Breaking news

অপরাধ

অক্টোবর ২৫, ২০২৬

  জামালপুরের বকশীগঞ্জে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২১৭ বোতল ভারতীয় মদ ও একটি মোটরসাইকেল জব্দ করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি-১)। এ ঘটনায় ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকসহ পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। শনিবার রাতে বকশীগঞ্জ উপজেলার ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের বৈষ্ণবপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মদ জব্দ করা হয়। উদ্ধার করা এসব মদের আনুমানিক বাজারমূল্য ৬ লাখ ৭৩ হাজার টাকা। পরে আটক ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লাউচাপড়া এলাকা থেকে আরো একজনকে আটক করে ডিবি পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৈষ্ণবপাড়া গ্রামের সুজাত মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে চারজনকে আটক করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লাউচাপড়া এলাকা থেকে আরো একজনকে আটক করা হয়। অভিযানে ভারতীয় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ২১৭ বোতল মদ জব্দ করা হয়। এ ছাড়া ১৫০ সিসির একটি সুজুকি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে। আটককৃতরা হলেন—ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আমান উল্লাহ আমান উদয় (২৭), বৈষ্ণবপাড়া গ্রামের সুজাত মিয়া (৩৭) ও মো. সিফাত (২০), গাজীপুরের মো. রুবেল মিয়া (২৭) এবং বকশীগঞ্জের নিলক্ষিয়া মির্ধাপাড়া গ্রামের মো. ফুরকান হোসেন (১৯)। রোববার দুপুরে আটক ব্যক্তিদের জামালপুর আদালতে পাঠানো হয়। পরে আদালত আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এ বিষয়ে জামালপুরের পুলিশ সুপার মোছা. ফারহানা ইয়াসমিন বলেন, ‘মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে জামালপুর জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। মাদক কারবারি যত প্রভাবশালীই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। সীমান্ত দিয়ে মাদক অনুপ্রবেশ ও এর সঙ্গে জড়িত পুরো চক্রকে আইনের আওতায় আনতে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

২১৭ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ, ছাত্রদল নেতাসহ আটক ৫
নির্বাচনী ইশতেহারের ৭৩ শতাংশ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেছি: রাকসু ভিপি

  এবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (রাকসু) নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ৩৫ বছর পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পেয়েছিল তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধি। দায়িত্ব নেওয়ার পর এক বছর পূর্তির দ্বারপ্রান্তে এসে নিজেদের প্রতিশ্রুতি ও কাজের হিসাব তুলে ধরছেন রাকসু নেতারা। নানা উদ্যোগের পাশাপাশি ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো কতটা বাস্তবায়ন হয়েছে—তা নিয়েও রয়েছে নানা আলোচনা–সমালোচনা ও প্রশ্ন। দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা, অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও অপূর্ণ প্রতিশ্রুতি নিয়ে মুখোমুখি হয়েছেন রাকসু সহ–সভাপতি (ভিপি) মোস্তাকুর রহমান জাহিদ। মোস্তাকুর রহমান জাহিদ, কোন জনপ্রিয় নেতা হওয়ার জন্য না, আমি অনেক বড় নেতা হব; এমন উদ্দেশ্যও না। আমার উদ্দেশ্য হচ্ছে অনেক শিক্ষার্থী না খেয়ে থাকে এই ক্যাম্পাাসে, অনেক শিক্ষার্থী আবাসন সমস্যায় আছে তাদের সমস্যাগুলো সমাধান করতে না পারা পর্যন্ত আমার শান্তি হচ্ছে না এবং আমি যেন এই বাকি সময়ের মধ্যে এই সমস্যাগুলো সমাধান করতে পারি। অনেক শিক্ষার্থী এসে কান্নাকাটি করে তাদের সমস্যাগুলো সমাধান করতে পারলে আরও বেশি ভালো লাগতো। তিনি বলেন, রাকসুকে শতভাগ সফল করার জন্য আমরা চেষ্টা করছি। আমরা আমাদের ইশতেহারের ৭৩ শতাংশ কাজ সম্পূর্ণ করতে পেরেছি আরও কিছু কাজ চলমান আছে। কিছু কাজ প্রশাসনের সঙ্গে সম্পৃক্ত সেজন্য অল্প কিছু কাজ বাস্তবায়ন করা হয়তো সম্ভব হবে না। তিনি আরও বলেন, সবচেয়ে বড় সমস্যাটা আমার কাছে অনুভব হয়েছে সেটা হলো শিক্ষার্থীদের অনাবাসিক ভাতা এবং আবাসন সমস্যা, এই চ্যালেঞ্জটা দূর করতে কোটি কোটি টাকার ব্যাপার। আর একটা হলো বাংলাদেশের যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সংখ্যায় সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী আমাদের বাহিরে থাকে। প্রায় ২০ হাজারের মতো শিক্ষার্থী বাইরে থাকে। ‘এই ২০ হাজার স্টুডেন্টকে নিয়ে সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জিং মনে হয় যে এই সমস্যাটা কীভাবে সমাধান করা যায়। চাইলে হল তৈরি করাও সম্ভব না, হল করতেও কয়েকবছর সময় লাগবে। এই কয়েকবছর কীভাবে চলবে। এই সমস্যাটা সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জিং। প্রতিমাসে যদি ভাতাও দেওয়া যায় ১ হাজার করে। তবে দিলেও কয়েক কোটি টাকা লাগে, ওইটাও সরকার কোন ফান্ড থেকে দেবে? কীভাবে দেবে আমরা যোগাযোগ করছি। এই সমস্যাটাই সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জিং মনে হচ্ছে।’

খেলা

আর্জেন্টিনা ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৫ আন্তর্জাতিক হকি বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচ ফুটবল প্রেমীদের মতো হকি প্রেমীদের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ তৈরি করেছে। ইতোমধ্যে টুর্নামেন্টের কঠিন পর্ব অতিক্রম করে দুই দলই নিজেদের সেরাটা দিয়ে ফাইনালে উঠেছে। আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য এই ফাইনাল ম্যাচে উভয় দল নিজেদের সেরা পারফরম্যান্স প্রদর্শনের জন্য প্রস্তুত।   আর্জেন্টিনা দল এই টুর্নামেন্টে অসাধারণ আত্মবিশ্বাস ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। অধিনায়ক লুকাস মার্টিনেজ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আমরা টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই কঠোর পরিশ্রম করেছি। দলের সবাই একসঙ্গে কাজ করে ফাইনালে পৌঁছেছি। আমাদের লক্ষ্য স্পষ্ট — বিশ্বকাপ জিততে হবে। প্রতিটি ম্যাচের জন্য আমরা আত্মনিয়ন্ত্রণ ও মনোযোগ বজায় রেখেছি এবং আগামী ম্যাচেও তা বজায় রাখব।” আর্জেন্টিনা দলের ফিজিক্যাল ট্রেনার জানান, দল খেলোয়াড়দের ফিটনেস ও মানসিক প্রস্তুতির জন্য বিশেষ অনুশীলন চালাচ্ছে যাতে ফাইনালে তারা চাপ সামলাতে পারে।   অন্যদিকে নেদারল্যান্ডসের কোচ মাইকেল ডি ইয়ং ফাইনালের আগের প্রস্তুতি নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আমাদের দল গত কয়েক মাস ধরে কৌশলগত প্রস্তুতি নিয়েছে। খেলোয়াড়রা মানসিক ও শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আমরা চাই এই বিশ্বকাপে নিজেদের ইতিহাস গড়ে একটি শক্তিশালী ছাপ রেখে যেতে।” কোচ আরো বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধুমাত্র ফাইনালে উঠা নয়, বরং বিশ্বকাপ জয়। আমরা প্রতিপক্ষের দুর্বলতা চিহ্নিত করে নিজেদের পরিকল্পনা সাজাচ্ছি।”   বিশ্বের হকি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবারের ফাইনাল ম্যাচটি গত দশকের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ এবং ঘনিষ্ঠ প্রতিযোগিতা হতে চলেছে। উভয় দলের কৌশল, বল নিয়ন্ত্রণ ও দ্রুতগতির খেলায় যে মেধা প্রদর্শিত হয়েছে, তা ফুটবলের মতো অন্য কোনো খেলার ক্ষেত্রে বিরল। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ফাইনালে দলের মানসিক স্থিতিশীলতা ও চাপ সামলানোর ক্ষমতা বিজয় নির্ধারণে মূল ভূমিকা পালন করবে।   মাঠে উভয় দলের খেলোয়াড়রা দ্রুতগতির পাস, শক্তিশালী ডিফেন্স এবং আক্রমণাত্মক স্ট্র্যাটেজি নিয়ে মাঠ মাতানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। আর্জেন্টিনার স্ট্রাইকারের গতিবেগ এবং নেদারল্যান্ডসের মিডফিল্ডারদের কৌশলগত দক্ষতা ম্যাচে প্রধান আকর্ষণ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়াও গোলরক্ষকদের প্রতিটি সেভ এবং প্রতিপক্ষের আক্রমণ রুখে দেওয়াও ম্যাচের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।   বিশ্বজুড়ে লাখো হকি ভক্ত এই ম্যাচের সরাসরি সম্প্রচার দেখার জন্য অপেক্ষায় আছেন। অনলাইনে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ম্যাচের লাইভ স্ট্রিমিং অনুষ্ঠিত হবে এবং অনেক দেশের টেলিভিশনও সরাসরি সম্প্রচার করবে। হকি প্রেমীরা এই ম্যাচ থেকে দারুণ উত্তেজনা, দক্ষতা এবং খেলা উপভোগ করার আশা করছে।   মাঠের বাইরেও ভক্তদের জন্য বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ফ্যান জোন আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে খেলোয়াড় ও দর্শকরা একত্রে সময় কাটিয়ে খেলার আনন্দ ভাগাভাগি করবেন। এছাড়াও টুর্নামেন্ট পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা না ঘটে এবং খেলা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়।   বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে দুই দলের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করে আগামী দিনে বিশ্ব হকির নতুন ধারার রূপরেখা নির্ধারণ করা হবে। এই ম্যাচের ফলাফল আগামী দশক ধরে হকির কৌশলগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।   এই প্রতিযোগিতা বিশ্বের সর্বোচ্চ মানের হকি টুর্নামেন্ট হওয়ায় এর প্রতি ভক্তদের আগ্রহ ও উন্মাদনা সত্যিই অবিশ্বাস্য। সবাই আশা করছেন, আগামীকালের ফাইনাল হবে একটি স্মরণীয় খেলা, যেখানে স্পোর্টসম্যানশিপ, দক্ষতা ও উত্তেজনা থাকবে সর্বোচ্চ মাত্রায়।
জাতীয়

