দেশজুড়ে

আওয়ামী লীগ নেতার দোকানের তালা ভেঙে মজুত করা ৩ টন সার জব্দ

হোসেন মাঝি সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
আওয়ামী লীগ নেতার দোকানের তালা ভেঙে মজুত করা ৩ টন সার জব্দ
নিষিদ্ধ স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতার

 

এবার ময়মনসিংহের গৌরীপুরে রফিকুল ইসলাম সুজন নামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতার দোকানের তালা ভেঙে অবৈধভাবে মজুত করা ৩ টন সার জব্দ করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই অভিযানে অবৈধ সার মজুতের দায়ে অপর এক ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার মাওহা ইউনিয়নের পালুহাটি বাজারে অভিযান চালিয়ে এসব সার জব্দ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফিয়া আমিন পাপ্পা।

অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম সুজন উপজেলার অচিন্তপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি পালুহাটি বাজারে ‘সুজন এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি কীটনাশক ও সার বিক্রির দোকান পরিচালনা করে আসছিলেন। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সুজনের দোকানে অবৈধ সার মজুতের বিষয়টি জানতে পারে উপজেলা প্রশাসন। সকালে ভ্রাম্যমাণ আদালতের উপস্থিতি টের পেয়ে দোকান বন্ধ করে সটকে পড়েন সুজন। পরে বিকেলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে দোকানের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে ৩ টন ২৫ কেজি টিএসপি এবং ২৫ কেজি ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়।

একই সময়ে বাজারে অবৈধভাবে প্রায় ২ টন সার মজুত রাখার দায়ে পালুহাটি গ্রামের মৃত রুকন উদ্দিনের ছেলে আতাউর রহমানের দোকানে অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। অপরাধ স্বীকার করায় তাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

গৌরীপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাওসার আহমেদ বলেন, ‘জব্দ করা সারগুলো নকল কি না– এমন সংশয় রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত হতে সারের নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাব পরীক্ষার জন্য পাঠানো হচ্ছে।’ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আফিয়া আমিন পাপ্পা জানান, অসাধু পন্থায় সার মজুত ও কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টার বিরুদ্ধে প্রশাসনের এই ধরনের কঠোর নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

নতুন জোট গঠনের ঘোষণা দিল প্রধান তিন বিরোধী দল

ঢাকা – দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে, যখন দেশের প্রধান তিনটি বিরোধী দল—জাতীয় গণফ্রন্ট, উন্নয়ন পার্টি ও জননেতা পরিষদ—আজ এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ‘গণঐক্য জোট’ নামে একটি নতুন রাজনৈতিক জোট গঠনের ঘোষণা দিয়েছে। এই জোটের মুখ্য লক্ষ্য হলো আগাম জাতীয় সংসদ নির্বাচন আদায় করা, বর্তমান সরকারের পদত্যাগ দাবি এবং একটি নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ভোট আয়োজন নিশ্চিত করা। জাতীয় গণফ্রন্টের সভাপতি শহীদুল হক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “দেশে এখন গণতন্ত্র নেই, জনগণের ভোটাধিকার নেই। তাই আমাদের এই ঐক্য—সত্যিকার অর্থে একটি গণআন্দোলনের সূচনা।” জোটের কর্মসূচি জোট নেতারা জানান, আগামী মাস থেকে সারা দেশে বিক্ষোভ, গণঅবস্থান, মানববন্ধন এবং জেলা পর্যায়ে গণসংলাপ কর্মসূচি শুরু হবে। তারা বলেছেন, এই জোট শুধুমাত্র সরকারবিরোধী নয়, বরং এটি একটি ভবিষ্যত রাজনৈতিক বিকল্প হিসেবেও কাজ করবে। সরকারের প্রতিক্রিয়া সরকারি দলের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি, তবে অঘোষিতভাবে কয়েকজন শীর্ষ নেতা বলেছেন, “বিরোধীদের এই জোট জনভিত্তিহীন এবং জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা।” বিশ্লেষকদের মত রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. মাহবুব হাসান বলেন, “এই জোট নির্বাচনী রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারে, যদি তারা মাঠে বাস্তব আন্দোলন ও বিকল্প নেতৃত্ব দিতে পারে। তবে সরকার যেভাবে শক্ত হাতে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখছে, তাতে সংঘাতময় পরিস্থিতি তৈরির আশঙ্কাও রয়েছে।” আগামী সপ্তাহে জাতীয় প্রেস ক্লাবে জোটের পক্ষ থেকে পূর্ণাঙ্গ কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়েছে। রাজনৈতিক মহল এই জোটকে ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনের ‘গেম চেঞ্জার’ হিসেবেও দেখছে।

দেশজুড়ে

View more
ধনবাড়ী নওয়াব ইনস্টিটিউশনের শিক্ষার্থীদের ফ্রি স্বাস্থ্যসেবা প্রদান
ধনবাড়ী নওয়াব ইনস্টিটিউশনের শিক্ষার্থীদের ফ্রি স্বাস্থ্যসেবা প্রদান

