রাজনীতি

প্রবাসীর স্বর্ণ ছিনতাই: বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক বহিষ্কার

হোসেন মাঝি সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬ 0
প্রবাসীর স্বর্ণ ছিনতাই: বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক বহিষ্কার
প্রবাসীর স্বর্ণালংকার

 


বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি মো. রিপন হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন হোসেন শান্ত

প্রবাসীর স্বর্ণালংকার ছিনতাইয়ের ঘটনার বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি মো. রিপন হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন হোসেন শান্তকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে রিপন হোসেন ও আল-আমিন হোসেন শান্তকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি মো. সালাহউদ্দিন আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ-উর-রহমান এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন

একই সঙ্গে বহিষ্কৃত দুই নেতার সাথে ছাত্রদলের কোনো পর্যায়ের নেতাকর্মীকে সাংগঠনিকভাবে যোগাযোগ বা সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে, গতকাল ৩০ আগস্ট রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকায় প্রবাসীর ভাইয়ের কাছ থেকে স্বর্ণ ছিনতাইয়ের ঘটনায় করা মামলায় বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ আগস্ট নরসিংদীর জেলার বাসিন্দা ও মালয়েশিয়া প্রবাসী কাউসারের ছোট ভাই মো. সুমন বিমানবন্দর থানায় ওই মামলা দায়ের করেন। মামলায় বিমানবন্দর সাংগঠনিক ইউনিট বিএনপির সভাপতি আব্দুর রউফকে ১ নম্বর আসামি করা ছাড়াও বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি রিপনকে ২ নম্বর আসামি, বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন শান্তকে ৩ নম্বর আসামি ও বিমানবন্দর সাংগঠনিক ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রুবেলকে ৪ নম্বর আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, আমার বড় ভাই কাউসার মালয়েশিয়া প্রবাসী। গত ২৮ আগস্ট তিনি আমাদের বোনের বিবাহ ও আমার পরিবারের ব্যবহারের জন্য মালয়েশিয়া থেকে ২০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার পাঠান। পরবর্তীতে আমি ও আমার বন্ধু রোহান চৌধুরীকে সঙ্গে নিয়ে ওইদিন রাত ৮টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বড় ভাইয়ের পরিচিত এক লোকের কাছ থেকে ১০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার ও আমার বন্ধু রোহানের কাছে ১০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার দিয়ে ভাড়া করা একটি হায়েস গাড়িতে উঠি।

এজাহারে বাদী আরও উল্লেখ করেন, ওইদিন রাত ৮টা ৫ মিনিটের দিকে বিমানবন্দর থানাধীন ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বলাকা ভবনের বিপরীত পাশের রাস্তায় আসামিরা তাদের গাড়ির গতিরোধ করে। পরে তারা আমাদের আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ কর্মী আখ্যা দিয়ে আমাদের কাছে বোমা আছে বলে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারতে থাকে। একপর্যায়ে আসামিরা সঙ্গে থাকা ২০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেয়। এরপর স্থানীয়রা আমাদের উদ্ধার করে। ওই সময় একজন পথচারী আমাদের বাঁচানোর চেষ্টা করে ও অপর একজন পথচারীর কৌশলে নিজের মোবাইল ফোনের ক্যামেরায় ভিডিও ধারণ করে। একপর্যায়ে আরও লোকজনকে ঘটনাস্থলে আসতে দেখে আসামিরা স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে 

