দেশজুড়ে

দূরপাল্লায় ৮, সিটিতে ১০ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব যাত্রী কল্যাণ সমিতির

রতন লাল সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬ 0
দূরপাল্লায় ৮, সিটিতে ১০ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব যাত্রী কল্যাণ সমিতির
দূরপাল্লার বাসে

 

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর বাস ও লঞ্চের ভাড়া পুনর্নির্ধারণের ক্ষেত্রে দূরপাল্লার বাসে প্রতি কিলোমিটারে ৮ পয়সা এবং সিটি সার্ভিসে ১০ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। একই সঙ্গে লঞ্চের ভাড়া প্রতি নটিক্যাল মাইলে ৫ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে সংগঠনটি


মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক জরুরি প্রেস বার্তায় সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এসব প্রস্তাব দেন।

প্রেস বার্তায় বলা হয়, জ্বালানির দাম বাড়লে বাস ও লঞ্চের ভাড়া বাড়বে— এটাই স্বাভাবিক। তবে ভাড়া পুনর্নির্ধারণের ক্ষেত্রে যাত্রীসাধারণের প্রতিনিধিত্ব বাদ দিয়ে বাস ও লঞ্চ মালিকদের নিয়ে সরকারি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানগুলো দফায় দফায় রুদ্ধদ্বার বৈঠক করছে।

সংগঠনটি বলছে, জনস্বার্থের ভাড়া নির্ধারণের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার পরিবর্তে লুকোচুরি করা হচ্ছে। কত টাকা পরিচালন ব্যয় বেড়েছে এবং কত পয়সা ভাড়া বাড়ালে সেই ব্যয় সমন্বয় করা সম্ভব, তার কোনো স্বচ্ছতা প্রকাশ করা হচ্ছে না। বিগত সরকারের সময় থেকে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির একচেটিয়া সুবিধা বাস ও লঞ্চ মালিকদের দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।


যাত্রী কল্যাণ সমিতি বলছে, দেশের বৃহত্তর অংশীজন যাত্রীসাধারণের প্রতিনিধিদের ভাড়া নির্ধারণের বিষয়ে কোনো মতামত নেওয়া হয় না। এর ফলে সাধারণ মানুষ বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

নতুন জোট গঠনের ঘোষণা দিল প্রধান তিন বিরোধী দল

ঢাকা – দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে, যখন দেশের প্রধান তিনটি বিরোধী দল—জাতীয় গণফ্রন্ট, উন্নয়ন পার্টি ও জননেতা পরিষদ—আজ এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ‘গণঐক্য জোট’ নামে একটি নতুন রাজনৈতিক জোট গঠনের ঘোষণা দিয়েছে। এই জোটের মুখ্য লক্ষ্য হলো আগাম জাতীয় সংসদ নির্বাচন আদায় করা, বর্তমান সরকারের পদত্যাগ দাবি এবং একটি নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ভোট আয়োজন নিশ্চিত করা। জাতীয় গণফ্রন্টের সভাপতি শহীদুল হক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “দেশে এখন গণতন্ত্র নেই, জনগণের ভোটাধিকার নেই। তাই আমাদের এই ঐক্য—সত্যিকার অর্থে একটি গণআন্দোলনের সূচনা।” জোটের কর্মসূচি জোট নেতারা জানান, আগামী মাস থেকে সারা দেশে বিক্ষোভ, গণঅবস্থান, মানববন্ধন এবং জেলা পর্যায়ে গণসংলাপ কর্মসূচি শুরু হবে। তারা বলেছেন, এই জোট শুধুমাত্র সরকারবিরোধী নয়, বরং এটি একটি ভবিষ্যত রাজনৈতিক বিকল্প হিসেবেও কাজ করবে। সরকারের প্রতিক্রিয়া সরকারি দলের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি, তবে অঘোষিতভাবে কয়েকজন শীর্ষ নেতা বলেছেন, “বিরোধীদের এই জোট জনভিত্তিহীন এবং জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা।” বিশ্লেষকদের মত রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. মাহবুব হাসান বলেন, “এই জোট নির্বাচনী রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারে, যদি তারা মাঠে বাস্তব আন্দোলন ও বিকল্প নেতৃত্ব দিতে পারে। তবে সরকার যেভাবে শক্ত হাতে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখছে, তাতে সংঘাতময় পরিস্থিতি তৈরির আশঙ্কাও রয়েছে।” আগামী সপ্তাহে জাতীয় প্রেস ক্লাবে জোটের পক্ষ থেকে পূর্ণাঙ্গ কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়েছে। রাজনৈতিক মহল এই জোটকে ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনের ‘গেম চেঞ্জার’ হিসেবেও দেখছে।

