রাজনীতি

দেশে ঢুকলেই শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করা হবে: আইনমন্ত্রী

রতন লাল জুলাই ৩০, ২০২৬ 0
দেশে ঢুকলেই শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করা হবে: আইনমন্ত্রী
ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত

 

ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে যাওয়া ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ঢোকামাত্রই গ্রেপ্তার করা হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে আইনগত সহায়তা প্রদান বিষয়ক সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

আইনমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা কীভাবে দেশে ফিরবেন সেটি মুখ্য নয়। দেশের সীমানায় প্রবেশ করা মাত্রই তাকে গ্রেপ্তার করা হবে এবং আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে হিউম্যান রাইট ওয়াচের প্রতিবেদন আমলে নিয়ে খতিয়ে দেখবে সরকার।

মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার জনগণের কল্যাণে পরিবর্তন করতে চায়। বাগেরহাটের মিরাজ শেখকে গুমের অভিযোগের তদন্ত হবে ও তার পরিবারকে আইনি সহায়তা দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, সাংবিধানিকভাবে সেপ্টেম্বরের অধিবেশনে নির্বাচন হবে, তবে সরকার মনে করলে আগস্টে বিশেষ অধিবেশন হতে পারে। 


 

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

আর্জেন্টিনা বনাম নেদারল্যান্ডস হকি ফাইনালে আজ মুখোমুখি

আর্জেন্টিনা ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৫ আন্তর্জাতিক হকি বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচ ফুটবল প্রেমীদের মতো হকি প্রেমীদের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ তৈরি করেছে। ইতোমধ্যে টুর্নামেন্টের কঠিন পর্ব অতিক্রম করে দুই দলই নিজেদের সেরাটা দিয়ে ফাইনালে উঠেছে। আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য এই ফাইনাল ম্যাচে উভয় দল নিজেদের সেরা পারফরম্যান্স প্রদর্শনের জন্য প্রস্তুত।   আর্জেন্টিনা দল এই টুর্নামেন্টে অসাধারণ আত্মবিশ্বাস ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। অধিনায়ক লুকাস মার্টিনেজ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আমরা টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই কঠোর পরিশ্রম করেছি। দলের সবাই একসঙ্গে কাজ করে ফাইনালে পৌঁছেছি। আমাদের লক্ষ্য স্পষ্ট — বিশ্বকাপ জিততে হবে। প্রতিটি ম্যাচের জন্য আমরা আত্মনিয়ন্ত্রণ ও মনোযোগ বজায় রেখেছি এবং আগামী ম্যাচেও তা বজায় রাখব।” আর্জেন্টিনা দলের ফিজিক্যাল ট্রেনার জানান, দল খেলোয়াড়দের ফিটনেস ও মানসিক প্রস্তুতির জন্য বিশেষ অনুশীলন চালাচ্ছে যাতে ফাইনালে তারা চাপ সামলাতে পারে।   অন্যদিকে নেদারল্যান্ডসের কোচ মাইকেল ডি ইয়ং ফাইনালের আগের প্রস্তুতি নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আমাদের দল গত কয়েক মাস ধরে কৌশলগত প্রস্তুতি নিয়েছে। খেলোয়াড়রা মানসিক ও শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আমরা চাই এই বিশ্বকাপে নিজেদের ইতিহাস গড়ে একটি শক্তিশালী ছাপ রেখে যেতে।” কোচ আরো বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধুমাত্র ফাইনালে উঠা নয়, বরং বিশ্বকাপ জয়। আমরা প্রতিপক্ষের দুর্বলতা চিহ্নিত করে নিজেদের পরিকল্পনা সাজাচ্ছি।”   বিশ্বের হকি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবারের ফাইনাল ম্যাচটি গত দশকের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ এবং ঘনিষ্ঠ প্রতিযোগিতা হতে চলেছে। উভয় দলের কৌশল, বল নিয়ন্ত্রণ ও দ্রুতগতির খেলায় যে মেধা প্রদর্শিত হয়েছে, তা ফুটবলের মতো অন্য কোনো খেলার ক্ষেত্রে বিরল। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ফাইনালে দলের মানসিক স্থিতিশীলতা ও চাপ সামলানোর ক্ষমতা বিজয় নির্ধারণে মূল ভূমিকা পালন করবে।   মাঠে উভয় দলের খেলোয়াড়রা দ্রুতগতির পাস, শক্তিশালী ডিফেন্স এবং আক্রমণাত্মক স্ট্র্যাটেজি নিয়ে মাঠ মাতানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। আর্জেন্টিনার স্ট্রাইকারের গতিবেগ এবং নেদারল্যান্ডসের মিডফিল্ডারদের কৌশলগত দক্ষতা ম্যাচে প্রধান আকর্ষণ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়াও গোলরক্ষকদের প্রতিটি সেভ এবং প্রতিপক্ষের আক্রমণ রুখে দেওয়াও ম্যাচের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।   বিশ্বজুড়ে লাখো হকি ভক্ত এই ম্যাচের সরাসরি সম্প্রচার দেখার জন্য অপেক্ষায় আছেন। অনলাইনে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ম্যাচের লাইভ স্ট্রিমিং অনুষ্ঠিত হবে এবং অনেক দেশের টেলিভিশনও সরাসরি সম্প্রচার করবে। হকি প্রেমীরা এই ম্যাচ থেকে দারুণ উত্তেজনা, দক্ষতা এবং খেলা উপভোগ করার আশা করছে।   মাঠের বাইরেও ভক্তদের জন্য বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ফ্যান জোন আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে খেলোয়াড় ও দর্শকরা একত্রে সময় কাটিয়ে খেলার আনন্দ ভাগাভাগি করবেন। এছাড়াও টুর্নামেন্ট পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা না ঘটে এবং খেলা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়।   বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে দুই দলের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করে আগামী দিনে বিশ্ব হকির নতুন ধারার রূপরেখা নির্ধারণ করা হবে। এই ম্যাচের ফলাফল আগামী দশক ধরে হকির কৌশলগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।   এই প্রতিযোগিতা বিশ্বের সর্বোচ্চ মানের হকি টুর্নামেন্ট হওয়ায় এর প্রতি ভক্তদের আগ্রহ ও উন্মাদনা সত্যিই অবিশ্বাস্য। সবাই আশা করছেন, আগামীকালের ফাইনাল হবে একটি স্মরণীয় খেলা, যেখানে স্পোর্টসম্যানশিপ, দক্ষতা ও উত্তেজনা থাকবে সর্বোচ্চ মাত্রায়।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

