রহমত আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:
ঠাকুরগাঁওয়ে ডিবি পুলিশের অভিযানে সংঘবদ্ধ ডলার প্রতারক চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) ভোররাতে সদর উপজেলার ১ নম্বর গড়েয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মিলনপুর হাট বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার আরাজী মিলনপুর এলাকার মৃত নছিন আলীর ছেলে মো. জালাল উদ্দীন (৪৫) এবং ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বড়পলাশবাড়ী এলাকার মো. হাবিবুর রহমানের ছেলে মো. ফরিদ জামান (১৯)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রটি ডলার দেওয়ার কথা বলে এক ব্যক্তিকে কৌশলে মিলনপুর হাট বাজার এলাকায় ডেকে নিয়ে আসে। পরে তাকে পুলিশ পরিচয়ে আটক করে মারধর ও নির্যাতন করা হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিষয়টি জানতে পেরে ডিবি পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে চক্রটির দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশের ধারণা, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা সংঘবদ্ধভাবে ডলার দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে।
রহমত আরিফ ঠাকুরগাঁও
০১৭৪৮৬১০৮০
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
আর্জেন্টিনা ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৫ আন্তর্জাতিক হকি বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচ ফুটবল প্রেমীদের মতো হকি প্রেমীদের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ তৈরি করেছে। ইতোমধ্যে টুর্নামেন্টের কঠিন পর্ব অতিক্রম করে দুই দলই নিজেদের সেরাটা দিয়ে ফাইনালে উঠেছে। আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য এই ফাইনাল ম্যাচে উভয় দল নিজেদের সেরা পারফরম্যান্স প্রদর্শনের জন্য প্রস্তুত। আর্জেন্টিনা দল এই টুর্নামেন্টে অসাধারণ আত্মবিশ্বাস ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। অধিনায়ক লুকাস মার্টিনেজ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আমরা টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই কঠোর পরিশ্রম করেছি। দলের সবাই একসঙ্গে কাজ করে ফাইনালে পৌঁছেছি। আমাদের লক্ষ্য স্পষ্ট — বিশ্বকাপ জিততে হবে। প্রতিটি ম্যাচের জন্য আমরা আত্মনিয়ন্ত্রণ ও মনোযোগ বজায় রেখেছি এবং আগামী ম্যাচেও তা বজায় রাখব।” আর্জেন্টিনা দলের ফিজিক্যাল ট্রেনার জানান, দল খেলোয়াড়দের ফিটনেস ও মানসিক প্রস্তুতির জন্য বিশেষ অনুশীলন চালাচ্ছে যাতে ফাইনালে তারা চাপ সামলাতে পারে। অন্যদিকে নেদারল্যান্ডসের কোচ মাইকেল ডি ইয়ং ফাইনালের আগের প্রস্তুতি নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আমাদের দল গত কয়েক মাস ধরে কৌশলগত প্রস্তুতি নিয়েছে। খেলোয়াড়রা মানসিক ও শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আমরা চাই এই বিশ্বকাপে নিজেদের ইতিহাস গড়ে একটি শক্তিশালী ছাপ রেখে যেতে।” কোচ আরো বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধুমাত্র ফাইনালে উঠা নয়, বরং বিশ্বকাপ জয়। আমরা প্রতিপক্ষের দুর্বলতা চিহ্নিত করে নিজেদের পরিকল্পনা সাজাচ্ছি।” বিশ্বের হকি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবারের ফাইনাল ম্যাচটি গত দশকের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ এবং ঘনিষ্ঠ প্রতিযোগিতা হতে চলেছে। উভয় দলের কৌশল, বল নিয়ন্ত্রণ ও দ্রুতগতির খেলায় যে মেধা প্রদর্শিত হয়েছে, তা ফুটবলের মতো অন্য কোনো খেলার ক্ষেত্রে বিরল। