দেশজুড়ে

পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া বাংলাদেশী যাত্রীদের বিএসএফের কাছ থেকে উদ্ধার ও ফেরত আনয়ন ৫৩ বিজিবি'র সফল তৎপরতা

রতন লাল সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া বাংলাদেশী যাত্রীদের বিএসএফের কাছ থেকে উদ্ধার ও ফেরত আনয়ন ৫৩ বিজিবি'র সফল তৎপরতা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তের পদ্মা নদীতে

 

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ 
​চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি 

​আজ বিকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তের পদ্মা নদীতে একটি মর্মান্তিক নৌকাডুবির ঘটনার পর, নিখোঁজ বাংলাদেশী যাত্রীদের দ্রুত উদ্ধারে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) এবং বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি)-এর মধ্যে এক তাৎক্ষণিক ও সফল সমন্বয় পরিলক্ষিত হলো। বিএসএফ কর্তৃক ১০ জন বাংলাদেশী যাত্রীকে জীবিত উদ্ধারের পর, বিজিবি'র ৫৩ ব্যাটালিয়ন তাদের দ্রুত ও নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে এনেছে।


আজ ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ তারিখ আনুমানিক বিকাল ৫টার দিকে বাখেরআলী এলাকার আলীমনগর ঘাট হতে ১২ জন যাত্রী নিয়ে জহুরপুরটেক গ্রামের উদ্দেশ্যে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ছেড়ে যায়। পথিমধ্যে, প্রবল স্রোতের কারণে নৌকাটি পদ্মা নদীতে ডুবে যায়।​এ সময় নৌকায় থাকা মোঃ ওয়াসিম (২৩), পিতা- মোঃ শামছুল আলম সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও, বাকি ১১ জন যাত্রী পানিতে নিখোঁজ হন।নৌকা ডুবির খবর পাওয়ার পরপরই, তৎপর হয়ে ওঠে বিজিবি। আনুমানিক ৫:৫০ মিনিটে (১৭৫০ ঘটিকায়), ৭১ ব্যাটালিয়ন বিএসএফ-এর খান্দুয়া ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার, বাখেরআলি বিওপি ও ফরিদপুর বিওপি কমান্ডারদের এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার কথা জানান।

 

বিএসএফ সদস্যরা দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু করেন এবং সফলভাবে ১০ জন বাংলাদেশী যাত্রীকে (০৪ জন পুরুষ, ০৩ জন মহিলা ও ০৩ জন শিশু) জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হন।উদ্ধারকৃত যাত্রীদের দ্রুততম সময়ে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে, ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণ করে। আজ রাত ৯টা ৫৫ মিনিটের সময় ফরিদপুর বিওপি কমান্ডার ও খান্দুয়া বিএসএফ ক্যাম্প কমান্ডারের মধ্যে একটি পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকের মাধ্যমে উদ্ধারকৃত ১০ জন বাংলাদেশী নাগরিককে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশে ফেরত আনা হয়।​উদ্ধারকৃত যাত্রীদের সকল প্রক্রিয়া শেষে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে তাদের নিকট আত্মীয় মোঃ ইসমাইল হোসেনের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।উদ্ধারকৃত ব্যক্তিরা হলেনঃ মোঃ রাসেল (২৬), পিতা- মোস্তফা। মোঃ ইব্রাহিম (৫০), পিতা- মৃত আব্দুর রউফ। সওদাগর (৪০), পিতা- আব্দুর রউফ।মোঃ ইব্রাহিম (৬০), পিতা- মৃত আবুল হোসেন। সখিনা (৪৫), স্বামী- মোঃ মোস্তফা।

 

নিলুফা (৩৫), স্বামী- মতিউর। তানিয়া (২২), স্বামী- মোঃ সোহেল এবং তার ২০দিন বয়সী শিশু সন্তান। সানাউল্লাহ (৯), পিতা- মতিউর। আল আমিন (৯), পিতা- ইসলাম উদ্দিন।সকলের গ্রাম- জহুরপুর (বকরী পাড়া), পোস্ট- নারায়নপুর, থানা ও জেলা- চাঁপাইনবাবগঞ্জ।


