অপরাধ

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে আলিম পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ২১ বছর বয়সী সাকিব ব্যপারি বাসের ধাক্কায় নিহত হন। স্থানীয়রা যথাযথ তদন্ত ও দায়ীদের শাস্তি দাবি করেছেন।

আলিম পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সাকিব ব্যপারি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত

Desk Reporter নভেম্বর ২, ২০২৬ 0
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনার প্রতীকী ছবি

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার পদ্মা বাজার এলাকায় একটি সড়ক দুর্ঘটনায় সাকিব ব্যপারি নামে ২১ বছর বয়সী এক ছাত্র নিহত হয়েছেন। তিনি ২০২৬ সালের আলিম পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন।

সাকিব ব্যপারি বক্স আলী ব্যপারি পরিবারের একমাত্র সন্তান এবং এনায়েতপুর এলাকার আনিসুর রহমানের ছেলে। তিনি লামচরী রায়পুর করমাটিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার ছাত্র ছিলেন।

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, সাকিব একটি মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন। তখন লক্ষ্মীপুর-রামগঞ্জ-হাজীগঞ্জ সড়কে একটি বাস তাকে ধাক্কা দেয়। বাসটি দুর্ঘটনার পর দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

সাকিব রামগঞ্জের লাইফ সাপোর্ট আইটি ইনস্টিটিউটে কর্মরত ছিলেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীরা রামগঞ্জের প্রধান সড়কে বিক্ষোভ করে যথাযথ তদন্ত ও দায়ীদের শাস্তির দাবি জানান।

রামগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ জানিয়েছেন, পুলিশ দুর্ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল এবং তদন্ত চলছে।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

সম্ভাবনার নতুন শ্রমবাজার সার্বিয়া

মোঃ সোহেল রানা বিশেষ প্রতিবেদক বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য ইউরোপের শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি করতে সার্বিয়ার শ্রমবাজারের প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জনশক্তি রপ্তানি খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। সার্বিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মীদের পাশাপাশি রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের প্রত্যাশা, সরকার উদ্যোগী হলে দেশটিতে বৈধ কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ, নিয়োগপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং কর্মীদের স্বার্থ সুরক্ষায় আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব বলে মনে করেন বাংলাদেশ রিক্রুটিং এজেন্সি ফোরাম (বিআরএএফ)। সংশ্লিষ্টদের মতে, সার্বিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য সম্ভাব্য সুযোগগুলো যথাযথভাবে যাচাই করে কাজে লাগাতে সরকারের বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো জরুরি। সার্বিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মীদের প্রত্যাশা সার্বিয়ায় কাজ করতে আগ্রহী বাংলাদেশি কর্মীদের প্রত্যাশা, দেশটিতে বৈধভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে। তাঁদের মতে, বিদেশে কাজের সুযোগ যেন স্বচ্ছ নিয়োগপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে পাওয়া যায় এবং চাকরিপ্রত্যাশীরা যেন প্রতারণা, অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয় ও অনিশ্চয়তার শিকার না হন, তা নিশ্চিত করা জরুরি। এ জন্য নিয়োগকর্তার পরিচয়, কাজের ধরন, বেতন, কর্মঘণ্টা, আবাসন, চাকরির চুক্তি এবং ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিটের বৈধতা যাচাইয়ের কার্যকর ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। একই সঙ্গে অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বিষয়ে কর্মীদের সচেতন করাও গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, সার্বিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে সরকারি পর্যায়ে নিয়মিত তথ্য সংগ্রহ ও মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রকৃত কর্মসংস্থানের সুযোগ চিহ্নিত করা হবে। এতে বাংলাদেশের জন্যও নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে। নিয়োগপ্রক্রিয়া সহজ ও স্বচ্ছ করার দাবি রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের মতে, বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে কোন দেশে কী ধরনের অনুমোদন প্রয়োজন, কী কী নথি জমা দিতে হবে এবং ছাড়পত্র পেতে কতগুলো ধাপ অনুসরণ করতে হবে—এসব বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকা জরুরি। তাঁদের প্রত্যাশা, বিএমইটি ও মন্ত্রণালয়ের মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে। এতে বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো পরিকল্পিতভাবে কাজ করতে পারবে এবং বিদেশি নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও অনিশ্চয়তা কমবে। তবে নিয়োগপ্রক্রিয়া সহজ করার পাশাপাশি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন, আর্থিক সক্ষমতা, প্রকৃত ব্যবসায়িক কার্যক্রম এবং কর্মীদের জন্য প্রস্তাবিত চাকরির শর্ত যাচাই নিশ্চিত করতে হবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সমন্বয়ই পারে বৈধ জনশক্তি রপ্তানিকে আরও গতিশীল করতে। বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠার দাবি সার্বিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর পাশাপাশি বাংলাদেশে একটি সার্বীয় দূতাবাস প্রতিষ্ঠার বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠিত হলে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ, শ্রমবাজারসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ, কর্মীদের সহায়তা এবং নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি ভিসা ও অন্যান্য কনস্যুলার সেবা পাওয়ার প্রক্রিয়াও সহজ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সম্ভাব্যতা যাচাই, প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক আলোচনা এবং বাস্তব চাহিদা মূল্যায়নের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ সংশ্লিষ্টদের সার্বিয়ার শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা কাজে লাগানো এবং বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার জন্য সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তাঁদের প্রত্যাশা, বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলোকে সার্বিয়ার শ্রমবাজারের সম্ভাবনা যাচাই, বৈধ নিয়োগপ্রক্রিয়া সহজ করা এবং কর্মীদের স্বার্থ সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশনা দেবেন। একই সঙ্গে সার্বিয়ায় বাংলাদেশের কূটনৈতিক উপস্থিতি জোরদারের সম্ভাবনা মূল্যায়ন এবং দেশটিতে কর্মসংস্থানসংক্রান্ত তথ্য ও সহায়তা পাওয়ার কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করতে নতুন নতুন দেশে বৈধ কর্মসংস্থানের সুযোগ অনুসন্ধান, বিদেশি নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং কর্মীদের অধিকার সুরক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। সার্বিয়ার ক্ষেত্রেও সম্ভাব্য শ্রমিকের চাহিদা যাচাই, নিয়োগকর্তার সক্ষমতা নিশ্চিতকরণ এবং সরকারি অনুমোদনের সুস্পষ্ট প্রক্রিয়া থাকা প্রয়োজন। সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকার, বিএমইটি, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং দায়িত্বশীল রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ থাকলে সার্বিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বৈধ কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হবে। সার্বিয়ার শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা কাজে লাগানো, নিয়োগপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং বাংলাদেশে সার্বিয়ার দূতাবাস প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা যাচাই—এই বিষয়গুলোতে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে, এমনটাই প্রত্যাশা সার্বিয়ায় যেতে আগ্রহী কর্মী ও জনশক্তি রপ্তানি খাতের সংশ্লিষ্টদের। মোঃ সোহেল রানা বিশেষ প্রতিবেদক  

