জাতীয়

দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিন ছুটি, প্রজ্ঞাপন জারি
দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিন ছুটি, প্রজ্ঞাপন জারি

  শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে টানা পাঁচদিনের ছুটি পাচ্ছে দেশ। আগামী ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত তিনদিন ছুটি ঘোষণা করে বুধবার (৭ অক্টোবর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এর সঙ্গে ২৩ ও ২৪ অক্টোবর শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা পাঁচদিন ছুটি কাটাতে পারবেন সরকারি চাকরিজীবীরা।  তবে এই টানা ছুটির সমন্বয়ের জন্য এর আগে ১৭ অক্টোবর শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস খোলা থাকবে। গত সোমবার (৫ অক্টোবর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে সাধারণ ছুটি ও নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটির তারিখ পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২২ অক্টোবরের কর্মদিবসেও ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, আগামী মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) মহানবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে ছুটি এবং বুধবার (২১ অক্টোবর) বিজয়া দশমী উপলক্ষে সাধারণ ছুটি নির্ধারিত ছিল। তবে ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার অফিস খোলা থাকার কথা থাকলেও ওই দিনটিকেও নির্বাহী আদেশে ছুটি দেয়ার প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয়। ফলে ২০, ২১ ও ২২ অক্টোবর টানা তিনদিন পূজার ছুটি থাকবে। এরপর ২৩ ও ২৪ অক্টোবর যথাক্রমে শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় টানা পাঁচদিনের ছুটির সুযোগ তৈরি হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৬ উপলক্ষে ২০ থেকে ২২ অক্টোবর যথাক্রমে মঙ্গলবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার ছুটি থাকবে। আগামী ১৭ অক্টোবর শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে অফিস খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ওইদিন সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস খোলা থাকবে।

News অক্টোবর ৭, ২০২৬ 0
গুলশান লেকই যদি ঠিক করতে না পারি, সারাদেশ কীভাবে ঠিক করব: গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী
গুলশান লেকই যদি ঠিক করতে না পারি, সারাদেশ কীভাবে ঠিক করব: গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী

  গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বলেছেন, রাজধানীর ‘গুলশান-বারিধারার মতো একটি বিশিষ্ট এলাকার লেকের পানি যদি আমরা ঠিক করতে না পারি, তাহলে সারা বাংলাদেশ কীভাবে ঠিক করব?।’ বুধবার (০৭ অক্টোবর) রাজধানীর শেরাটন হোটেলে বণিক বার্তা আয়োজিত ‘স্মার্ট আবাসন, টেকসই নগরায়ণ ও ভবিষ্যতের বাংলাদেশ’ শীর্ষক স্মার্ট সিটি কনক্লেভে তিনি এ কথা বলেন। জাকারিয়া তাহের বলেন, ‘দুঃখজনক হলেও সত্য, শুধু গুলশান, বনানী, বারিধারা লেক এবং হাতিরঝিল নিয়ে প্রধানমন্ত্রী আমাদের সঙ্গে প্রায় ছয়বার বৈঠক করেছেন। এসব এলাকার পরিবেশ ঠিক করতে সরকার কাজ করছে।’ তিনি বলেন, ‘গুলশান-বনানী-বারিধারা এলাকায় প্রায় ৪ হাজার ৩০০টি বাড়িঘর রয়েছে। এর মধ্যে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ ভবনে নিয়ম অনুযায়ী সেপটিক ট্যাংক বা স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (এসটিপি) থাকার কথা থাকলেও অনেক ভবনে তা নেই। নামিদামি ডেভেলপাররা ভবন করেছেন, কিন্তু এসটিপি করে যাননি। ফলে স্যুয়ারেজের পানি স্টর্ম ওয়াটারের সঙ্গে মিশে যাচ্ছে।’ এ সমস্যা সমাধানে গুলশান, বনানী ও বারিধারা সোসাইটির সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, লেকের পানি ও এলাকার পরিবেশ ঠিক করা শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়, সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্ব রয়েছে। গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী বলেন, সরকার প্রথমবারের মতো প্রায় ১০ বছর মেয়াদি একটি পরিকল্পনা নিয়েছে। প্রথমে দেশের মেট্রোপলিটন শহরগুলোকে এর আওতায় আনা হচ্ছে। পরে বড় শহর ও উপজেলা পর্যায়েও পরিকল্পনা সম্প্রসারণ করা হবে। কোথায় কী ধরনের স্থাপনা হবে, তা নির্ধারণে জোনিং করা হবে জানিয়ে জাকারিয়া তাহের বলেন, এ জন্য নগর উন্নয়ন অধিদপ্তরকে (ইউডিডি) শক্তিশালী করা হচ্ছে। সঠিক পরিকল্পনার জন্য নির্ভুল তথ্য-উপাত্ত প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে আর্কিটেকচার, স্ট্রাকচারাল, ইলেকট্রিক্যাল ও প্লাম্বিংসহ সব বিষয় সমন্বিতভাবে অনুমোদনের আওতায় আনার উদ্যোগের কথা জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, ভবন নির্মাণের পর অকুপেন্সি সার্টিফিকেট দেওয়ার ক্ষেত্রেও নকশাকারীদের প্রত্যয়ন বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। অনুমোদন ছাড়া বা অনুমোদিত নকশার বাইরে নির্মিত ভবন শনাক্ত করা হচ্ছে। এ ধরনের ভবনের বিষয়ে একটি বিধিমালা তৈরির কাজ চলছে জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী এক মাসের মধ্যে তা মন্ত্রিসভায় তোলার চেষ্টা করা হবে। রাজধানীর বর্তমান অবস্থাকে ‘দুঃখজনক’ উল্লেখ করে জাকারিয়া তাহের বলেন, ১৭৩টি শহরের মধ্যে ঢাকা ১৭১তম অবস্থানে রয়েছে। ঘনবসতিপূর্ণ এই শহরের পরিস্থিতি উন্নত করতে সঠিক পরিকল্পনা ও সব খাতের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। কনক্লেভে রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম বলেন, জনসংখ্যা, আবাসন, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যবস্থাকে সমন্বিত পরিকল্পনার আওতায় না আনলে বাসযোগ্য ঢাকা তৈরি সম্ভব নয়। রাজধানীর দুরবস্থার অন্যতম কারণ আইন না মানার প্রবণতা উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাজউকের প্রায় ১ হাজার ২০০ কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শতাধিক পরিদর্শকের পক্ষে পুরো ঢাকার ভবন নিয়মিত তদারক করা সম্ভব নয়। ভবন মালিক, ডেভেলপার, প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিজ নিজ দায়িত্ব থেকে আইন মানতে হবে। তিনি বলেন, গ্রিন বিল্ডিংয়ে প্রণোদনা, অন্তর্ভুক্তিমূলক আবাসনে অতিরিক্ত ফ্লোর স্পেস, ভবনের নকশায় সৌরবিদ্যুৎ এবং এক বিঘা জমিতে ১০ শতাংশ গাছ লাগানোর মতো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভূমিকম্পের ঝুঁকি মোকাবিলায় গবেষণা ও নিরাপত্তা নিয়েও কাজ চলছে। কনক্লেভে বুয়েট, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, আবাসন খাত ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।  

News অক্টোবর ৭, ২০২৬ 0
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৬নং ওয়ার্ডে মশক নিধন  বিশেষ অভিযান
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৬নং ওয়ার্ডে মশক নিধন  বিশেষ অভিযান

