রাজনীতি

প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে খুলনায় উৎসবের আমেজ, পরিচ্ছন্ন নগরীর প্রস্তুতি

আয়ান তাহরিম নভেম্বর ৩, ২০২৬ 0
প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে খুলনায় উৎসবের আমেজ, পরিচ্ছন্ন নগরীর প্রস্তুতি
খুলনাবাসীর মধ্যে বিরাজ করছে উৎসবমুখর

 


বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের খুলনা সফরকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতাকর্মীসহ খুলনাবাসীর মধ্যে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ ও বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস। তবে বরাবরের মতো তোরণ, ব্যানার কিংবা প্লাকার্ড দিয়ে শহর ঢেকে ফেলার প্রথা ভেঙে এবার ভিন্নধর্মী দৃষ্টান্ত স্থাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন দলটির নেতাকর্মীরা।


আগামী বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করে নিতে জাঁকজমকপূর্ণ সাজসজ্জার পরিবর্তে পুরো শহরকে পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও পরিবেশবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে দিনরাত কাজ করছেন তারা। 

প্রধানমন্ত্রীর এই সফর স্মরণীয় করে রাখতে মহানগর ও জেলা বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রতিদিন চলছে দফায় দফায় সভা, বর্ধিত সভা ও মতবিনিময়। নেতাদের মূল লক্ষ্য, অপ্রয়োজনীয় ব্যানার-ফেস্টুন ও তোরণ নির্মাণ না করে পুরো পথজুড়ে শৃঙ্খলার দৃষ্টান্ত তুলে ধরা।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপি যৌথভাবে সর্ববৃহৎ ও স্মরণকালের সেরা সংবর্ধনা দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। রূপসার কুদির বটতলা থেকে রূপসা বাইপাস সড়ক হয়ে শেরে বাংলা রোড দিয়ে পাওয়ার হাউজ মোড় ঘুরে জেলা স্টেডিয়াম পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে সারিবদ্ধভাবে অবস্থান নেবেন খুলনাঞ্চলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও মার্জিত পরিবেশে প্রিয় নেতাকে বরণ করে নিতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন খুলনাবাসী।


বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, শিশু-কিশোরদের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ এবং তৃণমূল পর্যায় থেকে দক্ষ ক্রীড়াবিদ গড়ে তুলতে আগামী ৫ নভেম্বর খুলনায় শুরু হতে যাচ্ছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর দ্বিতীয় আসর। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন করবেন।

তিনি বলেন, খেলাধুলাকে কেবল বিনোদনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে একটি শক্তিশালী জাতি গঠনের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। দেশের অধিকাংশ খেলোয়াড় মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে আসেন। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে খেলোয়াড়দের নৈপুণ্য উন্নয়নের পাশাপাশি তাদের পরিবারের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, খুলনাবাসী অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে, কারণ প্রধানমন্ত্রী খুলনায় আসছেন। মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও উচ্ছ্বাস রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে খুলনা শহর শুধু পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নই করা হচ্ছে না, সুন্দরভাবে সাজানোও হচ্ছে। সাজসজ্জার নগরী গড়ে তোলা হয়েছে। দেশবাসী খুলনা শহরের নতুন চেহারা দেখবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী শহরকে সাজানো হয়েছে। ছাত্র ও যুবকদের মধ্যে এই অনুষ্ঠান নিয়ে আনন্দ বিরাজ করছে। খুলনার ভেন্যুতে প্রধানমন্ত্রী আসছেন— এতে তারা আনন্দিত। খুলনাবাসী দেখবে, প্রধানমন্ত্রী এসেছেন, খুলনা নব সাজে সেজেছে।

খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি ও কেডিএ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এসএম শফিকুল আলম মনা বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খুলনা আগমন আমাদের জন্য অত্যন্ত গৌরবের এবং আনন্দের একটি বিষয়। খুলনাবাসীর মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। তার এই সফরকে কেন্দ্র করে খুলনা মহানগরীকে একটি পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও আধুনিক নগরী হিসেবে দেশবাসীর সামনে উপস্থাপন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, নগরবাসীর দীর্ঘদিনের কাঙ্ক্ষিত নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের উপযোগী একটি বাসযোগ্য খুলনা গড়ে তুলতে আমরা বদ্ধপরিকর। প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে সফল ও সার্থক করতে সব ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