দেশজুড়ে

View more
রাজনীতি
বিশ্ব
খামেনির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নেবেন বাংলাদেশের স্পিকার
খামেনির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নেবেন বাংলাদেশের স্পিকার

  ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের আমন্ত্রণে খামেনির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দিতে তেহরান যাচ্ছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠানে অংশ নিতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদকে আমন্ত্রণপত্র পাঠিয়েছেন দেশটির স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। বাংলাদেশের স্পিকার তেহরান যাবেন, তিনি খামেনির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অংশ নেবেন। খামেনিকে শেষ বিদায় জানাতে কয়েকদিনের আয়োজন করছে ইরান। তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া শুরু হবে আগামী ৪ জুলাই। ওইদিন হবে তার প্রথম জানাজা। এরপর রাজধানীর উপকণ্ঠের কোম শহরে ৭ জুলাই হবে দ্বিতীয় জানাজা। সবশেষ ৯ জুলাই আরেকবার জানাজা শেষে তাকে দক্ষিণপূর্বাঞ্চলের মাশহাদে দাফন করা হবে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদার ইসরায়েল ইরানে যৌথ হামলা চালায়। ওই হামলার শুরুতেই পরিবারের অন্যান্য সদস্যসহ প্রাণ হারান ৮৬ বছর বয়সী আলি খামেনি। নিহত হওয়ার আগে তিনি দীর্ঘ ৩৬ বছর ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব পালন করেছেন

জুন ৩০, ২০২৬

অর্থনীতি

অপরাধ

View more
২১৭ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ, ছাত্রদল নেতাসহ আটক ৫
২১৭ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ, ছাত্রদল নেতাসহ আটক ৫
News অক্টোবর ২৫, ২০২৬ 0

  জামালপুরের বকশীগঞ্জে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২১৭ বোতল ভারতীয় মদ ও একটি মোটরসাইকেল জব্দ করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি-১)। এ ঘটনায় ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকসহ পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। শনিবার রাতে বকশীগঞ্জ উপজেলার ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের বৈষ্ণবপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মদ জব্দ করা হয়। উদ্ধার করা এসব মদের আনুমানিক বাজারমূল্য ৬ লাখ ৭৩ হাজার টাকা। পরে আটক ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লাউচাপড়া এলাকা থেকে আরো একজনকে আটক করে ডিবি পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৈষ্ণবপাড়া গ্রামের সুজাত মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে চারজনকে আটক করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লাউচাপড়া এলাকা থেকে আরো একজনকে আটক করা হয়। অভিযানে ভারতীয় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ২১৭ বোতল মদ জব্দ করা হয়। এ ছাড়া ১৫০ সিসির একটি সুজুকি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে। আটককৃতরা হলেন—ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আমান উল্লাহ আমান উদয় (২৭), বৈষ্ণবপাড়া গ্রামের সুজাত মিয়া (৩৭) ও মো. সিফাত (২০), গাজীপুরের মো. রুবেল মিয়া (২৭) এবং বকশীগঞ্জের নিলক্ষিয়া মির্ধাপাড়া গ্রামের মো. ফুরকান হোসেন (১৯)। রোববার দুপুরে আটক ব্যক্তিদের জামালপুর আদালতে পাঠানো হয়। পরে আদালত আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এ বিষয়ে জামালপুরের পুলিশ সুপার মোছা. ফারহানা ইয়াসমিন বলেন, ‘মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে জামালপুর জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর। মাদক কারবারি যত প্রভাবশালীই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। সীমান্ত দিয়ে মাদক অনুপ্রবেশ ও এর সঙ্গে জড়িত পুরো চক্রকে আইনের আওতায় আনতে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

মুগদায় তরুণীর নামে ভুয়া আইডি খুলে অপপ্রচার ও হুমকির অভিযোগ
মুগদায় তরুণীর নামে ভুয়া আইডি খুলে অপপ্রচার ও হুমকির অভিযোগ
News অক্টোবর ২৫, ২০২৬ 0

    নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা রাজধানীর মুগদা থানাধীন দক্ষিণ মান্ডা এলাকায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া পরিচয়ে ব্যক্তিগত ছবি ও তথ্য বিকৃত করে প্রকাশ, অশালীন মন্তব্য এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে মুগদা থানার অফিসার ইনচার্জের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন প্রিয়া চৌধুরী (২৪) নামে এক তরুণী। অভিযোগপত্রে প্রিয়া চৌধুরী উল্লেখ করেন, গত ২৪ অক্টোবর ২০২৪ থেকে অথবা অভিযোগে বর্ণিত সময় অনুযায়ী, অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর নাম ও ছবি ব্যবহার করে ভুয়া পরিচয় তৈরি করেন। তাঁর দাবি, ‘kasem k’ ও ‘investigation’ নামের দুটি ফেসবুক আইডি থেকে তাঁর ব্যক্তিগত ছবি ও তথ্য বিকৃত করে আপত্তিকর, অশালীন ও মানহানিকর পোস্ট ও মন্তব্য প্রকাশ করা হচ্ছে। লিখিত অভিযোগে তিনি আরও দাবি করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে তাঁকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি মানসিক চাপের পাশাপাশি নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন। প্রিয়া চৌধুরীর ভাষ্য অনুযায়ী, এসব কর্মকাণ্ডের ফলে তাঁর সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হচ্ছে এবং স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হচ্ছে। অভিযোগের সমর্থনে তিনি স্ক্রিনশট, সংশ্লিষ্ট ফেসবুক আইডির লিংকসহ বিভিন্ন ডিজিটাল তথ্যপ্রমাণ সংযুক্ত করেছেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ রয়েছে। এ অবস্থায় অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্ত, প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য পুলিশের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি। তদন্তের দাবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে কারও ব্যক্তিগত ছবি বিকৃত করা, অনুমতি ছাড়া তা প্রকাশ এবং হুমকি দেওয়ার অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট আইডির তথ্য, পোস্টের লিংক, স্ক্রিনশট ও অন্যান্য ডিজিটাল আলামত পরীক্ষা করা যেতে পারে। একই সঙ্গে অভিযোগকারী ও অভিযুক্ত—উভয় পক্ষের বক্তব্য এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য যাচাই করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। তবে অভিযোগে উল্লিখিত ব্যক্তিদের পরিচয়, ঘটনার সত্যতা এবং অপরাধে সংশ্লিষ্টতা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। এ বিষয়ে মুগদা থানা পুলিশের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

আওয়ামী লীগর সাবেক মন্ত্রীর আত্মীয় পরিচয়ে চাকরি পাওয়া মাসুম বিল্লাহ এখন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে
আওয়ামী লীগর সাবেক মন্ত্রীর আত্মীয় পরিচয়ে চাকরি পাওয়া মাসুম বিল্লাহ এখন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে
News অক্টোবর ২৫, ২০২৬ 0

  ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-২-এর চলতি দায়িত্বে থাকা নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুম বিল্লাহর পদায়ন ও দুর্নীতি ঘিরে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমুর আত্মীয় পরিচয়ে চাকরি পাওয়া মাসুম বিল্লাহর এখন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ স্থাপনার সার্বিক দায়িত্বে। এমন একটি স্পর্শকাতর জায়গায় তার পদায়ন পক্ষান্তারে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা। অভিযোগ রয়েছে, ৩৩তম বিসিএস ক্যাডারের এই কর্মকর্তা নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে এবং লটারির ক্যাটাগরির মানদণ্ড বদলে কাঙ্ক্ষিত পদায়ন হাতিয়ে নিয়েছেন। গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (সংস্থাপন) সরোয়ার জাহান বিপ্লবকে তিন কোটি টাকা ঘুষ দিয়ে মাসুম বিল্লাহ এই বদলি বাগিয়ে নেন বলে চাউর হয়েছে। এমনকি অগ্রিম অর্থ লেনদেনের একটি স্পর্শকাতর ভিডিওচিত্র দৈনিক মানব কথার হাতে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে। এর আগে ২০১৬ সালে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি পেয়ে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা ও সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমুর আত্মীয় পরিচয়ে প্রথম পদায়ন হিসেবে নগর গণপূর্ত বিভাগে স্টাফ অফিসার হিসেবে যোগ দেন মাসুম বিল্লাহ। সেখান থেকেই শুরু হয় তার দ্রুত ধনকুবের হয়ে ওঠার গল্প। নগর গণপূর্ত বিভাগে দায়িত্ব পালনকালে টেন্ডার ও ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণ করতেন মাসুম বিল্লাহ। গোপালগঞ্জের ছাত্রলীগ ক্যাডার দীন ইসলামের মালিকানাধীন এস এ এন্টারপ্রাইজসহ ক্ষমতাসীন দলের নিজস্ব ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে অনিয়মের মাধ্যমে কাজ পাইয়ে দিয়ে এক থেকে দুই শতাংশ হারে কমিশন বাণিজ্য চালান তিনি। তিনটি অর্থবছরে শুধু এই খাত থেকেই প্রায় দুই কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। পরবর্তীতে উপবিভাগীয় প্রকৌশলী (এসডিই) হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে মিরপুর উপবিভাগ-২-এ দায়িত্ব নেওয়ার পর পাইকপাড়া অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পসহ বিভিন্ন প্রকল্পে ভুয়া বিল-ভাউচার ও অগ্রিম অর্থ প্রদানের মাধ্যমে তৎকালীন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের যোগসাজশে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন। এর চার বছর পর আমির হোসেন আমুর সুপারিশে শের-ই-বাংলা নগর ৩ নম্বর উপবিভাগে পদায়ন পেয়ে পরোক্ষ ঠিকাদারি ও ঘুষ বাণিজ্যে তিনি আরও লাগামহীন হয়ে পড়েন। অনুসন্ধানে দেখা যায়, ঝালকাঠির রাজাপুরের কাঠিরপাড়া গ্রামে একসময় মাসুম বিল্লাহদের একটি সাধারণ ভাঙা টিনের ঘর ছিল। তবে গণপূর্ত অধিদপ্তরের চাকরিতে যোগ দিয়ে রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অল্প সময়েই অলৌকিক আলাদিনের চেরাগ হাতে পান তিনি। নিজের গ্রামের বাড়িতে গড়ে তোলেন বিপুল সম্পদ। ২০২৪ সালের ২৮ মার্চ থেকে শুরু করে ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও কোটি টাকার বিনিময়ে স্বমহিমায় একই চেয়ারে টিকে আছেন এই কর্মকর্তা। এতে এতদিন ধরে বঞ্চিত ও শোষিত প্রকৌশলী এবং ঠিকাদারদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। অনতিবিলম্বে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে ক্ষুব্ধ বঞ্চিতদের রোষানলে পড়ে অপ্রীতিকর কোনো ঘটনা ঘটলে তার দায়ভার বর্তমান গণপূর্ত প্রশাসনকেই নিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বৈষম্যবিরোধী প্রকৌশলী। ইতোমধ্যে মাসুম বিল্লাহর ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের নানা অভিযোগ দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) জমা পড়েছে। সম্প্রতি দুদক মাসুম বিল্লাহ, তার বড় ভাই শফিউল বসর ও স্ত্রী নাইমা আক্তার সুমার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অনুসন্ধান শুরু করেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা যায়, বিগত সরকারের আমলে এই পরিবারটি নির্বাচনে বিপুল অর্থ ঢালত এবং তাদের বাড়িতে সবসময় নগদ টাকা ও সোনা মজুত থাকত। এমনকি গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতন ও দেশত্যাগের আগে অনেক আওয়ামী লীগ নেতা তাদের বাড়িতে কোটি কোটি টাকা গচ্ছিত রেখে যান। গত ২০২৪ সালের ৫ অক্টোবর রাতে তাদের বাড়িতে এক ডাকাতির ঘটনায় ১৫ থেকে ২০ কোটি টাকা এবং কয়েকশত ভরি সোনা লুট হয় বলে গ্রামবাসীরা জানান। কিন্তু অর্থের বৈধ উৎস না থাকায় থানায় লিখিত এজাহারে তারা মাত্র ১৩ ভরি সোনা, ৭ লাখ ৫৭ হাজার টাকা ও চারটি মোবাইল ফোন চুরির কথা উল্লেখ করে প্রকৃত তথ্য গোপন করেন। আওয়ামী লীগ আমলে ক্ষমতার দাপট ও বিপুল অর্থের বিনিময়ে সব অভিযোগ ধামাচাপা দিলেও বর্তমানে তার একের পর এক অপকর্ম প্রকাশ পাচ্ছে। এ বিষয়ে ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-২-এর নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুম বিল্লাহর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি সব অভিযোগ পাশ কাটিয়ে দাবি করেন, তার এই সংবেদনশীল স্থানে পদায়ন ও দায়িত্বের বিষয়ে এনএসআই এবং ডিজিএফআই অবগত রয়েছে।

গণপূর্তে একদিনে ২৭ টেন্ডারের চুক্তি, পরদিনই বিল দেওয়ার অভিযোগ
গণপূর্তে একদিনে ২৭ টেন্ডারের চুক্তি, পরদিনই বিল দেওয়ার অভিযোগ
News অক্টোবর ২৫, ২০২৬ 0

  কিশোরগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, ঘুষ-বাণিজ্য, স্বেচ্ছাচারিতা ও সরকারি অর্থ আত্মসাতসহ অন্তত ১০ ধরনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন জেলার ১৪ জন ঠিকাদার। গত ২১ সেপ্টেম্বর গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর কাছে ১৪ জন ঠিকাদারের সই করা লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। একই ধরনের অভিযোগ দেওয়া হয়েছে কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসকের কাছেও। এতে বলা হয়, প্রায় তিন বছর ধরে নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও স্বেচ্ছাচারিতাসহ নানা অবৈধ কাজে জড়িত ছিলেন। এক দিনে ২৭ টেন্ডারের চুক্তি, পরদিন বিল ঠিকাদারদের অভিযোগ, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এলটিএম (লিমিটেড টেন্ডারিং মেথড) পদ্ধতিতে কাজ দেওয়ার নির্দেশনা থাকলেও নির্বাহী প্রকৌশলী অন্তত ৩৫টি কাজ ওটিএম (ওপেন টেন্ডারিং মেথড) পদ্ধতিতে করেছেন। যেখানে প্রায় ৮০ শতাংশ কাজ এলটিএমে করার কথা, সেখানে অধিকাংশ কাজই ওটিএমে করা হচ্ছে। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, এসব টেন্ডারের বিজ্ঞপ্তি পত্রিকায় প্রকাশ না করে পছন্দের কয়েকজন ঠিকাদারের মধ্যে কাজ ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। এলটিএমে যেখানে ৬০ থেকে ৭০ জন ঠিকাদার অংশ নেন, সেখানে ওটিএমে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা পাঁচ থেকে সাত জনে নেমে আসে। ঠিকাদারদের অভিযোগের সবচেয়ে গুরুতর একটি ঘটনা কিশোরগঞ্জ মডেল মসজিদের ২৭টি কাজ নিয়ে। অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২১ জুন এসব কাজের জন্য ওটিএম টেন্ডার আহ্বান করা হয়। পরদিন ২২ জুনই চুক্তিপত্র সম্পন্ন করা হয়। এর পরদিন ২৩ জুন কাজের বিলের চেক দেওয়া হয়। ২৭টি কাজই পাঁচজন পছন্দের ঠিকাদারকে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, এভাবে টেন্ডার প্রক্রিয়া সীমিত করে দেওয়ায় প্রতিযোগিতা কমেছে এবং সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে। আগের অর্থবছরেও একই অভিযোগ ২০২৫-২৬ অর্থবছরেও পিপিআর অনুসরণ না করে এলটিএমের পরিবর্তে ওটিএম পদ্ধতিতে কাজ ভাগ করে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন ঠিকাদারেরা। তাদের দাবি, নির্বাহী প্রকৌশলীর পছন্দের ঢাকা ও কিশোরগঞ্জের কয়েকজন ঠিকাদারকে এসব কাজ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ওই অর্থবছরে এপিপিভুক্ত কাজের বিল পরিশোধ না করে ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে টাকা উত্তোলনেরও অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগে আরও দাবি করা হয়েছে, এসব অনিয়মের মাধ্যমে অর্জিত অর্থ দিয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী তার নিজ জেলা নাটোরে দুটি বাড়ি নির্মাণ করেছেন। সরকারি বাসা সংস্কারে অনিয়ম কিশোরগঞ্জে যোগ দেওয়ার পর সরকারি বাসা সংস্কারের ক্ষেত্রেও অনিয়মের অভিযোগ করেছেন ঠিকাদারেরা। তাদের দাবি, ঠিকাদারদের কাছ থেকে পাঁচ শতাংশ করে ‘সিকিউরিটি’ নেওয়া হয়েছে এবং এভাবে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। চলতি বছর ঈদুল আজহার আগে ঢাকার এক পরিচিত ঠিকাদারের নামে নয়টি চেকের মাধ্যমে প্রায় ৪৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগও করা হয়েছে। মডেল মসজিদ, মিঠামইন শিল্পকলা একাডেমি, আইনজীবী ভবন ও বিভিন্ন থানা ভবনের কাজ পাইয়ে দেওয়া, অগ্রিম বিল পরিশোধ এবং মিঠামইন শিল্পকলার বাউন্ডারি ওয়াল ও পাইলিংয়ের অনুমোদন দেওয়ার ক্ষেত্রেও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। অফিসে অনুপস্থিতি ও সরকারি গাড়ি ব্যবহার অভিযোগকারীদের দাবি, নির্বাহী প্রকৌশলী সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিনের বেশি অফিস করেন না। তার সঙ্গে দেখা করতে গেলে প্রায়ই ‘ঢাকায় মিটিংয়ে আছেন’ বলে জানানো হয়। সরকারি গাড়ি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের অভিযোগও করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি সরকারি গাড়ি ব্যবহার করে ঢাকা ও নাটোরে যাতায়াত করেন। ২০২৫ সালের জুনের প্রথম সপ্তাহে বিদেশ ভ্রমণের জন্য ছুটি অনুমোদন না পেলেও তিনি ঢাকায় অবস্থান করেন এবং সেখানে তার ব্যক্তিগত ১০ তলা ভবন নির্মাণের কাজে সময় দেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। কোয়ার্টার সংস্কার না করায় দখলের শঙ্কা সরকারি সম্পদ রক্ষায় ব্যর্থতার অভিযোগও রয়েছে নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে। অভিযোগে বলা হয়েছে, কিশোরগঞ্জের পাট গবেষণা এলাকায় গণপূর্ত বিভাগের কোয়ার্টারে ছয়টি পরিবার বসবাস করত। বসবাসের উপযোগী রাখতে কোয়ার্টারটি সংস্কার করা প্রয়োজন হলেও তা করা হয়নি। ফলে কর্মচারীরা অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন। এতে কোয়ার্টারটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে এবং জায়গাটি বেদখল হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন ঠিকাদারেরা। ‘অভিযোগগুলো মনগড়া ও ভিত্তিহীন দাবি নির্বাহী প্রকৌশলীর’ এদিকে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কিশোরগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর। তার দাবি, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন তিনি। ঠিকাদারদের মধ্যে দু-একজন তাদের স্বার্থ হাসিলে ব্যর্থ হয়ে দীর্ঘদিন ধরে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আসছেন।’ অভিযোগগুলোর বিষয়ে অধিদপ্তর থেকে আগেও তদন্ত হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘তদন্তে এসব অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।’ ঠিকাদারদের অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত হলে অভিযোগগুলোর সত্যতা ও টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়মের বিষয়টি স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ঘুম ঠিক না হলে কী হয়? জানুন সুস্থ থাকার সহজ উপায়
ঘুম ঠিক না হলে কী হয়? জানুন সুস্থ থাকার সহজ উপায়

