৈরি হয়েছে, তার মাসুল এখন গুনতে হচ্ছে পুরো দেশের অর্থনীতি ও সাধারণ জনগণকে। খেলাপি ঋণের এই বিশাল বোঝার কারণে ব্যাংকগুলোর মূলধন ঘাটতি তৈরি হচ্ছে, যা মেটাতে শেষ পর্যন্ত সরকারি তহবিল অর্থাৎ জনগণের পকেটের টাকা ব্যবহার করতে হয়। এতে শুধু ব্যাংকিং খাতের তারল্য সংকট ও বিনিয়োগ ক্ষমতাই বাধাগ্রস্ত হচ্ছে না, বরং সামগ্রিক অর্থনীতির গতিও থমকে যাচ্ছে। অর্থমন্ত্রী সংসদে এই হিসাব পেশ করে দায়িত্ব শেষ করতে পারেন না। আমানতকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে এবং দেশের অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধারে অবিলম্বে বিশেষ ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। প্রথমত, যেসব বড় বড় অর্থ আত্মসাৎকারী ও প্রভাবশালী ঋণখেলাপির কারণে ব্যাংকের এই করুণ অবস্থা, তাদের তালিকা প্রকাশ করে দ্রুত আইনি আওতায় আনতে হবে। বিশেষ ঋণ আদালত বা ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে খেলাপি অর্থ আদায়ের প্রক্রিয়া জোরদার করা প্রয়োজন। দ্বিতীয়ত, খেলাপি ঋণ সৃষ্টির পেছনে ব্যাংকের যেসব কর্মকর্তা ও পরিচালনা পর্ষদের সদস্য জড়িত ছিলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ও ফৌজদারি ব্যবস্থা নিতে হবে। পরিশেষে, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোকে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থেকে মুক্ত করে বাংলাদেশ ব্যাংকের কঠোর তদারকি ও স্বাধীন পরিচালন কাঠামোর আওতায় আনা ছাড়া এই গভীর সংকট থেকে উত্তরণের আর কোনো বিকল্প নেই।

News সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬ 0
সাভারে মিঠুনকে গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন

সাভারে মিঠুনকে গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫৩ বিজিবি’র উদ্যোগে যুবকদের জন্য ইলেকট্রিক্যাল ও হাউজ ওয়্যারিং প্রশিক্ষণ শুরু

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫৩ বিজিবি’র উদ্যোগে যুবকদের জন্য ইলেকট্রিক্যাল ও হাউজ ওয়্যারিং প্রশিক্ষণ শুরু

ভারতে ১৫০ বছরের পুরোনো মসজিদ গুঁড়িয়ে দিলো প্রশাসন

ভারতে ১৫০ বছরের পুরোনো মসজিদ গুঁড়িয়ে দিলো প্রশাসন

0 Comments