দেশজুড়ে

View more
তেলের টাকাই উঠছে না মেয়েদের পিংক বাসে, দিনে ভর্তুকি ৫০ হাজার
তেলের টাকাই উঠছে না মেয়েদের পিংক বাসে, দিনে ভর্তুকি ৫০ হাজার

  নারীদের জন্য বিশেষ বাসসেবা চালু করেও পরিচালন ব্যয় মেটাতে পারছে না বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি)। যাত্রীদের কাছ থেকে আদায় করা ভাড়ায় জ্বালানি, রক্ষণাবেক্ষণ ও চালক-শ্রমিকদের বেতনসহ অন্যান্য খরচ মেটানো যাচ্ছে না। ফলে নারী বাসসেবায় সরকারকে নিয়মিত দিতে হচ্ছে ভর্তুকি। বিআরটিসির একটি সূত্র জানিয়েছে, সারা দেশে নারী বাসসেবার বাসগুলো পরিচালনা করে প্রতিদিন অন্তত ৫০ হাজার টাকা লোকসান হচ্ছে। এর মধ্যে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় লোকসানের পরিমাণ আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিআরটিসির ১৯ থেকে ৩১ আগস্ট এবং ১ থেকে ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নারী বাসসেবার তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, সেপ্টেম্বরে ১২ কার্যদিবসে ১৫৮টি ট্রিপে ১৪ হাজার ১১৬টি টিকিট বিক্রি হয়েছে। এতে আয় হয়েছে ২ লাখ ২ হাজার ৮ টাকা। অন্যদিকে, আগস্টে ৮ কার্যদিবসে ১১৪টি ট্রিপে ৬ হাজার ৬৮৯টি টিকিট বিক্রি হয়। এ সময়ে আয় হয়েছে ৯৮ হাজার ৬৪৬ টাকা।   হিসাব বোঝাতে মিরপুর-১০ থেকে মতিঝিল রুটের উদাহরণ নেওয়া যায়। একমুখী এ রুটের দূরত্ব ২১ কিলোমিটার। বাসটি যাওয়া-আসা করায় এক ট্রিপে মোট ৪২ কিলোমিটার চলাচল করে। এক লিটার ডিজেলে ২ থেকে আড়াই কিলোমিটার চললে এক ট্রিপে ১৬ দশমিক ৮ থেকে ২১ লিটার ডিজেল প্রয়োজন হয়। ১১৫ টাকা লিটার দরে এতে জ্বালানি খরচ পড়ে প্রায় ১ হাজার ৯৩২ থেকে ২ হাজার ৪১৫ টাকা। এ ছাড়া প্রতি কিলোমিটারে ৭ টাকা হিসাবে রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় হয় ২৯৪ টাকা। ফলে এক ট্রিপে জ্বালানি ও রক্ষণাবেক্ষণ বাবদ মোট খরচ দাঁড়ায় প্রায় ২ হাজার ২২৬ থেকে ২ হাজার ৭০৯ টাকা।   সেপ্টেম্বরের ১৫৮টি ট্রিপকে একই ২১ কিলোমিটার রুট ধরে হিসাব করলে বাসগুলো মোট চলেছে ৬ হাজার ৬৩৬ কিলোমিটার। এতে ডিজেল লাগে আনুমানিক ২ হাজার ৬৫৪ থেকে ৩ হাজার ৩১৮ লিটার। এর মূল্য প্রায় ৩ লাখ ৫ হাজার থেকে ৩ লাখ ৮২ হাজার টাকা। রক্ষণাবেক্ষণে খরচ হয় আরও প্রায় ৪৬ হাজার ৪৫২ টাকা। অর্থাৎ, শুধু জ্বালানি ও রক্ষণাবেক্ষণেই খরচ হয় প্রায় ৩ লাখ ৫২ হাজার থেকে ৪ লাখ ২৮ হাজার টাকা।   অন্যদিকে, ওই সময়ে বিআরটিসির আয় ২ লাখ ২ হাজার ৮ টাকা। অর্থাৎ, জ্বালানি খরচের সর্বনিম্ন হিসাব ধরলেও আয়ের চেয়ে প্রায় ১ লাখ ৩ হাজার টাকা বেশি খরচ হচ্ছে শুধু ডিজেলে। আর জ্বালানি ও রক্ষণাবেক্ষণ—দুটি খাত একসঙ্গে ধরলে ঘাটতি দাঁড়ায় প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার থেকে ২ লাখ ২৬ হাজার টাকা। এর বাইরে রয়েছে চালকের মাসিক ৪০ হাজার টাকা বেতন, সহকারীসহ কর্মীদের বেতন, টায়ার, লুব্রিকেন্ট, কর, প্রশাসনিক ব্যয় ও বাসের অবচয়।   