ঘুম শরীর ও মনের পুনরুদ্ধারের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। নিয়মিত ও পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীরের ভেতরে শুরু হয় নানা জটিলতা, যা ধীরে ধীরে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অনেকেই ঘুমকে অবহেলা করেন, অথচ সুস্থ থাকার অন্যতম চাবিকাঠি হচ্ছে ভালো ঘুম। যখন ঘুম ঠিকমতো হয় না, তখন শরীরের ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হয়ে পড়ে। এর ফলে সহজেই সর্দি-কাশি বা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। ঘুমের ঘাটতি হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে, ফলে ক্ষুধা বেড়ে যায়, যা অতিরিক্ত খাওয়া ও ওজন বৃদ্ধির কারণ হতে পারে। শুধু তাই নয়, নিয়মিত কম ঘুম মানে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, ডায়াবেটিসের ঝুঁকি অনেক গুণ বেড়ে যাওয়া। মানসিক স্বাস্থ্যের দিক থেকেও এর প্রভাব ভয়াবহ। ঘুম কম হলে মন খারাপ লাগে, মনোযোগে ঘাটতি আসে, কাজের উদ্যম কমে যায়। অনেক সময় হতাশা, উদ্বেগ ও বিষণ্নতা তৈরি হয়। শিক্ষার্থী বা কর্মজীবীদের ক্ষেত্রে এটি সরাসরি কর্মদক্ষতা কমিয়ে দেয়। তবে সুস্থ থাকার জন্য ঘুম ঠিক রাখার কিছু সহজ উপায় অনুসরণ করা যায়। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং জেগে ওঠা একটি গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস। রাতে ঘুমানোর অন্তত ১ ঘণ্টা আগে স্ক্রিন থেকে দূরে থাকা উচিত — মোবাইল, টিভি বা ল্যাপটপের আলো ঘুমের হরমোন মেলাটোনিনের ক্ষরণে বাধা দেয়। শোবার ঘরকে ঠান্ডা, অন্ধকার ও শান্ত রাখা ঘুমের মান বাড়ায়। কফি বা চা রাতের বেলা এড়িয়ে চলাই ভালো। দিনের বেলা হালকা ব্যায়াম ও সকালের রোদে কিছুক্ষণ সময় কাটানো ঘুমে সহায়তা করে। আর ঘুমানোর আগে ভারী খাবার না খাওয়াও জরুরি। ঘুমকে যদি গুরুত্ব না দেওয়া হয়, তাহলে শরীর একসময় সিগন্যাল দিতে শুরু করবে — মাথা ভার, মেজাজ খারাপ, স্মৃতিশক্তি দুর্বল ইত্যাদি নানা রকম সমস্যা দেখা দেবে। তাই সুস্থ থাকতে হলে শুধু খাদ্য, ব্যায়াম বা ওষুধ নয় — একটি পরিপূর্ণ ঘুমই হতে পারে আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ।

আয়ান তাহরিম
জুন ২৮, ২০২৫
0
দেশজুড়ে বিদ্যুৎ সংকট: জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ
দেশজুড়ে বিদ্যুৎ সংকট: জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ

বাংলাদেশে আবারও শুরু হয়েছে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের নতুন সংকট। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগ ও জেলা শহরে একটানা লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। দিনের পাশাপাশি রাতেও বিদ্যুৎ না থাকায় সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, এমনকি হাসপাতালের রোগীরাও অসহায় অবস্থার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তীব্র গরম ও অসহনীয় তাপদাহের মধ্যে বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় শিশু থেকে বৃদ্ধ, সবাই ভুগছেন। শহরাঞ্চলে ফ্যান, এসি ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গরমে হাঁসফাঁস করছেন মানুষ। অন্যদিকে গ্রামাঞ্চলে পানির পাম্প চলতে না পারায় পানির সংকটও দেখা দিয়েছে। অনেকেই অভিযোগ করছেন, দিনে প্রায় ৬-৮ বার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা আর ফিরে আসছে না। বিশেষ করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ছোট কারখানাগুলো এই বিদ্যুৎ সংকটে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ছোট দোকানদাররা জানাচ্ছেন, দীর্ঘ সময় ফ্রিজ বন্ধ থাকায় খাবারদাবার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আইটি ও অনলাইনভিত্তিক কাজেও সমস্যা হচ্ছে, কারণ ইন্টারনেট রাউটার, কম্পিউটার ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি চালাতে বিদ্যুৎ অপরিহার্য। এতে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং আয়-রোজগারে বড় ধাক্কা লাগছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) সূত্রে জানা গেছে, গ্রীষ্ম মৌসুমে চাহিদা বৃদ্ধির কারণে জেনারেশন ঘাটতি দেখা দিয়েছে। অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র গ্যাস সংকটের কারণে পুরো উৎপাদন করতে পারছে না। অন্যদিকে আমদানি নির্ভর কয়লা ও জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় ব্যয় সামাল দিতে গিয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটছে। সরকারিভাবে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি সাময়িক এবং আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে লোডশেডিং কমে আসবে। তবে সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, কতদিন এমন দুর্ভোগ চলবে? বিশেষ করে যেসব এলাকায় দিনে ৮-১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না, তাদের জন্য এ আশ্বাস কতটা কার্যকর হবে — তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সংকট দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে এবং এর সমাধানে স্বল্পমেয়াদী পদক্ষেপের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রয়োজন। বিকল্প জ্বালানি উৎস যেমন সৌর ও নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে গুরুত্ব না দিলে প্রতি বছরই এ ধরনের সংকটের পুনরাবৃত্তি হবে। এ অবস্থায় মানুষ চায় বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা ও দ্রুত সমাধান। বিদ্যুৎ বিভ্রাট যেন আর এক নিত্যকার দুর্ভোগে পরিণত না হয় — সেই প্রত্যাশাই করছে সারাদেশ।

আয়ান তাহরিম
জুন ২৮, ২০২৫
0
বন্ধুতা, সম্পর্ক ও মানসিক সুস্থতা: কীভাবে সামলাবেন ব্যস্ত জীবনে

প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যতের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এবার দেশের স্কুল পর্যায়ে রোবটিক্স শিক্ষা চালু করতে উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই পাইলট প্রকল্প হিসেবে রাজধানীসহ বিভিন্ন অঞ্চলের শতাধিক স্কুলে এ পাঠ্যক্রম চালু করা হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির বিজ্ঞান ও কারিগরি শিক্ষায় “ভূমিকা ভিত্তিক রোবটিক্স” শীর্ষক একটি সংক্ষিপ্ত সিলেবাস তৈরি করা হয়েছে। এতে থাকবে সহজ প্রোগ্রামিং, সেন্সর ব্যবহার, অটোমেশন ধারণা, এবং ছোটখাটো রোবট তৈরি ও পরিচালনার হাতে-কলমে শিক্ষা।   ভবিষ্যতের কর্মদক্ষতা গড়ে তুলতেই এই উদ্যোগ জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটির সদস্য অধ্যাপক হাফিজুর রহমান বলেন, “বৈশ্বিক শ্রমবাজারে প্রযুক্তি-ভিত্তিক দক্ষতা সবচেয়ে বেশি চাহিদাসম্পন্ন। আমাদের শিক্ষার্থীরা যাতে পিছিয়ে না পড়ে, সে জন্যই এই প্রস্তুতি।” তিনি আরও জানান, শিক্ষকদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিও হাতে নেওয়া হয়েছে যাতে তারা ক্লাসে রোবটিক্স বিষয়টি সহজভাবে তুলে ধরতে পারেন।   শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়ছে ইতোমধ্যে কিছু বেসরকারি স্কুল পরীক্ষামূলকভাবে রোবটিক্স ক্লাব পরিচালনা করছে, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। রাজধানীর একটি স্কুলের শিক্ষার্থী সানজিদা রহমান জানায়, “আমরা নিজেরাই ছোট একটি রোবট বানিয়েছি, সেটি চলতে পারে এবং নির্দেশ মানতে পারে—এটা ভীষণ রোমাঞ্চকর।”   কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে দেশীয় স্টার্টআপ এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে সহযোগিতা করছে একাধিক দেশীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান। ‘টেকল্যাবস বাংলাদেশ’ নামের একটি স্টার্টআপ ইতোমধ্যে বিভিন্ন স্কুলে লো-কোস্ট রোবটিক্স কিট সরবরাহ শুরু করেছে।   বিশেষজ্ঞদের মত প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রাথমিক স্তরে রোবটিক্স শিক্ষা ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), মেকাট্রনিক্স এবং অটোমেশন সেক্টরে দক্ষ কর্মশক্তি গড়ার ভিত্তি তৈরি করবে।

জানিফ হাসান
জুন ২৮, ২০২৫
0
শহুরে জীবনে গ্রিন লাইফস্টাইল: চাইলেই কি সম্ভব?
শহুরে জীবনে গ্রিন লাইফস্টাইল: চাইলেই কি সম্ভব?