রাজনীতি

View more
দেশে ফিরল সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রোটনের মরদেহ
দেশে ফিরল সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রোটনের মরদেহ

  ভারতের কলকাতায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটনের মরদেহ বেনাপোলে হস্তান্তর করা হয়েছে। মরদেহ ঢাকায় জানাজা শেষে চট্টগ্রামের বাড়িতে নেওয়া হবে। রোববার (১০ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে মরদেহ আনা হয়েছে বলে জানান বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন ওসি সাইফুর রহমান। রোটনের স্ত্রী আরেফা সুলতানা বেনাপোলে মরদেহটি গ্রহণ করেন। এর আগে শনিবার সকাল ৭টার দিকে কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। আরেফা সুলতানা বলেন, রোটনের মরদেহ ঢাকায় পৌঁছানোর পর জানাযা শেষে চট্টগ্রামের রাউজানের বাড়ি নেওয়া হবে। সেখানে জানাজা শেষে দাফন করা হবে। ফুসফুস ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছিলেন রোটন। ছয় দিন আগে তাকে অ্যাপোলো হাসপাতালের আইসিইউতে নেওয়া হয় বলে রোটনের স্ত্রী আরেফা সুলতানা জানিয়েছেন। রোটন ২০০৬ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন। চিকিৎসার জন্য দুই বছরের বেশি সময় ধরে কলকাতায় অবস্থান করছিলেন তিনি। ছাত্রলীগের পর রোটন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতিতেও সক্রিয় হন। ২০২১ সালে আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তিবিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য মনোনীত হন তিনি।

News অক্টোবর ১১, ২০২৬ 0
তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরেছেন ডা. শফিকুর রহমান

তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরেছেন ডা. শফিকুর রহমান

ছাত্রদলের সাবেক কর্মী খান সাইফুলের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী

ছাত্রদলের সাবেক কর্মী খান সাইফুলের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী

লন্ডনের সমাবেশ থেকে অবিলম্বে মেজর আখতারুজ্জামানের মুক্তি দাবি

লন্ডনের সমাবেশ থেকে অবিলম্বে মেজর আখতারুজ্জামানের মুক্তি দাবি

সরকারকে ঝামেলায় ফেলতে পতিত ফ্যাসিবাদের দোসররা কাজ করছে: রিজভী
সরকারকে ঝামেলায় ফেলতে পতিত ফ্যাসিবাদের দোসররা কাজ করছে: রিজভী

  দেশকে অস্থির করতে এবং একটি নির্বাচিত সরকারকে ঝামেলায় ফেলতে পতিত ফ্যাসিবাদের দোসররা নানাভাবে কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। একই সঙ্গে এরা নাশকতামূলক কাজে জড়িত হচ্ছে জানিয়ে সবাইকে সতর্ক থাকারও আহ্বান জানান তিনি। বুধবার (৭ অক্টোবর) রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ডেঙ্গু সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিতে এসব কথা বলেন তিনি। ডেঙ্গু মোকাবিলা করতে হলে সবার প্রচেষ্টা প্রয়োজন মন্তব্য করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, আগে থেকে সচেতন হওয়া গেলে ডেঙ্গু অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণকে বাসার আশেপাশে পচা ও জমে থাকা পানি দ্রুত পরিষ্কার করার নির্দেশনা দিয়েছেন। যাতে করে ডেঙ্গু বাসা না বাঁধতে পারে। আগে ডেঙ্গু পরীক্ষার জন্য টাকা নেওয়া হতো, এখন তা বিনামূল্যে করে দেওয়া হয়েছে। এ সময় রিজভী প্রশ্ন তোলেন, পুলিশের ভ্যান থেকে কীভাবে শীর্ষ সন্ত্রাসী পালিয়ে যেতে পারে? তিনি বলেন, তারেক রহমানের সরকার জনগণের সরকার, কোনো ধরনের নৈরাজ্য অপরাধকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।

News অক্টোবর ৭, ২০২৬ 0
কুষ্টিয়ায় আওয়ামী পান্ডাদের অনুসরণ করছে ক্ষমতাসীনরা

কুষ্টিয়ায় আওয়ামী পান্ডাদের অনুসরণ করছে ক্ষমতাসীনরা

‘ভোটের মাঠের আবহাওয়া এখন জামায়াতের পক্ষে’

‘ভোটের মাঠের আবহাওয়া এখন জামায়াতের পক্ষে’

বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে বিটিএমএ নেতাদের মতবিনিময়, সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখার আশ্বাস

বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে বিটিএমএ নেতাদের মতবিনিময়, সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখার আশ্বাস

প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফরের প্রধান চ্যালেঞ্জ দিল্লিতে হাসিনার অবস্থান
প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফরের প্রধান চ্যালেঞ্জ দিল্লিতে হাসিনার অবস্থান