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

আর্জেন্টিনা বনাম নেদারল্যান্ডস হকি ফাইনালে আজ মুখোমুখি

আর্জেন্টিনা ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৫ আন্তর্জাতিক হকি বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচ ফুটবল প্রেমীদের মতো হকি প্রেমীদের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ তৈরি করেছে। ইতোমধ্যে টুর্নামেন্টের কঠিন পর্ব অতিক্রম করে দুই দলই নিজেদের সেরাটা দিয়ে ফাইনালে উঠেছে। আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য এই ফাইনাল ম্যাচে উভয় দল নিজেদের সেরা পারফরম্যান্স প্রদর্শনের জন্য প্রস্তুত।   আর্জেন্টিনা দল এই টুর্নামেন্টে অসাধারণ আত্মবিশ্বাস ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। অধিনায়ক লুকাস মার্টিনেজ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আমরা টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই কঠোর পরিশ্রম করেছি। দলের সবাই একসঙ্গে কাজ করে ফাইনালে পৌঁছেছি। আমাদের লক্ষ্য স্পষ্ট — বিশ্বকাপ জিততে হবে। প্রতিটি ম্যাচের জন্য আমরা আত্মনিয়ন্ত্রণ ও মনোযোগ বজায় রেখেছি এবং আগামী ম্যাচেও তা বজায় রাখব।” আর্জেন্টিনা দলের ফিজিক্যাল ট্রেনার জানান, দল খেলোয়াড়দের ফিটনেস ও মানসিক প্রস্তুতির জন্য বিশেষ অনুশীলন চালাচ্ছে যাতে ফাইনালে তারা চাপ সামলাতে পারে।   অন্যদিকে নেদারল্যান্ডসের কোচ মাইকেল ডি ইয়ং ফাইনালের আগের প্রস্তুতি নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আমাদের দল গত কয়েক মাস ধরে কৌশলগত প্রস্তুতি নিয়েছে। খেলোয়াড়রা মানসিক ও শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আমরা চাই এই বিশ্বকাপে নিজেদের ইতিহাস গড়ে একটি শক্তিশালী ছাপ রেখে যেতে।” কোচ আরো বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধুমাত্র ফাইনালে উঠা নয়, বরং বিশ্বকাপ জয়। আমরা প্রতিপক্ষের দুর্বলতা চিহ্নিত করে নিজেদের পরিকল্পনা সাজাচ্ছি।”   বিশ্বের হকি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবারের ফাইনাল ম্যাচটি গত দশকের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ এবং ঘনিষ্ঠ প্রতিযোগিতা হতে চলেছে। উভয় দলের কৌশল, বল নিয়ন্ত্রণ ও দ্রুতগতির খেলায় যে মেধা প্রদর্শিত হয়েছে, তা ফুটবলের মতো অন্য কোনো খেলার ক্ষেত্রে বিরল। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ফাইনালে দলের মানসিক স্থিতিশীলতা ও চাপ সামলানোর ক্ষমতা বিজয় নির্ধারণে মূল ভূমিকা পালন করবে।   মাঠে উভয় দলের খেলোয়াড়রা দ্রুতগতির পাস, শক্তিশালী ডিফেন্স এবং আক্রমণাত্মক স্ট্র্যাটেজি নিয়ে মাঠ মাতানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। আর্জেন্টিনার স্ট্রাইকারের গতিবেগ এবং নেদারল্যান্ডসের মিডফিল্ডারদের কৌশলগত দক্ষতা ম্যাচে প্রধান আকর্ষণ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়াও গোলরক্ষকদের প্রতিটি সেভ এবং প্রতিপক্ষের আক্রমণ রুখে দেওয়াও ম্যাচের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।   বিশ্বজুড়ে লাখো হকি ভক্ত এই ম্যাচের সরাসরি সম্প্রচার দেখার জন্য অপেক্ষায় আছেন। অনলাইনে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ম্যাচের লাইভ স্ট্রিমিং অনুষ্ঠিত হবে এবং অনেক দেশের টেলিভিশনও সরাসরি সম্প্রচার করবে। হকি প্রেমীরা এই ম্যাচ থেকে দারুণ উত্তেজনা, দক্ষতা এবং খেলা উপভোগ করার আশা করছে।   মাঠের বাইরেও ভক্তদের জন্য বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ফ্যান জোন আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে খেলোয়াড় ও দর্শকরা একত্রে সময় কাটিয়ে খেলার আনন্দ ভাগাভাগি করবেন। এছাড়াও টুর্নামেন্ট পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা না ঘটে এবং খেলা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়।   বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে দুই দলের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করে আগামী দিনে বিশ্ব হকির নতুন ধারার রূপরেখা নির্ধারণ করা হবে। এই ম্যাচের ফলাফল আগামী দশক ধরে হকির কৌশলগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।   এই প্রতিযোগিতা বিশ্বের সর্বোচ্চ মানের হকি টুর্নামেন্ট হওয়ায় এর প্রতি ভক্তদের আগ্রহ ও উন্মাদনা সত্যিই অবিশ্বাস্য। সবাই আশা করছেন, আগামীকালের ফাইনাল হবে একটি স্মরণীয় খেলা, যেখানে স্পোর্টসম্যানশিপ, দক্ষতা ও উত্তেজনা থাকবে সর্বোচ্চ মাত্রায়।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

রাজনীতি

View more
এখন গরু-মহিষকে ঘাস খাওয়াতেও চাঁদা দিতে হয়: রুমিন ফারহানা
এখন গরু-মহিষকে ঘাস খাওয়াতেও চাঁদা দিতে হয়: রুমিন ফারহানা

  ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের আংশিক) আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, ‘বাংলাদেশের এখন এই অবস্থা হয়েছে যে গরু-মহিষকে ঘাস খাওয়াতে হলেও চাঁদা দিয়ে খাওয়াতে হয়। চাঁদা না দিলে খামারের মাছের খাবারে বিষ মেশানো হয়।’ শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার প্রত্যন্ত পাকশিমুল ইউনিয়নের জয়দরকান্দি গ্রামের ১ ও ২ নং ওয়ার্ডের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন রুমিন ফারহানা। এ সময় নিজ এলাকায় চাঁদাবাজি হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে রাজপথে নামারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। সভায় তিনি বলেন, আমার এলাকায় চাঁদাবাজি হলে আমি কাউকে চিনি না। আমি তার বিরুদ্ধে রাস্তায় দাঁড়াব। ডান পাশে বালু চোর আর বাম পাশে মামলাবাজ নিয়ে আমি রাজনীতি করতে চাই না। নিজের আত্মীয়স্বজনকে কোনো ধরনের বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে না উল্লেখ করে এই সংসদ সদস্য বলেন, আমার কোনো আত্মীয় নেই, যাকে সারের ডিলারশিপ দিতে হবে। আমার কোনো আত্মীয় নেই, যাকে রাস্তার কাজের ঠিকাদারি দিতে হবে। আমার কোনো আত্মীয় নাই, যাকে চাঁদা দিয়ে আপনাদের ব্যবসা করতে হবে। নিজের কোনো কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা জানানোর আহ্বান জানিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, আমার কোনো কর্মীর বিষয়ে যেকোনো অভিযোগ থাকলে নাম-পরিচয় গোপন রেখে লিখিতভাবে আমাকে জানাবেন। আপনাদের পরিচয় আমি প্রকাশ করব না। কিন্তু সেই কর্মীর ব্যাপারে যে ব্যবস্থা নেওয়ার, আমি সে ব্যবস্থা নেব। আমার কোনো কর্মী যদি আমার কোনো ভোটারের সঙ্গে একটুও বেয়াদবি করে, আমার ওই কর্মীর নাম আমার কাছে জমা দেবেন, বাকি ব্যবস্থাটা আমি করব। দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে রুমিন ফারহানা বলেন, ১৭ বছর আমরা আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। আমরা আশা করেছিলাম, আমরা জনগণের একটা সরকার পাব, যারা বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান করবে, গ্যাসের সমস্যা সমাধান করবে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটাবে, জিনিসপত্রের দাম নাগালের মধ্যে রাখবে। আমাদের এমন দুর্ভাগ্য, ৮০-৯০ টাকা কেজির নিচে সবজি নাই। ঢাকা শহরে একটা ডিমের দাম ১৫ টাকা। গরিব খাবে কী?

News অক্টোবর ১৭, ২০২৬ 0
ফ্যাসিস্ট সরকার বৃক্ষরোপণ করেনি, গাছ কেটে সাবাড় করেছে : এমপি নিলোফার মনি

ফ্যাসিস্ট সরকার বৃক্ষরোপণ করেনি, গাছ কেটে সাবাড় করেছে : এমপি নিলোফার মনি

মিষ্টির শূন্য আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিতরণ শুক্রবার

মিষ্টির শূন্য আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিতরণ শুক্রবার

আব্দুল হাই ছিলেন রাজপথের অন্যতম বিশ্বস্ত সৈনিক : প্রধানমন্ত্রী

আব্দুল হাই ছিলেন রাজপথের অন্যতম বিশ্বস্ত সৈনিক : প্রধানমন্ত্রী

আ.লীগ নেতার গুদামে মিলল খাদ্য অধিদপ্তরের ৫ হাজার বস্তা গম
আ.লীগ নেতার গুদামে মিলল খাদ্য অধিদপ্তরের ৫ হাজার বস্তা গম

