POLITICS

ইসরায়েলের আরব বংশোদ্ভূত জয়েন্ট লিস্ট দল নতুন সরকারকে বাইরে থেকে সমর্থন দেবে এবং বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে কাজ করবে।

ইসরায়েলের জয়েন্ট লিস্ট, নতুন সরকারকে বাইরে থেকে সমর্থন দেবে

Desk Reporter নভেম্বর ৮, ২০২৬ 0
Joint List leader Youssef Jabr speaking about supporting the new Israeli government from outside

ইসরায়েলের জয়েন্ট লিস্ট, নতুন সরকারকে বাইরে থেকে সমর্থন দেবে

ইসরায়েলের আরব বংশোদ্ভূত জয়েন্ট লিস্ট দল নতুন সরকারকে বাইরে থেকে সমর্থন দেবে বলেছে।

বিরোধী দলগুলো একসঙ্গে কাজ করবে এবং নতুন সরকারকে সমর্থন করবে।

জাবর বলেছেন, পশ্চিম বন্দু নিয়ন্ত্রণে থাকা পরিবেশে দল কোনো সরকারে যোগ দিতে পারবে না।

জাবরের মতে, এই অস্থির পরিস্থিতি আরব এবং পালেস্টিনী জনগণের জন্য নতুন নীতি পরিবর্তনের সুযোগ দেয়।

ইসরায়েলের পার্থক্যপূর্ণ দলগুলো ১৯ সদস্যপত্র প্রাপ্ত, যার মধ্যে জয়েন্ট লিস্ট ১১ সদস্য প্রাপ্ত। জাবর ন্যাশনাল অ্যাসাম্বলি সদস্যতা পরিবর্তনের জরুরি চাপ দিয়ে বলেছেন এবং আক্রমণাত্মক আইনের প্রত্যাহার নির্দেশ করেছেন।

স্থানীয় প্রশাসন শিক্ষা ও যুবকদের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করেনি বলে জাবর জানিয়েছে।