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ফাইনালে দলের মানসিক স্থিতিশীলতা ও চাপ সামলানোর ক্ষমতা বিজয় নির্ধারণে মূল ভূমিকা পালন করবে। মাঠে উভয় দলের খেলোয়াড়রা দ্রুতগতির পাস, শক্তিশালী ডিফেন্স এবং আক্রমণাত্মক স্ট্র্যাটেজি নিয়ে মাঠ মাতানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। আর্জেন্টিনার স্ট্রাইকারের গতিবেগ এবং নেদারল্যান্ডসের মিডফিল্ডারদের কৌশলগত দক্ষতা ম্যাচে প্রধান আকর্ষণ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়াও গোলরক্ষকদের প্রতিটি সেভ এবং প্রতিপক্ষের আক্রমণ রুখে দেওয়াও ম্যাচের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে। বিশ্বজুড়ে লাখো হকি ভক্ত এই ম্যাচের সরাসরি সম্প্রচার দেখার জন্য অপেক্ষায় আছেন। অনলাইনে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ম্যাচের লাইভ স্ট্রিমিং অনুষ্ঠিত হবে এবং অনেক দেশের টেলিভিশনও সরাসরি সম্প্রচার করবে। হকি প্রেমীরা এই ম্যাচ থেকে দারুণ উত্তেজনা, দক্ষতা এবং খেলা উপভোগ করার আশা করছে। মাঠের বাইরেও ভক্তদের জন্য বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ফ্যান জোন আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে খেলোয়াড় ও দর্শকরা একত্রে সময় কাটিয়ে খেলার আনন্দ ভাগাভাগি করবেন। এছাড়াও টুর্নামেন্ট পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা না ঘটে এবং খেলা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়। বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে দুই দলের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করে আগামী দিনে বিশ্ব হকির নতুন ধারার রূপরেখা নির্ধারণ করা হবে। এই ম্যাচের ফলাফল আগামী দশক ধরে হকির কৌশলগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এই প্রতিযোগিতা বিশ্বের সর্বোচ্চ মানের হকি টুর্নামেন্ট হওয়ায় এর প্রতি ভক্তদের আগ্রহ ও উন্মাদনা সত্যিই অবিশ্বাস্য। সবাই আশা করছেন, আগামীকালের ফাইনাল হবে একটি স্মরণীয় খেলা, যেখানে স্পোর্টসম্যানশিপ, দক্ষতা ও উত্তেজনা থাকবে সর্বোচ্চ মাত্রায়।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
বাংলাদেশে কূটনৈতিক শিষ্টাচার না মেনে আধিপত্য বিস্তারের তৎপরতা চালানোর অভিযোগে ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীকে বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ। এ দাবিতে আগামী ২৯ অক্টোবর ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাস ঘেরাওয়ের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলটি। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে এ ঘোষণা দেন জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের আহ্বায়ক খোমেনী ইহসান। তিনি বলেন, ১৫ দিন আগে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাও করে সরকারকে ভারতীয় হাইকমিশনারের কথিত অপতৎপরতা বন্ধ এবং ভারতীয় আধিপত্যবাদের অবসান ঘটানোর দাবি জানানো হয়েছিল। কিন্তু সেই দাবি পূরণ হয়নি। উল্টো ভারতীয় মদদে দেশে-বিদেশে ফ্যাসিবাদী শক্তির উত্থান ঘটেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। খোমেনী ইহসান বলেন, এ অবস্থায় দিনেশ ত্রিবেদীকে বহিষ্কার করে ভারতকে জবাব দেওয়া সময়ের দাবি। আগামী ২৯ অক্টোবরের ঘেরাও কর্মসূচিতে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ সব দেশপ্রেমিক দলের নেতাকর্মীরা অংশ নেবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি তুলে ধরে খোমেনী ইহসান বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক দপ্তর জুলাইয়ের সহিংসতা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে অন্তর্বর্তী সরকারকে অপরাধীদের বিচারের বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে বলেছিল। কিন্তু সরকার জুলাই গণহত্যায় সরাসরি জড়িত ব্যক্তিদের এবং দলগতভাবে আওয়ামী লীগের বিচার না করে সংস্কার কার্যক্রমে সময় ব্যয় করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তিনি আরও অভিযোগ করেন, এ সুযোগে আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দেশে-বিদেশে