  ​মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি ​চাঁপাইনবাবগঞ্জ ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে গঠিত ৮টি টিম পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ   বুধবার  ৭ অক্টোবর  ২০২৬,  বিকেলে ৮নং টিমের আওতায় পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের কালিগঞ্জ বাবুপাড়া কালী মন্দির,   মিরপাড়া শান্তি সংঘ মন্দির,গরুর হাট মা ভবানী দুর্গা ও কালীমাতা মন্দির, ও আশপাশের এলাকায় মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়েছে।​মশক নিধন ও লার্ভা ধ্বংস: ৬নং ওয়ার্ড  এলাকায় ফগার মেশিনের সাহায্যে মশার ওষুধ ছিটানো হয় এবং ডেঙ্গুর সম্ভাব্য প্রজননস্থল ধ্বংস করা হয়।​জনসচেতনতা বৃদ্ধি স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ   বজায় রাখার গুরুত্ব তুলে ধরে লিফলেট বিতরণ এবং মাইকিং করা হয়।​অভিযানে নেতৃত্ব দেন টিম লিডার কর নির্ধারক মো. এনামুল হক, পৌর কর্মচারী সংসদের সেক্রেটারি মোঃ আব্দুল আজিজ খাঁন, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মো.নওরোজ হুদা। এছাড়াও অভিযানে স্কাউট ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যবৃন্দ এবং পৌরসভার-কর্মচারী  অন্যান্যরা সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। ​অভিযান শেষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা ও পরিচ্ছন্নতার কোনো বিকল্প নেই। এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা গেলেই কেবল ডেঙ্গুর বিস্তার রোধ করা সম্ভব। তাই নিজ নিজ বাড়ি এবং আশপাশের এলাকা সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য সকলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়।

News অক্টোবর ৭, ২০২৬ 0
একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন
একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

  জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ১৬ হাজার ২০৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকা ব্যয় সম্বলিত ১৩টি প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ১০ হাজার ৬০০ কোটি ৮০ লাখ টাকা, প্রকল্প ঋণ ৪ হাজার ৮১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ১ হাজার ৫২৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে নতুন প্রকল্প রয়েছে ১০টি, দুটি সংশোধিত প্রকল্প এবং একটি মেয়াদ বৃদ্ধির প্রকল্প। বুধবার (৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, মহিলা ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন, ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু, শিল্প, বস্ত্র ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, পানি সম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকিসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যয় ধরা হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের দ্বিতীয় সংশোধনে। প্রকল্পটির ব্যয় ১ হাজার ৩১০ কোটি ৪০ লাখ টাকা বাড়িয়ে মোট ৭ হাজার ৩৯ কোটি ৩০ লাখ টাকা করা হয়েছে। প্রকল্পটির মূল ব্যয় ছিল ৩ হাজার ৪৬৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা। প্রথম সংশোধনে ব্যয় ৪ হাজার ৪১৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা এবং দ্বিতীয় সংশোধনে ৫ হাজার ৭২৮ কোটি ৯০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এবার আরও ১ হাজার ৩১০ কোটি ৪০ লাখ টাকা বাড়ানো হয়েছে। পুরো অর্থই সরকারি অর্থায়নে ব্যয় হবে। সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও নওগাঁ জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে ৩ হাজার ৭৬৭ কোটি ৫০ লাখ টাকার নতুন প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে। প্রকল্পটির পুরো অর্থ সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন থেকে দেওয়া হবে। প্রকল্পটি ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০৩০ সালের জুন পর্যন্ত বাস্তবায়নের কথা রয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের সক্ষমতা সম্প্রসারণে ৩০টি মিটারগেজ ডিজেল-ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ সংগ্রহে ২ হাজার ৭৬৯ কোটি ৮৬ লাখ টাকার নতুন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ৮১১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা এবং প্রকল্প ঋণ ১ হাজার ৯৫৮ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। প্রকল্পটি ২০২৬ সালের জুলাই থেকে ২০২৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বাস্তবায়ন করা হবে। রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট পিক সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে ২ হাজার ৪৯৮ কোটি ৭ লাখ ৯৩ হাজার টাকার প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রকল্প ঋণ ও অনুদান থেকে ২ হাজার ১২৩ কোটি ৩৬ লাখ ৭৪ হাজার টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন থেকে ৩৭৪ কোটি ৭১ লাখ ১৯ হাজার টাকা ব্যয় হবে। প্রকল্পটি ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৯ সালের মার্চ পর্যন্ত বাস্তবায়নের কথা রয়েছে। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ১ থেকে ৮ নম্বর জোনের রাস্তা, নর্দমা ও ফুটপাত নির্মাণে ২ হাজার ৫৮৬ কোটি ৯৯ লাখ টাকার নতুন প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ২ হাজার ১৯৮ কোটি ৯৪ লাখ ১৫ হাজার টাকা এবং সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব অর্থায়ন ৩৮৮ কোটি ৪ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। প্রকল্পটি ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৯ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাস্তবায়ন করা হবে।

News অক্টোবর ৭, ২০২৬ 0
দুটির বেশি সন্তান নয়, একটি হলে ভালো’-স্লোগানে ব্যাপক প্রচারাভিযান শুরু ১ ডিসেম্বর থেকে
দুটির বেশি সন্তান নয়, একটি হলে ভালো’-স্লোগানে ব্যাপক প্রচারাভিযান শুরু ১ ডিসেম্বর থেকে

‘ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, পরিবার পরিকল্পনা খাতকে শক্তিশালী করতে আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে দেশব্যাপী এক বছরব্যাপী ব্যাপক জন্মনিয়ন্ত্রণসামগ্রী নিয়ে প্রচারাভিযান শুরু করা হবে। এক মাসব্যাপী এ কর্মসূচিতে র‍্যালি, মেলা ও বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি পরিবার পর্যায়ে প্রয়োজনীয় পরিবার পরিকল্পনা সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হবে। আজ মঙ্গলবার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দুটির বেশি সন্তান নয়, একটি হলে ভালো’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে বিভিন্ন মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার চালানো হবে। শুধু প্রচার-প্রচারণায় সীমাবদ্ধ না থেকে পরিবার পরিকল্পনার প্রয়োজনীয় সামগ্রীও মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা গত কয়েক দিন ধরে এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছেন। দেশের বিভিন্ন জেলা পর্যায়ে নানা ধরনের কর্মসূচি নেওয়া হবে, যাতে মানুষ পরিবার পরিকল্পনায় উদ্বুদ্ধ হন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘শুধু মুখে বলব না, সঙ্গে আমরা সব মেটেরিয়াল সাপ্লাই করব। ট্যাবলেট, কন্ট্রাসেপটিভস, প্যাড—পরিবার পরিকল্পনার যা যা আছে, সবকিছু ঘরে ঘরে পৌঁছে দেব।’ তিনি আরও বলেন, সরকারি অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম-কানুন ও বিধিবিধান অনুসরণ করতে হয়। এসব প্রক্রিয়ায় সময় লাগে। অতীতে অনেক কাজ করা সম্ভব হয়নি। তবে নতুন করে কাজ শুরু হয়েছে এবং আগামী বছরের শুরু থেকে এর দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যাবে। এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশের পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমকে সরকারের অন্যতম দুর্বল জায়গা হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এ খাতে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হয়নি। জন্মহার কমানোর ক্ষেত্রেও নানা প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশের ক্যান্সার চিকিৎসাব্যবস্থার দুরবস্থার কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দেশে ক্যান্সার রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। দরিদ্র মানুষের জন্য ক্যান্সারের চিকিৎসা নিশ্চিত করা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপির যন্ত্র নষ্ট থাকায় অনেক রোগী প্রয়োজনীয় চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ‘৮টা ফুল সেটের কেমোথেরাপির মেশিন নষ্ট হয়েছিল। ১৭ রেডিওথেরাপি কেনা হচ্ছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ক্যান্সারের মতো জটিল রোগে সময়মতো চিকিৎসা শুরু করা গেলে অনেক রোগীর জীবন রক্ষা করা সম্ভব। কিন্তু অর্থের অভাব এবং চিকিৎসা সরঞ্জামের সংকটের কারণে দরিদ্র মানুষকে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। তিনি বলেন, এসব সমস্যা সমাধানে সরকার কাজ করছে। আগামী দিনে স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন ক্ষেত্রে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।  

News অক্টোবর ৭, ২০২৬ 0
একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তি সারের ডিলারশিপ নিতে পারবে না
একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তি সারের ডিলারশিপ নিতে পারবে না

  একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তি সারের ডিলারশিপ নিতে পারবে না, সরকারের এই নীতিমালার ওপর স্থিতাবস্থা দিয়ে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেছেন চেম্বার আদালত। এর ফলে নীতিমালা অনুযায়ী একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তির সারের ডিলারশিপ নেওয়ার কোনো সুযোগ থাকলো না বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। বুধবার (৭ অক্টোবর) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালত এ আদেশ দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবা জুঁই। রিটকারীদের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট ইকরামুল হক টুটুল। এর আগে, একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তি সারের ডিলারশিপ নিতে পারবে না, সরকারের এই নীতিমালা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন ৫ ব্যক্তি। রিটের শুনানি নিয়ে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ নীতিমালার কার্যকারিতার ওপর স্থিতাবস্থা দেন। পরে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। পরে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, বাংলাদেশে সার ডিলার এবং সার বিতরণ সংক্রান্ত ২০০৯ সালে একটা নীতিমালা ছিল। ২০০৯ সালে যে নীতিমালা ছিল, সেই নীতিমালায় কোনো বাধ্যবাধকতা ছিল না যে, একই পরিবারের একাধিক সদস্য থাকতে পারবেন কি পারবেন না। অর্থাৎ একই পরিবারের স্বামী, স্ত্রী, ছেলের নামে, মেয়ের নামে, পুত্রবধূর নামে— এভাবে তাদের নামে বিভিন্ন সময়ে একটা কোটারি সৃষ্টি করা হতো এবং একটা পারিবারিক মনোপলি একটা সৃষ্টি করা হতো। ​সেটা সংশোধনের জন্য ২০২৫ সালে যখন নীতিমালা আসে, সেই নীতিমালাও সংশোধন করে পরিবারের একই পরিবারভুক্ত সদস্যরা যেন একাধিক ডিলারশিপ না নিতে পারে কিংবা তারা যেন রাষ্ট্রকে, সরকারকে ও কৃষককে জিম্মি করতে না পারে—সেজন্য একটি সংশোধন করা হয়। এই সংশোধনটা বর্তমান সরকার আসার পরে চলতি বছরের আগস্টে হয়েছে। তিনি বলেন, এমন অবস্থায়, পারিবারিকভাবে যারা দীর্ঘদিন পর্যন্ত এই ব্যবসাটাকে জিম্মি করেছিলেন, এমন পাঁচজন পরিবারের সদস্য গতকাল অর্থাৎ ৬ অক্টোবরে হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চে সরকারের প্রণীত নীতিমালার এই অংশটুকু চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে দুইটি রিট পিটিশন দায়ের করেন। এই দুইটি রিট পিটিশনের মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ অনুযায়ী তাদেরকে যেন কোনোভাবেই তাদের বিদ্যমান ডিলারশিপ বাদ করে দেওয়া না হয় এবং তারা যেন পূর্বের মতোই পারিবারিক বন্ধন অটুট রেখে এভাবে সার ডিলারশিপের পুরোনো ব্যবসাটা চালিয়ে যেতে পারেন— সেটার জন্য তারা রিট পিটিশন ফাইল করেছেন। রিট পিটিশনে তারা একটা অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ পেয়েছিলেন যে, তাদেরকে কেউ সরাতে পারবে না। অর্থাৎ যদিও ২০২৬ সালের নীতিমালা অনুযায়ী এখন সার ডিলার নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে, এরপরও তাদেরকে যেন সরানো না হয়— তারা এমন স্থিতাবস্থার একটা আদেশ পেয়েছিলেন। অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ​রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে গতকালই আমাদের সংশ্লিষ্ট আইন কর্মকর্তারা আদালতের কাছে বক্তব্য উপস্থাপন করে বলেছেন, যে নীতিমালা তারা চ্যালেঞ্জ করেছেন, সেটা এখনো কার্যকর হয়নি। কারণ সার ডিলারের ডিলারশিপ নিয়োগের প্রক্রিয়াটা চলমান। বিতরণের পর্যায় তো এখন পর্যন্ত আসেনি নতুনদের ক্ষেত্রে। তিনি বলেন, ​তবুও হাইকোর্ট অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দিয়েছে এবং আইনগতভাবে আমাদের যেটা করণীয়, আমরা অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের পক্ষ থেকে গতকালই উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। আমরা সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল ফাইল করেছি। আজকে চেম্বার বিচারপতি, বিচারপতি মোহাম্মদ রেজাউল হক আমাদের এই আপিলটি শুনেছেন এবং নিয়মিত আদালতের নিয়মিত কার্যতালিকার বাইরেই এটাকে সংযুক্ত করে আমাদের মামলাটি শুনেছেন। অন্য পক্ষের আইনজীবী একরামুল হক টুটুল, যিনি রিট পিটিশনারের পক্ষে আছেন, তার বক্তব্যও শুনেছেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত বলেছেন যে, হাইকোর্টের দেওয়া স্থিতাবস্থার আদেশ স্থগিত থাকবে। তিনি আরও বলেন, ​​এই এই স্থগিতের অর্থ হচ্ছে যে, এই আদেশটির ফলে এই নীতিমালা চ্যালেঞ্জ করে কিংবা এই নীতিমালার যে বিধান, সেই বিধানকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে নতুন করে রিট পিটিশন হওয়ার সুযোগ আর থাকলো না বলে আমরা মনে করি। বর্তমান সরকারের সময় এই পার্টিকুলার প্রোভিশনটা, পারিবারিকীকরণের যে বিধানটা রহিত করা হয়েছে। কারণ হয়ত স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা সুনিশ্চিত করা এবং একই পরিবার থেকে একাধিক ব্যক্তিকে সুযোগ না দিয়ে সারের ডিলারশিপের ক্ষেত্রে দুর্নীতি বন্ধ করা। একই সঙ্গে, বিতরণ কার্যক্রম যেন সঠিকভাবে কৃষকের কাছে পৌঁছে এবং সার প্রাপ্তির ক্ষেত্রে কৃষক যেন কোনো কারণে বিড়ম্বনার শিকার না হন— সেটা সুনিশ্চিত করার জন্য নীতিমালা বহাল থাকলো। অর্থাৎ সরকারের এই নীতিমালা প্রণয়নটা এজ ইট ইজ— এটা সরকার যেভাবে করেছেন, সেভাবেই এর গ্রহণযোগ্যতা বিবেচিত হবে।

News অক্টোবর ৭, ২০২৬ 0
বিমান বাংলাদেশের কার্যালয়ে সাংবাদিক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি
বিমান বাংলাদেশের কার্যালয়ে সাংবাদিক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি

  বিমানের লাগেজ জটিলতা নিয়ে তীব্র আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে এবার রাজধানীর বিমানবন্দর এলাকার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রধান কার্যালয় বলাকা ভবনে সাংবাদিক প্রবেশে অলিখিত নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।  মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) থেকে সেই ভবনে সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে বাধার মুখে পড়েছেন অনেক সাংবাদিক। ভবনের নিরাপত্তারক্ষীরা বলছেন, দুই দিন ওই ভবনে সাংবাদিক প্রবেশ করতে না দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে তাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। প্রবেশে বাধার কারণ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (ভারপ্রাপ্ত জনসংযোগ কর্মকর্তা) মহিউদ্দিন আহমেদ জানান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) কাইজার সোহেল আহমেদের নির্দেশে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এমডি স্যার নির্দেশ দিয়েছেন, আগামী দুই দিন কোনো সাংবাদিককে যাতে ভেতরে আসতে না দিই।’ এসময় তিনি সাংবাদিকদের ২ দিন অপেক্ষা করার অনুরোধ জানান। এদিকে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে সংবাদ সংগ্রহ করতে প্রবেশের অলিখিত বাধার কারণে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে সাংবাদিকদের মাঝে। তারা বলেন, এটি অযৌক্তিক ও অনৈতিক।

