অপরাধ

থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র মিললো মসজিদে

জানিফ হাসান সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র মিললো মসজিদে
৯ এমএম পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন ও ২০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

 


নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার বাজার মসজিদের দ্বিতীয় তলা থেকে একটি ৯ এমএম পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন ও ২০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আড়াইহাজার পৌরসভার বাজার মসজিদের দ্বিতীয় তলার দক্ষিণ পাশে কোরআন রাখার তাকের ওপর থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় এই অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

সূত্র জানায়, মসজিদের মোয়াজ্জিন নাসির উদ্দিন অস্ত্রগুলো দেখতে পেয়ে আড়াইহাজার থানায় নিয়ে গিয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সবজেল হোসেনের কাছে হস্তান্তর করেন।

 

আড়াইহাজার থানার এসআই শফিউল ইসলাম বলেন, উদ্ধার করা ৯ এমএম পিস্তলটি ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় আড়াইহাজার থানা থেকে লুট হওয়া পুলিশের অস্ত্র বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে। উদ্ধার করা অস্ত্র ও গুলির বিষয়ে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

নতুন জোট গঠনের ঘোষণা দিল প্রধান তিন বিরোধী দল

ঢাকা – দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে, যখন দেশের প্রধান তিনটি বিরোধী দল—জাতীয় গণফ্রন্ট, উন্নয়ন পার্টি ও জননেতা পরিষদ—আজ এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ‘গণঐক্য জোট’ নামে একটি নতুন রাজনৈতিক জোট গঠনের ঘোষণা দিয়েছে। এই জোটের মুখ্য লক্ষ্য হলো আগাম জাতীয় সংসদ নির্বাচন আদায় করা, বর্তমান সরকারের পদত্যাগ দাবি এবং একটি নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ভোট আয়োজন নিশ্চিত করা। জাতীয় গণফ্রন্টের সভাপতি শহীদুল হক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “দেশে এখন গণতন্ত্র নেই, জনগণের ভোটাধিকার নেই। তাই আমাদের এই ঐক্য—সত্যিকার অর্থে একটি গণআন্দোলনের সূচনা।” জোটের কর্মসূচি জোট নেতারা জানান, আগামী মাস থেকে সারা দেশে বিক্ষোভ, গণঅবস্থান, মানববন্ধন এবং জেলা পর্যায়ে গণসংলাপ কর্মসূচি শুরু হবে। তারা বলেছেন, এই জোট শুধুমাত্র সরকারবিরোধী নয়, বরং এটি একটি ভবিষ্যত রাজনৈতিক বিকল্প হিসেবেও কাজ করবে। সরকারের প্রতিক্রিয়া সরকারি দলের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি, তবে অঘোষিতভাবে কয়েকজন শীর্ষ নেতা বলেছেন, “বিরোধীদের এই জোট জনভিত্তিহীন এবং জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা।” বিশ্লেষকদের মত রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. মাহবুব হাসান বলেন, “এই জোট নির্বাচনী রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারে, যদি তারা মাঠে বাস্তব আন্দোলন ও বিকল্প নেতৃত্ব দিতে পারে। তবে সরকার যেভাবে শক্ত হাতে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখছে, তাতে সংঘাতময় পরিস্থিতি তৈরির আশঙ্কাও রয়েছে।” আগামী সপ্তাহে জাতীয় প্রেস ক্লাবে জোটের পক্ষ থেকে পূর্ণাঙ্গ কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়েছে। রাজনৈতিক মহল এই জোটকে ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনের ‘গেম চেঞ্জার’ হিসেবেও দেখছে।

অপরাধ

View more
জেল থেকে জামিনে বের হয়ে মামলা তুলে নিতে হুমকির অভিযোগ পূজা চেরির বাবার বিরুদ্ধে
জেল থেকে জামিনে বের হয়ে মামলা তুলে নিতে হুমকির অভিযোগ পূজা চেরির বাবার বিরুদ্ধে

