খেলা

নোনা পানি শোধন করে পাইপলাইনে সরবরাহের পরিকল্পনায় সরকার: শাহে আলম

রতন লাল আগস্ট ২৫, ২০২৬ 0
নোনা পানি শোধন করে পাইপলাইনে সরবরাহের পরিকল্পনায় সরকার: শাহে আলম
শাহে আলম

 


সরকার লবণাক্ত পানি শোধন করে পাইপলাইনে সারা দেশে সরবরাহের পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।


আজ মঙ্গলবার সকালে সচিবালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান। এর আগে তিনি ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক করেন।

শাহে আলম বলেন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসারে একটি শহরের জন্য মাত্র ৩০ শতাংশ ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন করা যাবে। সেখানে ঢাকা শহরে আমরা ৭৪ শতাংশ উত্তোলন করছি। আর উপরিভাগের পানি (সারফেস ওয়াটার) মাত্র ২৪ শতাংশ। এতে জলবায়ু পরিবর্তন ও আমাদের পরিবেশের ওপর বড় ধরনের আঘাত আনবে। ভূমিকম্প হওয়ার একটা সম্ভাবনা থেকে যাবে। এই বিষয়টি মাথায় রেখে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মতো স্যালাইন ওয়াটারকে ট্রিটমেন্ট প্লান্টের মাধ্যমে সরবরাহের উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন।

‘সমুদ্রের উপরিভাগ বা নদী গিয়ে যেখানে মিলিত হয়েছে, চাঁদপুর ও মোংলায় দুটি পয়েন্টে বড় ধরনের প্রকল্পের ফিজিবিলিটি স্টাডি করতে ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন,’ বলেন তিনি।


স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রকল্প দুটির ফিজিবিলিটি স্টাডি শুরু হয়েছে এবং এডিবি এ ব্যাপারে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে।

‘গ্যাস বা বিদ্যুৎ যে রকম জাতীয় গ্রিড থেকে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হয়, আমরা এই পানি দেশের প্রত্যেকটি জেলা-উপজেলা পর্যায়ে পাইপলাইনের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেবো। গ্যাস যদি দেওয়া সম্ভব হয়, তাহলে পানিও সারা দেশে (সরবরাহ করা) অসম্ভব কিছুই হবে না,’ সরকারের সিদ্ধান্ত জানান তিনি।

শাহে আলম জানান, ঢাকা শহরে প্রতিদিন পানির চাহিদা ৩ কোটি ২৫ লাখ লিটার। এর মধ্যে ভূগর্ভস্থ ও উপরিভাগ মিলিয়ে ওয়াসা সরবরাহ করে ২ কোটি ৯৫ লাখ থেকে ৩ কোটি ৫ লাখ লিটার পর্যন্ত। প্রতিদিনই আমাদের কিছু ঘাটতি থেকে যায়।


তিনি জানান, এই ঘাটতি পূরণ এবং ঢাকার ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার কথা বিবেচনা করে ইতোমধ্যে গন্ধর্বপুর প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। শিগগির (নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে গন্ধর্বপুর পানি শোধনাগার) প্রকল্পটি চালু হবে। এটি চালু হলে মেঘনা থেকে প্রতিদিন ঢাকায় আমরা ৫০ কোটি লিটার পানি পাব।

ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সায়েদাবাদ প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এটি মোট ১৬ হাজার কোটি টাকা প্রকল্প। আমরা শোধনাগার নির্মাণ করে ঢাকা ওয়াসার মাধ্যমে মেঘনা থেকে ৯৫ কোটি লিটার পানি নিয়ে আসব। এই ১৬ হাজার কোটি টাকার মধ্যে ইতোমধ্যে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকার কাজ শেষ হয়েছে। ২০১৫ সালে ‍শুরু হওয়া এই প্রকল্পটি ২০৩০ সালে শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আমাদের লক্ষ্য ২০২৯ সালের মধ্যে শেষ করব।

