রাজনীতি

কাবা শরীফকে সাক্ষী রেখে দল ছাড়ার ঘোষণা বিএনপি নেতার

Shaeed সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬ 0
কাবা শরীফকে সাক্ষী রেখে দল ছাড়ার ঘোষণা বিএনপি নেতার
কাবা শরীফের সামনে দাঁড়িয়ে

 

সৌদি আরবে পবিত্র কাবা শরীফের সামনে দাঁড়িয়ে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির এক সক্রিয় কর্মী। মো. সাদ্দাম হাওলাদার নামের ওই ব্যক্তি বর্তমানে জিয়া সাইবার ফোর্সের বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন বলে তার নিজের দেওয়া তথ্যে জানা গেছে।

গত ৩১ আগস্ট নিজের ফেসবুক আইডিতে কাবা শরীফকে সাক্ষী রেখে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়ে একটি ভিডিও পোস্ট করেন সাদ্দাম। একই ভিডিওর কমেন্টে দেওয়া দীর্ঘ স্ট্যাটাসেও বিএনপির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সাংগঠনিক পদ ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানান তিনি। তার পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

স্ট্যাটাসে সাদ্দাম জানান, তার পরিবারের বাবা, চাচাসহ বংশের প্রায় ৯০ শতাংশ সদস্য দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির সঙ্গে সম্পৃক্ত। নিজেকে বিএনপির জাতীয় উপ-নির্বাচন কমিটির সাবেক সদস্য, গৈলা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক প্রার্থী এবং সক্রিয় কর্মী হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। বর্তমানে তিনি আগৈলঝাড়া উপজেলা জিয়া সাইবার ফোর্সের সহ-সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন বলেও জানান।

তবে সৌদি প্রবাসী সাদ্দাম বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তার পক্ষে আর রাজনীতি করা সম্ভব নয়। রাজনীতি জনগণের সেবা করার মাধ্যম—এমন ধারণা নিয়ে তিনি রাজনীতিতে এসেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত রাজনীতি থেকে নিজ সম্মান ও সচেতন সিদ্ধান্তে সরে যাওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।

বিএনপির প্রতি কোনো অভিযোগ নেই উল্লেখ করে সাদ্দাম বলেন, তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত এবং বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমান ও বিএনপির প্রতি তার ভালোবাসা রয়েছে।

রাজনৈতিক জীবনে কারও মনে কষ্ট দিয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে তিনি বলেন, আজকের পর থেকে কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা থাকবে না। পবিত্র কাবা শরীফকে সামনে রেখে রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

সাদ্দাম আরও জানান, রাজনীতি ছিল তার আবেগ ও মানুষের সেবা করার স্বপ্নের জায়গা। রাজনীতির মাধ্যমে সেই সেবা করতে না পারলেও রাজনীতির বাইরে মানবসেবা চালিয়ে যেতে চান তিনি। অতীতের মতো ভবিষ্যতেও অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের পাশে সর্বোচ্চ সামর্থ্য নিয়ে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এদিকে হঠাৎ করে রাজনীতি ছাড়ার পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা জানতে সাদ্দাম হাওলাদারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সৌদি আরবে অবস্থান করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

রাজনীতি

View more
রানা প্লাজা ভবন নির্মাণে দুর্নীতি, রানাসহ ৮ জনের রায় পিছিয়েছে
রানা প্লাজা ভবন নির্মাণে দুর্নীতি, রানাসহ ৮ জনের রায় পিছিয়েছে