Popular post
সম্ভাবনার নতুন শ্রমবাজার সার্বিয়া

মোঃ সোহেল রানা বিশেষ প্রতিবেদক বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য ইউরোপের শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি করতে সার্বিয়ার শ্রমবাজারের প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জনশক্তি রপ্তানি খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। সার্বিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মীদের পাশাপাশি রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের প্রত্যাশা, সরকার উদ্যোগী হলে দেশটিতে বৈধ কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ, নিয়োগপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং কর্মীদের স্বার্থ সুরক্ষায় আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব বলে মনে করেন বাংলাদেশ রিক্রুটিং এজেন্সি ফোরাম (বিআরএএফ)। সংশ্লিষ্টদের মতে, সার্বিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য সম্ভাব্য সুযোগগুলো যথাযথভাবে যাচাই করে কাজে লাগাতে সরকারের বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো জরুরি। সার্বিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মীদের প্রত্যাশা সার্বিয়ায় কাজ করতে আগ্রহী বাংলাদেশি কর্মীদের প্রত্যাশা, দেশটিতে বৈধভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে। তাঁদের মতে, বিদেশে কাজের সুযোগ যেন স্বচ্ছ নিয়োগপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে পাওয়া যায় এবং চাকরিপ্রত্যাশীরা যেন প্রতারণা, অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয় ও অনিশ্চয়তার শিকার না হন, তা নিশ্চিত করা জরুরি। এ জন্য নিয়োগকর্তার পরিচয়, কাজের ধরন, বেতন, কর্মঘণ্টা, আবাসন, চাকরির চুক্তি এবং ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিটের বৈধতা যাচাইয়ের কার্যকর ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। একই সঙ্গে অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বিষয়ে কর্মীদের সচেতন করাও গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, সার্বিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে সরকারি পর্যায়ে নিয়মিত তথ্য সংগ্রহ ও মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রকৃত কর্মসংস্থানের সুযোগ চিহ্নিত করা হবে। এতে বাংলাদেশের জন্যও নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে। নিয়োগপ্রক্রিয়া সহজ ও স্বচ্ছ করার দাবি রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের মতে, বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে কোন দেশে কী ধরনের অনুমোদন প্রয়োজন, কী কী নথি জমা দিতে হবে এবং ছাড়পত্র পেতে কতগুলো ধাপ অনুসরণ করতে হবে—এসব বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকা জরুরি। তাঁদের প্রত্যাশা, বিএমইটি ও মন্ত্রণালয়ের মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে। এতে বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো পরিকল্পিতভাবে কাজ করতে পারবে এবং বিদেশি নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও অনিশ্চয়তা কমবে। তবে নিয়োগপ্রক্রিয়া সহজ করার পাশাপাশি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন, আর্থিক সক্ষমতা, প্রকৃত ব্যবসায়িক কার্যক্রম এবং কর্মীদের জন্য প্রস্তাবিত চাকরির শর্ত যাচাই নিশ্চিত করতে হবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সমন্বয়ই পারে বৈধ জনশক্তি রপ্তানিকে আরও গতিশীল করতে। বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠার দাবি সার্বিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর পাশাপাশি বাংলাদেশে একটি সার্বীয় দূতাবাস প্রতিষ্ঠার বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠিত হলে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ, শ্রমবাজারসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ, কর্মীদের সহায়তা এবং নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি ভিসা ও অন্যান্য কনস্যুলার সেবা পাওয়ার প্রক্রিয়াও সহজ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সম্ভাব্যতা যাচাই, প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক আলোচনা এবং বাস্তব চাহিদা মূল্যায়নের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ সংশ্লিষ্টদের সার্বিয়ার শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা কাজে লাগানো এবং বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার জন্য সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তাঁদের প্রত্যাশা, বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলোকে সার্বিয়ার শ্রমবাজারের সম্ভাবনা যাচাই, বৈধ নিয়োগপ্রক্রিয়া সহজ করা এবং কর্মীদের স্বার্থ সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশনা দেবেন। একই সঙ্গে সার্বিয়ায় বাংলাদেশের কূটনৈতিক উপস্থিতি জোরদারের সম্ভাবনা মূল্যায়ন এবং দেশটিতে কর্মসংস্থানসংক্রান্ত তথ্য ও সহায়তা পাওয়ার কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করতে নতুন নতুন দেশে বৈধ কর্মসংস্থানের সুযোগ অনুসন্ধান, বিদেশি নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং কর্মীদের অধিকার সুরক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। সার্বিয়ার ক্ষেত্রেও সম্ভাব্য শ্রমিকের চাহিদা যাচাই, নিয়োগকর্তার সক্ষমতা নিশ্চিতকরণ এবং সরকারি অনুমোদনের সুস্পষ্ট প্রক্রিয়া থাকা প্রয়োজন। সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকার, বিএমইটি, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং দায়িত্বশীল রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ থাকলে সার্বিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বৈধ কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হবে। সার্বিয়ার শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা কাজে লাগানো, নিয়োগপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা যাচাই—এই বিষয়গুলোতে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে, এমনটাই প্রত্যাশা সার্বিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মী ও জনশক্তি রপ্তানি খাতের সংশ্লিষ্টদের। মোঃ সোহেল রানা বিশেষ প্রতিবেদক  

কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আর্জেন্টিনা বনাম নেদারল্যান্ডস হকি ফাইনালে আজ মুখোমুখি