  নিজস্ব প্রতিবেদক চলচ্চিত্র প্রযোজনার ব্যবসার কথা বলে ১৩ কোটি ২০ লাখ ১০ হাজার ২০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় কারাগারে যাওয়ার পর জামিনে বের হয়ে মামলা তুলে নিতে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে চিত্রনায়িকা পূজা চেরির বাবা দেব প্রসাদ রায়ের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মো. মিজানুর রহমান নামে এক ব্যক্তি রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। জিডির তথ্য অনুযায়ী, গত ২৬ জুলাই রাত ৮টা ৪০ মিনিটের দিকে মিজানুর রহমানের পশ্চিম মাটিকাটার বাসায় দেব প্রসাদ রায়সহ আরও তিনজন যান। সেখানে তারা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং চলমান মামলা তুলে না নিলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেন বলে জিডিতে অভিযোগ করা হয়েছে। বিষয়টি ভবিষ্যতের নিরাপত্তার স্বার্থে সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করার আবেদন জানান মিজানুর রহমান। ক্যান্টনমেন্ট থানায় করা ওই জিডির ট্র্যাকিং নম্বর ২৫৫৮ এবং জিডি নম্বর ১৬৪০। এর তারিখ ২৬ জুলাই ২০২৬। জিডিতে দেব প্রসাদ রায়ের সঙ্গে মদন কুমার সাহা, পূজা চেরি রায় এবং পার্থ প্রতীম নামের আরও তিনজনের উপস্থিতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। মিজানুর রহমান অভিযোগ করেছেন, তারা তার বাসায় এসে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য ভয়ভীতি প্রদর্শন ও প্রাণনাশের হুমকি দেন। জিডিতে আরও উল্লেখ করা হয়, দেব প্রসাদ রায়ের বিরুদ্ধে ক্যান্টনমেন্ট থানার মামলা নম্বর-০১, তারিখ ১৮ এপ্রিল ২০২৬-এ অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ ও প্রতারণার মাধ্যমে মোট ১৩ কোটি ২০ লাখ ১০ হাজার ২০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা চলমান রয়েছে। জিডি করার সময় তিনি আদালত থেকে জামিনে ছিলেন বলে অভিযোগকারী উল্লেখ করেছেন। এর আগে চলচ্চিত্র নির্মাণের নামে ১৩ কোটি টাকার বেশি আত্মসাতের অভিযোগে দেব প্রসাদ রায়ের বিরুদ্ধে মামলা করেন ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান। প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ ক্যান্টনমেন্ট থানায় এ মামলা করা হয় এবং ওই দিনই দেব প্রসাদ রায়কে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায় চলচ্চিত্র প্রযোজনার ব্যবসার কথা বলে ২০১৯ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর পশ্চিম মাটিকাটার একটি বাসায় গিয়ে দেব প্রসাদ রায় মিজানুর রহমানের কাছ থেকে নগদ ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা নেন। একই ব্যবসার কথা বলে পরে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেডের মাধ্যমে আরও ৫০ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া ২০২৪ সালের ১৫ মে ১০০ টাকার তিনটি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর/সম্পাদনের মাধ্যমে আরও ৬ কোটি টাকা নগদ নেওয়ার অভিযোগ করেন মিজানুর রহমান। বিভিন্ন সময়ে বিকাশ, নগদ ও রকেটের একাধিক নম্বরে আরও মোট ১ কোটি ২০ লাখ টাকা পাঠানো হয় বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। সর্বশেষ ২০২৬ সালের ৩০ মার্চ অভিযুক্তের অনুরোধে বিকাশের মাধ্যমে আরও ১০ হাজার ২০০ টাকা পাঠানোর দাবি করা হয়। অভিযোগকারীর দাবি, দীর্ঘ সময় পার হলেও দেব