  নকশাবহির্ভূত ভবন নির্মাণে দুর্নীতির অভিযোগে সাভারে ধসে পড়া রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানাসহ আটজনের বিরুদ্ধে রায়ের দিন পিছিয়ে মামলাটি ফের যুক্তিতর্কের শুনানির জন্য দিন ধার্য করেছে আদালত। মঙ্গলবার সকালে এ মামলায় আগামী ৬ অক্টোবর যুক্তিতর্কের জন্য নতুন তারিখ ঠিক করে ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ বি এম তারিকুল কবীরের আদালত। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী আরিফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এ মামলায় সোহেল রানা ছাড়া অন্য আসামিরা হলেনÑসাভার পৌরসভার সাবেক মেয়র রেফাত উল্লাহ, সাভার পৌরসভার সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা উত্তম কুমার রায়, নির্বাহী প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম, সাবেক সহকারী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান, সাবেক উপসহকারী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান রাসেল, সাভার পৌরসভার সাবেক টাউন প্ল্যানার ফারজানা ইসলাম ও লাইসেন্স পরিদর্শক মো. আব্দুল মোত্তালিব। আসামিদের মধ্যে সোহেল রানা এ মামলায় জামিনে থাকলেও হত্যা মামলায় কারাগারে রয়েছেন। এদিন তাকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। তবে এ মামলার আসামি মাহবুবুর রহমান ও ফারজানা ইসলাম শুরু থেকেই পলাতক রয়েছেন। অপর আসামিরা জামিনে আছেন। এদিন তারা আদালতে হাজিরা দেন। মামলার বিচার চলাকালে রানার বাবা আবদুল খালেক ও মা মর্জিনা খাতুন বেগম মারা যান। এরপর তাদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সাভার বাসস্ট্যান্ড-সংলগ্ন রানা প্লাজা ধসে ১ হাজার ১৩৬ জন নিহত এবং দেড় হাজারেরও বেশি মানুষ আহত হন। ঘটনার পরপরই ভবন নির্মাণে দুর্নীতির অনুসন্ধানে নামে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। নকশাবহির্ভূত ভবন নির্মাণের অভিযোগে ২০১৪ সালের ১৫ জুন সাভার থানায় ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের উপসহকারী পরিচালক এস এম মফিদুল ইসলাম। ভবনটি সোহেল রানার বাবার নামে হওয়ায় ওই সময় মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে বাদ দিয়েই তার বাবা-মাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি করা হয়। তদন্তে সোহেল রানাই ভবনের মূল দেখভালকারী ছিলেন প্রমাণিত হলে তাকে অভিযোগপত্রে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। অভিযোগপত্র জমা থেকে শুরু করে তৃতীয় দফায় ২০১৭ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি ভবন মালিক সোহেল রানা ও বাবা-মাসহ ১৮ জনকে আসামি করে অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, ‘রানা প্লাজা’ নামে ছয়তলা একটি শপিং কমপ্লেক্স নির্মাণের জন্য ২০০৬ সালের ১০ এপ্রিল নকশা অনুমোদন করে সাভার পৌরসভা। ২০০৮ সালের ২২ জানুয়ারি ওই ছয়তলা ভবনের ওপর আরও চারতলা নির্মাণের অনুমোদন চাওয়া হয়। এ সময় আগের অনুমোদনের নথির তথ্য গোপন করে নতুন নথি খুলে পৌর কর্তৃপক্ষ ১০ তলা ভবনের নকশা অনুমোদন করে। এছাড়াও রানা প্লাজা নির্মাণের আগে শপিং কমপ্লেক্স করার কথা বলা হলেও পরে সেখানে পাঁচটি গার্মেন্ট ফ্যাক্টরি স্থাপনের অনুমতি দেয় সাভার পৌরসভা। ২০১৭ সালের ২১ মে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের পর মামলার বিচার শুরু হয়। মামলার বিচার চলাকালে ২০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৯ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন। ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সকালে সাভার বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন আটতলা রানা প্লাজা ভেঙে পড়লে নিহত হন ১ হাজার ১৩৫ জন, আহত হন আরও হাজারখানেক শ্রমিক। শিল্পক্ষেত্রে বিশ্বের অন্যতম ভয়াবহ ওই ঘটনায় গ্রেপ্তার ভবন মালিক সোহেল রানার বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগে এবং ইমারত নির্মাণ বিধিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগে আরও দুটি মামলা চলছে

News সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬ 0
ভারতে আওয়ামী লীগের অনুষ্ঠান বাতিলকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে ঢাকা: হুমায়ুন কবির

ভারতে আওয়ামী লীগের অনুষ্ঠান বাতিলকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে ঢাকা: হুমায়ুন কবির

জিয়া ‍উদ্যানের লেকে মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী

জিয়া ‍উদ্যানের লেকে মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী

ফুটপাতে ফের বসলে প্রয়োজনে গ্রেপ্তার’

ফুটপাতে ফের বসলে প্রয়োজনে গ্রেপ্তার’

কাবা শরীফকে সাক্ষী রেখে দল ছাড়ার ঘোষণা বিএনপি নেতার
কাবা শরীফকে সাক্ষী রেখে দল ছাড়ার ঘোষণা বিএনপি নেতার