শেষ পর্যায়ের কাজে ডেনমার্ক সরকার বাংলাদেশকে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা দিয়ে সহযোগিতা করবে উল্লেখ করে শাহে আলম বলেন, এর মধ্যে দেড় হাজার কোটি টাকা অনুদান এবং বাকি ৩ হাজার কোটি টাকা সহজ শর্তে ঋণ। মাত্র দেড় থেকে ২ শতাংশ সুদ হারে কাজ শেষ হওয়ার পরবর্তী ২০ বছরে শোধ করতে হবে।

‘ফলে সরকারের ওপর খুব একটা চাপ হবে না। আমরা এটা গ্রহণ করেছি এবং আমরা উনাদের সরকারের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়েছি।’

এর বাইরেও ডেনমার্ক রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ওয়াটার ট্রিটমেন্ট, ওয়াটার সাপ্লাই ও বিভিন্ন বিষয়ে প্রায় ১০০ কোটি টাকা সাহায্য করছে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘উনারা বাংলাদেশে সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী।’

‘আমরা অনুরোধ করেছি, তারা যাতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বিনিয়োগ করেন। বিশেষ করে সরাসরি ওয়েস্ট টু এনার্জিতে বিনিয়োগ করতে বলেছি। উনারা বলেছেন, ফিজিবিলিটি স্টাডি করে দেখবেন যে তারা কী ধরনের সহযোগিতা করতে পারেন।’

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

খেলা

View more
নোনা পানি শোধন করে পাইপলাইনে সরবরাহের পরিকল্পনায় সরকার: শাহে আলম
নোনা পানি শোধন করে পাইপলাইনে সরবরাহের পরিকল্পনায় সরকার: শাহে আলম