প্রসাদ রায় কোনো টাকা ফেরত দেননি। টাকা ফেরত চাইলে বিভিন্ন ধরনের তালবাহানা এবং পরে হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এভাবে সরল বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে তার কাছ থেকে মোট ১৩ কোটি ২০ লাখ ১০ হাজার ২০০ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়েছে। ১৭ এপ্রিল রাতে ক্যান্টনমেন্ট থানাধীন ইসিবি চত্বরে টাকার বিষয়ে দেব প্রসাদ রায়ের কাছে জানতে চান মিজানুর রহমান। এ সময় তিনি সদুত্তর দিতে পারেননি এবং একপর্যায়ে গালিগালাজ ও মারধরের চেষ্টা করেন বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে আশপাশের লোকজন তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। ক্যান্টনমেন্ট থানার তৎকালীন তদন্তকারী কর্মকর্তা দৈপায়ন মণ্ডল প্রকাশিত সংবাদে জানিয়েছিলেন, চলচ্চিত্র বানানোর কথা বলে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে ১২ কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তিনি আরও জানিয়েছিলেন, প্রতারণার অভিযোগে মামলা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন; লেনদেনের স্টেটমেন্ট যাচাই করা হচ্ছে। সত্যতা যাচাই করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও পুলিশ জানিয়েছিল। এদিকে দেব প্রসাদ রায়কে গ্রেপ্তার ও মামলার বিষয়ে পূজা চেরি প্রকাশিত বক্তব্যে বলেন, অভিযোগ বা মামলার সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে এবং বিষয়টি আইনগত প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে। আদালত বিষয়টি দেখবেন ও সিদ্ধান্ত নেবেন বলেও তিনি জানান। একই সঙ্গে তাকে এ বিষয়ে না জড়ানোর অনুরোধ করেন অভিনেত্রী। দেব প্রসাদ রায়ের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য জানতে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এর মধ্যে ২৭ এপ্রিল ২০২৬ পরিচালক-প্রযোজক মোহাম্মদ ইকবাল জানান দেব প্রসাদ রায়ের অতীত নিয়েও অভিযোগের প্রসঙ্গ আসে। বিএফডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, দেব প্রসাদ রায় এর আগেও গ্রেপ্তার হয়েছিলেন এবং তিনি সম্ভবত আদম ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তার দাবি, পূজা চেরির বয়স যখন প্রায় ৪-৫ বছর, তখন এ কারণে তার বাবা গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে গিয়েছিলেন। মোহাম্মদ ইকবাল আরও দাবি করেন, দেব প্রসাদ রায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর পূজার মা আলাদা হয়ে যান এবং মেয়েকে অনেক কষ্টে বড় করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, পূজার মা টেইলার্সের দোকান চালাতেন এবং তার বাসার পাশের একটি ছোট টেইলার্সের দোকানে কাপড় সেলাই করতেন। সেখানেই পূজা চেরি ছোটবেলায় বড় হয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন।  বর্তমান ঘটনায় মিজানুর রহমানের করা ২৬ জুলাইয়ের জিডিতে মূল অভিযোগ হলো—চলমান অর্থ আত্মসাতের মামলায় আদালত থেকে জামিনে বের হওয়ার পর দেব প্রসাদ রায়সহ চারজন তার বাসায় গিয়ে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ, গালিগালাজ, ভয়ভীতি এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন। জিডিতে তিনি বিষয়টি সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করে ভবিষ্যতের জন্য সংরক্ষণের আবেদন জানিয়েছেন।