খুলনা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব (ভারপ্রাপ্ত) ও জেলা পরিষদ প্রশাসক মনিরুল হাসান বাপ্পী বলেন, প্রধানমন্ত্রী ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর দ্বিতীয় আসর খুলনা থেকে সারাদেশে একযোগে উদ্বোধন করবেন। এ নিয়ে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দ-উল্লাস লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী এবার খুলনায় দ্বিতীয়বারের মতো সফর করবেন। তিনি যত বেশি খুলনায় সফর করবেন, খুলনার উন্নয়ন তত বেশি ত্বরান্বিত হবে।

খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বিসিবির পরিচালক শফিকুল আলম তুহিন বলেন, কুদির বটতলা থেকে রূপসা বাইপাস হয়ে জেলা স্টেডিয়ামমুখী পুরো পথজুড়ে খুলনাবাসীর পুষ্পবৃষ্টি ও অভিনন্দনের জোয়ার বইবে, যা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। শৃঙ্খলা রক্ষা ও যাতায়াত নির্বিঘ্ন রাখতে সব ধরনের সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তোরণ-ব্যানার দিয়ে শহর না ঢেকে পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব খুলনা গড়ার যে বার্তা নেতাকর্মীরা দিয়েছেন, তা রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে নতুন মাইলফলক হয়ে থাকবে।

নগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী বলেন, আমরা খুলনাবাসী অধীর আগ্রহে চাতক পাখির মতো চেয়ে আছি, কখন প্রধানমন্ত্রী খুলনায় পদার্পণ করবেন। আমরা কাছ থেকে হোক আর দূর থেকে একনজর তাকে দেখে মনের আকুতি পূরণ করব।

প্রধানমন্ত্রীর সফর ও প্রতিযোগিতার উদ্বোধন প্রসঙ্গে জানা গেছে, আগামী ৫ নভেম্বর বিকেলে খুলনা জেলা স্টেডিয়াম থেকে একযোগে দেশের ৫০৩টি উপজেলায় এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হবে। দ্বিতীয় আসরে অংশগ্রহণের জন্য ইতোমধ্যে দেশের প্রায় ১৬ লাখ ২৩ হাজার তরুণ-তরুণী নিবন্ধন করেছেন। প্রথম আসরে নিবন্ধিত প্রতিযোগীর সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৬৮ হাজার। নিবন্ধিত প্রতিযোগীদের মধ্য থেকে ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নে দল গঠন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রায় ১৪ লাখ ক্রীড়াবিদ এই বিশাল ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক আয়োজনে অংশ নিচ্ছেন।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