আর্জেন্টিনা ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৫ আন্তর্জাতিক হকি বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচ ফুটবল প্রেমীদের মতো হকি প্রেমীদের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ তৈরি করেছে। ইতোমধ্যে টুর্নামেন্টের কঠিন পর্ব অতিক্রম করে দুই দলই নিজেদের সেরাটা দিয়ে ফাইনালে উঠেছে। আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য এই ফাইনাল ম্যাচে উভয় দল নিজেদের সেরা পারফরম্যান্স প্রদর্শনের জন্য প্রস্তুত।   আর্জেন্টিনা দল এই টুর্নামেন্টে অসাধারণ আত্মবিশ্বাস ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। অধিনায়ক লুকাস মার্টিনেজ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আমরা টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই কঠোর পরিশ্রম করেছি। দলের সবাই একসঙ্গে কাজ করে ফাইনালে পৌঁছেছি। আমাদের লক্ষ্য স্পষ্ট — বিশ্বকাপ জিততে হবে। প্রতিটি ম্যাচের জন্য আমরা আত্মনিয়ন্ত্রণ ও মনোযোগ বজায় রেখেছি এবং আগামী ম্যাচেও তা বজায় রাখব।” আর্জেন্টিনা দলের ফিজিক্যাল ট্রেনার জানান, দল খেলোয়াড়দের ফিটনেস ও মানসিক প্রস্তুতির জন্য বিশেষ অনুশীলন চালাচ্ছে যাতে ফাইনালে তারা চাপ সামলাতে পারে।   অন্যদিকে নেদারল্যান্ডসের কোচ মাইকেল ডি ইয়ং ফাইনালের আগের প্রস্তুতি নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আমাদের দল গত কয়েক মাস ধরে কৌশলগত প্রস্তুতি নিয়েছে। খেলোয়াড়রা মানসিক ও শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আমরা চাই এই বিশ্বকাপে নিজেদের ইতিহাস গড়ে একটি শক্তিশালী ছাপ রেখে যেতে।” কোচ আরো বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধুমাত্র ফাইনালে উঠা নয়, বরং বিশ্বকাপ জয়। আমরা প্রতিপক্ষের দুর্বলতা চিহ্নিত করে নিজেদের পরিকল্পনা সাজাচ্ছি।”   বিশ্বের হকি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবারের ফাইনাল ম্যাচটি গত দশকের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ এবং ঘনিষ্ঠ প্রতিযোগিতা হতে চলেছে। উভয় দলের কৌশল, বল নিয়ন্ত্রণ ও দ্রুতগতির খেলায় যে মেধা প্রদর্শিত হয়েছে, তা ফুটবলের মতো অন্য কোনো খেলার ক্ষেত্রে বিরল। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ফাইনালে দলের মানসিক স্থিতিশীলতা ও চাপ সামলানোর ক্ষমতা বিজয় নির্ধারণে মূল ভূমিকা পালন করবে।   মাঠে উভয় দলের খেলোয়াড়রা দ্রুতগতির পাস, শক্তিশালী ডিফেন্স এবং আক্রমণাত্মক স্ট্র্যাটেজি নিয়ে মাঠ মাতানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। আর্জেন্টিনার স্ট্রাইকারের গতিবেগ এবং নেদারল্যান্ডসের মিডফিল্ডারদের কৌশলগত দক্ষতা ম্যাচে প্রধান আকর্ষণ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়াও গোলরক্ষকদের প্রতিটি সেভ এবং প্রতিপক্ষের আক্রমণ রুখে দেওয়াও ম্যাচের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।   বিশ্বজুড়ে লাখো হকি ভক্ত এই ম্যাচের সরাসরি সম্প্রচার দেখার জন্য অপেক্ষায় আছেন। অনলাইনে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ম্যাচের লাইভ স্ট্রিমিং অনুষ্ঠিত হবে এবং অনেক দেশের টেলিভিশনও সরাসরি সম্প্রচার করবে। হকি প্রেমীরা এই ম্যাচ থেকে দারুণ উত্তেজনা, দক্ষতা এবং খেলা উপভোগ করার আশা করছে।   মাঠের বাইরেও ভক্তদের জন্য বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ফ্যান জোন আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে খেলোয়াড় ও দর্শকরা একত্রে সময় কাটিয়ে খেলার আনন্দ ভাগাভাগি করবেন। এছাড়াও টুর্নামেন্ট পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা না ঘটে এবং খেলা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়।   বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে দুই দলের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করে আগামী দিনে বিশ্ব হকির নতুন ধারার রূপরেখা নির্ধারণ করা হবে। এই ম্যাচের ফলাফল আগামী দশক ধরে হকির কৌশলগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।   এই প্রতিযোগিতা বিশ্বের সর্বোচ্চ মানের হকি টুর্নামেন্ট হওয়ায় এর প্রতি ভক্তদের আগ্রহ ও উন্মাদনা সত্যিই অবিশ্বাস্য। সবাই আশা করছেন, আগামীকালের ফাইনাল হবে একটি স্মরণীয় খেলা, যেখানে স্পোর্টসম্যানশিপ, দক্ষতা ও উত্তেজনা থাকবে সর্বোচ্চ মাত্রায়।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

Politics

View more
সামন্তা শারমিনের রাজনৈতিক পদত্যাগের চিত্রায়ন
সামন্তা শারমিনের NCP থেকে পদত্যাগ ও মতাদর্শগত বিরোধ