  সরকার লবণাক্ত পানি শোধন করে পাইপলাইনে সারা দেশে সরবরাহের পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। আজ মঙ্গলবার সকালে সচিবালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান। এর আগে তিনি ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক করেন। শাহে আলম বলেন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসারে একটি শহরের জন্য মাত্র ৩০ শতাংশ ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন করা যাবে। সেখানে ঢাকা শহরে আমরা ৭৪ শতাংশ উত্তোলন করছি। আর উপরিভাগের পানি (সারফেস ওয়াটার) মাত্র ২৪ শতাংশ। এতে জলবায়ু পরিবর্তন ও আমাদের পরিবেশের ওপর বড় ধরনের আঘাত আনবে। ভূমিকম্প হওয়ার একটা সম্ভাবনা থেকে যাবে। এই বিষয়টি মাথায় রেখে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মতো স্যালাইন ওয়াটারকে ট্রিটমেন্ট প্লান্টের মাধ্যমে সরবরাহের উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন। ‘সমুদ্রের উপরিভাগ বা নদী গিয়ে যেখানে মিলিত হয়েছে, চাঁদপুর ও মোংলায় দুটি পয়েন্টে বড় ধরনের প্রকল্পের ফিজিবিলিটি স্টাডি করতে ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন,’ বলেন তিনি। স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রকল্প দুটির ফিজিবিলিটি স্টাডি শুরু হয়েছে এবং এডিবি এ ব্যাপারে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে। ‘গ্যাস বা বিদ্যুৎ যে রকম জাতীয় গ্রিড থেকে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হয়, আমরা এই পানি দেশের প্রত্যেকটি জেলা-উপজেলা পর্যায়ে পাইপলাইনের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেবো। গ্যাস যদি দেওয়া সম্ভব হয়, তাহলে পানিও সারা দেশে (সরবরাহ করা) অসম্ভব কিছুই হবে না,’ সরকারের সিদ্ধান্ত জানান তিনি। শাহে আলম জানান, ঢাকা শহরে প্রতিদিন পানির চাহিদা ৩ কোটি ২৫ লাখ লিটার। এর মধ্যে ভূগর্ভস্থ ও উপরিভাগ মিলিয়ে ওয়াসা সরবরাহ করে ২ কোটি ৯৫ লাখ থেকে ৩ কোটি ৫ লাখ লিটার পর্যন্ত। প্রতিদিনই আমাদের কিছু ঘাটতি থেকে যায়। তিনি জানান, এই ঘাটতি পূরণ এবং ঢাকার ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার কথা বিবেচনা করে ইতোমধ্যে গন্ধর্বপুর প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। শিগগির (নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে গন্ধর্বপুর পানি শোধনাগার) প্রকল্পটি চালু হবে। এটি চালু হলে মেঘনা থেকে প্রতিদিন ঢাকায় আমরা ৫০ কোটি লিটার পানি পাব। ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সায়েদাবাদ প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এটি মোট ১৬ হাজার কোটি টাকা প্রকল্প। আমরা শোধনাগার নির্মাণ করে ঢাকা ওয়াসার মাধ্যমে মেঘনা থেকে ৯৫ কোটি লিটার পানি নিয়ে আসব। এই ১৬ হাজার কোটি টাকার মধ্যে ইতোমধ্যে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকার কাজ শেষ হয়েছে। ২০১৫ সালে ‍শুরু হওয়া এই প্রকল্পটি ২০৩০ সালে শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আমাদের লক্ষ্য ২০২৯ সালের মধ্যে শেষ করব। শেষ পর্যায়ের কাজে ডেনমার্ক সরকার বাংলাদেশকে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা দিয়ে সহযোগিতা করবে উল্লেখ করে শাহে আলম বলেন, এর মধ্যে দেড় হাজার কোটি টাকা অনুদান এবং বাকি ৩ হাজার কোটি টাকা সহজ শর্তে ঋণ। মাত্র দেড় থেকে ২ শতাংশ সুদ হারে কাজ শেষ হওয়ার পরবর্তী ২০ বছরে শোধ করতে হবে। ‘ফলে সরকারের ওপর খুব একটা চাপ হবে না। আমরা এটা গ্রহণ করেছি এবং আমরা উনাদের সরকারের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়েছি।’ এর বাইরেও ডেনমার্ক রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ওয়াটার ট্রিটমেন্ট, ওয়াটার সাপ্লাই ও বিভিন্ন বিষয়ে প্রায় ১০০ কোটি টাকা সাহায্য করছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘উনারা বাংলাদেশে সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী।’ ‘আমরা অনুরোধ করেছি, তারা যাতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বিনিয়োগ করেন। বিশেষ করে সরাসরি ওয়েস্ট টু এনার্জিতে বিনিয়োগ করতে বলেছি। উনারা বলেছেন, ফিজিবিলিটি স্টাডি করে দেখবেন যে তারা কী ধরনের সহযোগিতা করতে পারেন।’

News আগস্ট ২৫, ২০২৬ 0
বিপিএল এই বছর নাও হতে পারে: তামিম.

বিপিএল এই বছর নাও হতে পারে: তামিম.

বিদেশে খেলা প্রতিভা দেশে তোলা BFF–র চেষ্টায় — প্রবাসী ফুটবলারদের ‘ট্রায়াল’ ডাকা হলো