আগস্টের হিসাবেও একই চিত্র পাওয়া যায়। ১১৪টি ট্রিপে ৪২ কিলোমিটার করে মোট চলাচল ধরলে দূরত্ব হয় ৪ হাজার ৭৮৮ কিলোমিটার। এতে জ্বালানি খরচ হয় প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার থেকে ২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। রক্ষণাবেক্ষণ খরচ হয় প্রায় ৩৩ হাজার ৫১৬ টাকা। অথচ ওই সময়ে আয় ছিল মাত্র ৯৮ হাজার ৬৪৬ টাকা। অর্থাৎ, চালকের বেতনসহ অন্যান্য ব্যয় ধরার আগেই জ্বালানি ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচের সঙ্গে আয়ের ঘাটতি দাঁড়ায় প্রায় ১ লাখ ৫৫ হাজার থেকে ২ লাখ ১০ হাজার টাকা।   নারী বাসসেবায় যাত্রীসংখ্যাও প্রত্যাশিত পর্যায়ে নেই। ৬০ আসনের বাসে প্রতিটি ট্রিপে গড়ে প্রায় ২০টি আসন খালি থাকছে। ফলে আসন পূর্ণ হলে আয় বাড়ার সুযোগ রয়েছে। এতে পরিচালন ব্যয়ের তুলনায় ভাড়া থেকে পাওয়া অর্থের ঘাটতিও কিছুটা কমতে পারে। তবে যাত্রী বাড়ানোর পাশাপাশি সপ্তাহে দুই দিন বাস বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।   বিআরটিসির ব্যবস্থাপক মো. নূর-ই-আলম কালবেলাকে বলেন, নারী যাত্রীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ যাতায়াত নিশ্চিত করতেই এ সেবা চালু করা হয়েছে। ফলে শুধু আয়-ব্যয়ের হিসাব দিয়ে এ সেবার প্রয়োজনীয়তা বিচার করা হচ্ছে না। তবে নিয়মিত ভর্তুকির কারণে সেবাটি পরিচালনায় করপোরেশনের ওপর আর্থিক চাপ তৈরি হচ্ছে।   তিনি বলেন, বাসের সংখ্যা বাড়লে আয় বাড়বে। তখন ভর্তুকি কমে আসবে। শুরুর দিকের তুলনায় এখন ভর্তুকি দিন দিন কমছে। এক ট্রিপে অন্তত ১২০ জন যাত্রী পাওয়া গেলে ব্যয় ও আয় সমান পর্যায়ে (ব্রেক-ইভেন) আসবে। এর বেশি যাত্রী পাওয়া গেলে লাভ হতে শুরু করবে।   এদিকে, সাধারণ গণপরিবহনে সপ্তাহের সাত দিনই বাস চলাচল করলেও বিআরটিসির নারী বাসসেবা শুক্রবার ও শনিবার বন্ধ থাকছে। ফলে সপ্তাহের দুই দিন এ সেবা থেকে বঞ্চিত হন নারী যাত্রীরা। অথচ একই সময়ে বেসরকারি পরিবহনের বাসগুলো নিয়মিত চলাচল করে। বিআরটিসির অন্যান্য বাসও শুক্রবার ও শনিবার সড়কে চলতে দেখা যায়। নারী যাত্রীদের জন্য চালু করা বিশেষ সেবায় সপ্তাহে দুই দিন ছুটি রাখার কারণে সেবার পরিধি ও সম্ভাব্য আয়–দুটিই সীমিত হচ্ছে। বিআরটিসির ব্যবস্থাপক মো. নূর-ই-আলম জানান, শুক্র ও শনিবার কর্মজীবী নারী যাত্রী পাওয়া যায় না। তাই এই দুই দিন গোলাপি বাসের চলাচল বন্ধ রাখা হচ্ছে। গত ১৮ আগস্ট ‘মহিলা বাস সার্ভিস’ বা ‘পিংক বাস’ চালু করে বিআরটিসি। প্রাথমিকভাবে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও বগুড়ায় ১৩টি রুটে ১৪টি বাস দিয়ে এ সেবা শুরু হয়। এর মধ্যে ঢাকায় ১০টি, চট্টগ্রামে দুটি এবং বগুড়ায় দুটি বাস রয়েছে। ঢাকার বাসগুলোর মধ্যে একটি

News সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬ 0
দূরপাল্লায় ৮, সিটিতে ১০ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব যাত্রী কল্যাণ সমিতির