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আর্জেন্টিনা বনাম নেদারল্যান্ডস হকি ফাইনালে আজ মুখোমুখি

আর্জেন্টিনা ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৫ আন্তর্জাতিক হকি বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচ ফুটবল প্রেমীদের মতো হকি প্রেমীদের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ তৈরি করেছে। ইতোমধ্যে টুর্নামেন্টের কঠিন পর্ব অতিক্রম করে দুই দলই নিজেদের সেরাটা দিয়ে ফাইনালে উঠেছে। আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য এই ফাইনাল ম্যাচে উভয় দল নিজেদের সেরা পারফরম্যান্স প্রদর্শনের জন্য প্রস্তুত।   আর্জেন্টিনা দল এই টুর্নামেন্টে অসাধারণ আত্মবিশ্বাস ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। অধিনায়ক লুকাস মার্টিনেজ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আমরা টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই কঠোর পরিশ্রম করেছি। দলের সবাই একসঙ্গে কাজ করে ফাইনালে পৌঁছেছি। আমাদের লক্ষ্য স্পষ্ট — বিশ্বকাপ জিততে হবে। প্রতিটি ম্যাচের জন্য আমরা আত্মনিয়ন্ত্রণ ও মনোযোগ বজায় রেখেছি এবং আগামী ম্যাচেও তা বজায় রাখব।” আর্জেন্টিনা দলের ফিজিক্যাল ট্রেনার জানান, দল খেলোয়াড়দের ফিটনেস ও মানসিক প্রস্তুতির জন্য বিশেষ অনুশীলন চালাচ্ছে যাতে ফাইনালে তারা চাপ সামলাতে পারে।   অন্যদিকে নেদারল্যান্ডসের কোচ মাইকেল ডি ইয়ং ফাইনালের আগের প্রস্তুতি নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আমাদের দল গত কয়েক মাস ধরে কৌশলগত প্রস্তুতি নিয়েছে। খেলোয়াড়রা মানসিক ও শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আমরা চাই এই বিশ্বকাপে নিজেদের ইতিহাস গড়ে একটি শক্তিশালী ছাপ রেখে যেতে।” কোচ আরো বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধুমাত্র ফাইনালে উঠা নয়, বরং বিশ্বকাপ জয়। আমরা প্রতিপক্ষের দুর্বলতা চিহ্নিত করে নিজেদের পরিকল্পনা সাজাচ্ছি।”   বিশ্বের হকি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবারের ফাইনাল ম্যাচটি গত দশকের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ এবং ঘনিষ্ঠ প্রতিযোগিতা হতে চলেছে। উভয় দলের কৌশল, বল নিয়ন্ত্রণ ও দ্রুতগতির খেলায় যে মেধা প্রদর্শিত হয়েছে, তা ফুটবলের মতো অন্য কোনো খেলার ক্ষেত্রে বিরল। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ফাইনালে দলের মানসিক স্থিতিশীলতা ও চাপ সামলানোর ক্ষমতা বিজয় নির্ধারণে মূল ভূমিকা পালন করবে।   মাঠে উভয় দলের খেলোয়াড়রা দ্রুতগতির পাস, শক্তিশালী ডিফেন্স এবং আক্রমণাত্মক স্ট্র্যাটেজি নিয়ে মাঠ মাতানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। আর্জেন্টিনার স্ট্রাইকারের গতিবেগ এবং নেদারল্যান্ডসের মিডফিল্ডারদের কৌশলগত দক্ষতা ম্যাচে প্রধান আকর্ষণ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়াও গোলরক্ষকদের প্রতিটি সেভ এবং প্রতিপক্ষের আক্রমণ রুখে দেওয়াও ম্যাচের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।   বিশ্বজুড়ে লাখো হকি ভক্ত এই ম্যাচের সরাসরি সম্প্রচার দেখার জন্য অপেক্ষায় আছেন। অনলাইনে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ম্যাচের লাইভ স্ট্রিমিং অনুষ্ঠিত হবে এবং অনেক দেশের টেলিভিশনও সরাসরি সম্প্রচার করবে। হকি প্রেমীরা এই ম্যাচ থেকে দারুণ উত্তেজনা, দক্ষতা এবং খেলা উপভোগ করার আশা করছে।   মাঠের বাইরেও ভক্তদের জন্য বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ফ্যান জোন আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে খেলোয়াড় ও দর্শকরা একত্রে সময় কাটিয়ে খেলার আনন্দ ভাগাভাগি করবেন। এছাড়াও টুর্নামেন্ট পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা না ঘটে এবং খেলা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়।   বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে দুই দলের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করে আগামী দিনে বিশ্ব হকির নতুন ধারার রূপরেখা নির্ধারণ করা হবে। এই ম্যাচের ফলাফল আগামী দশক ধরে হকির কৌশলগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।   এই প্রতিযোগিতা বিশ্বের সর্বোচ্চ মানের হকি টুর্নামেন্ট হওয়ায় এর প্রতি ভক্তদের আগ্রহ ও উন্মাদনা সত্যিই অবিশ্বাস্য। সবাই আশা করছেন, আগামীকালের ফাইনাল হবে একটি স্মরণীয় খেলা, যেখানে স্পোর্টসম্যানশিপ, দক্ষতা ও উত্তেজনা থাকবে সর্বোচ্চ মাত্রায়।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

অপরাধ

View more
কুমিল্লার দেবিদ্বরে ট্রাক চাপায় শিশুর মৃত্যু সংক্রান্ত একটি প্রতীকী চিত্র।
কুমিল্লার দেবিদ্বারে ট্রাক চাপায় ৮ বছরের মিনহার মৃত্যু

কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ছোট শালঘর এলাকায় সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে একটি ট্রাকের চাপায় ৮ বছর বয়সী মিনহা আক্তার মারা গেছেন।মৃত মিনহা আক্তার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বাড়ানী এলাকার মনির হোসেনের মেয়ে। তার মা জুলেখা আক্তার দেবিদ্বারের ছোট শালঘর গ্রামের মো. শাহ আলমের মেয়ে।জানা গেছে, মিনহা তার মা ও বোনের সঙ্গে নানার বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল। সোমবার সকালে জুলেখা আক্তার দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা করান। চিকিৎসা শেষে তারা সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ছোট শালঘরে ফেরার সময় মিনহা মহাসড়ক পার হওয়ার চেষ্টা করছিল। তখন একটি দ্রুতগতির ট্রাক তাকে চাপা দেয়।মিরপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ট্রাকটি আটক করা হয়েছে এবং নিহত শিশুর লাশ দেবিদ্বার থানায় রাখা হয়েছে।এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