আগস্টেই আংশিক Camp Nou-তে ঘরোয়া ম্যাচের প্রস্তুতি

আর্থিক সঙ্কটে ইতিহাসের গভীরে লিয়োন — প্রশাসনিকভাবে Ligue 1 থেকে Ligue 2-তে

ফ্রান্সের সাতবারের চ্যাম্পিয়ন Olympique Lyonnais (OL) এক বিপদের মুখে পড়েছে — ক্রীড়া না খেলার কারণে নয়, বরং আর্থিক অস্বচ্ছতা ও ঋণ বোঝাইয়ের কারণে তাদের শাস্তি হিসেবে অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভভাবে Ligue 1 থেকে Ligue 2-তে নামানো হয়েছে। কী ঘটেছে? LFP-র নিয়ন্ত্রক সংস্থা DNCG ২০২৪ সালের নভেম্বরেই Lyonকে আর্থিক অস্থিতিশীলতার জন্য সতর্ক করেছিল। তারপরও ক্লাব দেড়শো মিলিয়নের বেশি নিশ্চিত তহবিল না জমিয়ে জুনে তাদের নিশ্চিতভাবে অবনমনের নির্দেশ দেন aftonbladet.se+15beinsports.com+15en.wikipedia.org+15reddit.com+1reddit.com+1reddit.com+4indiatoday.in+4indiatoday.in+4। OL-এর মালিক John Textor আর ইকোনমিক পরিস্থিতি নিয়ে তাদের সতর্কতা উপেক্ষা করে; যদিও মেডিয়া সেলস এবং প্লেয়ার ট্রান্সফার থেকে আয় ছিল, তাও DNCG-কে মিটাতে পারল না । ক্লাব ও মালিক অভিযোগ করছে, “আমরা যথেষ্ট তহবিল জমিয়েছি, এবং ঠান্ডা মাথায় দেখি কিভাবে এটা অলিম্পিক উইথ এফেল্ট করবে”—তাই তারা আপিল জমা দিয়েছে । আর্থিক পটভূমি & ঋণের পরিমাণ DNCG রিপোর্ট অনুযায়ী, OL-এর দেড়শো মিলিয়ন ইউরোর ঋণ আছে। John Textor-এর হোল্ডিং সংস্থা Eagle Football Group-এর দায়ও প্রায় €445–422 মিলিয়ন reddit.com+15ft.com+15indiatoday.in+15। ক্যাপিটাল ইনজেকশনের অধীনে Crystal Palace-এর একটি স্টেক বিক্রি করার পরও Lyon তাদের আর্থিক স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি indiatoday.in। ক্লাবের প্রতিক্রিয়া Lyon তাদের অবনমন "বিশ্বাসঘাতক ও অযৌক্তিক" বলেছে এবং দ্রুত apel (appeal) জমা দিয়েছে । প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক সময়ে ক্লাবের মালিক কিছু কার্যক্রম নিয়েছেন: Crystal Palace থেকে স্টেক বিক্রি, নারী দলের বিক্রি, প্লেয়ার বিক্রয়াদি — যাতে নগদ প্রবাহ বাড়ানো যায় । ক্রীড়া প্রভাব যদিও Lyon লিগে ছয় নম্বরে শেষ করেছে এবং ইউরোপে জায়গা পেয়েছিল, প্রশাসনিক অবনমন ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় বাধা হিসেবে দাঁড়াতে পারে indiatoday.in+13theplayoffs.news+13talksport.com+13। UEFA মাল্টি‑ক্লাব হয়রানির কারণে Lyon-এ Europa League-র কোটা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হচ্ছে; কৃষকভাবে তারা ডিসকোয়ালিফাইড হলে অন্য ক্লাব যেমন Strasbourg বা Crystal Palace প্রভাবিত হতে পারে । কি হতে পারে পরবর্তী ধাপ? DNCG‑তে আপিল: Lyon-এর আপিল সপ্তাহের মধ্যে নিষ্পত্তি হওয়ার সম্ভাবনা আছে thekenyatimes.com+10as.com+10beinsports.com+10।   অর্থ সংকটের পুনর্মূল্যায়ন: ক্লাবকে সম্ভবত নতুন গ্যারান্টি দেখাতে হবে। যদি পুনরায় ব্যর্থ হয়, তাহলে তাদের স্থান ধরে নিতে পারে Stade Reims । ইউরোপ ব্যবস্থা: Lyon নিশ্চিত করতে চাইবে Europa League-এ খেলতে পারে কি না—UEFA-মাল্টি ownership বিষয়েও সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সারসংক্ষেপ বিষয় বিবরণ স্থিতি DNCG-র প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত: Ligue 2-এ অবনমন ঋণের পরিমাণ প্রায় €422–445 মিলিয়ন যোগ্যতা Ligue 1-এ 6ম স্থান; ইউরোপে Europa League-এ জায়গা দেওয়া হয়েছিল ক্লাব প্রতিক্রিয়া “অযৌক্তিক” বলছে, আপিলে যাচ্ছে + ফান্ড সংগ্রহে কিছু সিদ্ধান্ত নেয় তারা ইউরোপীয় প্রভাব মাল্টি-ক্লাব ownership বিষয় নিয়ে UEFA সিদ্ধান্ত অপেক্ষায়   Olympique Lyonnais-বিশ্বের এক ঐতিহ্যবাহী ক্লাব, তবে তাদের আর্থিক নীতির ভঙ্গ হয়েছিল বেশ কয়েকবার। উপরে উল্লেখিত সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া ও আপিল ব্যবস্থা তাদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পারে — কিন্তু তা না হলে দ্বিতীয় বিভাগে নামা তাদের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ধাক্কা। ক্লাব ও সমর্থকদের নজর এখন শুধু খেলোয়াড়ি প্রতিযোগিতা নয়, বরং অর্থনৈতিক দায়বদ্ধতা ও নিয়ন্ত্রক মান বজায় রাখা—এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে থাকবে।