দূরপাল্লায় ৮, সিটিতে ১০ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব যাত্রী কল্যাণ সমিতির

আইনজীবী হওয়ার স্বপ্ন থমকে গেলেও ভ্যানে পোশাক বেচে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন ইমাম

আইনজীবী হওয়ার স্বপ্ন থমকে গেলেও ভ্যানে পোশাক বেচে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন ইমাম

৫০ কোটি টাকার আইটি সেন্টার, চালু হয়নি তিন বছরেও

৫০ কোটি টাকার আইটি সেন্টার, চালু হয়নি তিন বছরেও

হাসপাতালে রোগীর স্বজনদের হামলায় ৪ আনসার আহত
হাসপাতালে রোগীর স্বজনদের হামলায় ৪ আনসার আহত

  এবার বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) ও হাসপাতালে রোগীর স্বজনদের হামলায় দায়িত্ব পালনরত চার আনসার সদস্য আহত হয়েছেন। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে রোগীর চার বন্ধুকে আটক করেছে পুলিশ। আহত আনসার সদস্যরা হলেন– মোস্তাফিজুর, আনোয়ার হোসেন, শাহীন ও আজাদ।  পুলিশ জানায়, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত এক তরুণ চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আসেন। তার সঙ্গে কয়েকজন বন্ধু ছিলেন। জরুরি বিভাগের সামনে রোগীর জন্য ট্রলি আনতে গেলে আনসার সদস্যদের সঙ্গে তাদের কথা–কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ওই তরুণেরা আনসার সদস্যদের ওপর চড়াও হয়ে কিল–ঘুষি মারেন। এতে চার আনসার সদস্য আহত হয়েছেন। আহত চারজনকেই শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তাদের মধ্যে একজনের মাথায় গুরুতর আঘাত রয়েছে। এই ঘটনার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে হামলার অভিযোগে রোগীর চার বন্ধুকে আটক করেছে। বগুড়া জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইকবাল বাহার জানান, আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
টিসিবি থেকে ৫৯ লাখ সুবিধাভোগীকে বাদ দেওয়া হয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

টিসিবি থেকে ৫৯ লাখ সুবিধাভোগীকে বাদ দেওয়া হয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

ধনবাড়ীতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান

ধনবাড়ীতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান

সকল বিভাগের  শিক্ষার্থীকে এইচ আর ক্লাবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে

সকল বিভাগের  শিক্ষার্থীকে এইচ আর ক্লাবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পৌরসভার বিশেষ অভিযান
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পৌরসভার বিশেষ অভিযান

   মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ  চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি  ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, মশক নিধন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার উদ্যোগে বিশেষ অভিযান ও মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ‘রাখিব চারপাশ পরিষ্কার, করিবো ডেঙ্গু প্রতিকার’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচির শুরুতে একটি সচেতনতামূলক র‌্যালি বের করা হয়। পরে পৌরসভা প্রাঙ্গণে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মামুন-অর-রশীদ।   তিনি ডেঙ্গু প্রতিরোধে নাগরিকদের নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি কোথাও যেন পানি জমে না থাকে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ তৌফিকুর ইসলাম, শহর পরিকল্পনাবিদ ইমরান হোসেন, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আহসান হাবিব, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর কর্মচারী সংসদের সভাপতি এনামুল হক, সম্পাদক আব্দুল আজিজ খানসহ পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।অভিযানকালে পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে মশার ওষুধ ছিটানোর পাশাপাশি জমে থাকা পানি অপসারণ ও বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। একই সঙ্গে পৌর এলাকার নাগরিকদের ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে মাইকিং ও সচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণা চালানো হয়। পৌরসভা কর্তৃপক্ষ জানায়, ডেঙ্গু ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি নাগরিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন অনুযায়ী বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযানও পরিচালনা করা হবে। পৌর কর্তৃপক্ষ ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু পৌরসভার কার্যক্রমের ওপর নির্ভর না করে প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাড়ি, ছাদ, আঙিনা ও আশপাশের এলাকা পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানিয়েছে।

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে দুদকের অভিযান

দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে দুদকের অভিযান

বিলুপ্ত হলো র‍্যাব, যাত্রা শুরু করল এসআরবি

বিলুপ্ত হলো র‍্যাব, যাত্রা শুরু করল এসআরবি

এসপির কার্যালয়ের পাশেই জুয়ার আসর, গ্রেপ্তার ৪ পুলিশ সদস্য

এসপির কার্যালয়ের পাশেই জুয়ার আসর, গ্রেপ্তার ৪ পুলিশ সদস্য

0 Comments