জাতীয়

আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে হরতাল-ধর্মঘট অবৈধ: হাইকোর্ট

Montu Mian সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে হরতাল-ধর্মঘট অবৈধ: হাইকোর্ট
হরতাল ডাকাকে

 


আদালতের রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে যে কোনো ধরনের স্ট্রাইক বা হরতাল ডাকাকে অবৈধ ঘোষণা করেছে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে আদালতের রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের হরতাল বা ধর্মঘট ডাকা হলে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক সংগঠনের বিরুদ্ধে আইনগত ও ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। 

এ বিষয়ে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে আজ রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর)  বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার ও বিচারপতি ফয়সল হাসান আরিফের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন। 


আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আহসান হাবীব। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আসিবুল হক এবং বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. রাফিউল ইসলাম।  

২০১১ সালের আগস্টে মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় ডিলাক্স পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে গাড়ির সংঘর্ষে চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদ, সাংবাদিক ও চিত্রগ্রাহক মিশুক মুনীরসহ পাঁচজন নিহত হন। এ ঘটনায় বাসচালকের বিরুদ্ধে মামলা হয়। পরে ২০১৭ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত বাসচালককে সাজা দেন।


ওই সাজাকে কেন্দ্র করে বাস মালিকদের পরিবহন ধর্মঘট ও হরতাল ডাকার খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে জনস্বার্থে মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ হাইকোর্টে রিট করে।সংবাদ সাবস্ক্রিপশন


রিটের শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ১ মার্চ আদালত রুল জারি করেন। আদালতের রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে ধর্মঘট বা হরতাল আহ্বান কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, রুলে তা জানতে চাওয়া হয়।

শুনানি শেষে রুলের ওপর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিয়ে হাইকোর্ট বলে, সংবিধানের ১১২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আদালতের রায় ও আদেশ সবার জন্য বাধ্যতামূলক। কোনো রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার আইনগত সুযোগ রয়েছে। তবে রায়ের বিরুদ্ধে হরতাল বা ধর্মঘট আহ্বান করা অবৈধ ও সংবিধান পরিপন্থী।

রায়ে স্বরাষ্ট্র সচিব, বিআরটিএ ও বিআরটিসিকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালতের রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে হরতাল কিংবা ধর্মঘট ডাকা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি ফৌজদারি আইনে ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

নতুন জোট গঠনের ঘোষণা দিল প্রধান তিন বিরোধী দল

ঢাকা – দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে, যখন দেশের প্রধান তিনটি বিরোধী দল—জাতীয় গণফ্রন্ট, উন্নয়ন পার্টি ও জননেতা পরিষদ—আজ এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ‘গণঐক্য জোট’ নামে একটি নতুন রাজনৈতিক জোট গঠনের ঘোষণা দিয়েছে। এই জোটের মুখ্য লক্ষ্য হলো আগাম জাতীয় সংসদ নির্বাচন আদায় করা, বর্তমান সরকারের পদত্যাগ দাবি এবং একটি নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ভোট আয়োজন নিশ্চিত করা। জাতীয় গণফ্রন্টের সভাপতি শহীদুল হক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “দেশে এখন গণতন্ত্র নেই, জনগণের ভোটাধিকার নেই। তাই আমাদের এই ঐক্য—সত্যিকার অর্থে একটি গণআন্দোলনের সূচনা।” জোটের কর্মসূচি জোট নেতারা জানান, আগামী মাস থেকে সারা দেশে বিক্ষোভ, গণঅবস্থান, মানববন্ধন এবং জেলা পর্যায়ে গণসংলাপ কর্মসূচি শুরু হবে। তারা বলেছেন, এই জোট শুধুমাত্র সরকারবিরোধী নয়, বরং এটি একটি ভবিষ্যত রাজনৈতিক বিকল্প হিসেবেও কাজ করবে। সরকারের প্রতিক্রিয়া সরকারি দলের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি, তবে অঘোষিতভাবে কয়েকজন শীর্ষ নেতা বলেছেন, “বিরোধীদের এই জোট জনভিত্তিহীন এবং জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা।” বিশ্লেষকদের মত রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. মাহবুব হাসান বলেন, “এই জোট নির্বাচনী রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারে, যদি তারা মাঠে বাস্তব আন্দোলন ও বিকল্প নেতৃত্ব দিতে পারে। তবে সরকার যেভাবে শক্ত হাতে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখছে, তাতে সংঘাতময় পরিস্থিতি তৈরির আশঙ্কাও রয়েছে।” আগামী সপ্তাহে জাতীয় প্রেস ক্লাবে জোটের পক্ষ থেকে পূর্ণাঙ্গ কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়েছে। রাজনৈতিক মহল এই জোটকে ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনের ‘গেম চেঞ্জার’ হিসেবেও দেখছে।