  মোঃ জাকির খান ধনবাড়ী ( টাঙ্গাইল ) টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীর ঐতিহ্যবাহী স্বনামধন্য সরকারি ধনবাড়ী নওয়াব ইনস্টিটিউশন স্কুলে আজ সকাল ১০,৩০ মিনিটে থেকে ২:৩০ মিনিট পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ফ্রিতে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করেন "ডাক্তার সামরিন শাহরিয়ার (শ্রেষ্ঠা)" ,   এ স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন এটি একটি মহৎ উদ্যোগ, বিষয়টা অনেকদিন ধরে আমরা ভাবতেছি যা আজ বাস্তবে রূপ নিয়েছে, আমাদের ভালো লেগেছে ডাক্তার সাহেবকে আমাদের বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ  আমাদের বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সেবা প্রদান করা হয় সে বিষয়ে ডাক্তারের প্রতি আহ্বান জানান,   এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ সাইদুল ইসলাম আপন বলেন আমাদের বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে ফ্রিতে স্বাস্থ্যসেবা দেয়া হচ্ছে আমরা খুবই আনন্দিত, আশা করব এই ধারাবাহিকতা যেন অব্যাহত থাকে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে সেই সাথে স্বাস্থ্য সেবার মান যেন এগিয়ে থাকে এই প্রত্যাশা এ ব্যাপারে ডাক্তার সামরিন শাহরিয়ার (শ্রেষ্ঠা)   বলেন অনেক সময়  নারী শিক্ষার্থীরা  অনেক ক্ষেত্রে বয়:সন্ধ্যিকালীন সময় তাদের অনেক বিষয়গুলো বিশেষ করে মা সহ অন্যান্যদের কাছে শেয়ার করতে লজ্জা বা সংকোচ বোধ করেন, এইসব বিষয়গুলো মাথায় রেখে আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি শিক্ষার্থী বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের কে তাদের সাথে বন্ধুসুলভ আচরণ করে তাদের সমস্যাগুলো শুনে তাদেরকে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করব, শুধু সরকারি নওয়াব ইনস্টিটিউশন স্কুলই নয় এরপর আরো অন্যান্য বিদ্যালয়ে সহ কলেজ গুলোতেও আমি ফ্রিতে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করার ইচ্ছা আছে আমার ।

News সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
আওয়ামী লীগ নেতার দোকানের তালা ভেঙে মজুত করা ৩ টন সার জব্দ

আওয়ামী লীগ নেতার দোকানের তালা ভেঙে মজুত করা ৩ টন সার জব্দ

পবায় ফ্রি টিকায় সুরক্ষিত হচ্ছে ৮৩ হাজার গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি, স্বস্তিতে প্রান্তিক খামারিরা

পবায় ফ্রি টিকায় সুরক্ষিত হচ্ছে ৮৩ হাজার গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি, স্বস্তিতে প্রান্তিক খামারিরা

কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে হাজতির মৃত্যু

কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে হাজতির মৃত্যু

ডাকাত পড়েছে মাইকিং করে ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা
ডাকাত পড়েছে মাইকিং করে ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা

  কুমিল্লার বাঙ্গরা এলাকায় ডাকাত পড়েছে মাইকিং করে আনোয়ার হোসেন (৪৫) নামের এক ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় স্বামীকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে হামলাকারীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন তার স্ত্রী। শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে উপজেলার উত্তর পেন্নাই দক্ষিণপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আনোয়ার হোসেন ওই এলাকার মৃত মনু মিয়ার ছেলে। তিনি শ্রীকাইল ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য এবং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ছিলেন। স্বজনেরা জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে আত্মগোপনে ছিলেন এই যুবলীগ নেতা। শনিবার রাতে তিনি গোপনে বাড়িতে আসেন। গভীর রাতে এলাকায় ‘ডাকাত পড়েছে’ বলে মাইকিং হয়। এর পরপরই একদল লোক আনোয়ারের বাড়িতে হামলা চালায়। নিহতের ভাই জালাল হোসেন বলেন, প্রায় তিন বছর ধরে আনোয়ারকে এলাকায় ফেরার সুযোগ দেওয়া নিয়ে বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করছিলেন তারা। এ সময় ফিরোজ মেম্বারের ছেলে আনোয়ার, একই এলাকার পিন্টু, হাসান ও জালাল তার ভাইয়ের কাছে চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দেওয়ায় পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তার স্ত্রীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে তার স্বামীকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল এবং চাঁদা দাবি করা হয়েছিল। টাকা দিতে না পারায় তার স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার সময় হামলাকারীদের কয়েকজনকে তিনি চিনতে পেরেছেন বলেও দাবি করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আনোয়ার হোসেন দীর্ঘদিন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এলাকায় তার ব্যাপক রাজনৈতিক প্রভাব ছিল। এলাকায় অবৈধ ড্রেজার ও মাটি ব্যবসার একক আধিপত্যও ছিল আনোয়ারের দখলে ২০২৩ সালে ড্রেজারের অভিযানে গেলে মুরাদনগর উপজেলা সহকারী কমিশনারের (ভূমি) গাড়িতে হামলা করেন আনোয়ার ও তার বাহিনী। তখন তিনি রাজনৈতিক প্রভাব-প্রতিপত্তির কারণে আইনের হাত থেকে বেঁচে যান। আওয়ামী সরকারের পতনের পর আনোয়ার মেম্বার আর বাড়িতে ফিরতে পারেননি। স্থানীয়দের কেউ কেউ বলছেন, এলাকায় দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক বিরোধ, পূর্বশত্রুতা ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আনোয়ারের সঙ্গে বিভিন্ন পক্ষের বিরোধ ছিল। তবে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ কী এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা। এ বিষয়ে বাঙ্গরা বাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শফিউল আলম বলেন, পূর্বশত্রুতার জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া বাংলাদেশী যাত্রীদের বিএসএফের কাছ থেকে উদ্ধার ও ফেরত আনয়ন ৫৩ বিজিবি'র সফল তৎপরতা

পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া বাংলাদেশী যাত্রীদের বিএসএফের কাছ থেকে উদ্ধার ও ফেরত আনয়ন ৫৩ বিজিবি'র সফল তৎপরতা

বগুড়ার শিবগঞ্জে আলোকবর্তিকা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

বগুড়ার শিবগঞ্জে আলোকবর্তিকা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে খেলাপি ঋণের পাহাড়: আর্থিক খাতের ভয়াবহ বাস্তবতা উন্মোচিত

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে খেলাপি ঋণের পাহাড়: আর্থিক খাতের ভয়াবহ বাস্তবতা উন্মোচিত

সাভারে মিঠুনকে গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন
সাভারে মিঠুনকে গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন

    সাভারে সাংবাদিক নির্যাতনকারী ভয়ঙ্কর প্রতারক, চাঁদাবাজ ও এক ডজনের অধিক মামলার আসামি মিঠুন সরকারকে গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে সাভারে কর্মরত সাংবাদিকরা। কয়েকদিন ধরে সাভারে কয়েকজন সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা ধরনের অপপ্রচার চালিয়ে আসছিল। শনিবার সকালে এসব অপপ্রচারের প্রতিবাদে সাভার প্রেস ক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে সাভারে কর্মরত সব প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার কর্মীরা এতে অংশগ্রহণ করেন। সাংবাদিকরা অভিযোগ করেন, মিঠুন সরকার একজন চিহ্নিত প্রতারক ও চাঁদাবাজ। তার বিরুদ্ধে মরধর, হত্যাচেষ্টা, তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার, সমকামিতাসহ বিভিন্ন অভিযোগ ১৬টি মামলা রয়েছে। এছাড়া এক ডজনেরও বেশি সাধারণ ডায়েরি রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তাই অবিলম্বে সন্ত্রাসী মিঠুন সরকারকে গ্রেফতার করে শাস্তির দাবি জানান সাংবাদিকরা। সাভার প্রেস ক্লাবের সভাপতি নাজমুস সাকিবের সভাপতিত্বে ও তোফা সানীর সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বিএফইউজে’র বরুন ভৌমিক নয়ন, সাভার প্রেস ক্লাবের সম্পাদক গোবিন্দ আচার্য্য, অরূপ রায়, মিজানুর রহমান মাসুদ, শেখ আবুল বাশার, নজমুল হুদা শাহীন, আব্দুল হালিম, গোলাম পারভেজ মুন্না, মোহাম্মদ ওমর ফারুক, ফাহাদ-ই আজম, জিয়াউর রহমান জিয়া, নাজমুল হুদা, ওমর ফারুক, শম্ভু সরকার, সোহেল রানা প্রমুখ

News সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬ 0
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫৩ বিজিবি’র উদ্যোগে যুবকদের জন্য ইলেকট্রিক্যাল ও হাউজ ওয়্যারিং প্রশিক্ষণ শুরু

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫৩ বিজিবি’র উদ্যোগে যুবকদের জন্য ইলেকট্রিক্যাল ও হাউজ ওয়্যারিং প্রশিক্ষণ শুরু

ভারতে ১৫০ বছরের পুরোনো মসজিদ গুঁড়িয়ে দিলো প্রশাসন

ভারতে ১৫০ বছরের পুরোনো মসজিদ গুঁড়িয়ে দিলো প্রশাসন

এনআইডি সেবা চাইতে গিয়ে চড় খেলেন প্রবাসী

এনআইডি সেবা চাইতে গিয়ে চড় খেলেন প্রবাসী

0 Comments