Desk Reporter নভেম্বর ২, ২০২৬ 0
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনার প্রতীকী ছবি

আলিম পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সাকিব ব্যপারি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত

গণপূর্তে বৈষম্য তৈরীর  ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল (ই/এম) বিভাগ-৬-এর নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ ইসকান্দার আলী

গণপূর্তে বৈষম্য তৈরীর  ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল (ই/এম) বিভাগ-৬-এর নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ ইসকান্দার আলী

দিলীপ কুমার আগরওয়ালার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা: কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ ও অর্থপাচারের অভিযোগে গ্রেফতার দেখানোর নির্দেশ

দিলীপ কুমার আগরওয়ালার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা: কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ ও অর্থপাচারের অভিযোগে গ্রেফতার দেখানোর নির্দেশ

দুই পোশাক কারখানার বন্ড সুবিধার অপব্যবহার, ১০২ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি উদঘাটন
দুই পোশাক কারখানার বন্ড সুবিধার অপব্যবহার, ১০২ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি উদঘাটন

  রপ্তানিমুখী দুটি পোশাক কারখানার বিরুদ্ধে বন্ড সুবিধায় শুল্কমুক্তভাবে আমদানি করা কাপড় অবৈধভাবে খোলাবাজারে বিক্রি, কম মূল্যে রপ্তানি দেখানো এবং মূল্য সংযোজন কর (মূসক) ফাঁকির প্রমাণ পেয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি)। প্রতিষ্ঠান দুটি হলো রিয়াজ নিটওয়্যার লিমিটেড ও লিশা টেক্স (প্রা.) লিমিটেড। পৃথক অনুসন্ধানে প্রতিষ্ঠান দুটির মোট ১০২ কোটি ৫৭ লাখ ১৩ হাজার ১২৮ টাকার রাজস্ব ফাঁকি উদঘাটন করেছে সংস্থাটি। সোমবার (২ নভেম্বর) সিআইসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, রিয়াজ নিটওয়্যার লিমিটেডের বিরুদ্ধে ৯৪ কোটি ৭৩ লাখ ৮৭ হাজার ৭২০ টাকা এবং লিশা টেক্সের বিরুদ্ধে ৭ কোটি ৮৩ লাখ ২৫ হাজার ৪০৮ টাকার রাজস্ব ফাঁকি উদঘাটন করা হয়েছে। সিআইসির অনুসন্ধানে দেখা যায়, রিয়াজ নিটওয়্যার লিমিটেড ৪১টি ইউটিলাইজেশন ডিক্লারেশনের (ইউডি) আওতায় বন্ড সুবিধায় মোট ২ হাজার ৮৬২ মেট্রিক টন ওভেন পলিয়েস্টার কাপড় আমদানি করে। কিন্তু আমদানি করা কাপড়ের প্রায় ৭৮ শতাংশ বা ২ হাজার ২৩৭ মেট্রিক টনের কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। এসব কাপড় কারখানার গুদামে নেই, এমনকি রপ্তানির হিসাবেও পাওয়া যায়নি। সিআইসির ধারণা, বন্ডেড ওয়্যারহাউস থেকে কাপড়গুলো অবৈধভাবে সরিয়ে খোলাবাজারে বিক্রি করা হয়েছে। অনুসন্ধানে আরও দেখা যায়, যে ৩১টি ইউডির বিপরীতে কোনো রপ্তানি হয়নি, সেগুলোর মধ্যে ৩০টিতে আমদানি করা কাপড়ের পুরোটাই অবৈধভাবে অপসারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে, আংশিক রপ্তানির ১০টি এন্ট্রিতেও আমদানি করা কাপড়ের প্রায় ৫৩ শতাংশের হিসাব মেলেনি। কারখানার পুরো প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করে সিআইসি ৬৯ হাজার ৩৮২ কেজি সুতা, ৮ লাখ ৪৫ হাজার ৩৯৭ পিস তৈরি পোশাক এবং মাত্র ২৫ হাজার ৫৩৩ দশমিক ৫০ কেজি ওভেন পলিয়েস্টার কাপড়ের মজুদ পেয়েছে। অথচ আমদানি করা কাপড়ের তুলনায় অবশিষ্ট মজুদের পরিমাণ মাত্র শূন্য দশমিক ৮৯ শতাংশ। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধির লিখিত বক্তব্যের সঙ্গেও আমদানি তথ্যের অসংগতি পাওয়া গেছে। প্রতিনিধি জানান, গত এক মাসে এ ধরনের কাপড় দিয়ে কোনো পোশাক উৎপাদন বা রপ্তানি হয়নি। অথচ বিল অব এন্ট্রির তথ্য অনুযায়ী, শুধু সেপ্টেম্বর মাসেই সংশ্লিষ্ট ইউডিগুলোর বিপরীতে প্রায় ৩৯০ মেট্রিক টন কাপড় আমদানি করা হয়েছে। সিআইসির অনুসন্ধানে আরও উঠে এসেছে, ৪১টি ইউডির আওতায় আমদানি করা মোট কাপড়ের প্রায় ৮২ শতাংশ ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে অক্টোবরের শুরুর মধ্যে আমদানি করা হয়েছে। অবৈধভাবে অপসারিত কাপড়ের শুল্কায়নযোগ্য মূল্য ১৩৪ কোটি ২৯ লাখ টাকা। এর বিপরীতে রিয়াজ নিটওয়্যার লিমিটেডের ৯৪ কোটি ৭৩ লাখ ৮৭ হাজার ৭২০ টাকার শুল্ক-কর ফাঁকি উদঘাটন করা হয়েছে। অন্যদিকে, লিশা টেক্স (প্রা.) লিমিটেডের বিরুদ্ধে বন্ড সুবিধায় আমদানি করা প্রায় ১ লাখ ৭৪ হাজার কেজি পলিয়েস্টার কাপড়ের হদিস না পাওয়ার তথ্য পেয়েছে সিআইসি। এসব কাপড় বন্ডেড ওয়্যারহাউস থেকে অবৈধভাবে সরিয়ে খোলাবাজারে বিক্রি করা হয়েছে বলে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। শুধু এ খাতেই প্রায় ৬ কোটি ৯০ লাখ টাকার শুল্ক-কর ফাঁকি হয়েছে। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অনুমোদনের চেয়ে বেশি পোশাক রপ্তানি করলেও চুক্তিমূল্যের চেয়ে কম রপ্তানিমূল্য দেখানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। ইউডির বাইরে স্থানীয় ঋণপত্রের মাধ্যমে কাঁচামাল সংগ্রহ এবং বাধ্যতামূলক ২০ শতাংশ মূল্য সংযোজনের শর্ত পূরণ না করার তথ্যও পেয়েছে সিআইসি। অনুসন্ধানে আরও দেখা যায়, চার লাখের বেশি পিস পোশাকের আনুষঙ্গিক কাঁচামাল অনুমোদন ছাড়াই স্থানীয় বাজার থেকে কেনা হয়েছে এবং এসব ক্রয়ের বিপরীতে মূসক দেওয়া হয়নি। পাশাপাশি লাইসেন্সবিহীন একটি প্রতিষ্ঠানের কাছে ৩ কোটি ২৩ লাখ টাকার কিট ব্যাগ সরবরাহ করে মূসক ফাঁকি দেওয়া হয়েছে। এসব অনিয়মের মাধ্যমে লিশা টেক্সের মোট ৭ কোটি ৮৩ লাখ ২৫ হাজার ৪০৮ টাকার রাজস্ব ফাঁকি উদঘাটন করা হয়েছে। সিআইসি জানায়, দুটি প্রতিষ্ঠানের কারখানায় সরেজমিন পরিদর্শন করে কাঁচামালের মজুদ যাচাই করা হয়েছে। পাশাপাশি আমদানি ও রপ্তানির তথ্যের সঙ্গে কারখানার মজুদের হিসাব মিলিয়ে দেখা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক, অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড, বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর তথ্যও পর্যালোচনা করা হয়েছে। বন্ড সুবিধার অপব্যবহার, শুল্কমুক্ত কাঁচামাল অবৈধভাবে খোলাবাজারে বিক্রি এবং রাজস্ব ফাঁকি প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান ও অনুসন্ধান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল।

News নভেম্বর ২, ২০২৬ 0
৫ কোটি টাকার কার্যাদেশ, ৫০ লাখের কথিত লেনদেন—মামলার নেপথ্যে কী?

৫ কোটি টাকার কার্যাদেশ, ৫০ লাখের কথিত লেনদেন—মামলার নেপথ্যে কী?