শহুরে জীবনে গ্রিন লাইফস্টাইল: চাইলেই কি সম্ভব? শহর মানেই ব্যস্ততা, কংক্রিটের জঙ্গল, দূষিত বাতাস, এবং অনিয়ন্ত্রিত শব্দ। এই যান্ত্রিক পরিবেশে বসবাস করা মানুষ প্রতিদিন একটু সবুজ, একটু প্রশান্তি খোঁজে। তাই ‘গ্রিন লাইফস্টাইল’ বা পরিবেশবান্ধব জীবনযাপনের ধারণা শহরের মানুষদের মাঝেও ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই শহুরে বাস্তবতায় আমরা কি সত্যিই গ্রিন লাইফস্টাইল মেনে চলতে পারি? গ্রিন লাইফস্টাইল মানে শুধু গাছ লাগানো নয়। এটি একটি সামগ্রিক জীবনধারা, যেখানে প্রকৃতি ও পরিবেশের সঙ্গে সহাবস্থানের চেষ্টা থাকে। যেমন—প্লাস্টিক ব্যবহার না করা, পুনর্ব্যবহারযোগ্য জিনিস ব্যবহার করা, গাছ লাগানো, অর্গানিক খাবার খাওয়া, কম দূষণ হয় এমন বাহনে চলাচল করা, বিদ্যুৎ ও পানি সাশ্রয় করা, এমনকি নিজস্ব ছাদে সবজি চাষ করাও এর অংশ হতে পারে। কিন্তু শহরে এই সবকিছু কি সহজে করা যায়? উত্তরটা একদম সরল নয়। শহরের বাসিন্দাদের জন্য অনেক সময় জায়গার অভাব বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ফ্ল্যাটে থাকলে ছাদে বাগান করা যায় না, রান্নার সময় প্লাস্টিক প্যাকেট এড়ানোও কঠিন হয়ে পড়ে কারণ বাজারে সহজলভ্য জিনিসপত্রের বেশিরভাগই প্লাস্টিক মোড়ানো। তাছাড়া, ব্যস্ত জীবনযাপনের কারণে সময় বের করাও কঠিন হয়ে পড়ে। তবে আশার কথা হলো, ইচ্ছা থাকলে উপায় বের করা যায়। শহুরে জীবনে কিছু ছোট ছোট অভ্যাস বদলেই শুরু করা যায় সবুজ যাত্রা। যেমন ধরুন, কেউ যদি বাজারের ব্যাগ হিসেবে কাপড়ের ব্যাগ ব্যবহার করেন, বা পানির বোতল বারবার রিফিল করেন, তবুও তিনি পরিবেশ রক্ষায় অবদান রাখছেন। অফিসে যাওয়ার সময় যদি বাস বা সাইকেল ব্যবহার করা যায়, তাহলেও কার্বন ফুটপ্রিন্ট কমে। অনেক শহরেই এখন কমিউনিটি গার্ডেন, ছাদ কৃষি, সোলার প্যানেল স্থাপন, কিংবা জিরো ওয়েস্ট মুভমেন্ট জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। মানুষ নিজেরাই উদ্যোগ নিচ্ছে। ঢাকার মতো ব্যস্ত শহরেও অনেকে নিজেদের ব্যালকনিতে টব বসিয়ে ছোট পরিসরে সবজি ফলাচ্ছেন, কেউ আবার সোলার লাইট ব্যবহার করে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করছেন। তবে এই চর্চা টেকসই করতে হলে প্রয়োজন নীতিনির্ধারকদের সহায়তা। শহরের পরিকল্পনায় আরও বেশি সবুজ এলাকা, হাঁটার রাস্তা, বাইসাইকেল লেন, এবং রিসাইক্লিং ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্তি জরুরি। সরকার যদি পরিবেশবান্ধব উদ্যোগে ভর্তুকি দেয় বা সচেতনতা বাড়ায়, তাহলে মানুষ আরও সহজে গ্রিন লাইফস্টাইল গ্রহণ করতে পারবে। শহুরে জীবন যতই ব্যস্ত হোক না কেন, যদি সচেতনতা থাকে এবং ছোট ছোট পরিবর্তনগুলো বাস্তবায়ন করা যায়, তাহলে ‘গ্রিন লাইফস্টাইল’ একেবারেই অসম্ভব নয়। বরং, এটি হতে পারে একটি শান্ত, স্বাস্থ্যকর এবং টেকসই জীবনের সূচনা। আমাদের সবারই উচিত নিজ নিজ জায়গা থেকে যতটুকু সম্ভব, পরিবেশবান্ধব পন্থায় জীবনযাপন করার চেষ্টা করা। কারণ প্রকৃতি বাঁচলেই আমরা বাঁচব—এই সত্যটা আজ আরও বাস্তব হয়ে উঠেছে।

আয়ান তাহরিম
জুন ২৮, ২০২৫
0
নতুন প্রজন্মের খাদ্যাভ্যাস: ফাস্টফুড বনাম পুষ্টিকর খাবার

সময় বদলেছে, বদলে গেছে আমাদের খাবারের অভ্যাসও। বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের কাছে এখন খাবার মানেই যেন ফাস্টফুড—বার্গার, পিজ্জা, ফ্রাইড চিকেন, নুডলস বা কার্বনেটেড সফট ড্রিংকস। হেঁসেলে মায়ের রান্না করা ভাত-ডাল-সবজি কিংবা ফলমূলের প্রতি আগ্রহ অনেক কমে গেছে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিবর্তনের মূল কারণ প্রযুক্তি ও জীবনের গতি। স্মার্টফোনে স্ক্রল করতে করতে খাবারের অর্ডার দেওয়াটা এখন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অফিস কিংবা বন্ধুদের আড্ডা—সবখানেই ফাস্টফুড এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে।   ফাস্টফুডের কড়চা ফাস্টফুড খেতে যতটা আকর্ষণীয়, এর স্বাস্থ্যঝুঁকি ততটাই ভয়ের বিষয়। অতিরিক্ত তেল, চিনি ও প্রিজারভেটিভ থাকায় এসব খাবার নিয়মিত খেলে ওবেসিটি, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ এমনকি ক্যানসারের ঝুঁকিও বেড়ে যায়।   নিউট্রিশনিস্ট ডা. সাদিয়া রহমান বলেন, “নতুন প্রজন্মকে শুধু ফাস্টফুড থেকে বিরত রাখতে বললে হবে না, তাদেরকে স্বাস্থ্যকর খাবার সম্পর্কে সচেতন করতে হবে। খাবার যে শুধু পেট ভরানোর জন্য নয়, বরং সুস্থ থাকার জন্য—এই বার্তাটা পৌঁছাতে হবে।”   পুষ্টিকর খাবার কি হার মানছে?   দেশি ফলমূল, ডাল, শাকসবজি, ডিম, দুধ—এসবই আমাদের খাবারের ঐতিহ্য। কিন্তু অনেক তরুণ এখন এসবকে 'বোরিং' মনে করেন। অথচ ঠিকমতো রান্না বা পরিবেশন করলে পুষ্টিকর খাবারও হতে পারে সুস্বাদু ও আকর্ষণীয়।   শিশুদের খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে অভিভাবকদের ভূমিকাও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পরিবারে পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার সংস্কৃতি তৈরি না হলে শিশুরাও সহজেই ফাস্টফুডের প্রতি ঝুঁকে পড়ে।   সমাধান কী হতে পারে?   ১. স্কুলে পুষ্টি শিক্ষা চালু করা। ২. মিডিয়ায় সচেতনতামূলক প্রচার। ৩. হোমমেড ফাস্টফুডের বিকল্প শেখানো। ৪. পরিবারে নিয়মিত ফল ও সবজি রাখা। ৫. সাপ্তাহিক ফাস্টফুড 'ডে' নির্ধারণ করে মাত্রা বজায় রাখা।   খাদ্য শুধু স্বাদের জন্য নয়, বরং শরীর ও মনের বিকাশের জন্য। নতুন প্রজন্ম যদি এখনই নিজেদের খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনে সচেতন না হয়, তাহলে আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ হবে আরও ঝুঁকিপূর্ণ।

তাসনিম ফারাহ
জুন ২৬, ২০২৫
0
স্মার্টফোন আসক্তি বনাম মানসিক স্বাস্থ্য
স্মার্টফোন আসক্তি বনাম মানসিক স্বাস্থ্য: কিশোর-কিশোরীদের জন্য করণীয়

বর্তমান যুগে স্মার্টফোন কেবল যোগাযোগের একটি মাধ্যম নয়—এটি বিনোদন, শিক্ষা, সামাজিক যোগাযোগ, এমনকি আত্মপ্রকাশের অন্যতম প্ল্যাটফর্ম। কিন্তু যখন এই প্রযুক্তির ব্যবহার সীমা ছাড়িয়ে যায়, তখন তা হয়ে ওঠে আসক্তি, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে কিশোর-কিশোরীদের মানসিক স্বাস্থ্য ও সামাজিক জীবনে।   📉 কীভাবে স্মার্টফোন আসক্তি ক্ষতি করছে কিশোরদের?   ১. ঘুমের ব্যাঘাত: রাতে অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম ঘুমের সময় হ্রাস করে এবং মানসিক অবসাদ তৈরি করে। ২. মনোযোগ কমে যাওয়া: পড়াশোনা ও দৈনন্দিন কাজে মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। ৩. সামাজিক বিচ্ছিন্নতা: ভার্চুয়াল জগতে ডুবে গিয়ে বাস্তব সামাজিক সম্পর্ক দুর্বল হয়ে যায়। 4. নিজেকে নিয়ে নেতিবাচক অনুভূতি: সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের 'পারফেক্ট' জীবন দেখে হীনমন্যতা জন্ম নেয়। ৫. উদ্বেগ ও অবসাদ: প্রতি মিনিটে নোটিফিকেশন চেক করা, প্রতিক্রিয়া না পাওয়ায় উদ্বেগ বাড়ে।   ✅ কিশোর-কিশোরীদের জন্য করণীয়   ১. ডিজিটাল ডিটক্স পরিকল্পনা করুন প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় ফোন ছাড়া থাকার অভ্যাস গড়ে তুলুন। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, বই পড়া বা হাঁটতে যাওয়া হতে পারে বিকল্প। ২. স্ক্রিন টাইম নির্ধারণ করুন স্মার্টফোনের সেটিংসে গিয়ে দৈনিক স্ক্রিন টাইম সীমাবদ্ধ করে দেওয়া যায়। ৩. সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে সচেতনতা সব কিছু শেয়ার না করা, অনলাইন নেতিবাচকতা থেকে দূরে থাকা, এবং আত্মমর্যাদা বজায় রাখা জরুরি। ৪. শখ ও সৃজনশীল কাজে মনোযোগ দিন ড্রইং, গান, লেখালেখি, খেলাধুলা বা কোনো নতুন দক্ষতা অর্জন স্মার্টফোনের বিকল্প হতে পারে। ৫. মাইন্ডফুলনেস ও মেডিটেশন অনুশীলন করুন মনের প্রশান্তি ও স্ট্রেস কমাতে ধ্যান বা মাইন্ডফুলনেস কার্যকরী ভূমিকা রাখে। ৬. অভিভাবকদের সহযোগিতা জরুরি অভিভাবকদের উচিত কিশোরদের ফোন ব্যবহার পর্যবেক্ষণ করা, কিন্তু নজরদারির চেয়ে বন্ধুর মতো আচরণ করা আরও কার্যকর।   🧠 মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন কেন গুরুত্বপূর্ণ? কিশোর বয়সে মানসিক স্বাস্থ্য সবচেয়ে নাজুক থাকে। এই সময়টাই হলো আত্মপরিচয়ের গঠনকাল। স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার আত্মবিশ্বাস নষ্ট করে দিতে পারে, তৈরি করতে পারে বিচ্ছিন্নতা ও আত্মহীনতা। তাই প্রযুক্তিকে বন্ধুর মতো ব্যবহার করলেও, সেটির দাস না হওয়াই শ্রেয়।   ✨ উপসংহার স্মার্টফোন আমাদের জীবন সহজ করেছে ঠিকই, কিন্তু অতিরিক্ত ব্যবহার কিশোর-কিশোরীদের ভবিষ্যৎকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে। তাই প্রয়োজন সচেতনতা, ভারসাম্য এবং বিকল্প অভ্যাস। কিশোরদের উচিত নিজেকে ভালোবাসা শেখা, বাস্তব জগতে সম্পর্ক গড়ার চেষ্টা করা, আর স্মার্টফোনকে যেন "সহায়ক", কিন্তু "শাসক" না বানানো।