​প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষায় জানা গেছে, উদ্ধারকৃত সকলেই সুস্থ্য রয়েছেন।উক্ত নৌকাডুবির ঘটনায়, একই গ্রামের বাসিন্দা মোঃ মোস্তফা (৬০), পিতা- মৃতঃ আলতাব হোসেন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে। তার সন্ধানে তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

 

এই ঘটনায় বিএসএফ এবং বিজিবি-এর মধ্যে দ্রুত ও কার্যকর যোগাযোগ এবং মানবিক তৎপরতা প্রশংসার দাবিদার। উদ্ধারকৃত যাত্রীদের নিরাপদে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে আনতে ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের দ্রুত পদক্ষেপ স্থানীয় জনগণের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে। নিখোঁজ ব্যক্তির উদ্ধারেও যথাযথ তৎপরতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

নতুন জোট গঠনের ঘোষণা দিল প্রধান তিন বিরোধী দল

ঢাকা – দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে, যখন দেশের প্রধান তিনটি বিরোধী দল—জাতীয় গণফ্রন্ট, উন্নয়ন পার্টি ও জননেতা পরিষদ—আজ এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ‘গণঐক্য জোট’ নামে একটি নতুন রাজনৈতিক জোট গঠনের ঘোষণা দিয়েছে। এই জোটের মুখ্য লক্ষ্য হলো আগাম জাতীয় সংসদ নির্বাচন আদায় করা, বর্তমান সরকারের পদত্যাগ দাবি এবং একটি নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ভোট আয়োজন নিশ্চিত করা। জাতীয় গণফ্রন্টের সভাপতি শহীদুল হক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “দেশে এখন গণতন্ত্র নেই, জনগণের ভোটাধিকার নেই। তাই আমাদের এই ঐক্য—সত্যিকার অর্থে একটি গণআন্দোলনের সূচনা।” জোটের কর্মসূচি জোট নেতারা জানান, আগামী মাস থেকে সারা দেশে বিক্ষোভ, গণঅবস্থান, মানববন্ধন এবং জেলা পর্যায়ে গণসংলাপ কর্মসূচি শুরু হবে। তারা বলেছেন, এই জোট শুধুমাত্র সরকারবিরোধী নয়, বরং এটি একটি ভবিষ্যত রাজনৈতিক বিকল্প হিসেবেও কাজ করবে। সরকারের প্রতিক্রিয়া সরকারি দলের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি, তবে অঘোষিতভাবে কয়েকজন শীর্ষ নেতা বলেছেন, “বিরোধীদের এই জোট জনভিত্তিহীন এবং জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা।” বিশ্লেষকদের মত রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. মাহবুব হাসান বলেন, “এই জোট নির্বাচনী রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারে, যদি তারা মাঠে বাস্তব আন্দোলন ও বিকল্প নেতৃত্ব দিতে পারে। তবে সরকার যেভাবে শক্ত হাতে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখছে, তাতে সংঘাতময় পরিস্থিতি তৈরির আশঙ্কাও রয়েছে।” আগামী সপ্তাহে জাতীয় প্রেস ক্লাবে জোটের পক্ষ থেকে পূর্ণাঙ্গ কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়েছে। রাজনৈতিক মহল এই জোটকে ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনের ‘গেম চেঞ্জার’ হিসেবেও দেখছে।

দেশজুড়ে

View more
পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া বাংলাদেশী যাত্রীদের বিএসএফের কাছ থেকে উদ্ধার ও ফেরত আনয়ন ৫৩ বিজিবি'র সফল তৎপরতা
পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া বাংলাদেশী যাত্রীদের বিএসএফের কাছ থেকে উদ্ধার ও ফেরত আনয়ন ৫৩ বিজিবি'র সফল তৎপরতা

  মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ  ​চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি  ​আজ বিকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তের পদ্মা নদীতে একটি মর্মান্তিক নৌকাডুবির ঘটনার পর, নিখোঁজ বাংলাদেশী যাত্রীদের দ্রুত উদ্ধারে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) এবং বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি)-এর মধ্যে এক তাৎক্ষণিক ও সফল সমন্বয় পরিলক্ষিত হলো। বিএসএফ কর্তৃক ১০ জন বাংলাদেশী যাত্রীকে জীবিত উদ্ধারের পর, বিজিবি'র ৫৩ ব্যাটালিয়ন তাদের দ্রুত ও নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে এনেছে। আজ ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ তারিখ আনুমানিক বিকাল ৫টার দিকে বাখেরআলী এলাকার আলীমনগর ঘাট হতে ১২ জন যাত্রী নিয়ে জহুরপুরটেক গ্রামের উদ্দেশ্যে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ছেড়ে যায়। পথিমধ্যে, প্রবল স্রোতের কারণে নৌকাটি পদ্মা নদীতে ডুবে যায়।​এ সময় নৌকায় থাকা মোঃ ওয়াসিম (২৩), পিতা- মোঃ শামছুল আলম সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও, বাকি ১১ জন যাত্রী পানিতে নিখোঁজ হন।নৌকা ডুবির খবর পাওয়ার পরপরই, তৎপর হয়ে ওঠে বিজিবি। আনুমানিক ৫:৫০ মিনিটে (১৭৫০ ঘটিকায়), ৭১ ব্যাটালিয়ন বিএসএফ-এর খান্দুয়া ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার, বাখেরআলি বিওপি ও ফরিদপুর বিওপি কমান্ডারদের এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার কথা জানান।   বিএসএফ সদস্যরা দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু করেন এবং সফলভাবে ১০ জন বাংলাদেশী যাত্রীকে (০৪ জন পুরুষ, ০৩ জন মহিলা ও ০৩ জন শিশু) জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হন।উদ্ধারকৃত যাত্রীদের দ্রুততম সময়ে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে, ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণ করে। আজ রাত ৯টা ৫৫ মিনিটের সময় ফরিদপুর বিওপি কমান্ডার ও খান্দুয়া বিএসএফ ক্যাম্প কমান্ডারের মধ্যে একটি পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকের মাধ্যমে উদ্ধারকৃত ১০ জন বাংলাদেশী নাগরিককে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশে ফেরত আনা হয়।​উদ্ধারকৃত যাত্রীদের সকল প্রক্রিয়া শেষে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে তাদের নিকট আত্মীয় মোঃ ইসমাইল হোসেনের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।উদ্ধারকৃত ব্যক্তিরা হলেনঃ মোঃ রাসেল (২৬), পিতা- মোস্তফা। মোঃ ইব্রাহিম (৫০), পিতা- মৃত আব্দুর রউফ। সওদাগর (৪০), পিতা- আব্দুর রউফ।মোঃ ইব্রাহিম (৬০), পিতা- মৃত আবুল হোসেন। সখিনা (৪৫), স্বামী- মোঃ মোস্তফা।   নিলুফা (৩৫), স্বামী- মতিউর। তানিয়া (২২), স্বামী- মোঃ সোহেল এবং তার ২০দিন বয়সী শিশু সন্তান। সানাউল্লাহ (৯), পিতা- মতিউর। আল আমিন (৯), পিতা- ইসলাম উদ্দিন।সকলের গ্রাম- জহুরপুর (বকরী পাড়া), পোস্ট- নারায়নপুর, থানা ও জেলা- চাঁপাইনবাবগঞ্জ। ​প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষায় জানা গেছে, উদ্ধারকৃত সকলেই সুস্থ্য রয়েছেন।উক্ত নৌকাডুবির ঘটনায়, একই গ্রামের বাসিন্দা মোঃ মোস্তফা (৬০), পিতা- মৃতঃ আলতাব হোসেন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে। তার সন্ধানে তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।   এই ঘটনায় বিএসএফ এবং বিজিবি-এর মধ্যে দ্রুত ও কার্যকর যোগাযোগ এবং মানবিক তৎপরতা প্রশংসার দাবিদার। উদ্ধারকৃত যাত্রীদের নিরাপদে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে আনতে ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের দ্রুত পদক্ষেপ স্থানীয় জনগণের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে। নিখোঁজ ব্যক্তির উদ্ধারেও যথাযথ তৎপরতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
বগুড়ার শিবগঞ্জে আলোকবর্তিকা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

বগুড়ার শিবগঞ্জে আলোকবর্তিকা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে খেলাপি ঋণের পাহাড়: আর্থিক খাতের ভয়াবহ বাস্তবতা উন্মোচিত