দুদকের জালে প্রকৌশলী শামসুল আরেফিন, ঢাকায় ফেরার রহস্য কী?

দুদকের জালে প্রকৌশলী শামসুল আরেফিন, ঢাকায় ফেরার রহস্য কী?

সুনামগঞ্জে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা প্রিন্সসহ ৮ জন গ্রেপ্তার

সুনামগঞ্জে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা প্রিন্সসহ ৮ জন গ্রেপ্তার

গণপূর্তে ৫কোটি টাকার ভূয়া বিল পাশের অভিযোগে অভিযুক্ত বিতর্কিত প্রকৌশলী মাসুদ রানা এবার ঢাকা মেডিকেলের ৩শ’ কোটি টাকার প্রকল্প দখলের চেষ্টায়
গণপূর্তে ৫কোটি টাকার ভূয়া বিল পাশের অভিযোগে অভিযুক্ত বিতর্কিত প্রকৌশলী মাসুদ রানা এবার ঢাকা মেডিকেলের ৩শ’ কোটি টাকার প্রকল্প দখলের চেষ্টায়

  সরকারি কোষাগারের মেগা প্রজেক্টের শত কোটি টাকা হরিলুট, টেন্ডার বাণিজ্যে একচ্ছত্র সিন্ডিকেট এবং জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া বিল পাস করে নামে-বেনামে রূপকথার সাম্রাজ্য গড়ে তোলার পরও বিতর্কিত লটারির মাধ্যমে অতি গুরুত্বপূর্ণ পোস্টিং বাগিয়ে নিয়েছেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের বহুল আলোচিত নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদ রানা। দুর্নীতির পাহাড়ি নথিতে দুদকের ফাইল ভারী হওয়া এবং স্পর্শকাতর বিভিন্ন জাতীয় স্থাপনায় অনিয়মের জন্ম দেওয়া এই প্রকৌশলী এবার ঢাকা মেডিকেল কলেজের তিন শ’ কোটি টাকার বিশাল উন্নয়ন প্রকল্পকে টার্গেট করে লুটপাটের ষোলকলা পূর্ণ করার চূড়ান্ত ছক কষেছেন। নীতি-নৈতিকতা ও আইনকে সম্পূর্ণ বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তাঁর এই বেপরোয়া কার্যক্রমে গোটা প্রকৌশলী মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, ২৭তম বিসিএস (গণপূর্ত ক্যাডার) কর্মকর্তা মাসুদ রানা দীর্ঘ প্রায় ছয় বছর ধরে ক্ষমতার পালাবদলে নিজের অবস্থান অক্ষুণ্ণ রেখে গণপূর্তের লোভনীয় ডিভিশনগুলো একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন। সাবেক এক প্রধান প্রকৌশলীর আত্মীয়তার পরিচয় এবং বিগত সরকারের বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের সান্নিধ্য ব্যবহার করে তিনি এতদিন দাপটের সাথে নানা অনিয়ম চালিয়ে গেছেন। তবে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের সাথে সাথেই তিনি অত্যন্ত চতুরতার সাথে খোলস পাল্টে নতুন সিন্ডিকেটের সাথে সখ্য গড়ে তোলেন এবং কথিত লটারি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্প্রতি মেডিকেল কলেজ গণপূর্ত বিভাগে বদলি হয়ে আসেন। বিগত সময়ে শেরেবাংলা নগর ৩নং ডিভিশন, রাজশাহী এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগে দায়িত্ব পালনকালে তিনি ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী ঠিকাদারদের ওটিএম (Open Tendering Method) পদ্ধতিতে কাজ পাইয়ে দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেন।এ রকম দেড় শতাধিক ওটিএম আইডির মধ্যে কতিপয় হচ্ছে- ১৩১২৮৬৩, ১৩১৩০৩৫, ১৩১২৭৫৪, ১৩১২৮৭৭, ১৩১২৮১৫, ১২৯৫৬৪৪, ১২৯৫৬৫১, ১২৮৪৫৮৯, ১২৮৪৩৯৭, ১২৪৭৯৭১, ১২৮২৩৪৮, ১২৮৩৭৫১, ১২৮৩২৩৯, ১২৮২২৯৭, ১২৭৫৬৩৮, ১২৮২৩৫০, ১২৮২২৫৩, ১২৮১১৭৪, ১২৮২৩৩০, ১২৮২১৩৩, ১২৭৫৫৭০, ১২৮৩৩৭৭, ১২৭৫২৬৯, ১২৭৫৬৩২, ১২৭৫৪৭৮, ১২৮৪৫৯৭, ১২৮৪৬৫৮, ১২৮৩৫৬৮, ১২৮৩৭২০, ১২৭৫৪০২, ১২৭৫৫২৮, ১২৮৪৭৭৩, ১২৭৫৪২৯, ১২৭৪৩৯৯, ১২৮৪৭৯০, ১২৭৫৬১২, ১২৭৮৬৩২, ১২৭২৮৪২, ১২৭২৮১৮, ১২৭২৭৭৭, ১২৭২৮৩৩, ১২৭২৭২৩, ১২৪৪৪৬১, ১২৫২৮৯৮, ১২৫২৭৫৪, ১২৫২৯২৯, ১২৪৭৯৮৯, ১২৪৮০০৪, ১২৫২৭২৩, ১২৩৬০৭৫, ১১২৫১৩০. ১১২৫১২২, ১১২৫০৭৬, ১১২০৯১৪, ১১১৭১১৯, ১১১৪৯৮৪, ১১০৪৮৪১, ১০৯৯৯৪৭, ১০৯০৬০৭, ১০৭০৫১২. ১১২৪৯১৫, ১০৮৮৯০৬, ১০৯৩৪০৬, ১০৯৩৩৮৮, ১০৯২৩২৭, ১০৯২২৫৪, ১০৯২২০৭, ১০৯১৭৫০, ১০৯১৭২৭, ১০৯১৬৫৭, ১০৯৪৭৩৭, ১০৯৪৭৫৬, ১০৯৪৭৭৪, ১০৯৪৭৭০ ও ১০৯৪৭৬১, ১০৩৫৯১০, ১০৩৫৯৩৩, ১০৩৫৯৮৯, ১০৩৬১২৯, ১০৩৬১৪৬, ১০৩৬৪১৫, ১০৩৬৯৫৮, ১০৩৭১৩৪। এ রকম আরো শতাধিক টেন্ডার আইডি। এর মধ্যে ২০১৯ সালে জিকে শামীম গ্রেপ্তারের পর শেরেবাংলা নগর এনবিআর ভবনের গুদামে থাকা প্রায় অর্ধশত কোটি টাকার নির্মাণসামগ্রী ও বৈদ্যুতিক ক্যাবল লোপাটের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। পরবর্তীতে ২০২৪-২৫ ও ২০২৫-২৬ অর্থবছরে হাইকোর্ট, বিসিএস প্রশাসন একাডেমি, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল, এবং মুগদা হাসপাতালসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের নামে-বেনামে কাজ দেখিয়ে এবং কন্টিনজেন্সি খাতের ৭০ শতাংশ অর্থ ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে আত্মসাৎ করার চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। ভুক্তভোগী ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহলের অভিযোগ, প্রকৌশলী মাসুদ রানা প্রশাসনিক ক্ষমতা ও জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে নিজের পছন্দের সিন্ডিকেটকে কাজ পাইয়ে দিতে সিদ্ধহস্ত। সুপ্রিম কোর্ট এনেক্স ভবনের ভেতরের রঙকরণের টেন্ডারে (১০৩৫৯৮৯ নম্বর আইডি) যোগ্যতম প্রতিষ্ঠানকে বাদ দিয়ে বেশি দরদাতা দ্বিতীয় স্থান অধিকারী ‘হোসেন এন্টারপ্রাইজ’ নামক মাসুদ রানার নিজ ভাগ্নিজামাইয়ের প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেওয়ার মতো গুরুতর অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। একইভাবে শেরেবাংলা নগরে এনবিআর ভবনের বিভিন্ন সংস্কার ও অভ্যন্তরীণ কাজের নামে সাড়ে ৯ কোটি টাকা এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রেক্টোফিটিং ও অভ্যন্তরীণ সড়ক সংস্কারের ১৮ কোটি টাকার কাজে প্রাক্কলন দ্বিগুণ দেখিয়ে প্রায় ৫ কোটি টাকা লোপাট করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সাধারণ ঠিকাদার ও সচেতন মহল আরও জানান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় তৎকালীন শাসকগোষ্ঠীর পক্ষে অবস্থান নিয়ে আন্দোলন দমনে আর্থিক সহায়তা জোগানের মতো গুরুতর অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং বিভিন্ন দপ্তরে তাঁর বিরুদ্ধে নাম-বেনামে ঢাকা ও পাবনায় শতকোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ জমা পড়েছে। তবে এতসব গুরুতর অনিয়ম ও দুর্নীতির পাহাড়সম অভিযোগ থাকার পরও তিনি রহস্যজনক কারণে বহাল তবিয়তে থেকে এখন ঢাকা মেডিকেল কলেজের ৩শ’ কোটি টাকার মেগা প্রকল্প দখলের পাঁয়তারা চালাচ্ছেন। পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অ্যাক্ট (পিপিএ) এবং পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস (পিপিআর) অনুযায়ী সরকারি প্রাক্কলন, টেন্ডার প্রক্রিয়াকরণ এবং বিল পরিশোধের ক্ষেত্রে