সামন্তা শারমিন বৃহস্পতিবার ফেসবুকে NCP থেকে পদত্যাগ ঘোষণা করেন।Yasir Arafat, NCP-এর মিডিয়া সেক্রেটারি, Somokal-কে জানিয়েছেন যে সামন্তা শারমিনের পদত্যাগ নিশ্চিত।তিনি উল্লেখ করেছেন যে জামাত-ই-ইসলামি মতাদর্শগত বা কৌশলগতভাবে উপযুক্ত নয় এবং NCP-কে এর সাথে জোটে উচ্চ মূল্য দিতে হবে। সামন্তা শারমিন এক বছর আগে থেকেই জামাত-ই-ইসলামি জোটের বিরোধিতা করেছেন।পূর্ববর্তী ১১ মাস ধরে তিনি লিখিত অভিযোগ ও প্রস্তাব জমা দিয়ে, আলোচনায় অংশগ্রহণ করে, দলীয় নীতি চ্যালেঞ্জ ও সংশোধনের জন্য মতাদর্শগত সংগ্রাম করেছেন।তিনি ঘোষণা করেছেন যে তিনি আর প্রতিষ্ঠার মূল্যবোধে সৎ থাকতে পারবেন না এবং অপেক্ষা করা অপ্রয়োজনীয়। তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেছেন যে NCP পুরনো রাজনৈতিক ধাঁচ ছাড়িয়ে স্বতন্ত্র পরিচয় গড়তে পারবে না, এবং পুরনো দলগুলো নতুন রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠনে বাধা হবে।সামন্তা শারমিন তিনটি সংস্কার ক্ষেত্র চিহ্নিত করেছেন: সংবিধান, আইন, এবং রাজনীতি ও রাজনৈতিক দলগুলোর সংস্কার।তিনি বলেছেন যে জামাত-ই-ইসলামি এসব সংস্কারকে তার রাজনীতি বা রাষ্ট্র প্রকল্পের অংশ হিসেবে বিবেচনা করে না, এবং তার রাজনৈতিক দর্শন অ-গণতান্ত্রিক ও ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্য। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে জামাত-ই-ইসলামি ১৯৭১-এ তার ভূমিকার জন্য ক্ষমা চায়নি এবং গণহত্যা ন্যায়সঙ্গত বলে মনে করে।সামন্তা শারমিন জানিয়েছেন যে NCP যখন জামাতকে সংস্কারের বন্ধু হিসেবে দেখে, তখন সাধারণ জনগণকে সংস্কার রাজনীতির থেকে দূরে সরিয়ে দেয়, এবং NCP-এর অস্পষ্ট রাজনৈতিক লাইন দলটির পরিচয় হারাতে ও বিভিন্ন বিষয়ে প্রতিক্রিয়াশীল ও সমর্থনমূলক ভূমিকা নিতে বাধ্য করে। তিনি বলেছেন যে সময় এসেছে পার্টির সদস্য ও সমর্থকদের বাইরে থাকা মানুষদের তার মতাদর্শগত পার্থক্য ও আলোচনার কথা জানাতে।

Desk Reporter নভেম্বর ৮, ২০২৬ 0
ফাঁকা LPG ট্যাঙ্কের ছবি, যা দামের বৃদ্ধির বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক।

NCP নেতারা LPG দামের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে ফাঁকা ট্যাঙ্ক নিয়ে

নাহিদ ইসলাম আঞ্চলিক সমন্বয় সভায় বক্তব্য রাখছেন।

নাহিদ ইসলাম দিনাজপুরে সরকারের আইনশৃঙ্খলা ও জ্বালানি নীতি সমালোচনা

সেমিনার চলাকালীন মঞ্চে বক্তৃতা দিচ্ছেন এমন দৃশ্য

সেমিনারে শেখ মুজিব ও জিয়াউর রহমানের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে আলোচনা

প্রধানমন্ত্রী তরিক রাহমানের মংগলা পোর্ট সফর
প্রধানমন্ত্রী ও তরিক রাহমানের বাগেরহাট-খুলনা সফর: উন্নয়ন ও ক্রীড়া কার্যক্রম

প্রধানমন্ত্রী ও BNP চেয়ারম্যান তরিক রাহমান বৃহস্পতিবার বাগেরহাট ও খুলনায় একদিনের সফর করেন। খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ ও জেলা প্রশাসন প্রধানমন্ত্রী নিরাপত্তার জন্য তিন স্তরের সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলে। সকালে প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারে ঢাকা থেকে মংগলা পোর্টে পৌঁছান এবং সেখানে কন্টেইনার জেটি ও সংশ্লিষ্ট সুবিধার জন্য ভিত্তি পাথর পাথর করেন। এরপর তিনি বাগেরহাটে হযরত খান জাহান আলীর মাজার দর্শন করেন। মাজার পর তিনি রাস্তায় খুলনা সার্কিট হাউসে যান এবং ৩ টায় খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে ‘নতুন কুরি স্পোর্টস (সিজন‑২)’এর প্রধান অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন। এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতা একই সময়ে ৫০৩টি উপজেলায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে শুরু হয়। সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী একই দিন হেলিকপ্টারে ঢাকা ফিরিয়ে নেন। এটি দুই সপ্তাহের মধ্যে মংগলা পোর্টে তার দ্বিতীয় সফর, যা মংগলা পোর্টকে কেন্দ্র করে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও যোগাযোগ অবকাঠামো সম্প্রসারণের নতুন প্রত্যাশা জাগিয়েছে।