  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরটি দ্বিপক্ষীয় হবে। তবে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে এবং সংলাপের মাধ্যমে আমরা সেগুলো কাটিয়ে উঠব। প্রধান চ্যালেঞ্জটি হলো, শেখ হাসিনা ও তার দল দিল্লিতে অবস্থান করছে। তারা দিল্লিতে বসে একটি দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। এটি ভারতের জন্যও কোনো সুফল বয়ে আনছে না। শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীদের কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণের জন্য ভারতের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। ঢাকার সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন’ এর এক ফাঁকে এক প্রশ্নের জবাবে ভারতের সংবাদপত্র দ্য হিন্দুকে এসব কথা বলেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে ‘স্ট্র্যাটেজিক অটোনমির’ (কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন) গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের পরিকল্পনায় ‘প্রধান চ্যালেঞ্জ’ হয়ে দাঁড়িয়েছে ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীদের কর্মকাণ্ড। বাংলাদেশের সদ্য নির্বাচিত সরকারের চ্যালেঞ্জগুলো ভারতকে বুঝতে হবে। আওয়ামী লীগের নির্বাসিত নেতাদের কর্মকাণ্ড ভারতের জন্যও কোনো সুফল বয়ে আনবে না। এসময় তিনি বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর প্রশংসা করেন। বলেন, ‘তিনি ভালো ভূমিকা পালন করছেন।’ দিল্লি তার মতামতের গুরুত্ব দেবে বলেও আশা প্রকাশ করেন হুমায়ুন কবির। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান দমনের সময় প্রায় ২ হাজার বাংলাদেশি নাগরিককে হত্যার অভিযোগ আনেন হুমায়ুন কবির। তিনি তাকে ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে বর্ণনা করেন। বলেন, ‘১৫ বছরেরও বেশি সময় বাংলাদেশ শাসন করা শেখ হাসিনার সরকারকে উৎখাত প্রক্রিয়ায় মানুষ জীবন দিয়েছেন। তাই অতীতের সঙ্গে বাংলাদেশের জনগণের একটি ‘‘পরিষ্কার বিচ্ছেদ’’ প্রয়োজন।’ তবে ভারতের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা চলছে এবং ঢাকায় তা স্বাগত জানানো হয়েছে বলেও জানান তিনি। হুমায়ুন কবির বলেন, ‘আমরা কিছু ইতিবাচক লক্ষণ দেখতে পাচ্ছি। ভারত তাদের (শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীদের) নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে। দুই দেশের মধ্যে এটাই স্বাভাবিক রীতি। তারা যদি নিয়ন্ত্রিত থাকেন, তাহলে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে কোনো সমস্যা হবে না।’ ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের জন্য সম্পর্ক অগ্রাধিকারে আছে বলেও জোর দেন তিনি। বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সফর একটি অনুকূল সময়ে হবে এবং আমি আশাবাদী। প্রধানমন্ত্রী কখনো বলেননি যে, তিনি ভারত সফরে যাবেন না।’ এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতে হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন তিনি। বলেন, ‘এখানে ভারতীয় হাইকমিশনার ভালো ভূমিকা পালন করছেন। তিনি চেষ্টা করছেন এবং আশা করছি, দিল্লি তার মতামতকে গুরুত্ব দেবে। তারা যদি তার মতামতকে গুরুত্ব দেয়, তাহলে আমরা সব বিষয়ে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত। আমরা আমাদের পরামর্শ ও আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি।’ দিল্লি-ঢাকা সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বকে ‘বাধা’ হিসেবেও উল্লেখ করেন তিনি। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ সব ইস্যু নিয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত। তবে এর জন্য কিছু ‘‘পারস্পরিক সহযোগিতা’’ প্রত্যাশা করে ঢাকা।’ তিনি বলেন, ‘দুই সরকার যখন জাতীয় স্বার্থকে সামনে রেখে আলোচনায় বসে, তখন সব বিষয়ই সমাধান করা সম্ভব।’ তিনি আরো বলেন, ‘ঢাকায় বসে কাউকে ভারতের স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করার সুযোগ দেবে না বাংলাদেশ।’ একই ধরনের পদক্ষেপ ভারতও নেবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন। দ্য হিন্দুর সঙ্গে আলাপকালে ‘কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন’ ধারণাটির ব্যাখ্যা করে হুমায়ুন কবির বলেন, ‘প্রতিটি দেশই কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন চায়। ভারতও তার কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন চায়। বাংলাদেশও তার কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন চায়। এই ধারণাটি মূলত আমাদের কী প্রয়োজন, সেটিকে ঘিরে।’

News অক্টোবর ৬, ২০২৬ 0
ঠাকুরগাঁওয়ে দলিল লেখক সমিতির নামে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ

ঠাকুরগাঁওয়ে দলিল লেখক সমিতির নামে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ

ইনুর মৃত্যুদণ্ড চেয়ে প্রসিকিউশনের আপিল

ইনুর মৃত্যুদণ্ড চেয়ে প্রসিকিউশনের আপিল

জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে জামায়াত

জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে জামায়াত

0 Comments