জাতীয়

View more
পাকিস্তানের সঙ্গে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদারের আহবান রাষ্ট্রপতির
পাকিস্তানের সঙ্গে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদারের আহবান রাষ্ট্রপতির

  পাকিস্তানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও বিমান যোগাযোগসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদার করার আহবান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এ আহবান জানান। সাক্ষাৎকালে পাকিস্তানের হাইকমিশনার সে দেশের রাষ্ট্রপতি আসিফ আলি জারিদারির পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণের কথা জানান। রাষ্ট্রপতি এই আমন্ত্রণের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং একই সঙ্গে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতিকেও সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, পাকিস্তান বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়ানো গেলে উভয় দেশের জনগণই উপকৃত হবে। তিনি দুই দেশের উদ্যোক্তাদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং বাণিজ্যকে আরও ভারসাম্যপূর্ণ করার ওপর জোর দেন। তৈরি পোশাক, কটন ইয়ার্নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাণিজ্যিক সুযোগ কাজে লাগানোর আহবান জানান তিনি। রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশের সিরামিক পণ্য, পান ও অন্য কৃষিপণ্য এবং মানসম্মত ওষুধ পাকিস্তানে রপ্তানি বৃদ্ধির প্রচুর সুযোগ রয়েছে। এর পাশাপাশি দুই দেশের সামরিক বাহিনী ও বেসামরিক প্রশাসনের সদস্যদের প্রশিক্ষণ বিনিময়, বিজ্ঞান, প্রকৌশল, প্রযুক্তি ও চিকিৎসা ক্ষেত্রে উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন রাষ্ট্রপতি। বৈঠকে পাকিস্তানের হাইকমিশনার জানান, পাকিস্তানি পণ্য নিয়ে আগামী অক্টোবরে ঢাকায় একটি বাণিজ্য মেলা অনুষ্ঠিত হবে। একইভাবে পাকিস্তানেও বাংলাদেশের পণ্য নিয়ে অনুরূপ মেলার আয়োজন করার আহবান জানান তিনি। হাইকমিশনার বলেন, ফুটবলসহ ক্রীড়া সরঞ্জাম তৈরিতে যৌথ উদ্যোগে কাজ করতে পাকিস্তানি উদ্যোক্তারা আগ্রহী। ঢাকা ও করাচির মধ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগ পুনরায় চালু হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে হাইকমিশনার বলেন, এটি দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, চিকিৎসা পর্যটন ও জনগণের যোগাযোগ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে। তিনি বিমানের ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানোর তাগিদ দেন। এছাড়া বাংলাদেশি চায়ের গুণগত মানের প্রশংসা করে শুল্কমুক্ত সুবিধায় পাকিস্তানে আরও বেশি চা রপ্তানির জন্য বাংলাদেশকে আহবান জানান তিনি। হাইকমিশনার ইমরান হায়দার বলেন, পাকিস্তান বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে তার দেশ কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন। রাষ্ট্রপতি হাইকমিশনারকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে হরতাল-ধর্মঘট অবৈধ: হাইকোর্ট

আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে হরতাল-ধর্মঘট অবৈধ: হাইকোর্ট

যুক্তরাষ্ট্র সফ‌রে যা‌চ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্র সফ‌রে যা‌চ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

দেশের সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে: ডা. জুবাইদা রহমান

দেশের সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে: ডা. জুবাইদা রহমান

রাজস্ব আদায়ে বড় ধস: প্রথম ২ মাসে এনবিআরের ২৯ হাজার কোটি টাকা ঘাটতি
রাজস্ব আদায়ে বড় ধস: প্রথম ২ মাসে এনবিআরের ২৯ হাজার কোটি টাকা ঘাটতি

  বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা ও ব্যবসায়িক ধীরগতির প্রভাব পড়েছে রাজস্ব আহরণে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুমাসে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) রাজস্ব ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার কোটি টাকা। এনবিআরের তিনটি অনুবিভাগের মধ্যে আয়কর খাতে কিছুটা ভালো করলেও কাস্টমস ও ভ্যাটে রাজস্ব আহরণে বড় ধস নেমেছে। ফলে আলোচ্য সময়ে এনবিআরের গড় প্রবৃদ্ধিও নেতিবাচক হয়েছে। এনবিআর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানায়, চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাস অর্থাৎ জুলাই-আগস্টে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮১ হাজার ৫৩ কোটি টাকা। এ সময়ে এনবিআর আদায় করেছে ৫১ হাজার ৮৯২ কোটি টাকা। অর্থাৎ দুই মাসে রাজস্ব ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ১৬১ কোটি টাকা। আর গড় প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে মাইনাস ৫ দশমিক ২৫ শতাংশ। যদিও করোনা মহমারির সময় শাটডাউন চলাকালেও এ ধরনের নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি ছিল না বলেও জানিয়েছেন খোদ এনবিআরের কর্মকর্তারা। একাধিক এনবিআর কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চলতি অর্থবছরের ভ্যাটের কিছু পলিসির কারণে মাঠ পর্যায়ে রাজস্ব আহরণে কিছু নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে তিন মাস অন্তর অন্তর ভ্যাট রিটার্ন জমার সুযোগ দেওয়ার কারণে অনেক ব্যবসায়ী রিটার্ন জমা দেননি। যার কারণে ভ্যাট আদায়ে এই ধস নেমেছে। আর কাস্টমসে মূলত ব্যবস্থাপনাগত দুর্বলতার কারণে প্রবৃদ্ধি তলানিতে রয়েছে। দেশের সবচেয়ে বড় ও প্রধান চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে মনিটরিংয়ে দুর্বলতা, ছোট ছোট ব্যবসায়ীদের হয়রানি, উল্লেখযোগ্য কোনো ধরণের বড় ডিটেকশন না থাকাসহ কিছু কর্মকর্তাদের কারণে রাজস্ব আহরণে গতি কমেছে। একই সঙ্গে কাস্টম হাউসের দায়িত্বপ্রাপ্ত এনবিআরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দুর্বলতাও একটি কারণ বলেও জানিয়েছেন কাস্টমসের একাধিক কর্মকর্তা। তবে বছরজুড়ে আয়কর রিটার্ন জমার সুযোগ থাকার কারণে আয়কর খাতের প্রবৃদ্ধির গতি আগের মতো রয়েছে বলেও জানান তারা। সূত্র আরও জানায়, চলতি অর্থবছরে দুমাসে সবচেয়ে বেশি ১৪ হাজার ১৯৭ কোটি টাকা ঘাটতির মুখে পড়েছে ভ্যাট আদায়। আলোচ্য সময়ে ভ্যাট আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩১ হাজার ৮৬১ কোটি টাকা। এই সময়ে ভ্যাট আদায় হয়েছে ১৭ হাজার ৬৬৪ কোটি টাকা। আর ভ্যাটে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাইনাস ২১ দশমিক ৯৪ শতাংশ। এ ছাড়া কাস্টমসে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৬ হাজার ৫৪৮ কোটি টাকা। আলোচ্য সময়ে রাজস্ব আদায় হয়েছে ১৭ হাজার ৭৭৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ বছরের প্রথম দুই মাসে কাস্টমস খাতে রাজস্ব ঘাটতির পরিমাণ দাড়িয়েছে ৮ হাজার ৭৭৩ কোটি টাকা। আর প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২ দশমিক ১৪ শতাংশ। তবে বিপরীতমুখী ছিল শুধু এনবিআরের আয়কর অনুবিভাগ। চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে আয়কর খাতের রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২২ হাজার ৬৪২ কোটি টাকা। আলোচ্য সময়ে আয়কর আদায় হয়েছে ১৬ হাজার ৪৫৩ কোটি টাকা। অর্থাৎ আয়কর খাতে ঘাটতির পরিমাণ দাড়িয়েছে ৬ হাজার ১৮৯ কোটি টাকা। ঘাটতি থাকলেও অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে আয়কর খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১১ দশমিক ৬৪ শতাংশ। এ বিষয়ে জানতে চাইলে এনবিআরের ভ্যাট বাস্তবায়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য সৈয়দ মুসফিকুর রহমান বলেন, সাধারণত রিটার্নের সঙ্গে ভ্যাটের টাকা আসে। বাধ্যবাধকতা না থাকায় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো রিটার্ন এখনো জমা দেয়নি। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে আমরা প্রায় ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকার ভ্যাট আসত। এ ছাড়া টোবাকোর কারণে আমরা প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা কম রাজস্ব পেয়েছি। এখানেই অর্থাৎ বড় বড় প্রতিষ্ঠানের ৩ হাজার ৬০০ কোটি ভ্যাট আমরা এখনো পাইনি। যার কারণে ভ্যাট আহরণে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এ ছাড়া সারা দেশে তিন মাস অন্তর ভ্যাট রিটার্নের নিয়ম থাকায় অনেকে এখনো ভ্যাটের টাকা জমা দেননি, যার প্রভাব পড়েছে ভ্যাট আদায়ে বলেও জানান এনবিআরের এই ঊর্ধতন কর্মকর্তা।