সম্ভাবনার নতুন শ্রমবাজার সার্বিয়া

মোঃ সোহেল রানা বিশেষ প্রতিবেদক বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য ইউরোপের শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি করতে সার্বিয়ার শ্রমবাজারের প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জনশক্তি রপ্তানি খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। সার্বিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মীদের পাশাপাশি রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের প্রত্যাশা, সরকার উদ্যোগী হলে দেশটিতে বৈধ কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ, নিয়োগপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং কর্মীদের স্বার্থ সুরক্ষায় আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব বলে মনে করেন বাংলাদেশ রিক্রুটিং এজেন্সি ফোরাম (বিআরএএফ)। সংশ্লিষ্টদের মতে, সার্বিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য সম্ভাব্য সুযোগগুলো যথাযথভাবে যাচাই করে কাজে লাগাতে সরকারের বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো জরুরি। সার্বিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মীদের প্রত্যাশা সার্বিয়ায় কাজ করতে আগ্রহী বাংলাদেশি কর্মীদের প্রত্যাশা, দেশটিতে বৈধভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে। তাঁদের মতে, বিদেশে কাজের সুযোগ যেন স্বচ্ছ নিয়োগপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে পাওয়া যায় এবং চাকরিপ্রত্যাশীরা যেন প্রতারণা, অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয় ও অনিশ্চয়তার শিকার না হন, তা নিশ্চিত করা জরুরি। এ জন্য নিয়োগকর্তার পরিচয়, কাজের ধরন, বেতন, কর্মঘণ্টা, আবাসন, চাকরির চুক্তি এবং ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিটের বৈধতা যাচাইয়ের কার্যকর ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। একই সঙ্গে অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বিষয়ে কর্মীদের সচেতন করাও গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, সার্বিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে সরকারি পর্যায়ে নিয়মিত তথ্য সংগ্রহ ও মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রকৃত কর্মসংস্থানের সুযোগ চিহ্নিত করা হবে। এতে বাংলাদেশের জন্যও নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে। নিয়োগপ্রক্রিয়া সহজ ও স্বচ্ছ করার দাবি রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের মতে, বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে কোন দেশে কী ধরনের অনুমোদন প্রয়োজন, কী কী নথি জমা দিতে হবে এবং ছাড়পত্র পেতে কতগুলো ধাপ অনুসরণ করতে হবে—এসব বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকা জরুরি। তাঁদের প্রত্যাশা, বিএমইটি ও মন্ত্রণালয়ের মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে। এতে বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো পরিকল্পিতভাবে কাজ করতে পারবে এবং বিদেশি নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও অনিশ্চয়তা কমবে। তবে নিয়োগপ্রক্রিয়া সহজ করার পাশাপাশি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন, আর্থিক সক্ষমতা, প্রকৃত ব্যবসায়িক কার্যক্রম এবং কর্মীদের জন্য প্রস্তাবিত চাকরির শর্ত যাচাই নিশ্চিত করতে হবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সমন্বয়ই পারে বৈধ জনশক্তি রপ্তানিকে আরও গতিশীল করতে। বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠার দাবি সার্বিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর পাশাপাশি বাংলাদেশে একটি সার্বীয় দূতাবাস প্রতিষ্ঠার বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠিত হলে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ, শ্রমবাজারসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ, কর্মীদের সহায়তা এবং নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি ভিসা ও অন্যান্য কনস্যুলার সেবা পাওয়ার প্রক্রিয়াও সহজ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সম্ভাব্যতা যাচাই, প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক আলোচনা এবং বাস্তব চাহিদা মূল্যায়নের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ সংশ্লিষ্টদের সার্বিয়ার শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা কাজে লাগানো এবং বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার জন্য সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তাঁদের প্রত্যাশা, বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলোকে সার্বিয়ার শ্রমবাজারের সম্ভাবনা যাচাই, বৈধ নিয়োগপ্রক্রিয়া সহজ করা এবং কর্মীদের স্বার্থ সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশনা দেবেন। একই সঙ্গে সার্বিয়ায় বাংলাদেশের কূটনৈতিক উপস্থিতি জোরদারের সম্ভাবনা মূল্যায়ন এবং দেশটিতে কর্মসংস্থানসংক্রান্ত তথ্য ও সহায়তা পাওয়ার কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করতে নতুন নতুন দেশে বৈধ কর্মসংস্থানের সুযোগ অনুসন্ধান, বিদেশি নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং কর্মীদের অধিকার সুরক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। সার্বিয়ার ক্ষেত্রেও সম্ভাব্য শ্রমিকের চাহিদা যাচাই, নিয়োগকর্তার সক্ষমতা নিশ্চিতকরণ এবং সরকারি অনুমোদনের সুস্পষ্ট প্রক্রিয়া থাকা প্রয়োজন। সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকার, বিএমইটি, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং দায়িত্বশীল রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ থাকলে সার্বিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বৈধ কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হবে। সার্বিয়ার শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা কাজে লাগানো, নিয়োগপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা যাচাই—এই বিষয়গুলোতে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে, এমনটাই প্রত্যাশা সার্বিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মী ও জনশক্তি রপ্তানি খাতের সংশ্লিষ্টদের। মোঃ সোহেল রানা বিশেষ প্রতিবেদক  

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আর্জেন্টিনা বনাম নেদারল্যান্ডস হকি ফাইনালে আজ মুখোমুখি