News অক্টোবর ৭, ২০২৬ 0
৩০ ব্যাংকের কার্ড ও সংশ্লিষ্ট ডিজিটাল সেবা দ্রুত চালুর নির্দেশ
৩০ ব্যাংকের কার্ড ও সংশ্লিষ্ট ডিজিটাল সেবা দ্রুত চালুর নির্দেশ

  কিউ-ক্যাশ নেটওয়ার্কের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, সিস্টেম মাইগ্রেশন ও রক্ষণাবেক্ষণের কারণে বন্ধ বা ব্যাহত থাকা প্রায় ৩০টি ব্যাংকের কার্ড ও সংশ্লিষ্ট ডিজিটাল সেবা দ্রুত চালুর নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গ্রাহকদের স্বার্থ সুরক্ষা এবং লেনদেনের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতেও ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এতে বলা হয়, গত ৪ অক্টোবর রাত ৯টা থেকে আইটি কনসালট্যান্টস পিএলসির পরিচালিত কিউ-ক্যাশ নেটওয়ার্কে প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, সিস্টেম মাইগ্রেশন ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম চলছে এর ফলে কয়েকটি ব্যাংকের কার্ড, এটিএম ও ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশ (এনপিএসবি)-সংশ্লিষ্ট ডিজিটাল সেবা ব্যাহত হচ্ছে। এতে গ্রাহকদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষা এবং আর্থিক লেনদেনের স্বাভাবিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে কিউ-ক্যাশ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনাকে ডেকে পাঠানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যত দ্রুত সম্ভব কিউ-ক্যাশের সুইচিং কার্যক্রম এবং সংশ্লিষ্ট সব কার্ডভিত্তিক সেবা চালু করতে হবে। একই সঙ্গে গ্রাহকদের ভোগান্তি কমাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে যেসব ব্যাংক সরাসরি এনপিএসবির সঙ্গে যুক্ত, সেসব ব্যাংকের লেনদেন স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পাশাপাশি মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) ও অন্যান্য পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডারের লেনদেনও স্বাভাবিকভাবে চলছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরও জানিয়েছে, বাংলাদেশ অটোমেটেড ক্লিয়ারিং হাউস (বিএসিএইচ), বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার নেটওয়ার্ক (বিইএফটিএন) এবং রিয়েল টাইম গ্রস সেটেলমেন্ট (আরটিজিএস)সহ অন্যান্য পেমেন্ট সিস্টেমও স্বাভাবিক রয়েছে। সম্প্রতি কিউ-ক্যাশ নেটওয়ার্কের সিস্টেম মাইগ্রেশনের কারণে প্রায় ৩০টি ব্যাংকের কার্ডসহ বিভিন্ন ডিজিটাল সেবা বন্ধ বা সীমিত হয়ে পড়ে। ব্যাংকভেদে এটিএম থেকে টাকা উত্তোলন, পয়েন্ট অব সেলস (পিওএস), কার্ড লেনদেন, আন্তব্যাংক অর্থ স্থানান্তর ও কিউআর পেমেন্টসহ বিভিন্ন সেবা ব্যাহত হয়। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ব্যাংক গ্রাহকদের নিজ নিজ ব্যাংকের দেওয়া নির্দেশনা অনুসরণ করার পরামর্শ দিয়েছে। প্রয়োজন হলে বিকল্প পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের কথাও বলা হয়েছে।

News অক্টোবর ৭, ২০২৬ 0
২২ জেলায় হচ্ছে ‘শিশু স্বর্গ’: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
২২ জেলায় হচ্ছে ‘শিশু স্বর্গ’: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

  দেশে সেরিব্রাল পালসিতে আক্রান্ত প্রায় সাড়ে তিন লাখ শিশুর সমন্বিত চিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিশ্চিতে চলতি অর্থবছরেই ২২টি জেলায় সরকারি উদ্যোগে ‘শিশু স্বর্গ’ গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালে (নিনস) বিশ্ব সেরিব্রাল পালসি দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মঞ্জুর। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড মুহিত বলেন, ‘একটি গবেষণায় দেখা গেছে দেশে অন্তত সাড়ে তিন লাখ শিশু সেরিব্রাল পালসিতে আক্রান্ত। অথচ শীর্ষ প্রতিষ্ঠান নিনস-এর বহির্বিভাগেই গত বছর চিকিৎসা নিতে পেরেছে মাত্র ৩ হাজার ৩০০ শিশু। বাকি বিপুলসংখ্যক শিশু কার্যত অদৃশ্য হয়ে আছে। পরিবারের সীমাবদ্ধতা ও সামাজিক বাস্তবতায় তারা অন্ধকার ঘরে লুকিয়ে থাকে। রাষ্ট্র হিসেবে আমরা এই শিশুদের অধিকার ও মানবিক মর্যাদা ফিরিয়ে দিতে চাই।’ তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনায় স্বাস্থ্য খাত সর্বোচ্চ বাজেট ও গুরুত্ব পাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে ২২টি জেলায় ‘শিশু স্বর্গ’ প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। এছাড়া সম্প্রতি সরকারি উদ্যোগে কড়াইল বস্তিতে একটি পাইলট প্রকল্প শুরু হয়েছে, যেখানে শনাক্ত হওয়া প্রায় ৩০০ শিশুকে সেবা দেয়া হচ্ছে। ড. মুহিত আরও বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশুদের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে ‘কমিউনিটি বেসড আর্লি কেস ডিটেকশন’ (প্রাথমিক পর্যায়েই রোগ শনাক্তকরণ) ব্যবস্থা গড়ে তোলা সবচেয়ে জরুরি। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রমের প্রশংসা করে প্রতিমন্ত্রী ড এম এ মুহিত বলেন, শত সীমাবদ্ধতার মাঝেও প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক রোগীকে সেবা দিচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য একটি সার্বজনীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক (ইনক্লুসিভ) স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে তিনি স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট সবার ঐক্যবদ্ধ সহযোগিতা কামনা করেন।

News অক্টোবর ৬, ২০২৬ 0
চার শর্ত পূরণ না হলে কোনো প্রকল্প অনুমোদন নয়: অর্থমন্ত্রী
চার শর্ত পূরণ না হলে কোনো প্রকল্প অনুমোদন নয়: অর্থমন্ত্রী

  এনজিও, বেসরকারি খাত এবং সরকারের মধ্যে একটি শক্তিশালী ও প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারত্ব গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। একই সঙ্গে প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট চার শর্ত পূরণের বাধ্যবাধকতার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, এই চার শর্ত পূরণ না হলে ভবিষ্যতে কোনো প্রকল্প অনুমোদন পাবে না। মঙ্গলবার বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (বিআইডিএস)-এর সম্মেলনকক্ষে ‘বিদেশ নির্ভরতা পেরিয়ে: বাংলাদেশে এনজিও অর্থায়নের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, দেশে উদ্ভূত বিভিন্ন সংকটের সমাধান ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে সরকার কাজ করছে। ‘আমরা শুধু শুনতে চাই না, তার কার্যকর সাড়াও দিতে চাই।’ মানব উন্নয়ন, স্থানীয় সংস্কৃতি রক্ষা ও বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণে একটি সমন্বিত কাঠামোর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, সৃজনশীল অর্থনীতিসহ নানা ক্ষেত্রে এনজিওসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ইতোমধ্যে কাজ করছেন। এই অংশীদারিত্বকে আরও প্রাতিষ্ঠানিক ও নীতিগত রূপ দেওয়া প্রয়োজন। এনজিও, বেসরকারি খাত এবং সরকারের সমন্বিত ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারের সার্বিক সেবা সরাসরি প্রান্তিক পর্যায়ে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে এনজিওদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করে নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে এনজিওদের টেকসই অর্থায়নের পথ সুগম করার আহ্বান জানান। শীতলপাটিসহ স্থানীয় কারুশিল্পের ঐতিহ্য তুলে ধরে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের এসব ঐতিহ্যবাহী পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছে দেওয়ার জন্য আধুনিক ডিজাইন, মূল্য সংযোজন এবং বিপণন জোরদার করতে হবে।’ অনুষ্ঠানে মন্ত্রী প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে চারটি শর্ত নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন। শর্তগুলো হলো— অর্থের সঠিক ব্যবহার (ভ্যালু ফর মানি), বিনিয়োগের বিপরীতে রিটার্ন, কর্মসংস্থান বা উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং পরিবেশগত বিবেচনা ও সুরক্ষা। মন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, এই চার শর্ত পূরণ না করলে কোনো প্রকল্প অনুমোদন পাবে না। সেমিনারে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকী ও পরিকল্পনা বিভাগের সচিব এস এম শাকিল আখতারসহ অন্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