Mahidujjaman Tamim জুন ২৮, ২০২৫ 0

ডোপিং-বানের পর ফেরার পথে পগবা — মোনাকোতে চূড়ান্তভাবে।

প্রিমিয়ার লিগে যাওয়ার স্বপ্নে গ্যাকারেস, স্পোর্টিং লিসবন ছাড়তে প্রস্তুত!

বার্সেলোনায় যাচ্ছেন নিকো উইলিয়ামস? ট্রান্সফার ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে

টাইগারদের দুর্দান্ত জয়: বাংলাদেশ ৭ উইকেটে হারালো ভারতকে!
টাইগারদের দুর্দান্ত জয়: বাংলাদেশ ৭ উইকেটে হারালো ভারতকে!

ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য এ যেন এক রোমাঞ্চকর দিন! চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতকে ৭ উইকেটে হারিয়ে আবারও প্রমাণ করল — টাইগাররা কোনো অংশে কম নয়। পুরো ম্যাচজুড়ে ছিল আত্মবিশ্বাস, পরিকল্পনা আর নিখুঁত বাস্তবায়ন। ভারতের দেওয়া 265 রানের টার্গেট সহজেই টপকে যায় বাংলাদেশ। দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন অধিনায়ক শান্ত ও মেহেদী হাসান মিরাজ। বিশেষ করে শান্তর ব্যাট থেকে আসে এক চমৎকার সেঞ্চুরি, যেটি ছিল পুরো ইনিংসের মূল চালিকা শক্তি। এর আগে বল হাতে দারুণ শুরু করেন মোস্তাফিজ ও তাসকিন। পাওয়ার প্লে'তে ভারতকে চাপে ফেলে দেয় টাইগাররা। মিডল অর্ডারে কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ভারত থামে 264 রানে। ম্যাচ শেষে অধিনায়ক শান্ত বলেন, "এই জয় আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে। পুরো দল একসঙ্গে ভালো খেলেছে। বিশেষ কৃতিত্ব দিতে হবে আমাদের বোলারদের।" বাংলাদেশের এই জয়ে স্টেডিয়াম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বইছে উচ্ছ্বাসের জোয়ার। সমর্থকরা বলছেন, "এটাই আসল টাইগাররা!" 🇧🇩🕊️ এই জয় শুধু একটি ম্যাচ নয় — এটি এক আত্মবিশ্বাসের গল্প, এক লড়াইয়ের নাম। টাইগাররা আবারও দেখিয়ে দিল, তারা হার মানতে জানে না। 👏🔥

News জুন ২৮, ২০২৫ 0

২০২৫ এশিয়ান কাপ ফুটবল: কোরিয়া দক্ষিণ ও জাপান ফাইনালে মুখোমুখি

আর্জেন্টিনা বনাম নেদারল্যান্ডস হকি ফাইনালে আজ মুখোমুখি

আন্তর্জাতিক হকিতে উত্তেজনার পারদ: আজ শুরু হচ্ছে ২০২৫ আইএইচএফ বিশ্ব কাপ

0 Comments