আর্জেন্টিনা ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৫ আন্তর্জাতিক হকি বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচ ফুটবল প্রেমীদের মতো হকি প্রেমীদের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ তৈরি করেছে। ইতোমধ্যে টুর্নামেন্টের কঠিন পর্ব অতিক্রম করে দুই দলই নিজেদের সেরাটা দিয়ে ফাইনালে উঠেছে। আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য এই ফাইনাল ম্যাচে উভয় দল নিজেদের সেরা পারফরম্যান্স প্রদর্শনের জন্য প্রস্তুত।   আর্জেন্টিনা দল এই টুর্নামেন্টে অসাধারণ আত্মবিশ্বাস ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। অধিনায়ক লুকাস মার্টিনেজ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আমরা টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই কঠোর পরিশ্রম করেছি। দলের সবাই একসঙ্গে কাজ করে ফাইনালে পৌঁছেছি। আমাদের লক্ষ্য স্পষ্ট — বিশ্বকাপ জিততে হবে। প্রতিটি ম্যাচের জন্য আমরা আত্মনিয়ন্ত্রণ ও মনোযোগ বজায় রেখেছি এবং আগামী ম্যাচেও তা বজায় রাখব।” আর্জেন্টিনা দলের ফিজিক্যাল ট্রেনার জানান, দল খেলোয়াড়দের ফিটনেস ও মানসিক প্রস্তুতির জন্য বিশেষ অনুশীলন চালাচ্ছে যাতে ফাইনালে তারা চাপ সামলাতে পারে।   অন্যদিকে নেদারল্যান্ডসের কোচ মাইকেল ডি ইয়ং ফাইনালের আগের প্রস্তুতি নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আমাদের দল গত কয়েক মাস ধরে কৌশলগত প্রস্তুতি নিয়েছে। খেলোয়াড়রা মানসিক ও শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আমরা চাই এই বিশ্বকাপে নিজেদের ইতিহাস গড়ে একটি শক্তিশালী ছাপ রেখে যেতে।” কোচ আরো বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধুমাত্র ফাইনালে উঠা নয়, বরং বিশ্বকাপ জয়। আমরা প্রতিপক্ষের দুর্বলতা চিহ্নিত করে নিজেদের পরিকল্পনা সাজাচ্ছি।”   বিশ্বের হকি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবারের ফাইনাল ম্যাচটি গত দশকের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ এবং ঘনিষ্ঠ প্রতিযোগিতা হতে চলেছে। উভয় দলের কৌশল, বল নিয়ন্ত্রণ ও দ্রুতগতির খেলায় যে মেধা প্রদর্শিত হয়েছে, তা ফুটবলের মতো অন্য কোনো খেলার ক্ষেত্রে বিরল। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ফাইনালে দলের মানসিক স্থিতিশীলতা ও চাপ সামলানোর ক্ষমতা বিজয় নির্ধারণে মূল ভূমিকা পালন করবে।   মাঠে উভয় দলের খেলোয়াড়রা দ্রুতগতির পাস, শক্তিশালী ডিফেন্স এবং আক্রমণাত্মক স্ট্র্যাটেজি নিয়ে মাঠ মাতানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। আর্জেন্টিনার স্ট্রাইকারের গতিবেগ এবং নেদারল্যান্ডসের মিডফিল্ডারদের কৌশলগত দক্ষতা ম্যাচে প্রধান আকর্ষণ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়াও গোলরক্ষকদের প্রতিটি সেভ এবং প্রতিপক্ষের আক্রমণ রুখে দেওয়াও ম্যাচের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।   বিশ্বজুড়ে লাখো হকি ভক্ত এই ম্যাচের সরাসরি সম্প্রচার দেখার জন্য অপেক্ষায় আছেন। অনলাইনে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ম্যাচের লাইভ স্ট্রিমিং অনুষ্ঠিত হবে এবং অনেক দেশের টেলিভিশনও সরাসরি সম্প্রচার করবে। হকি প্রেমীরা এই ম্যাচ থেকে দারুণ উত্তেজনা, দক্ষতা এবং খেলা উপভোগ করার আশা করছে।   মাঠের বাইরেও ভক্তদের জন্য বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ফ্যান জোন আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে খেলোয়াড় ও দর্শকরা একত্রে সময় কাটিয়ে খেলার আনন্দ ভাগাভাগি করবেন। এছাড়াও টুর্নামেন্ট পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা না ঘটে এবং খেলা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়।   বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে দুই দলের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করে আগামী দিনে বিশ্ব হকির নতুন ধারার রূপরেখা নির্ধারণ করা হবে। এই ম্যাচের ফলাফল আগামী দশক ধরে হকির কৌশলগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।   এই প্রতিযোগিতা বিশ্বের সর্বোচ্চ মানের হকি টুর্নামেন্ট হওয়ায় এর প্রতি ভক্তদের আগ্রহ ও উন্মাদনা সত্যিই অবিশ্বাস্য। সবাই আশা করছেন, আগামীকালের ফাইনাল হবে একটি স্মরণীয় খেলা, যেখানে স্পোর্টসম্যানশিপ, দক্ষতা ও উত্তেজনা থাকবে সর্বোচ্চ মাত্রায়।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