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মদ ও ফেন্সিডিল জব্দ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মদ ও ফেন্সিডিল জব্দ

থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র মিললো মসজিদে

থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র মিললো মসজিদে

বাংলাদেশ বিমানের ফ্রি টিকিটে কোটি টাকার মালিক শফিকুল

বাংলাদেশ বিমানের ফ্রি টিকিটে কোটি টাকার মালিক শফিকুল

স্ত্রীসহ ফারইস্ট লাইফের সাবেক চেয়ারম্যানের সম্পদ ক্রোক
স্ত্রীসহ ফারইস্ট লাইফের সাবেক চেয়ারম্যানের সম্পদ ক্রোক

  ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের সাধারণ গ্রাহকদের হাজার-কোটি টাকা আত্মসাতের মাস্টারমাইন্ড ও প্রতিষ্ঠানটির সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম এবং তার স্ত্রী তাসলিমা ইসলামের অর্ধশত কোটি টাকারও বেশি মূল্যের স্থাবর সম্পদ জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে তার অবৈধ সম্পদের বিষয়ে তথ্য ও ব্যবস্থা নিতে অচিরেই মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স রিকোয়েস্ট পাঠানো হবে বলে জানা গেছে। ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. শাহজাহান কবির দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই ক্রোক আদেশ জারি করেন। দুদক সূত্রে জানা যায়, অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা ও উপপরিচালক মো. মশিউর রহমান দুদক বিধিমালা, ২০০৭ (সংশোধিত বিধিমালা-২০১৯)-এর বিধি ১৮ মোতাবেক সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম এবং তার স্ত্রী তাসলিমা ইসলামের নামে থাকা স্থাবর সম্পদ ক্রোকের আবেদন করেন। আদালতের পর্যালোচনায় দেখা যায়, অভিযুক্ত নজরুল ইসলাম (স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম-পানাম (মিরকাদিম), থানা-মুন্সীগঞ্জ সদর, জেলা-মুন্সীগঞ্জ) গ্রাহকের সঞ্চয়ের অর্থ দ্বারা বিভিন্ন ব্যাংকে রক্ষিত এফডিআর আত্মসাৎ এবং প্রতিষ্ঠানের নামে অতিরিক্ত দামে জমি ক্রয় করে বিপুল অর্থ আত্মসাৎসহ নানা দুর্নীতিতে জড়িত। অনুসন্ধানকালে দেখা যায়, বর্ণিত সম্পত্তি ক্রোক করা না হলে তা হস্তান্তর বা পাচার হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার জেলা রেজিস্টারসহ ঢাকা, ময়মনসিংহ, মুন্সীগঞ্জ, পটুয়াখালী, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরের জেলা রেজিস্টারদের ক্রোককৃত স্থাবর সম্পদ কোনো অবস্থাতেই হস্তান্তর বা বিনিময় না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ ও চলমান মামলা নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সমন্বিত জেলা কার্যালয় (সজেকা), ঢাকা-১ এ একাধিক মামলা দায়ের করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য মামলাসমূহ: মামলা নম্বর ০১ ও ০২ (তারিখ: ০৮-০৩-২০২২), মামলা নম্বর ১৮ (তারিখ: ০৮-০৩-২০২২), মামলা নম্বর ০৪ (তারিখ: ১২-০৮-২০২২), মামলা নম্বর ০৪ (তারিখ: ০৯-০৫-২০২৩), মামলা নম্বর ০৪ (তারিখ: ০৭-০৪-২০২৩) ও মামলা নম্বর ৩৫ (তারিখ: ৩১-০৭-২০২৫)। ২০২৫ সালের ২৩ অক্টোবর ঢাকা-১ এর মামলা নম্বর ৩৫-এ অভিযুক্ত নজরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং আদালতের শান্তিতে রিমান্ডে এনে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। রিমান্ডে তিনি বিভিন্ন স্থাবর সম্পদের তথ্য স্বীকার করেন। ক্রোককৃত সম্পদের বিবরণ আদালতের আদেশে দুই ছকে নজরুল ইসলাম ও তার স্ত্রীর নামে অর্জিত বেশকিছু মূল্যবান জমি, প্লট ও বাড়ির তালিকা তুলে ধরা হয়েছে: নজরুল ইসলামের অর্জিত সম্পদ (ছক-১) রাজধানীর উত্তরা, ভালুকা (ময়মনসিংহ), কুয়াকাটা (পটুয়াখালী), যাত্রাবাড়ী, সূত্রাপুর, গুলশান, রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) এবং মুন্সীগঞ্জে ছড়িয়ে থাকা মোট ২০টি দলিলের সম্পদ। যার দাপ্তরিক ক্রয়মূল্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে ৩৮,৩৯,১৩,০০০/- (আটত্রিশ কোটি ৩৯ লাখ ১৩ হাজার) টাকা। উল্লেখযোগ্য সম্পদের মধ্যে রয়েছে: গুলশানস্থ ৮ কাঠা জমি ও বাড়ি- যার দলিলমূল্য ১০ কোটি টাকা; কুয়াকাটায় ৬.১৮ একর জমি— দলিলমূল্য ১০.৫৫ কোটি টাকা; এবং উত্তরায় ২১.২১ কাঠা জমি। তাসলিমা ইসলামের অর্জিত সম্পদ (ছক-২) গুলশান, খিলক্ষেত, ক্যান্টনমেন্ট, বাড্ডা, সূত্রাপুর, টঙ্গীবাড়ী ও গাজীপুরে থাকা মোট ২২টি দলিলের স্থাবর সম্পদ। যার দাপ্তরিক ক্রয়মূল্য ১৯,২২,৫৪,০০০/- (১৯ কোটি ২২ লাখ ৫৪ হাজার) টাকা। উল্লেখযোগ্য সম্পদের মধ্যে রয়েছে: গুলশান ও বাড্ডায় বিভিন্ন ফ্ল্যাট ও জমি এবং খিলক্ষেতে আবাসিক প্লট ও ভবন। নজরুল ইসলাম ও তার স্ত্রীর নামে রেজিস্ট্রিকৃত এই বিশাল স্থাবর সম্পত্তির মোট সরকারি ক্রয়মূল্য ৫৭ কোটি ৬১ লাখ টাকারও বেশি, যার বর্তমান বাজারমূল্য বহুগুণ। উল্লেখ্য, অভিযুক্তদের বিদেশে পাচার করা অন্যান্য সম্পদ ও যুক্তরাষ্ট্রস্থিত বাড়ির বিষয়ে আইনি তথ্য বিনিময়ের জন্য অচিরেই মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স রিকোয়েস্ট ( এমএলএআর) পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
সুপ্রিম কোর্টের ভবন নির্মাণে ৬.৩২ কোটি টাকা আত্মসাতের সত্যতা পেয়েছে দুদক