News
জুন ২৫, ২০২৫
0

Follow us

Top week

Serbia
অর্থনীতি

সম্ভাবনার নতুন শ্রমবাজার সার্বিয়া

News অক্টোবর ১৯, ২০২৬ 0
বালিয়াডাঙ্গায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা ও ৬০টি মশারি বিতরণ
বালিয়াডাঙ্গায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা ও ৬০টি মশারি বিতরণ

  মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ  চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা  প্রতিনিধি  চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আলোচনা সভা ও বিনামূল্যে ৬০টি মশারি বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) বেলা ১১টায় বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের হলরুমে বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়ন নেটওয়ার্কের উদ্যোগে এবং সিসিডিবি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ এরিয়া অফিসের সার্বিক সহযোগিতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।   এতে ইউনিয়নের সাহসী, একতা ও সন্ধানী মহিলা ফোরামের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে অতিদরিদ্র, প্রতিবন্ধী এবং ফোরামের দরিদ্র সদস্যদের মধ্যে বিনামূল্যে মোট ৬০টি মশারি বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. তৌহিদুল ইসলাম। বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১ নম্বর বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. আতাউল হক কমল। সভায় সভাপতিত্ব করেন বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়ন নেটওয়ার্ক কমিটির সভাপতি মোছা. মাজকুরা। স্বাগত বক্তব্য দেন সিসিডিবির এরিয়া ম্যানেজার পিটার সরকার।   প্রধান আলোচকের বক্তব্যে ডা. মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা, ব্যক্তিগত সতর্কতা ও পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা অত্যন্ত জরুরি। বাড়ির আশপাশে কোথাও পানি জমতে দেওয়া যাবে না। এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন হতে হবে। ডেঙ্গুর লক্ষণ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। সম্মিলিত উদ্যোগ ও সচেতনতাই ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।   ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. আতাউল হক কমল বলেন, ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ সম্পর্কে জানা, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি ও সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। আলোচনা সভা শেষে এলাকার অসহায়,   দরিদ্র ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ডেঙ্গু থেকে সুরক্ষার লক্ষ্যে অতিথিরা তাদের হাতে মশারি তুলে দেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সিসিডিবির প্রোগ্রাম অফিসার লিটন বাড়ৈ। কর্মসূচির সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন সিসিডিবি, চাঁপাইনবাবগঞ্জের সমাজ সংগঠক সিনথিয়া বায়েন। এ সময় সংশ্লিষ্ট মহিলা ফোরামগুলোর সভানেত্রী ও সদস্যদের পাশাপাশি সিসিডিবির কর্মকর্তা গিরীশ চন্দ্র বর্মন ও রাজীব বৈদ্য উপস্থিত ছিলেন।

News
অক্টোবর ১৭, ২০২৬
0
১৯২ নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিচালনায় ৪১ কোটি টাকা চায় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ
১৯২ নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিচালনায় ৪১ কোটি টাকা চায় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ

  দেশের ১২টি সিটি করপোরেশন ও ২৩টি পৌরসভার অধীন ১৯২টি আরবান প্রাইমারি হেলথকেয়ার সেন্টার পরিচালনায় ৪১ কোটি ৩৮ লাখ ৫০ হাজার ৬ টাকা বরাদ্দ চেয়েছে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে এসব স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পরিচালন ব্যয় মেটাতে এ অর্থ চাওয়া হয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের বাজেট-১ শাখা থেকে গত ১২ অক্টোবর অর্থ বিভাগের সচিবের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এ বরাদ্দ চাওয়া হয়। চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব সুশীল কুমার পাল। চিঠি সূত্রে জানা গেছে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীন পরিচালিত ১২টি সিটি করপোরেশন ও ২৩টি পৌরসভার ১৯২টি আরবান প্রাইমারি হেলথকেয়ার সেন্টার স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট সিভিল সার্জনদের মাধ্যমে এসব কেন্দ্র বুঝে নিয়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোর কর্মীদের বেতন-ভাতা, ওষুধ, চিকিৎসা ও শল্যচিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ এবং প্রশাসনিক ব্যয় নির্বাহে এ অর্থ ব্যয় করা হবে। এ জন্য ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত নয় মাসের সম্ভাব্য পরিচালন ব্যয়ের হিসাব করে বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। চিঠিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ের অনুকূলে প্রাতিষ্ঠানিক কোড সৃষ্টির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দ দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। বরাদ্দ করা অর্থ সংশ্লিষ্ট সিভিল সার্জনদের অনুকূলে অথরাইজেশনের মাধ্যমে ন্যস্ত করার পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এ অবস্থায় ১৯২টি নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পরিচালন ব্যয় নির্বাহে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের জন্য অর্থ বিভাগের সচিবকে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ।

News
অক্টোবর ১৫, ২০২৬
0
শিক্ষার্থীদের খাবার প্রত্যাখ্যান, চুয়েট ভিসির জন্য খাবার আনা হলো ডিবি পুলিশের মাধ্যমে
শিক্ষার্থীদের খাবার প্রত্যাখ্যান, চুয়েট ভিসির জন্য খাবার আনা হলো ডিবি পুলিশের মাধ্যমে

    চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) ২৭ ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ থাকা ভিসি অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম শিক্ষার্থীদের পাঠানো খাবার গ্রহণ করেননি। তবে তিনি ডিবি পুলিশের মাধ্যমে বাইরে থেকে নিজের জন্য খাবার আনিয়েছেন। শিক্ষার্থীরাও সেই খাবার তার কাছে পৌঁছে দিয়েছেন। অপরদিকে, ভিসি নিজেকে অসুস্থ দাবি করলে দুজন চিকিৎসক তার রক্তচাপ পরীক্ষা করে ভিন্নমত দিয়েছেন। এ নিয়ে চুয়েট ক্যাম্পাসে বিতর্ক শুরু হয়েছে। ভিসিকে অসুস্থ দাবি করা চিকিৎসককে ঘিরে ধরেন আন্দোলনকারীরা। পরে দুজন চিকিৎসককে একই সঙ্গে ভিসির শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা করার জন্য ভেতরে পাঠান তারা। মঙ্গলবার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী শাহরিয়ার হিশাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, চুয়েটের মেডিকেল সেন্টারের চিকিৎসক ডা. শাহাবুদ্দিন জানিয়েছেন, ভিসির শরীর সুস্থ রয়েছে এবং তার কোনো চিকিৎসার প্রয়োজন নেই। তার রক্তচাপও স্বাভাবিক রয়েছে; তবে কিছুটা সাফোকেশনে ভুগছেন। অপরদিকে, রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে আসা ডা. টিবলু দে জানিয়েছেন, ভিসি শেখ শরীফুল আলমের রক্তচাপ স্বাভাবিক মাত্রায় নেই। তার বর্তমান রক্তচাপ ১০০/১৫০। তাই তার চিকিৎসার প্রয়োজন রয়েছে। আন্দোলনকারীরা জানান, সকাল থেকে নাশতাসহ বিভিন্ন ধরনের খাবার পাঠানো হলেও ভিসি তা গ্রহণ করেননি। তিনি ডিবি পুলিশের মাধ্যমে খাবার আনিয়েছেন। তবে মানবিক দিক বিবেচনা করে অবরুদ্ধ ভবনের পানির সংযোগ চালু রাখা হয়েছে। চুয়েটের ইটিই বিভাগের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার হিশাম বলেন, ‘ভিসি বাইরের খাবার খাচ্ছেন, তাতে আমাদের কোনো সমস্যা নেই। আমরাও সেই খাবার পৌঁছাতে সহযোগিতা করেছি। তিনি শারীরিকভাবে সুস্থই রয়েছেন।’