দুঃসাহসিক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছেন। নিউইয়র্কে হুইলচেয়ারে থাকা সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হেনস্তা করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। এ ছাড়া রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবি অবমাননার অভিযোগে চার জুলাই যোদ্ধাকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেন খোমেনী ইহসান। ভারতে অবস্থানরত মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি আওয়ামী লীগকে ফ্যাসিবাদী সন্ত্রাসী দল এবং ভারতকে এর মদদদাতা রাষ্ট্র হিসেবে চিহ্নিত করার দাবি জানান। এ বিষয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মাধ্যমে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। খোমেনী ইহসান বলেন, নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় ভারত ও আওয়ামী লীগ সব সীমা অতিক্রম করেছে বলে তাঁরা মনে করেন। এখন তাদের সঙ্গে বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের সমঝোতার সুযোগ নেই। তাঁর ভাষায়, ‘এখন শুধু প্রতিরোধ হবে।’ তিনি আরও বলেন, ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও ফ্যাসিবাদ প্রশ্নে বাংলাদেশের জনগণ, সরকার, বিরোধী দল ও নাগরিক সমাজের উচিত সব অস্পষ্টতা দূর করে স্পষ্ট অবস্থান নেওয়া। বিশেষ করে আওয়ামী লীগকে ফ্যাসিবাদী সন্ত্রাসী দল হিসেবে ঘোষণা এবং এ বিষয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ ও যুক্তরাষ্ট্রের মাধ্যমে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের মাটি ব্যবহার করে আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন বলে অভিযোগ তুলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কাছে জবাবদিহি দাবি করেন তিনি। নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তার প্রতিবাদ, আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দমন, ভারতীয় হাইকমিশনারের কথিত অপতৎপরতা বন্ধ এবং ভারতের সঙ্গে সম্পাদিত সব অধীনতামূলক চুক্তি বাতিলের দাবিতে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ শামসুদ্দিন, সহকারী সদস্যসচিব গালীব ইহসান ও আব্দুস সালাম, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের নেতা খাইরুল ইসলাম এবং বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক আবদুল ওয়াহেদ। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন নবাব সলিমুল্লাহ একাডেমির চেয়ারম্যান মো. আবদুল জব্বার, জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. সাইদুল ইসলাম ও সাকিব সামিন এবং বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের সহকারী সদস্যসচিব মো. আরিফুল ইসলামসহ অন্য নেতাকর্মীরা।
আগামী প্রজন্মের জন্য বিশুদ্ধ বাতাস ও আল্লাহকে রাজিখুশি করতে সদকায়ে জারিয়া হিসেবে ৩৪ বছর ধরে নিজ উদ্যোগে পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করে নার্সারি স্থাপনের মধ্যদিয়ে সরকারি রাস্তার পাশে নানা ধরনের গাছের চারা লাগিয়ে আলোচনায় আসা ভোলার সেই মসজিদের ইমাম রেজাউল কিবরিয়া বাবুলের (৬০) ব্যতিক্রমী এই কর্মকাণ্ডের খবর পৌঁছে গেছে দেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করেন তিনি। এর আগে, গত ২০ সেপ্টেম্বর '৩৪ বছর ধরে নিজ উদ্যোগে গাছ লাগিয়ে গ্রামের চিত্র বদলে দিলেন ইমাম' শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয় ঢাকা পোস্টে। অন্যান্য গণমাধ্যমেও তাকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে রেজাউল কিবরিয়া বাবুল বলেন, সচিবালয়ে প্রায় ১ ঘণ্টার মতো আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সব জেনেছেন এবং জেনে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। পরে তিনি ধন্যবাদ জানান। এছাড়া সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তার