News অক্টোবর ৬, ২০২৬ 0
২০ হাজার টাকা করে অনুদান পাবেন ১৪৭২ নারী
২০ হাজার টাকা করে অনুদান পাবেন ১৪৭২ নারী

  মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর বাস্তবায়িত ‘ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট (ভিডব্লিউবি)’ কার্যক্রমের আওতায় লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত ১ হাজার ৪৭২ জন উপকারভোগীকে এককালীন ২০ হাজার টাকা করে ব্যবসায়িক অনুদান দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) সহযোগিতায় ভিডব্লিউবি কার্যক্রমের ‘ইমপ্যাক্ট অ্যাসেসমেন্ট’-এর বেইজলাইন ও এন্ডলাইন জরিপের অংশ হিসেবে নির্বাচিত এসব নারীকে অনুদান দেওয়া হবে। এ জন্য তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও বিকাশ নম্বরের সঠিকতা যাচাইয়ের অনুমোদন দিয়েছে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের মহিলা ও শিশু বিষয়ক-২ অধিশাখার উপসচিব ড. বিলকিস বেগম স্বাক্ষরিত ৩০ সেপ্টেম্বরের এক চিঠিতে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। চিঠিতে বলা হয়, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি কর্তৃক লটারির মাধ্যমে ২৪ জেলার ৭২টি উপজেলা থেকে ১ হাজার ৪৭২ জন ভিডব্লিউবি উপকারভোগীকে নির্বাচন করা হয়েছে। তাদের প্রত্যেককে ব্যবসায়িক অনুদান হিসেবে এককালীন ২০ হাজার টাকা দেওয়ার লক্ষ্যে এনআইডি ও বিকাশ নম্বর যাচাই করা হবে। এনআইডি ও বিকাশ নম্বর যাচাইয়ের কাজ সংশ্লিষ্ট উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাদের মাধ্যমে সম্পন্ন করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। যাচাই শেষে নির্বাচিত উপকারভোগীদের অনুদানের অর্থ প্রদানের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের পর মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের ভিডব্লিউবি শাখা থেকে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। অধিদপ্তরের উপপরিচালক (ভিডব্লিউবি) রেবেকা সুলতানা স্বাক্ষরিত ৫ অক্টোবরের আরেকটি চিঠিতে এ-সংক্রান্ত তথ্য সংশ্লিষ্টদের অবহিত করা হয়। এতে কার্যক্রম অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব, কার্যক্রম অধিশাখার যুগ্মসচিব, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মবিঅ-২ শাখার উপসচিব, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও পরিচালক দপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির ঢাকা কার্যালয়ের প্রোগ্রাম পলিসি অফিসারকেও বিষয়টি জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ভিডব্লিউবি কার্যক্রমের আওতায় নির্বাচিত নারীদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করা এবং আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যেই ব্যবসায়িক অনুদান দেওয়ার এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এককালীন ২০ হাজার টাকার এ অনুদান ক্ষুদ্র ব্যবসা বা আয়মূলক কাজে বিনিয়োগের মাধ্যমে উপকারভোগীদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

News অক্টোবর ৬, ২০২৬ 0
ধানমন্ডি লেক পুনরুজ্জীবনে খনন কাজ শুরু
ধানমন্ডি লেক পুনরুজ্জীবনে খনন কাজ শুরু

  রাজধানীর ধানমন্ডি লেকের পুনরুজ্জীবনে পুনঃখননকাজ শুরু করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে এ কাজের উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এবং ডিএসসিসির প্রশাসক মো. আবদুস সালাম। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ডিএসসিসি জানায়, এ প্রকল্পের আওতায় লেকে জমে থাকা প্রায় ১ লাখ ৬২ হাজার ৫৩৪ ঘনমিটার স্লাজ (কাদা ও বর্জ্য) অপসারণ করা হবে। প্রতিদিন প্রায় ৭০০ ঘনমিটার স্লাজ অপসারণে দুটি ভাসমান এক্সকাভেটর ও চারটি বার্জ ব্যবহার করা হবে। প্রায় এক বছর ধরে চলবে এই পুনঃখননকাজ। এতে প্রাথমিকভাবে ব্যয় ধরা হয়েছে ২৬ কোটি টাকা। মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানান, ধানমন্ডি লেকের সার্বিক উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা তাঁর নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল। প্রধানমন্ত্রী এ–সংক্রান্ত দুটি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছেন। এর প্রথম ধাপ হিসেবে লেকের স্লাজ অপসারণের কাজ শুরু হয়েছে। ডিটেইল ডিজাইন অনুযায়ী পুরো লেক সংস্কার করা হবে। লেকের পরিবেশ রক্ষায় দর্শনার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি। ডিএসসিসির প্রশাসক জানান, লেকের তলদেশ পরিষ্কার করার পরপরই পানি শোধন, সাইডওয়াল সংস্কার, ওয়াকওয়ে আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ, সৌন্দর্যবর্ধন এবং আলোকসজ্জার কাজ শুরু হবে। তিনি জানান, রবীন্দ্র সরোবরের আদলে ‘নজরুল সরোবর’ নামে একটি আধুনিক উন্মুক্ত সাংস্কৃতিক ও বিনোদনকেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। ৭৫ কোটি টাকার মাস্টারপ্ল্যান ধানমন্ডি লেককে আধুনিক বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে ডিএসসিসি ৭৫ কোটি টাকার মাস্টারপ্ল্যান নিয়েছে। এর মধ্যে ৫০ কোটি টাকা লেক ও আশপাশের অবকাঠামো সংস্কারে এবং ২৫ কোটি টাকা ‘নজরুল সরোবর’ বা ‘বিদ্রোহী চত্বর’ নির্মাণে ব্যয় করা হবে। প্রসঙ্গত, ১৯৬০-এর দশকে পুরোনো পাণ্ডু নদীর অবশিষ্টাংশ নিয়ে ধানমন্ডি লেক গড়ে ওঠে। প্রায় ৮৬ একর জায়গাজুড়ে গড়ে ওঠা এই লেকের জলাশয়ের পরিমাণ বর্তমানে ৫৫ একর।

News অক্টোবর ৬, ২০২৬ 0
ঢাকায় পদায়ন, লটারিতে বাছাই ১৮ সাব-রেজিস্ট্রার
ঢাকায় পদায়ন, লটারিতে বাছাই ১৮ সাব-রেজিস্ট্রার

  ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসগুলোতে পদায়নের জন্য সারা দেশের ‘এ ক্যাটাগরি’র ১৩১ জন সাব-রেজিস্ট্রারের মধ্য থেকে লটারির মাধ্যমে ১৮ জনকে বাছাই করা হয়েছে। দক্ষতা, কাজের চাপ সামলানোর সক্ষমতা ও সংশ্লিষ্ট স্টেশনের প্রয়োজন বিবেচনা করে তাদের ঢাকার বিভিন্ন সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে পদায়ন করা হবে। মঙ্গলবার সকালে আইন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ লটারির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, আইন সচিব লিয়াকত আলী মোল্লা, অতিরিক্ত সচিব এসএম এরশাদুল আলম, অতিরিক্ত সচিব মো. খাদেম উল কায়েস, নিবন্ধন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক (আইজিআর) শামীমা আফরোজ, সাব-রেজিস্ট্রার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রমজান খান, মহাসচিব মাইকেল আবদুল্লাহসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন। আইনমন্ত্রী বলেন, সাব-রেজিস্ট্রারদের পদায়ন নিয়ে নানা ধরনের নেতিবাচক ধারণা রয়েছে। সেই জায়গা থেকে উত্তরণের জন্য কোনো না কোনো জায়গা থেকে শুরু করতে হবে। ঢাকার পোস্টিংকে সাব-রেজিস্ট্রারদের জন্য ‘প্রাইজ পোস্টিং’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তাই প্রথম ধাপে ঢাকার পোস্টিংয়ের ক্ষেত্রেই লটারির মাধ্যমে স্বচ্ছতা আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, সারা দেশে বর্তমানে ৩৭২ জন সাব-রেজিস্ট্রার কর্মরত আছেন। এর বাইরে প্রায় ১৩৯টি পদ শূন্য রয়েছে। সারা দেশে ‘এ ক্যাটাগরি’র সাব-রেজিস্ট্রার রয়েছেন ১৩১ জন। তাদের মধ্য থেকেই লটারির মাধ্যমে ঢাকার জন্য ১৮ জনকে বাছাই করা হয়েছে। লটারিতে বাছাই হওয়া ১৮ জন হলেন—মো. গোলাম মোর্তজা (রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ), অমায়িক বাবু (সদর, সাতক্ষীরা), ফরিদা আক্তার (চিতোষী, চাঁদপুর), অজয় কুমার সাহা (সদর, চুয়াডাঙ্গা), অমিত মঙ্গল চাকমা (সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম), মো. রাসেল মল্লিক (সদর, কুষ্টিয়া), গোবিন্দ সাহা (মনোহরদী, নরসিংদী), মো. মাসুম (নাজিরপুর, পিরোজপুর), এস এম আবু মুসা (নবীনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া), নাজনিন জাহান (শ্যামনগর, সাতক্ষীরা), মোহাম্মদ হানিফ (দাউদকান্দি, কুমিল্লা), মনীষা রায় (পীরগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও), সিং মং থোয়াই (গাছবাড়িয়া, চট্টগ্রাম), রাজিব মজুমদার (গোপালপুর, টাঙ্গাইল), আলী আজগর (সদর, মুন্সিগঞ্জ), শর্মিলা আহমেদ শম্পা (ঘিওর, মানিকগঞ্জ), আমিনা বেগম (সদর, যশোর) ও টিনু চাকমা (ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম)। আইনমন্ত্রী বলেন, শুধু ঢাকায় নয়, পর্যায়ক্রমে যেসব জায়গাকে ‘প্রাইজ পোস্টিং’ হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং যেখানে দুর্নীতির শিকড় গজানোর অভিযোগ রয়েছে, সেসব জায়গায় পদায়নের ক্ষেত্রেও স্বচ্ছতা আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। ঢাকায় নির্বাচিতদের কতদিন রাখা হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সার্ভিস রুল অনুযায়ী যতদিন অনুমোদন করবে এবং তারা ভালোভাবে দায়িত্ব পালন করবেন, ততদিন থাকবেন। তবে দুর্নীতিতে জড়ালে তাদের রাখা হবে না। সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, মন্ত্রণালয় বিষয়টি মনিটরিং করছে। সাংবাদিকদের সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণসহ অভিযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের হাতে যদি কোনো প্রমাণ থাকে, আমাদের দেবেন। আমরা ব্যবস্থা নেব।’ একই সঙ্গে সাংবাদিকদের একটি অংশের বিরুদ্ধে সাব-রেজিস্ট্রারদের কাছ থেকে চাঁদা বা মাসোহারা চাওয়ার অভিযোগ পাওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। আইনমন্ত্রী বলেন, ‘সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া কাউকে হয়রানি করতে চাই না। কিন্তু সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’ তিনি বলেন, লটারির উদ্দেশ্য কাউকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া নয়; বরং কোনো ধরনের বৈষম্য না করে একটি স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শুরু করা। এই উদ্যোগের কার্যকারিতা ভবিষ্যতে মূল্যায়ন করা হবে এবং দুর্নীতি কমাতে আরো পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

News অক্টোবর ৬, ২০২৬ 0
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে জাপান যাচ্ছেন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে জাপান যাচ্ছেন

  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চার দিনের সফরে আগামী ২৬ অক্টোবর জাপান যাচ্ছেন। এ সফরে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারসহ বিভিন্ন উন্নয়ন ও সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সফরে মেট্রোরেল প্রকল্প, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনাকাটা এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক সহযোগিতা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হবে বলে জানা গেছে। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে এটিই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম জাপান সফর। দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার করাই এ সফরের অন্যতম লক্ষ্য বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এর আগে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জাপান সফরের আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেন। চার দিনের সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

News অক্টোবর ৬, ২০২৬ 0
বিশ্ব শিক্ষক দিবসে সম্মাননা পেলেন ১০২ গুণী শিক্ষক
বিশ্ব শিক্ষক দিবসে সম্মাননা পেলেন ১০২ গুণী শিক্ষক

  বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০২৬ উপলক্ষে শিক্ষকদের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন পর্যায়ের ১০২ জন গুণী শিক্ষককে সম্মাননা দিয়েছে সরকার। সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত বিশ্ব শিক্ষক দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জাতি গঠনে শিক্ষকদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি, তাদের মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং পেশাগত উন্নয়নের গুরুত্ব তুলে ধরতে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি উদযাপন করা হচ্ছে।  সম্মাননার অংশ হিসেবে প্রত্যেক গুণী শিক্ষককে দুই লাখ টাকা, একটি ক্রেস্ট ও সম্মাননা সনদ দেয়া হয়েছে।  প্রাথমিক পর্যায়ে ১০ জন, মাধ্যমিক পর্যায়ে ২০ জন, কলেজ পর্যায়ে ২৫ জন, সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ২০ জন, চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ১০ জন, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে তিনজন, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে তিনজন এবং অন্যান্য বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে চারজন শিক্ষককে সম্মাননা দেওয়া হয়। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচিত সাতজন শিক্ষককেও সম্মাননা দেওয়া হয়। শিক্ষকদের মর্যাদা, অধিকার, পেশাগত উন্নয়ন এবং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার গুরুত্ব তুলে ধরতে প্রতিবছর ৫ অক্টোবর বিশ্বব্যাপী শিক্ষক দিবস পালিত হয়।

News অক্টোবর ৫, ২০২৬ 0
বিমানবন্দরে লাগেজ চুরি ঠেকাতে লাইভ সিসিটিভি চেয়ে লিগ্যাল নোটিস
বিমানবন্দরে লাগেজ চুরি ঠেকাতে লাইভ সিসিটিভি চেয়ে লিগ্যাল নোটিস