News
অক্টোবর ১৩, ২০২৬
0
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান

  ​মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি ​চাঁপাইনবাবগঞ্জ ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে গঠিত ৮টি টিম পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ  মঙ্গলবার   ৬ অক্টোবর  ২০২৬,  বিকেলে ৮নং টিমের আওতায় পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের মাঝপাড়া বালিগ্রাম গোরস্থান সংলগ্ন   ও আশপাশের এলাকায় মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়েছে।​মশক নিধন ও লার্ভা ধ্বংস: ৬নং ওয়ার্ডের মাঝপাড়া  এলাকায় ফগার মেশিনের সাহায্যে মশার ওষুধ ছিটানো হয় এবং ডেঙ্গুর সম্ভাব্য প্রজননস্থল ধ্বংস করা হয়।​জনসচেতনতা বৃদ্ধি স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখার গুরুত্ব তুলে ধরে লিফলেট বিতরণ এবং মাইকিং করা হয়।​   অভিযানে নেতৃত্ব দেন টিম লিডার কর নির্ধারক মো. এনামুল হক, পৌর কর্মচারী সংসদের সেক্রেটারি মোঃ আব্দুল আজিজ খাঁন, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মো.নওরোজ হুদা। এছাড়াও অভিযানে স্কাউট ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যবৃন্দ এবং পৌরসভার-কর্মচারী  অন্যান্যরা সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। ​অভিযান শেষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা ও পরিচ্ছন্নতার কোনো বিকল্প নেই। এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা গেলেই কেবল ডেঙ্গুর বিস্তার রোধ করা সম্ভব। তাই নিজ নিজ বাড়ি এবং আশপাশের এলাকা সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য সকলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়।

News
অক্টোবর ৬, ২০২৬
0
ইশরাক হোসেনের নেতৃত্বে সূত্রাপুর ও কোতোয়ালিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম
ইশরাক হোসেনের নেতৃত্বে সূত্রাপুর ও কোতোয়ালিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম

  ডেঙ্গু মশা নিধন ও নগরী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেওয়া তিন মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঢাকা-৬ আসনের বিভিন্ন এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেনের নেতৃত্বে সূত্রাপুর ও কোতোয়ালি এলাকায় বিভিন্ন সড়ক ও ড্রেন পরিষ্কার করা হয়েছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) সূত্রাপুর থানার ৪৩ নম্বর ওয়ার্ড এবং কোতোয়ালি থানার ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এ সময় প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন নিজে ময়লা পরিষ্কার করেন এবং ড্রেন পরিষ্কারের কাজে অংশ নেন। ঢাকা-৬ আসনের আওতাধীন এসব এলাকায় ডেঙ্গুর প্রজননস্থল যাতে তৈরি না হয়, সে জন্য সড়ক, ড্রেন ও আশপাশের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে স্থানীয় বিভিন্ন সড়ক ও ড্রেনের জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার করা হয়। ইশরাক হোসেনের নেতৃত্বে ঢাকা-৬ আসনের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ধারাবাহিকভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এর মাধ্যমে নগরীর পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি ডেঙ্গু মশার বিস্তার রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেওয়া তিন মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঢাকা-৬ আসনের বিভিন্ন এলাকায় এ কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে পরিচালিত হবে।

News
অক্টোবর ৫, ২০২৬
0
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৬নং ওয়ার্ডে  ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৬নং ওয়ার্ডে  ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান

  ​মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি ​চাঁপাইনবাবগঞ্জ ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে গঠিত ৮টি টিম পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ রবিবার  ৪ অক্টোবর  ২০২৬,  বিকেলে ৮নং টিমের আওতায় পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের শান্তি মোড়, রামকৃষ্টপুর  ও এর আশপাশের এলাকায় মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়েছে।​মশক নিধন ও লার্ভা ধ্বংস: ৬নং ওয়ার্ডের রামকৃষ্টপুর এলাকায় ফগার মেশিনের সাহায্যে মশার ওষুধ ছিটানো হয় এবং ডেঙ্গুর সম্ভাব্য প্রজননস্থল ধ্বংস করা হয়।​জনসচেতনতা বৃদ্ধি স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখার গুরুত্ব তুলে ধরে লিফলেট বিতরণ এবং মাইকিং করা হয়।​অভিযানে নেতৃত্ব দেন টিম লিডার তথা কর নির্ধারক মো. এনামুল হক, পৌর কর্মচারী সংসদের সেক্রেটারি মোঃ আব্দুল আজিজ খাঁন, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মো.নওরোজ হুদা। এছাড়াও অভিযানে স্কাউট ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যবৃন্দ এবং পৌরসভার-কর্মচারী  অন্যান্যরা সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। ​অভিযান শেষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা ও পরিচ্ছন্নতার কোনো বিকল্প নেই। এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা গেলেই কেবল ডেঙ্গুর বিস্তার রোধ করা সম্ভব। তাই নিজ নিজ বাড়ি এবং আশপাশের এলাকা সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য সকলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়।

News
অক্টোবর ৪, ২০২৬
0
লোকসানের বোঝা মাথায় নিয়ে আগাম আলু চাষে ব্যস্ত কৃষক
লোকসানের বোঝা মাথায় নিয়ে আগাম আলু চাষে ব্যস্ত কৃষক

  জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে গত বছরের লোকসানের ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার আশায় নতুন করে আগাম আলু চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা। অক্টোবরের মাঝামাঝি সময় থেকে শুরু হয়েছে এই আগাম জাতের আলু রোপণ। আমন ধান ও অন্যান্য ফসল কাটার পর জমি ফেলে না রেখে বাড়তি আয়ের আশায় আলু চাষ করছেন তারা। তবে বীজ, সার, জ্বালানি ও শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধিতে এবারও উৎপাদন খরচ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন কৃষকেরা। কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বছরের এই সময়ে বাজারে আলুর সরবরাহ তুলনামূলক কম থাকায় আগাম জাতের আলু ভালো দামে বিক্রির সম্ভাবনা থাকে। এই আশাতেই প্রতি বছর অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আগাম আলু চাষ শুরু করেন তারা। কিন্তু গত বছর প্রত্যাশিত দাম না পাওয়ায় অনেক কৃষককে বড় ধরনের লোকসান গুনতে হয়েছিল। সেই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতেই এবার নতুন উদ্যমে মাঠে নেমেছেন তারা। কৃষকরা জানান, আলু চাষে উৎপাদন খরচ প্রতি বছরই বাড়ছে। গত বছর যে বীজ ১ হাজার ২০০ টাকায় কেনা হয়েছিল, এবার তা কিনতে হচ্ছে ১ হাজার ৪০০ টাকায়। পাশাপাশি সার, ডিজেল বা জ্বালানি এবং শ্রমিকের মজুরিও বেড়েছে। এ ছাড়া সার সংগ্রহের ক্ষেত্রে পরিচয়পত্র ব্যবহারের বাধ্যবাধকতায় কিছু ভোগান্তির কথাও জানিয়েছেন তারা। ফলে ভালো ফলন হলেও বাজারে ন্যায্য দাম না পেলে আবারও লোকসানে পড়ার আশঙ্কা করছেন তারা। স্থানীয় কৃষক রফিকুল, গোলাম মাওলাসহ অনেকেই জানান, গত বছরের লোকসান এখনো তারা কাটিয়ে উঠতে পারেননি। তবুও জমি ফেলে না রেখে আগাম আলু চাষ করছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো ফলনের আশা করছেন তারা। তবে উৎপাদন খরচের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আলুর দাম না পেলে সেই আশা হতাশায় পরিণত হতে পারে। এদিকে, আগাম আলু রোপণকে কেন্দ্র করে গ্রামীণ শ্রমবাজারেও কর্মচাঞ্চল্য বেড়েছে। আমন ধান কাটার পর জমি প্রস্তুত, আলু রোপণ ও পরিচর্যার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন স্থানীয় শ্রমিকেরা। এতে কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত শ্রমজীবী মানুষের সাময়িক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জসিম উদ্দীন বলেন, গত সপ্তাহ থেকে উপজেলায় আগাম জাতের আলু চাষ শুরু হয়েছে। এ পর্যন্ত প্রায় ১২ হেক্টর জমিতে আলু রোপণ সম্পন্ন হয়েছে। আগাম জাতের এই আলু ৫০ থেকে ৫৫ দিনের মধ্যেই উত্তোলন করা যায়। কৃষি বিভাগের যথাযথ পরামর্শ মেনে চাষাবাদ করলে কৃষকেরা ভালো ফলন পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। কৃষকদের প্রত্যাশা, ভালো ফলনের পাশাপাশি বাজারে আলুর ন্যায্য দাম নিশ্চিত হোক। এতে গত বছরের লোকসান কাটিয়ে তারা সংসারে কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে পারবেন। আপনার পাঠানো মূল প্রতিবেদনে তথ্য এবং বিন্যাস বেশ ভালো ছিল। সামান্য কিছু বানান ও বাক্য গঠন পরিমার্জন করে এটিকে আরও প্রমিত সংবাদ রূপ দেওয়া হয়েছে। এটি কি কোথাও প্রকাশের জন্য প্রস্তুত করছেন?