Desk Reporter নভেম্বর ৮, ২০২৬ 0
রোনেশ দাশগুপ্তের স্মরণসভা পুরানা পাল্টানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

উদিচি আয়োজনে রোনেশ দাশগুপ্তের ২৯তম মৃত্যু বার্ষিকী স্মরণসভা

মুক্তিযুদ্ধের অংশগ্রহণকারীরা প্রেস কনফারেন্সে বক্তব্য দিচ্ছেন

মুক্তিযুদ্ধের তিন অংশগ্রহণকারী প্রেস কনফারেন্সে স্বীকৃতি চাইলেন

বাংলাদেশের সংসদে অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

বাংলাদেশে অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিয়ে সংসদে আলোচনা

গার্মেন্ট কর্মীরা মজুরি দাবিতে প্রতিবাদ করছে
গার্মেন্ট কর্মী ৩০,০০০ টাকা মজুরি দাবিতে প্রতিবাদ, নাহিদ ইসলাম মন্তব্য

গার্মেন্ট কর্মীরা ৩০,০০০ টাকা ন্যূনতম মজুরি দাবিতে প্রতিবাদ করছে, চলমান প্রতিবাদ চলছে।নাহিদ ইসলাম বলেছেন, গার্মেন্ট কর্মীদের প্রতিবাদ যুক্তিসঙ্গত ও সঠিক।তিনি সরকারের হস্তক্ষেপকে সমালোচনা করে বললেন, প্রতিবাদ মোকাবেলায় শক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।নাহিদ ইসলাম বুধবার রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজে গিয়ে আহত কর্মীদের দেখলেন, গাজীপুরে শোকসন্তান সময় পুলিশের সংঘর্ষে আহত।এক সপ্তাহ পর মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়, তিন দিন পরে প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়; নাহিদ ইসলাম বলেন, এটি সরকারী অবহেলার ইঙ্গিত।বিপি হোম মন্ত্রী বলেছেন, প্রতিবাদ শ্রম আন্দোলন নয়, সরকার এগুলোকে বৈধ গণতান্ত্রিক দাবি হিসেবে স্বীকার করে না।নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, বিএনপিরা প্রতিবাদে সহিংসতা শুরু করেছে, শ্রমিকদের বিরুদ্ধে সহিংসতা ব্যবহার করেছে; সদস্যরা হকি স্টিক ও স্ট্যাম্প নিয়ে আক্রমণ করেছে।পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ও অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থা কর্মসূচি আক্রমণ করে ১৭ জন কর্মীকে আহত করেছে, যার মধ্যে শ্রম নেতা আছেন।একজন গার্মেন্ট কর্মীর জন্য শোকসন্তান অনুষ্ঠিত হয়।তিনি উল্লেখ করেন, আগের আওয়ামী লীগ সরকারের সময় জামাত-শিবিরকে প্রতিবাদের জন্য দায়ী করা হতো, এখন বিএনপি আওয়ামী লীগকে দায়ী করছে।নাহিদ ইসলাম বলেছেন, সরকার পরিস্থিতি কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে ব্যর্থ হয়েছে।

Desk Reporter নভেম্বর ৮, ২০২৬ 0
বাংলাদেশে সংবিধান সংশোধন আলোচনার দৃশ্য

বাংলাদেশে সংবিধান সংশোধন আলোচনায় মন্ত্রী ও নেতাদের বক্তব্য

গার্মেন্ট ফ্যাক্টরিতে কর্মীরা প্রতিবাদ পতাকা ধরে দাঁড়িয়ে আছেন।

শাফিকুর রহমান গার্মেন্ট কর্মীদের দাবিতে সরকারকে আহ্বান

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল প্রদর্শনকারী বিমূর্ত চিত্র।

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে চার অঙ্গরাজ্যে ঐতিহাসিক বিজয়, নতুন অধ্যায়

0 Comments