  দেশের আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরগুলোতে যাত্রীদের লাগেজ কেটে মূল্যবান সামগ্রী চুরি ও লুটপাট বন্ধে লাগেজ হ্যান্ডলিংয়ের পুরো প্রক্রিয়া লাইভ সিসিটিভির মাধ্যমে যাত্রীদের সামনে সম্প্রচারের দাবি জানিয়ে লিগ্যাল নোটিস পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে বিমানবন্দরের লোডার, গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং ও নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং দুর্নীতি বন্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনকে কার্যকর নজরদারির আওতায় আনার দাবি জানিয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি লিগ্যাল নোটিস পাঠানো হয়েছে। সোমবার জনস্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান মামুন এ লিগ্যাল নোটিস পাঠান। নোটিসে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও), হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ কক্সবাজার, সৈয়দপুর, রাজশাহী, যশোর ও বরিশাল বিমানবন্দরের পরিচালক ও ব্যবস্থাপকদের বিবাদী করা হয়েছে। নোটিসে বলা হয়, বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রবেশদ্বার। অথচ দীর্ঘদিন ধরে দেশে আসা ও বিদেশগামী যাত্রী, পর্যটক, বিদেশি কূটনীতিক, ব্যবসায়ী এবং বিশেষ করে প্রবাসী শ্রমিকেরা লাগেজ চুরি ও মূল্যবান সামগ্রী খোয়া যাওয়ার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এতে অভিযোগ করা হয়, উড়োজাহাজের কার্গো হোল্ড থেকে লাগেজ নামিয়ে কনভেয়ার বেল্টে পৌঁছানোর মধ্যবর্তী সময়ে একটি অসাধুচক্র তালাবদ্ধ লাগেজ কেটে মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, স্বর্ণালংকার, নগদ অর্থসহ মূল্যবান সামগ্রী চুরি করছে। এতে যাত্রীরা আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি মানসিক হয়রানির শিকার হচ্ছেন এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ন হচ্ছে। নোটিসে বলা হয়, বিমানবন্দরের রানওয়ে ও ব্যাগেজ সর্টিং এলাকায় নজরদারির ঘাটতি এবং সিসিটিভির ‘ব্লাইন্ড স্পট’ কাজে লাগিয়ে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং কর্মী ও লোডারদের একটি অংশ এ ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তাই লাগেজ পরিবহনের পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি। এ জন্য উড়োজাহাজের কার্গো হোল্ড থেকে লাগেজ খালাস, ট্রলিতে তোলা, র‍্যাম্প এলাকা দিয়ে পরিবহন এবং ব্যাগেজ বেল্টে পৌঁছানো পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ উচ্চমানের সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি অ্যারাইভাল লাউঞ্জের বড় পর্দায় এসব কার্যক্রম সরাসরি (লাইভ) সম্প্রচারের ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে। এছাড়া কাস্টমস বা নিরাপত্তা সংস্থার কোনো সদস্য নিরাপত্তা বা তল্লাশির প্রয়োজনে যাত্রীর লাগেজ খুললে সেই তল্লাশির কার্যক্রমও ক্যামেরার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট যাত্রীর সামনে সরাসরি প্রদর্শনের ব্যবস্থা করার দাবি জানানো হয়েছে।

News অক্টোবর ৫, ২০২৬ 0
বন্ড সুবিধার অপব্যবহার/১৩ লাখ কেজি কাঁচামাল গায়েব, জ্যাস এক্সেসরিজের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু
বন্ড সুবিধার অপব্যবহার/১৩ লাখ কেজি কাঁচামাল গায়েব, জ্যাস এক্সেসরিজের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু

  বন্ড সুবিধার অপব্যবহার করে শুল্কমুক্তভাবে আমদানি করা ১৩ লাখ ৩৫ হাজার কেজি কাঁচামালের কোনো হদিস পায়নি কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি)। চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে অবস্থিত ‘জ্যাস এক্সেসরিজ (বিডি) লিমিটেড’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে ৯ কোটি ১০ লাখ টাকারও বেশি শুল্ক-কর ঝুঁকির তথ্য পাওয়া গেছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে গত ২৮ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামের পাহাড়তলীর উত্তর কাট্টলী এলাকায় প্রতিষ্ঠানটির বন্ডেড কারখানায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটি বন্ড সুবিধার আওতায় পলিথিন ও প্লাস্টিক উৎপাদনের বিভিন্ন কাঁচামাল যেমন—এলডিপিই, এইচডিপিই, পিপি, জিপিপিএস, হিপস, বিওপিপি, ডুপ্লেক্স বোর্ড ও রাবার থ্রেড ইয়ার্ন শুল্কমুক্তভাবে আমদানি করে থাকে। পরিদর্শনকালে প্রতিষ্ঠানটির অনলাইন ইউপির (ইউটিলাইজেশন পারমিশন) তথ্যের সঙ্গে বন্ডেড ওয়্যারহাউসে বাস্তবে মজুত থাকা কাঁচামালের পরিমাণের বড় ধরনের অসঙ্গতি ধরা পড়ে। অনলাইন হিসাব অনুযায়ী ওয়্যারহাউসে ১৯ লাখ ২০ হাজার ৮৫৭ কেজি কাঁচামাল থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে পাওয়া যায় মাত্র ৫ লাখ ৮৫ হাজার ৫৮১ কেজির কিছু বেশি। অর্থাৎ হিসাবের তুলনায় ১৩ লাখ ৩৫ হাজার ২৭৫ কেজি কাঁচামাল ওয়্যারহাউসে অনুপস্থিত বা ঘাটতি রয়েছে। সর্বশেষ আমদানিকৃত বিল অব এন্ট্রির মূল্য অনুযায়ী, ঘাটতি থাকা এসব কাঁচামালের শুল্কায়নযোগ্য মূল্য প্রায় ২৪ কোটি ৯৬ লাখ টাকা এবং এর বিপরীতে জড়িত শুল্ক-করাদির পরিমাণ প্রায় ৯ কোটি ১০ লাখ টাকা। বন্ড সুবিধায় শুল্কমুক্তভাবে আনা বিপুল পরিমাণ এই কাঁচামাল অনুমোদিত উৎপাদন ও রপ্তানিতে সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, নাকি খোলাবাজারে বিক্রি করা হয়েছে—তা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে সিআইআইডি। বিস্তারিত তদন্ত ও নথিপত্র যাচাই শেষে এ বিষয়ে প্রযোজ্য কাস্টমস আইন অনুযায়ী কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

News অক্টোবর ৫, ২০২৬ 0
মক্কা জোটের বৈঠক আজ, প্রধান্য পাবে যেসব বিষয়
মক্কা জোটের বৈঠক আজ, প্রধান্য পাবে যেসব বিষয়

  সৌদি আরবের রিয়াদে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন মক্কা জোটের প্রতিনিধিরা। আজ সোমবার যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় কৌশলগত রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তর। বৈঠকে পাকিস্তানের প্রতিনিধিদলে থাকবেন উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার, চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস ও সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। সৌদি আরব ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সামরিক কর্মকর্তারাও এতে অংশ নেবেন। বৈঠকে আঞ্চলিক সর্বশেষ পরিস্থিতি এবং সদস্য দেশগুলোর চলমান প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হবে। বিশেষ করে সৌদি আরবের ওপর হুথিদের সাম্প্রতিক হামলার প্রেক্ষাপটে বৈঠকটি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। গত ৭ আগস্ট স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় কোনো সদস্য রাষ্ট্রের ওপর হামলাকে সব সদস্যের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করে সম্মিলিত প্রতিরোধব্যবস্থা জোরদারের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। জোটের প্রথম বৈঠক ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত হয়।

News অক্টোবর ৫, ২০২৬ 0
বিমানবন্দরে ঠিকমত দায়িত্ব পালনে পুরস্কার, অবহেলা করলে শাস্তি
বিমানবন্দরে ঠিকমত দায়িত্ব পালনে পুরস্কার, অবহেলা করলে শাস্তি

  বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে সরকার। বিমানবন্দরে ঠিকমত দায়িত্ব পালন করলে পুরস্কার, অবহেলা করলে শাস্তির আওতায় আনা হবে। সোমবার সকালে তিনি এসব কথা বলেন।

News অক্টোবর ৫, ২০২৬ 0
আইপিইউ সম্মেলনে যোগদানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছে স্পিকার
আইপিইউ সম্মেলনে যোগদানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছে স্পিকার