রাজনীতি

View more
বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সিঙ্গাপুরের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ
বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সিঙ্গাপুরের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

  জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এমপির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সিঙ্গাপুরের (নন-রেসিডেন্ট) হাইকমিশনার মি. ডেরেক লোহ। মঙ্গলবার মিন্টো রোডস্থ সরকারি বাসভবনে বৈঠকটি অত্যন্ত আন্তরিক ও হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। সৌজন্য সাক্ষাৎকালে সিঙ্গাপুরের হাইকমিশনারের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ফিলিপ অং এবং সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ এশিয়া ও সাব-সাহারান আফ্রিকা অধিদপ্তরের কান্ট্রি অফিসার ম্রিথিনি টিজি গ্রিথারান। এ সময় দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ের পাশাপাশি বাংলাদেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, দুর্নীতি প্রতিরোধ, শিল্প-বাণিজ্যের উন্নয়ন, গণতন্ত্রের অগ্রগতি, গণভোট এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নসহ প্রয়োজনীয় রাষ্ট্রীয় সংস্কারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। বৈঠকে সিঙ্গাপুরের হাইকমিশনার মি. ডেরেক লোহ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ইতিবাচক ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে তিনি ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও জোরদার, সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং উভয় দেশের উন্নয়ন উদ্যোগে নতুন সম্ভাবনা তৈরির আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান এমপি এবং পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর।

News নভেম্বর ৩, ২০২৬ 0
‘ঘাড় থেকে মাথা সরিয়ে দেব’—বিএনপি নেতাকে হুমকি স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার

‘ঘাড় থেকে মাথা সরিয়ে দেব’—বিএনপি নেতাকে হুমকি স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার

মিরপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, নিষিদ্ধ আ.লীগের ৫ জন গ্রেপ্তার

মিরপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, নিষিদ্ধ আ.লীগের ৫ জন গ্রেপ্তার

প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে খুলনায় উৎসবের আমেজ, পরিচ্ছন্ন নগরীর প্রস্তুতি

প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে খুলনায় উৎসবের আমেজ, পরিচ্ছন্ন নগরীর প্রস্তুতি

জেলগেটে আখতারুজ্জামান/‘জামায়াত আমিরের অনুমতি নিয়ে সব সত্য প্রকাশ করবো’
জেলগেটে আখতারুজ্জামান/‘জামায়াত আমিরের অনুমতি নিয়ে সব সত্য প্রকাশ করবো’