বাড়ি ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ওমরপুর ইউনিয়নে। তিনি স্থানীয় জনতা বাজার-সংলগ্ন কালাপানিয়া বাইতুল মামুর জামে মসজিদের ইমাম, এই মসজিদেই দুই যুগ ধরে ইমামতি করছেন তিনি। সেখানকার সম্ভ্রান্ত মাস্টার তোফায়েল আহমেদ সেক্রেটারির আট ছেলে-মেয়ের মধ্যে তিনি চার নম্বর। তার স্ত্রী ও দুই ছেলে-মেয়ে রয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়,পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এবং ইহকাল ও পরকালে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশে প্রায় তিন যুগ ধরে মসজিদে ইমামতির পাশাপাশি সরকারি রাস্তার পাশে নানা ধরনের বৃক্ষরোপণ করে আসছেন তিনি। ইতোমধ্যে বদলে দিয়েছেন চরফ্যাশন উপজেলার ওমরপুর ইউনিয়নের বাউল সড়কের দুপাশের চিত্র। তার এ ব্যতিক্রমী কর্মকাণ্ড শুরু হয়েছিল ১৯৯৩-৯৪ সালে ৮ লাখ টাকায় পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করে স্থানীয় ভূইয়ারহাটে গাছের নার্সারি স্থাপনের মধ্য দিয়ে। সে সময়ে মাইকে ঘোষণা দিয়ে মানুষকে বিভিন্ন গাছের চারা দিয়েছেন এবং গাছ লাগানোর জন্য উদ্ধুদ্ধও করেছেন, সেখান থেকেই শুরু। এ পর্যন্ত প্রায় ৫০-৬০ হাজার ফলদ ওষুধিসহ অন্যান্য গাছের চারা লাগিয়েছেন। এরমধ্যে শুধু তাল গাছের বীজই রয়েছে প্রায় ২৫-৩০ হাজার। তবে নানান কারণে সব গাছ টিকিয়ে রাখতে পারেননি তিনি। স্থানীয় ওমরপুর ইউনিয়নের বাউল সড়ক ছাড়াও আরও চারটি সড়কে গাছ লাগিয়ে যাচ্ছেন তিনি।
মামুন শাহরিয়ার জাতীয় সাপ্তাহিক বর্তমান সময়ের বাংলাদেশ-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে রাজধানীর পুরান ঢাকায়। ঐতিহ্যবাহী লালবাগ কেল্লার বিপরীতে লালবাগ ওয়াটার গার্ডেন রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড কনভেনশন হলে সন্ধ্যা ৭টায় জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠান শুরু হয়। পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানটি সমাপনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে শেষ হয়। পত্রিকাটির প্রকাশক ও সম্পাদক কাজী আব্দুস সামাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মো: মামুন শাহরিয়ার। প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত ছিলেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব হামিদুর রহমান হামিদ,উপস্থিত ছিলেন জাতীয় প্রেসক্লাবের স্থায়ী সদস্য ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক কামাল চৌধুরী এবং দেশ- বিদেশ খ্যাত ল্যাপারোস্কপি সার্জন অধ্যাপক ডা. আনহারুর রহমান। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপি নেতা তাসাদ্দেক হোসেন বাবলু, ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপি নেতা হাজী শফিউদ্দিন আহমেদ সেন্টু, ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপি নেতা সাঈদ হাসান মিন্টু, বাংলাদেশ মনিহারি বণিক সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি হাজী মো. সাবের, ওল্ড ঢাকা ইয়ুথ ক্লাবের সভাপতি হাজী মোঃ রাশেদ হাসান এবং আলাউদ্দিন আগ্রো ফুড প্রোডাক্টের কর্ণধার হাজী মোঃ মারুফ আহমেদ আপেল। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সাংবাদিক অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী সদস্য ও বিভিন্ন পত্রিকার সাংবাদিকরাও উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বর্তমান সময়ের বাংলাদেশ-এর সাফল্য কামনা করেন এবং ভবিষ্যতে পত্রিকাটির উত্তরোত্তর উন্নতি আশা করেন। পরে কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি, সম্পাদক ও প্রধান সম্পাদকসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।অনুষ্ঠানের সম্পাদক ও প্রকাশকের মাতাকে শ্রেষ্ঠ মা ও পত্রিকার প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।