সুপ্রিম কোর্টের ভবন নির্মাণে ৬.৩২ কোটি টাকা আত্মসাতের সত্যতা পেয়েছে দুদক

এনওসিএস মানিকনগরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহিমের দায়িত্বাধীন এলাকায় রাজস্ব আদায় নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন

এনওসিএস মানিকনগরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহিমের দায়িত্বাধীন এলাকায় রাজস্ব আদায় নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন

রিকশাচালকের ছেলে শতকোটি টাকার মালিক: কার ছত্রছায়ায় সোহেলের এই উত্থান?

রিকশাচালকের ছেলে শতকোটি টাকার মালিক: কার ছত্রছায়ায় সোহেলের এই উত্থান?

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩৫০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩৫০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

  মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ  ​চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা  প্রতিনিধি চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিশেষ অভিযানে ৩৫০ গ্রাম গাঁজাসহ মো. ইসমাইল হক (৩৮) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। ​আজ সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬) দুপুর ১২টার দিকে সদর থানাধীন কালিনগর ইংলিশ মোড় এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। আটককৃত মো. ইসমাইল হক ওই এলাকার মৃত আবদুল লতিফের ছেলে।​মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, চাঁপাইনবাবগঞ্জের উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসানের নেতৃত্বে পরিচালিত এই যৌথ অভিযানে পুলিশ, র‌্যাব ও কাস্টমসের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আসামীর বসতবাড়ীতে তল্লাশি চালিয়ে ৩৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধারসহ তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়। ​অভিযান শেষে উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান বলেন, "মাদক নিয়ন্ত্রণে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া যাবে না।" পাশাপাশি তিনি মাদক নির্মূলে প্রশাসনকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করার জন্য সর্বস্তরের জনগণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান। ​এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে আটক আসামীর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু করেছেন।

News সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬ 0
শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাইয়ের ফাঁসি চাইলেন ছাত্রদল নেতা টিপুর স্ত্রী

শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাইয়ের ফাঁসি চাইলেন ছাত্রদল নেতা টিপুর স্ত্রী

গণপূর্তের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সাইফুর রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির যত অভিযোগ

গণপূর্তের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সাইফুর রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির যত অভিযোগ

নানা অপকর্মের পরও কুয়েত স্টেশনে বহাল বিমানের ‘প্রভাবশালী’ শাহজাহান-শামীমা দম্পতি

নানা অপকর্মের পরও কুয়েত স্টেশনে বহাল বিমানের ‘প্রভাবশালী’ শাহজাহান-শামীমা দম্পতি

0 Comments