কঠোর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার কথা থাকলেও প্রকৌশলী মাসুদ রানার কার্যক্রমে এর চরম ব্যত্যয় ঘটেছে। তাঁর নিয়ন্ত্রিত দেড় শতাধিক ওটিএম আইডি ও বিভিন্ন কাজের ম্যালেরিয়াঝরা পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, নিয়মবহির্ভূতভাবে নির্দিষ্ট সিন্ডিকেটকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে এপিপি’র নিয়মকে পাশ কাটানো হয়েছে। এছাড়া ২০২৩ সালের জুনে হাতিরঝিল-রামপুরা-ডেমরা মহাসড়ক নির্মাণ প্রকল্পে অধিগ্রহণকৃত জমির স্থাপনার মূল্য প্রকৃত মূল্যের চেয়ে ৩ থেকে ৪ গুণ বেশি দেখিয়ে অর্ধশতাধিক কোটি টাকা আত্মসাতের যে অভিযোগ উঠেছে, তা প্রশাসনিক জবাবদিহিতার বেহাল দশাকেই ফুটিয়ে তোলে। সমবায় ও ক্রয় নীতিমালার তোয়াক্কা না করে সুপরিকল্পিত উপায়ে সরকারি কোষাগারের অর্থ হরিলুট করার এমন সুসংগঠিত জালিয়াতি প্রশাসনিক শৃঙ্খলাকে মারাত্মকভাবে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে। অভিযুক্ত প্রকৌশলী মাসুদ রানার এ ধরনের বেপরোয়া দুর্নীতি ও মেগা প্রজেক্ট দখলের প্রতিযোগিতা অব্যাহত থাকলে দেশের স্বাস্থ্যখাত এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগত উন্নয়ন মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হবে। বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, সরকারি তহবিলের অপচয় রোধ এবং প্রশাসনিক সুশাসন ফিরিয়ে আনতে হলে এ ধরনের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। উপসংহারে বলা যায়, কেবল বদলি বা সাময়িক লটারির মারপ্যাচে পার পাওয়ার সুযোগ না রেখে দুদক ও সরকারের উচ্চপর্যায়ের তদন্তের মাধ্যমে প্রকৌশলী মাসুদ রানার বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত দুর্নীতির নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করতে হবে। তাঁর অবৈধ সাম্রাজ্য ও সিন্ডিকেটের শেকড় উৎপাটন করতে না পারলে সরকারি অর্থের হরিলুট ঠেকানো সম্ভব হবে না, যা রাষ্ট্রের সার্বিক অর্থনৈতিক ভিত্তিকে দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। *(প্রতিবেদন প্রস্তুতের সময় অভিযুক্ত প্রকৌশলী মাসুদ রানার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। ফলে তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।)*

News নভেম্বর ১, ২০২৬ 0
জনতা ব্যাংক থেকে ১৪৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়েও কারখানা চালু করেনি কনিকা কমার্শিয়াল

জনতা ব্যাংক থেকে ১৪৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়েও কারখানা চালু করেনি কনিকা কমার্শিয়াল

শেরেবাংলানগর গণপূর্তের সদ্য বদলিকৃত নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদ পারভেজের বিরুদ্ধে কর্মচারীদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ

শেরেবাংলানগর গণপূর্তের সদ্য বদলিকৃত নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদ পারভেজের বিরুদ্ধে কর্মচারীদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ

বিএনপি-জামায়াত কর্মীদের অমানবিক নির্যাতন করা সুনামগঞ্জ দিরাই থানার ওসি আমিনুল ইসলামের অবৈধ সম্পদের পাহাড়

বিএনপি-জামায়াত কর্মীদের অমানবিক নির্যাতন করা সুনামগঞ্জ দিরাই থানার ওসি আমিনুল ইসলামের অবৈধ সম্পদের পাহাড়

0 Comments