! চট্টগ্রামের বায়েজিদ থানার শেরশাহ এলাকায় বনফুল গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান কিশোয়ানের একটি গুদামে অন্তত ৫ হাজার বস্তা গমের সন্ধান পেয়েছেন স্থানীয়রা। বস্তাগুলোতে ‘খাদ্য অধিদপ্তরের জন্য’ লেখা রয়েছে। গুদামটি দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাবেক সংসদ সদস্য ও বনফুল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ মোতালেবের বলে জানা গেছে। গমগুলো কীভাবে ওই গুদামে পৌঁছেছে, কোথা থেকে আনা হয়েছে এবং নির্ধারিত গন্তব্যে সরবরাহ করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ বলছে, গুদামটির কর্মকর্তারা বিভিন্ন নিলাম থেকে গম কেনার দাবি করে কিছু নথি দেখিয়েছেন। তবে সেসব নথির সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। বায়েজিদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইখতিয়ার উদ্দিন বলেন, অবৈধভাবে গম মজুতের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তবে এ ঘটনায় খাদ্য অধিদপ্তর বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান এখনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করেনি। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের তত্ত্বাবধানে দেখানো নথিগুলোর সত্যতা ও আইনি বৈধতা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বিষয়টি নিশ্চিত হতে খাদ্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গেও যোগাযোগের চেষ্টা চলছে। খাদ্য অধিদপ্তরের গম পরিবহনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে পতেঙ্গা সাইলোর তত্ত্বাবধায়ক রাকিবুল হাসান বলেন, সরকারি গম নির্ধারিত গুদাম ছাড়া অন্য কোথাও খালাস করার নিয়ম নেই। তিনি জানান, পতেঙ্গা সাইলো থেকে গমবাহী ট্রাক ছাড়ার সময় ঠিকাদারের প্রতিনিধিকে সরকারি চালান দেওয়া হয়। গন্তব্যের গুদামে গম পৌঁছালে সেখানকার ব্যবস্থাপক তা বুঝে নিয়ে চালানে স্বাক্ষর করেন। পরে চালানটি আবার পতেঙ্গা সাইলোতে পাঠানো হয়। পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে সাধারণত চার-পাঁচ দিন থেকে এক সপ্তাহ সময় লাগে। রাকিবুল হাসান আরও বলেন, পরিবহনের সময় মাঝপথে গম সরিয়ে নেওয়া হলেও গন্তব্যের গুদামের ব্যবস্থাপকের স্বাক্ষর করা চালান সাইলোতে ফিরে এলে অনিয়ম শনাক্ত করা কঠিন হতে পারে। গমগুলোর উৎস, নিলামে কেনার দাবির সত্যতা, পরিবহনের নথিপত্র এবং নির্ধারিত গন্তব্যে সরবরাহের ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই-বাছাই শেষে এ বিষয়ে প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হবে।

News অক্টোবর ১৫, ২০২৬ 0
সৌদিগামী যাত্রীদের সমস্যা সমাধানে সরকারের হস্তক্ষেপ চাইলেন জামায়াত আমির

সৌদিগামী যাত্রীদের সমস্যা সমাধানে সরকারের হস্তক্ষেপ চাইলেন জামায়াত আমির

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ

ডিলারশিপ থেকে আমার নাম কাটার ক্ষমতা নাই এমপির’—সেই সার্ভেয়ারকে শোকজ

ডিলারশিপ থেকে আমার নাম কাটার ক্ষমতা নাই এমপির’—সেই সার্ভেয়ারকে শোকজ

বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

  সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজায় অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় তার জানাজা শুরু হয়। এর আগে মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে মারা যান সালাহউদ্দিন আহমেদ। তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তিনি ফুসফুসের সমস্যাসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। মঙ্গলবার রাতে এক শোকবার্তায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, ‘সালাহউদ্দিন আহমেদ বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রামের একজন লড়াকু সৈনিক ও অকুতোভয় নেতা ছিলেন। দলের দুঃসময়ে তিনি সাহস, নিষ্ঠা ও দৃঢ়তার সঙ্গে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রেখেছেন। সালাহউদ্দিন আহমেদ তার রাজনৈতিক জীবন ও দলীয় কর্মকাণ্ড বিএনপির নেতাকর্মীদের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। বিএনপির এই ত্যাগী নেতার মৃত্যুতে দল একজন নিবেদিতপ্রাণ নেতাকে হারাল, যা দলের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।’ শোকবার্তায় তিনি আরও বলেন, ‘শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যরা এই অপূরণীয় ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার শক্তি ও ধৈর্য ধারণের জন্য মহান আল্লাহর কাছে আমি প্রার্থনা করেছি।’ সালাহউদ্দিন আহমেদ ১৯৯১ ও ২০০১ সালে ঢাকা-৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। মৃত্যুর আগে তিনি বিএনপির বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন

News অক্টোবর ১৪, ২০২৬ 0
পরাজয় নিশ্চিত জেনে নির্বাচন বিতর্কিত করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফয়সল

পরাজয় নিশ্চিত জেনে নির্বাচন বিতর্কিত করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফয়সল

জিয়াউর রহমানের আদর্শে রাজনীতি, মুগদা থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ সরকার

জিয়াউর রহমানের আদর্শে রাজনীতি, মুগদা থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ সরকার

চাঁদাবাজ আর স্বৈরাচার একাকার হয়ে গেছে: নাহিদ ইসলাম

চাঁদাবাজ আর স্বৈরাচার একাকার হয়ে গেছে: নাহিদ ইসলাম

0 Comments