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
প্রধানমন্ত্রীকে সভাপতি করে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক জাতীয় কমিটি পুনর্গঠন

প্রধানমন্ত্রীকে সভাপতি করে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক জাতীয় কমিটি পুনর্গঠন

সাব-রেজিস্ট্রার বদলির ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতি চালু করা হচ্ছে: আইনমন্ত্রী

সাব-রেজিস্ট্রার বদলির ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতি চালু করা হচ্ছে: আইনমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর ফেনী সফর স্থগিত

প্রধানমন্ত্রীর ফেনী সফর স্থগিত

আদানির বন্ধ ইউনিট চালু, দুপুরের মধ্যে বিদ্যুৎ পাবে বাংলাদেশ
আদানির বন্ধ ইউনিট চালু, দুপুরের মধ্যে বিদ্যুৎ পাবে বাংলাদেশ

  ভারতের ঝাড়খণ্ডে অবস্থিত আদানি পাওয়ারের গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্রের কারিগরি ত্রুটির কারণে দ্বিতীয় ইউনিটটি বন্ধ হয়েছিল। সেটি পুনরায় চালু করা হয়েছে। বাংলাদেশ সময় রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ভোর ৫টা ১৭ মিনিটে এটি সফলভাবে চালু করা হয়। এদিন বেলা সাড়ে ১১টার মধ্যে জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে ইউনিটটির সমন্বয় (সিংক্রোনাইজেশন) সম্পন্ন হওয়ার কথা। এতে দুপুরের মধ্যেই বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরুদ্ধার হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এক বার্তায় আদানি পাওয়ার জানায়, এপিএল গোড্ডার দ্বিতীয় ইউনিট ভোর ৫টা ১৭ মিনিটে সফলভাবে চালু করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের আগেই ইউনিটটি প্রস্তুত করা সম্ভব হয়েছে। বেলা সাড়ে ১১টার মধ্যে জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে সমন্বয় সম্পন্ন হওয়ার কথা জানানো হয় বার্তায়। ফলে দুপুরের আগেই বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু হবে বাংলাদেশে গত ১১ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিটের একটি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার ইউনিটটির বয়লারে কারিগরি ত্রুটি দেখা দেওয়ায় সেটি বন্ধ করতে হয়।

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
বিদেশে সম্পদের পাহাড় হাম্মাদ মুজিবের

বিদেশে সম্পদের পাহাড় হাম্মাদ মুজিবের

চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর দুই সৈনিক নিহত, আহত ১

চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর দুই সৈনিক নিহত, আহত ১

আইন অনুযায়ী যারা যোগ্য হবেন তারাই নির্বাচন করতে পারবেন: সিইসি

আইন অনুযায়ী যারা যোগ্য হবেন তারাই নির্বাচন করতে পারবেন: সিইসি

0 Comments