  তাঞ্জানিয়ার আরুসায় অনুষ্ঠিতব্য ১৫৩ তম আইপিইউ সম্মেলনে যোগদানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, এমপি। রবিবার (৪ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে তিনি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাঞ্জানিয়ার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন। স্পিকারের সফরসঙ্গী হয়েছেন জাতীয় সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপু, এমপি; সরওয়ার জামাল নিজাম, এমপি; এ, ই, সুলতান মাহমুদ বাবু, এমপি; মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, এমপি; এস কে আজিজুল বারী, এমপি; হুমাম কাদের চৌধুরী, এমপি; মীর আহমাদ বিন কাসেম, এমপি; সানসিলা জেবরিন, এমপি এবং রোকেয়া বেগম, এমপি। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, এমপি আগামী ০৫-০৯ অক্টোবর তাঞ্জানিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য আইপিইউ সম্মেলনের বিভিন্ন সেশনে অংশগ্রহণ করবেন। 'অন্তর্ভুক্তি, আস্থা এবং সবার জন্য সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে সুশাসন উন্নয়ন এবং সম্প্রদায়ের ক্ষমতায়ন' প্রতিপাদ্যে আগামী ৯ অক্টোবর সম্মেলনের শেষ দিনে আইপিইউ-এর গভর্নিং কাউন্সিল নতুন আইপিইউ সভাপতি নির্বাচন করবে।    উল্লেখ্য, আইপিইউ সম্মেলন শেষে আগামী ১১ অক্টোবর স্পিকার দেশে ফিরে আসবেন।

News অক্টোবর ৪, ২০২৬ 0
যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণকাজ দ্রুত করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণকাজ দ্রুত করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

  ঢাকা মহানগরের যানজট নিরসনে অভ্যন্তরীণ বৃত্তাকার সড়ক (ইনার সার্কুলার রিং রোড) নির্মাণকাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রকল্প বাস্তবায়নে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দ্রুত চিহ্নিত করে তা দূর করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। রোববার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ইনার সার্কুলার রিং রোড নির্মাণকাজের অগ্রগতি পর্যালোচনাসংক্রান্ত এক সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব নির্দেশনা দেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন তিনি। বিষয়টি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু। সভায় প্রধানমন্ত্রী সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার বিভাগকে সমন্বিতভাবে প্রকল্পের বিদ্যমান পরিকল্পনা পর্যালোচনা করে নির্মাণকাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ দেন। প্রকল্প বাস্তবায়নে যেসব প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত দূর করার নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করতে বলেন। একই সঙ্গে প্রকল্পের কাজ শেষ করতে একটি বাস্তবসম্মত সময়সীমা নির্ধারণ এবং সে অনুযায়ী কাজ এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। ঢাকার দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যা নিরসনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ প্রকল্পে দ্রুত দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিত করার নির্দেশও দেন প্রধানমন্ত্রী। বিদ্যমান পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া পর্যালোচনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে নির্মাণকাজ এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। সভায় সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সভায় উপস্থিত ছিলেন।

News অক্টোবর ৪, ২০২৬ 0
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

আর্জেন্টিনা বনাম নেদারল্যান্ডস হকি ফাইনালে আজ মুখোমুখি

আর্জেন্টিনা ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৫ আন্তর্জাতিক হকি বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচ ফুটবল প্রেমীদের মতো হকি প্রেমীদের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ তৈরি করেছে। ইতোমধ্যে টুর্নামেন্টের কঠিন পর্ব অতিক্রম করে দুই দলই নিজেদের সেরাটা দিয়ে ফাইনালে উঠেছে। আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য এই ফাইনাল ম্যাচে উভয় দল নিজেদের সেরা পারফরম্যান্স প্রদর্শনের জন্য প্রস্তুত।   আর্জেন্টিনা দল এই টুর্নামেন্টে অসাধারণ আত্মবিশ্বাস ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। অধিনায়ক লুকাস মার্টিনেজ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আমরা টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই কঠোর পরিশ্রম করেছি। দলের সবাই একসঙ্গে কাজ করে ফাইনালে পৌঁছেছি। আমাদের লক্ষ্য স্পষ্ট — বিশ্বকাপ জিততে হবে। প্রতিটি ম্যাচের জন্য আমরা আত্মনিয়ন্ত্রণ ও মনোযোগ বজায় রেখেছি এবং আগামী ম্যাচেও তা বজায় রাখব।” আর্জেন্টিনা দলের ফিজিক্যাল ট্রেনার জানান, দল খেলোয়াড়দের ফিটনেস ও মানসিক প্রস্তুতির জন্য বিশেষ অনুশীলন চালাচ্ছে যাতে ফাইনালে তারা চাপ সামলাতে পারে।   অন্যদিকে নেদারল্যান্ডসের কোচ মাইকেল ডি ইয়ং ফাইনালের আগের প্রস্তুতি নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আমাদের দল গত কয়েক মাস ধরে কৌশলগত প্রস্তুতি নিয়েছে। খেলোয়াড়রা মানসিক ও শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আমরা চাই এই বিশ্বকাপে নিজেদের ইতিহাস গড়ে একটি শক্তিশালী ছাপ রেখে যেতে।” কোচ আরো বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধুমাত্র ফাইনালে উঠা নয়, বরং বিশ্বকাপ জয়। আমরা প্রতিপক্ষের দুর্বলতা চিহ্নিত করে নিজেদের পরিকল্পনা সাজাচ্ছি।”   বিশ্বের হকি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবারের ফাইনাল ম্যাচটি গত দশকের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ এবং ঘনিষ্ঠ প্রতিযোগিতা হতে চলেছে। উভয় দলের কৌশল, বল নিয়ন্ত্রণ ও দ্রুতগতির খেলায় যে মেধা প্রদর্শিত হয়েছে, তা ফুটবলের মতো অন্য কোনো খেলার ক্ষেত্রে বিরল। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ফাইনালে দলের মানসিক স্থিতিশীলতা ও চাপ সামলানোর ক্ষমতা বিজয় নির্ধারণে মূল ভূমিকা পালন করবে।   মাঠে উভয় দলের খেলোয়াড়রা দ্রুতগতির পাস, শক্তিশালী ডিফেন্স এবং আক্রমণাত্মক স্ট্র্যাটেজি নিয়ে মাঠ মাতানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। আর্জেন্টিনার স্ট্রাইকারের গতিবেগ এবং নেদারল্যান্ডসের মিডফিল্ডারদের কৌশলগত দক্ষতা ম্যাচে প্রধান আকর্ষণ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়াও গোলরক্ষকদের প্রতিটি সেভ এবং প্রতিপক্ষের আক্রমণ রুখে দেওয়াও ম্যাচের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।   বিশ্বজুড়ে লাখো হকি ভক্ত এই ম্যাচের সরাসরি সম্প্রচার দেখার জন্য অপেক্ষায় আছেন। অনলাইনে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ম্যাচের লাইভ স্ট্রিমিং অনুষ্ঠিত হবে এবং অনেক দেশের টেলিভিশনও সরাসরি সম্প্রচার করবে। হকি প্রেমীরা এই ম্যাচ থেকে দারুণ উত্তেজনা, দক্ষতা এবং খেলা উপভোগ করার আশা করছে।   মাঠের বাইরেও ভক্তদের জন্য বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ফ্যান জোন আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে খেলোয়াড় ও দর্শকরা একত্রে সময় কাটিয়ে খেলার আনন্দ ভাগাভাগি করবেন। এছাড়াও টুর্নামেন্ট পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা না ঘটে এবং খেলা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়।   বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে দুই দলের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করে আগামী দিনে বিশ্ব হকির নতুন ধারার রূপরেখা নির্ধারণ করা হবে। এই ম্যাচের ফলাফল আগামী দশক ধরে হকির কৌশলগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।   এই প্রতিযোগিতা বিশ্বের সর্বোচ্চ মানের হকি টুর্নামেন্ট হওয়ায় এর প্রতি ভক্তদের আগ্রহ ও উন্মাদনা সত্যিই অবিশ্বাস্য। সবাই আশা করছেন, আগামীকালের ফাইনাল হবে একটি স্মরণীয় খেলা, যেখানে স্পোর্টসম্যানশিপ, দক্ষতা ও উত্তেজনা থাকবে সর্বোচ্চ মাত্রায়।

Top week

বগুড়ায় সার ডিলার নিয়োগে ‘এমপি কোটা’র অভিযোগ
জাতীয়

বগুড়ায় সার ডিলার নিয়োগে ‘এমপি কোটা’র অভিযোগ

News সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬ 0