  সৌদি আরবে পবিত্র কাবা শরীফের সামনে দাঁড়িয়ে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির এক সক্রিয় কর্মী। মো. সাদ্দাম হাওলাদার নামের ওই ব্যক্তি বর্তমানে জিয়া সাইবার ফোর্সের বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন বলে তার নিজের দেওয়া তথ্যে জানা গেছে। গত ৩১ আগস্ট নিজের ফেসবুক আইডিতে কাবা শরীফকে সাক্ষী রেখে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়ে একটি ভিডিও পোস্ট করেন সাদ্দাম। একই ভিডিওর কমেন্টে দেওয়া দীর্ঘ স্ট্যাটাসেও বিএনপির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সাংগঠনিক পদ ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানান তিনি। তার পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। স্ট্যাটাসে সাদ্দাম জানান, তার পরিবারের বাবা, চাচাসহ বংশের প্রায় ৯০ শতাংশ সদস্য দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির সঙ্গে সম্পৃক্ত। নিজেকে বিএনপির জাতীয় উপ-নির্বাচন কমিটির সাবেক সদস্য, গৈলা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক প্রার্থী এবং সক্রিয় কর্মী হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। বর্তমানে তিনি আগৈলঝাড়া উপজেলা জিয়া সাইবার ফোর্সের সহ-সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন বলেও জানান। তবে সৌদি প্রবাসী সাদ্দাম বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তার পক্ষে আর রাজনীতি করা সম্ভব নয়। রাজনীতি জনগণের সেবা করার মাধ্যম—এমন ধারণা নিয়ে তিনি রাজনীতিতে এসেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত রাজনীতি থেকে নিজ সম্মান ও সচেতন সিদ্ধান্তে সরে যাওয়ার ঘোষণা দেন তিনি। বিএনপির প্রতি কোনো অভিযোগ নেই উল্লেখ করে সাদ্দাম বলেন, তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত এবং বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমান ও বিএনপির প্রতি তার ভালোবাসা রয়েছে। রাজনৈতিক জীবনে কারও মনে কষ্ট দিয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে তিনি বলেন, আজকের পর থেকে কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা থাকবে না। পবিত্র কাবা শরীফকে সামনে রেখে রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। সাদ্দাম আরও জানান, রাজনীতি ছিল তার আবেগ ও মানুষের সেবা করার স্বপ্নের জায়গা। রাজনীতির মাধ্যমে সেই সেবা করতে না পারলেও রাজনীতির বাইরে মানবসেবা চালিয়ে যেতে চান তিনি। অতীতের মতো ভবিষ্যতেও অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের পাশে সর্বোচ্চ সামর্থ্য নিয়ে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এদিকে হঠাৎ করে রাজনীতি ছাড়ার পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা জানতে সাদ্দাম হাওলাদারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সৌদি আরবে অবস্থান করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

News সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬ 0
সরকারকে ব্যর্থ প্রমাণে মরিয়া প্রশাসন: বিএনপির সংসদ সদস্য

সরকারকে ব্যর্থ প্রমাণে মরিয়া প্রশাসন: বিএনপির সংসদ সদস্য

আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রাথমিক-মাধ্যমিক স্তরে যুক্ত হচ্ছে ৪টি নতুন বই ও বিষয়

আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রাথমিক-মাধ্যমিক স্তরে যুক্ত হচ্ছে ৪টি নতুন বই ও বিষয়

যেভাবে উত্তরার ফ্ল্যাট থেকে তুলে নেওয়া হয়েছিল সালাহউদ্দিনকে

যেভাবে উত্তরার ফ্ল্যাট থেকে তুলে নেওয়া হয়েছিল সালাহউদ্দিনকে

নতুন কমিটি নিয়ে নোয়াখালীতে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ১৫
নতুন কমিটি নিয়ে নোয়াখালীতে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ১৫

  নোয়াখালী সদর উপজেলার অশ্বদিয়া ইউনিয়নে ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার বিকেল ৪টা থেকে রাত ৭টা পর্যন্ত অশ্বদিয়া ইউনিয়নের দিদিমণি বাজার থেকে ইউনিয়ন পরিষদ এলাকা পর্যন্ত থেমে থেমে এ সংঘর্ষ চলে। স্থানীয় সূত্র জানায়, গত মঙ্গলবার অশ্বদিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করে সদর উপজেলা ছাত্রদল। এতে ইয়াছিন আলমকে আহ্বায়ক এবং আব্দুল্লাহ আল বিন মাহিদকে সদস্যসচিব করা হয়। কমিটিতে পদ না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ হন সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন সাগর ও তার অনুসারীরা। তারা কমিটি বাতিলের দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার বিকেলে নবগঠিত কমিটির উদ্যোগে আনন্দ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় পৌঁছালে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া এবং একপর্যায়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে উভয় পক্ষ। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হন। পরে আহতদের নোয়াখালী শহরের বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। নবগঠিত কমিটির নেতাদের অভিযোগ, আনন্দ মিছিল বানচাল করতে পদবঞ্চিত পক্ষ বহিরাগতদের নিয়ে হামলা চালিয়েছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন। তার দাবি, যোগ্য ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে পছন্দের লোকজনকে নিয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর প্রতিবাদে তারা বিক্ষোভ করছিলেন। এ সময় তাদের ওপরই আগে হামলা চালানো হয়। সুধারাম থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ও টহল জোরদার করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনো কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি।

News আগস্ট ৩০, ২০২৬ 0
সংসদ অভিমুখে ১১ দলীয় ঐক্যের পদযাত্রা শুরু

সংসদ অভিমুখে ১১ দলীয় ঐক্যের পদযাত্রা শুরু

সরিষাবাড়ীতে ইউনিয়ন শ্রমিক দলের দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

সরিষাবাড়ীতে ইউনিয়ন শ্রমিক দলের দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

সেপ্টেম্বর থেকে ২ লাখ শ্রমিক নেওয়া শুরু করবে মালয়েশিয়া

সেপ্টেম্বর থেকে ২ লাখ শ্রমিক নেওয়া শুরু করবে মালয়েশিয়া

0 Comments