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে খেলাপি ঋণের পাহাড়: আর্থিক খাতের ভয়াবহ বাস্তবতা উন্মোচিত

সাভারে মিঠুনকে গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন

সাভারে মিঠুনকে গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫৩ বিজিবি’র উদ্যোগে যুবকদের জন্য ইলেকট্রিক্যাল ও হাউজ ওয়্যারিং প্রশিক্ষণ শুরু
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫৩ বিজিবি’র উদ্যোগে যুবকদের জন্য ইলেকট্রিক্যাল ও হাউজ ওয়্যারিং প্রশিক্ষণ শুরু

  মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ  চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি  ​সীমান্তবর্তী এলাকার বেকার ও যুবকদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি) এর উদ্যোগে শুরু হয়েছে “ইলেকট্রিক্যাল এন্ড হাউজ ওয়্যারিং প্রশিক্ষণ-২০২৬”। ​আজ ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের মোট ৩৫ জন যুবক এই প্রশিক্ষণে অংশ নিচ্ছেন। ​উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান, পিএসসি। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ, চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিকবৃন্দ এবং চরবাগডাঙ্গা বিওপি কমান্ডারসহ বিজিবি’র অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। ​সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি বিজিবি দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী এলাকার জনসাধারণের আর্থ-সামাজিক ও জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজ করে আসছে। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সীমান্ত এলাকার যুবসমাজ কারিগরি দক্ষতা অর্জন করে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার সুযোগ পাবে এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থেকে একটি নিরাপদ জীবন গড়তে সক্ষম হবে। বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্তবর্তী এলাকার জনগণের বিকল্প কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নে এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

News সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬ 0
ভারতে ১৫০ বছরের পুরোনো মসজিদ গুঁড়িয়ে দিলো প্রশাসন

ভারতে ১৫০ বছরের পুরোনো মসজিদ গুঁড়িয়ে দিলো প্রশাসন

এনআইডি সেবা চাইতে গিয়ে চড় খেলেন প্রবাসী

এনআইডি সেবা চাইতে গিয়ে চড় খেলেন প্রবাসী

বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘খালেদা জিয়া বিশ্ববিদ্যালয়’ করার প্রস্তাব

বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘খালেদা জিয়া বিশ্ববিদ্যালয়’ করার প্রস্তাব

অল্প পানিতেই তলিয়ে যায় কাঁচা রাস্তা, চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী
অল্প পানিতেই তলিয়ে যায় কাঁচা রাস্তা, চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী

   মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ  চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা  প্রতিনিধি  চাঁপাইনবাবগঞ্জে অগ্রণী সেচ প্রকল্পের ক্যানেলের পাশে থাকা একটি কাঁচা রাস্তা অল্প পানিতেই তলিয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সামান্য বৃষ্টি কিংবা ক্যানেলের পানি বাড়লেই রাস্তাটি পানিতে ডুবে যায়।   ফলে এ পথে চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটির এমন বেহাল অবস্থায় তারা নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে পানি জমে যাওয়ায় পথচারীসহ স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। অগ্রণী সেচ প্রকল্প ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি মোঃ মাহফুজুর রহমান বলেন, “রাস্তাটি অল্প পানিতেই তলিয়ে যায়। এতে এলাকাবাসীর চলাচলে মারাত্মক সমস্যা হয়।   বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার প্রশাসনকে জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের সমাধান হয়নি।” স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত রাস্তাটি সংস্কার ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

News সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬ 0
ধনবাড়ীতে দৈনিক মজলুমের কন্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

ধনবাড়ীতে দৈনিক মজলুমের কন্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

পদে পদে আইন ভেঙে আনোয়ার মডার্নের হাসপাতাল বাণিজ্য

পদে পদে আইন ভেঙে আনোয়ার মডার্নের হাসপাতাল বাণিজ্য

দেওয়ানগঞ্জে ৫ মেট্রিকটন অবৈধ সার জব্দ

দেওয়ানগঞ্জে ৫ মেট্রিকটন অবৈধ সার জব্দ

0 Comments