  বিমানবন্দরে সরকারি কাজে বাধা ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জামিন পেয়ে কারামুক্ত হয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান। এ সময় তিনি বলেন, ‘সত্যের রাজনীতি কখনো পরাজিত হবে না ইনশাআল্লাহ। ন্যায়ের রাজনীতি কখনো পরাজিত হবে না ইনশাআল্লাহ। সময় লাগতে পারে, কিন্তু চূড়ান্ত জয় সত্যের হবেই হবে, ন্যায়ের হবেই হবে।’ মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আল্লাহর পথে আছি, আমরা আল্লাহর শাসন কায়েম করার পক্ষে আছি, আমরা আল্লাহর সন্তুষ্টির পক্ষে আছি।’ বীর মুক্তিযোদ্ধা আখতারুজ্জামান বলেন, আমরা এ দেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, স্বাধীন বাংলাদেশের চেতনা বাস্তবায়ন করার পক্ষে আছি। ইনশাআল্লাহ, আমরা সামনে এগিয়ে যাবো, দোয়া করবেন আমার জন্য, আমরা যেনো জনগণের পাশে থাকতে পারি। জনগণের অধিকারের আন্দোলনে থাকতে পারি। তিনি আরও বলেন, আজকে এখানে আমার ভাইয়েরা অত্যন্ত কষ্ট করে এসেছেন। আমি তাদের কাছে অত্যন্ত কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। উনারা আজকে আমার শক্তি। জামায়াতের ভাইয়েরা আসাতে আজকে আমি যে শক্তি পেয়েছি, ইনশাআল্লাহ, আমাদের প্রতিবাদ আরও অব্যাহত থাকবে। জামায়াতে আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে আলোচনা করে সত্য প্রকাশ করবেন জানিয়ে তিনি বলেন, জামায়াতের আমিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে উনার নির্দেশ নিয়ে যা সত্য তা অবশ্যই আমি আপনাদের জানাবো। কিন্তু তার আগে আমার দলের প্রধানের নির্দেশনা প্রয়োজন। উল্লেখ্য, মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ১ অক্টোবর সকালে সৌদি আরবের মদিনা থেকে জামায়াতে ইসলামীর ৩৪ জন প্রতিনিধি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। সেখানে লাগেজ সংগ্রহের সময় ট্রলির স্বল্পতা এবং জমজমের পানি পেতে বিলম্ব হওয়াকে কেন্দ্র করে যাত্রীদের সঙ্গে বিমানবন্দরের কর্মকর্তাদের বিরোধ দেখা দেয়। একপর্যায়ে সেখানে উত্তেজনা ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা এবং বিমানবন্দরের এক নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে আখতারুজ্জামানসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় মামলা করেন নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজীব। এরপর ২ অক্টোবর বিকেলে রাজধানীর সেনানিবাস এলাকায় নিজ বাসা থেকে আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গ্রেপ্তারের পর রিমান্ড শেষে ৪ অক্টোবর তাকে আদালতে হাজির করা হয়। ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরবর্তী সময়ে দায়রা আদালতেও জামিন না পেয়ে হাইকোর্টের শরণাপন্ন হন তিনি। সেখান থেকে জামিন পাওয়ার পর মঙ্গলবার কারামুক্ত হলেন জামায়াতের এই নেতা।

News নভেম্বর ৩, ২০২৬ 0
বাগআচড়ায় তরিকুল ইসলামেরর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত।

বাগআচড়ায় তরিকুল ইসলামেরর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে আত্মঘাতী খেলা

তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে আত্মঘাতী খেলা

সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি থেকে জামায়াত-এনসিপির দূরত্ব, আসন সমঝোতার অভিমানে লংমার্চে যাননি নাহিদ ইসলাম

সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি থেকে জামায়াত-এনসিপির দূরত্ব, আসন সমঝোতার অভিমানে লংমার্চে যাননি নাহিদ ইসলাম

পোশাকশ্রমিকদের সড়ক অবরোধ অব্যাহত, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর-আগুন, বিজিবিসহ আহত অনেকে
পোশাকশ্রমিকদের সড়ক অবরোধ অব্যাহত, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর-আগুন, বিজিবিসহ আহত অনেকে

  ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মজুরি নির্ধারণের দাবিতে ঢাকার মিরপুর, আশুলিয়া, কালিয়াকৈর, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন পোশাক শ্রমিকরা। সোমবার সকাল থেকে তারা সড়ক আবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। এসময় পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বিক্ষোভকারীরা পুলিশের গাড়িতে আগুন দিয়েছে। গাজীপুরের নওজোড়ে পুলিশের তিনটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। এসময় পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বেশ কয়েকটি সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করেছে। শ্রমিকরাও ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। গাজীপুর মহানগরীর নাওজোর এলাকায় পুলিশের একাধিক গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন আন্দোলনকারীরা। এ সময় সময় টিভির প্রতিবেদক ও ক্যামেরাপারসনের ওপর হামলা চালিয়ে ক্যামেরা ভাঙচুর করা হয়। এর আগেও একাধিক সাংবাদিকের ওপর হামলা, মারধর ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটে। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের সফিপুর পল্লী বিদ্যুৎ ও চন্দ্রা এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন শ্রমিকেরা। বেলা ১১টার দিকে তাদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ ও বিজিবি ধাওয়া দিলে আন্দোলনকারীদের ছোড়া ইটের আঘাতে বিজিবির এক সদস্য আহত হন। ঢাকার সাভারের আশুলিয়ায় পোশাক কারখানার শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কয়েক রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা প্রথমে অনন্তের সামনে আসেন ও পরে হামীমের সামনে এসে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এ সময় কারখানা থেকে শ্রমিকরা বিভিন্ন দাবিতে রাস্তা অবরোধের চেষ্টা করলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে তাদের উত্তেজনা তৈরি হয়। এক পর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হলে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সংযোগ সড়কে (লিংক রোড) নেমে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন একাধিক পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা। সড়কটিতে অবস্থান নিয়ে অবরোধ তৈরি করায় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এই আন্দোলনে ফতুল্লার মেট্রো নিটিং, পলমল গার্মেন্টস, আবির ফ্যাশন এবং আজাদ-রিফাত ডাইং অ্যান্ড প্রিন্টিংসহ কয়েকটি তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা অংশ নিয়েছেন। ঢাকার মিরপুর-১০ নাম্বার থেকে মিরপুর-১২ নাম্বার পর্যন্ত যে প্রধান সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও ব্যাপক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি রয়েছে। মিরপুর-১০ থেকে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। এছাড়া কাফরুল থানা পুলিশ আরো পাঁচজনকে আটক করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। সকালে মিরপুর-১১ নাম্বারে কয়েক দফায় পুলিশের সঙ্গে পোশাক শ্রমিকদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। বিবিসি বাংলা জানিয়েছে, এ সময় পুলিশের পাশাপাশি সড়কে ছাত্রদল, যুবদল, শ্রমিক দলের নেতা-কর্মীদের অবস্থান নিয়েছে। শিল্পাঞ্চলে অস্থিরতা দূর করতে সোমবার সকাল থেকে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। ২১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে তারা সড়কে অবস্থান করছেন। এ অবস্থায় গাজিপুরের সব কারখানা বন্ধ রয়েছে। গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসেন বলেছেন, আজও শ্রমিকেরা বিক্ষোভ করছেন। শ্রমিক আন্দোলনের কারণে দেড় শতাধিক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি, জেলা পুলিশ, মহানগর পুলিশ ও শিল্প পুলিশ কাজ করছে। কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, শ্রমিকরা ছত্রভঙ্গ হয়ে গেছে, তবে তারা আবার মহাসড়কে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য আসেন। সকাল থেকে এমন পরিস্থিতি চলছে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছি। এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, যেসব শিল্প মালিকদের নিষিদ্ধ সংগঠনের রাজনৈতিক পরিচয় ছিল, তারা পোশাক খাতের চলমান অস্থিরতার পেছনে কাজ করছে বলে সরকারের কাছে প্রমাণ রয়েছে।

News নভেম্বর ২, ২০২৬ 0
খুলনা বিভাগে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ সফল করায় দেশবাসীকে জামায়াতের কৃতজ্ঞতা

খুলনা বিভাগে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ সফল করায় দেশবাসীকে জামায়াতের কৃতজ্ঞতা

আমার দেশ পত্রিকা ছেঁড়ার ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অবস্থান পরিষ্কার করা প্রয়োজন: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

আমার দেশ পত্রিকা ছেঁড়ার ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অবস্থান পরিষ্কার করা প্রয়োজন: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা ও হেনস্তার মামলা: জামিন পেলেন সাবেক এমপি মেজর আখতারুজ্জামান

বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা ও হেনস্তার মামলা: জামিন পেলেন সাবেক এমপি মেজর আখতারুজ্জামান

0 Comments