News
অক্টোবর ২৫, ২০২৬
0
খাদ্যনিরাপত্তায় নতুন প্রযুক্তি ও বিনিয়োগে জোর এফএওর
খাদ্যনিরাপত্তায় নতুন প্রযুক্তি ও বিনিয়োগে জোর এফএওর

  এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে খাদ্যনিরাপত্তা, পুষ্টি ও কৃষিনির্ভর মানুষের জীবিকা সুরক্ষায় নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার, বিনিয়োগ এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও)। একই সঙ্গে এল নিনোর কারণে সৃষ্ট জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি জোরদার করতে তিমুর-লেস্তে ও ফিলিপাইনে একটি নতুন অংশীদারত্ব গড়ে তোলা হয়েছে। এ উদ্যোগের আওতায় প্রায় ৪৩ হাজার মানুষকে সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে বিশ্ব খাদ্য দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের এক আঞ্চলিক নীতিসংলাপে এসব বিষয় উঠে আসে। এতে বিভিন্ন দেশের সরকারি প্রতিনিধি, রাষ্ট্রদূত, উন্নয়ন সহযোগী ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এবারের বিশ্ব খাদ্য দিবসের প্রতিপাদ্য ছিলÑ ‘আজ উদ্ভাবন, আগামীতে পুষ্টি’। প্রসঙ্গত, এল নিনো (El Niño) হলো একটি প্রাকৃতিক জলবায়ুগত প্রক্রিয়া, যা মধ্য ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরের নিরক্ষীয় অঞ্চলের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে ঘটে। স্বাভাবিক অবস্থায় প্রশান্ত মহাসাগরের পুবালী বায়ু উষ্ণ জলকে এশিয়ার দিকে ঠেলে নিয়ে যায় এবং দক্ষিণ আমেরিকার উপকূলে নিচের ঠান্ডা জল ওপরে উঠে আসে। কিন্তু এল নিনো চলাকালীন এই বায়ুপ্রবাহ দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলে উষ্ণ জল আর এশিয়ার দিকে না গিয়ে পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরেই জমা হতে থাকে এবং সাগরে সঞ্চিত বিপুল পরিমাণ তাপ বায়ুমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়ে বৈশ্বিক আবহাওয়া এলোমেলো করে দেয়।  উদ্ভাবনের সঙ্গে বিনিয়োগের তাগিদ এফএওর এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সহকারী মহাপরিচালক ও আঞ্চলিক প্রতিনিধি আলু দোহং বলেন, শুধু উদ্ভাবন দিয়ে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়। নতুন ধারণা ও প্রযুক্তিকে কার্যকর করতে অংশীদারত্ব এবং বিনিয়োগ প্রয়োজন। তিনি বলেন, সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে এমন কৃষি-খাদ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যা হবে দক্ষ, অন্তর্ভুক্তিমূলক, দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষম ও টেকসই। এর মাধ্যমে বর্তমান প্রজন্মের খাদ্যচাহিদা পূরণের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য প্রয়োজনীয় প্রাকৃতিক সম্পদও সুরক্ষিত রাখা সম্ভব হবে। নীতিসংলাপে কৃষি-খাদ্যব্যবস্থার রূপান্তরের তিনটি ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা হয়। এগুলো হলোÑ খাদ্যনিরাপত্তা ও পুষ্টিতে উদ্ভাবনের ব্যবহার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ এবং খাদ্যনিরাপত্তা, পুষ্টি ও দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা বৃদ্ধি। আলোচনায় নতুন প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী সমাধানকে বৃহত্তর পরিসরে কাজে লাগানোর জন্য সহায়ক নীতি, বিনিয়োগ এবং বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এসব উদ্যোগের সুফল যেন অঞ্চলটির সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছায়, সে বিষয়েও জোর দেওয়া হয়। এল নিনোর ক্ষতি কমাতে নতুন অংশীদারত্ব ব্যাংককের নীতিসংলাপের অন্যতম উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ হলো এল নিনোর প্রভাব মোকাবিলায় পর্যবেক্ষণ, প্রস্তুতি ও আগাম পদক্ষেপ জোরদার করা। এ উদ্যোগে এফএওর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সুইজারল্যান্ড সরকার ও সুইস উন্নয়ন সহযোগিতা সংস্থা, আন্তর্জাতিক রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিস ফেডারেশন এবং তিমুর-লেস্তে রেড ক্রস। উদ্যোগটির লক্ষ্য তিমুর-লেস্তে ও ফিলিপাইনের ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে জলবায়ুসংশ্লিষ্ট সম্ভাব্য বিপর্যয়ের আগেই প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া। এর মাধ্যমে প্রায় ৪৩ হাজার মানুষের কাছে পৌঁছানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এফএওর সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় আগাম ও সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার সক্ষমতা বাড়ানোই এ অংশীদারত্বের মূল উদ্দেশ্য। এর ফলে খাদ্যনিরাপত্তা ও মানুষের জীবিকা সুরক্ষায় সহায়তা পাওয়া যাবে এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর ওপর সম্ভাব্য ক্ষতির মাত্রা কমানো সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ সহযোগিতা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে চূড়ান্ত করা হয়। আঞ্চলিক সহযোগিতায় জোর কৃষি-খাদ্যব্যবস্থার সমস্যাগুলো একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কিত হওয়ায় সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে নীতিসংলাপে তুলে ধরা হয়। এফএওর উপ-আঞ্চলিক প্রতিনিধি কেন শিমিজু আলোচনায় উঠে আসা বিষয়গুলো পর্যালোচনা করেন এবং পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা পরিচালনা করেন। তিনি বলেন, কৃষি-খাদ্যব্যবস্থার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিভিন্ন খাত, প্রতিষ্ঠান ও দেশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়াতে হবে। ভবিষ্যতের জন্য সহনশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে অংশীদারত্ব এবং বিপর্যয়ের আগেই প্রস্তুতিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আন্দালিব ইলিয়াস, মঙ্গোলিয়ার রাষ্ট্রদূত ওইউ ভাশা, নেপালের রাষ্ট্রদূত ধন বাহাদুর ওলি এবং পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত সাদিয়া আলতাফ কাজি অংশ নেন। এ ছাড়া সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত ফ্যাব্রিস ফিলিয়েজ, থাইল্যান্ডের কৃষি ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপস্থায়ী সচিব পংথাই থাইয়োতিন এবং বিভিন্ন দেশের সরকারি ও উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। নীতিসংলাপের সমাপনীতে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করা, টেকসই জীবিকা গড়ে তোলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও সুযোগ সৃষ্টি করতে কৃষি-খাদ্যব্যবস্থার রূপান্তরে সম্মিলিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার করা হয়।

News
অক্টোবর ১৩, ২০২৬
0
দেশের ৮০% কৃষি যন্ত্রাংশের জোগান দিচ্ছে বগুড়া
দেশের ৮০% কৃষি যন্ত্রাংশের জোগান দিচ্ছে বগুড়া

  বগুড়ার বিসিক শিল্পনগরীতে জায়গা সংকটের মধ্যেও তৈরি হচ্ছে কৃষি যন্ত্রাংশ। দেশের ৮০ শতাংশ কৃষি যন্ত্রাংশ তৈরি হয় এখানে। বছরে হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য হয় এখানকার ঢালাই কারখানায় বানানো যন্ত্রপাতিতে। এদিকে দুই দশক ধরে ফাইলবন্দি থাকা বগুড়ার বিসিক শিল্পপার্ক প্রকল্প এবার আলোর মুখ দেখতে যাচ্ছে। ৪০০ একর জমিতে এই শিল্পপার্কে শতাধিক কলকারখানার পাশাপাশি সৃষ্টি হবে ব্যাপক কর্মসংস্থান। ইতোমধ্যে প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করেছেন শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বগুড়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠানে ঘোষণা দেন, আগামী শীতে এই শিল্পপার্কের কাজ শুরু হতে পারে। এতে লক্ষাধিক মানুষের কর্মসংস্থান হবে। হাজারো শ্রমিকের মেধা আর শ্রমে জাহাজ ভাঙা লোহা থেকে তৈরি হচ্ছে কৃষির অতিজরুরি যন্ত্রাংশ। কৃষি যন্ত্রাংশ তৈরি করে নীরব বিপ্লব ঘটিয়েছেন এ শিল্পনগরীর উদ্যোক্তারা। বগুড়ায় তৈরি এসব যন্ত্রাংশ বিক্রি হচ্ছে সারা দেশে। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এ শিল্পে কাজ করছেন ৩০ হাজারের বেশি শ্রমিক। বছরে লেনদেন হচ্ছে প্রায় হাজার কোটি টাকা। বিসিক শিল্পনগরী ঘুরে দেখা গেছে, এখানে তৈরি হচ্ছে শ্যালো ইঞ্জিনচালিত সেচ পাম্প, লাইনার, পিস্টন, টিউবওয়েল, পাওয়ারটিলারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ, লেদ মেশিন ও গাড়ির ব্রেক ড্রাম। এছাড়া করাতকল, ফ্লাওয়ার মিল, টেক্সটাইল মিল, অয়েল মিল, এমনকি ধান কাটার মেশিনসহ অন্যান্য মেশিনের যন্ত্রাংশও তৈরি করা হচ্ছে। শ্যালো ইঞ্জিনের যন্ত্রাংশ, যানবাহনের ছোট পার্টস, কলকারখানার প্রয়োজনীয় পার্টসসহ কৃষির প্রায় সব যন্ত্রাংশ বগুড়ায় তৈরি হয়। কৃষির জন্য পাওয়ারটিলারের লোহার চাকা, শ্যালো মেশিন দিয়ে মাটির নিচ থেকে পানি তুলতে সেন্ট্রিফিউগাল পাম্প, গজল পিন ও লাইনার হেডপিটও তৈরি হচ্ছে। এসব যন্ত্রাংশের ওপর দেশের বিভিন্ন এলাকার মানুষের নির্ভরতা বাড়ছে। এসব যন্ত্রাংশ দেশের বিভিন্ন জেলায় ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন দামে কৃষিকাজে ব্যবহারযোগ্য এসব যন্ত্রাংশ বিক্রি হচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। জাহাজ ভাঙা লোহা গলিয়ে ঢালাই কারখানায় নিয়ে এসব পণ্য বানানো হয়। ফিনিশিংয়ের জন্য রয়েছে প্রায় এক হাজার লেদমেশিন কারখানা। ব্যবসায়ীরা জানান, স্বাধীনতার আগে থেকে বগুড়ায় বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রাংশের খুচরা পার্টস তৈরি হতে থাকে। শহরের ফুলবাড়ি এলাকায় বিসিক শিল্প ও কাটনারপাড়াসহ বেশকিছু এলাকায় এসব যন্ত্রাংশ তৈরি হতে থাকে। এক পর্যায়ে কারখানাগুলোর বিকাশ বেড়ে যাওয়ায় বগুড়া বিসিক শিল্প এলাকার প্লট শেষ হয়ে যায়। বেশকিছু প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে শহরের ফুলবাড়ি, গোহাইল রোড, রেলওয়ে মার্কেট, শাপলা মার্কেট, কাটনারপাড়া, ভবের বাজার চারমাথা, তিনমাথা ও বনানী এলাকায়। এসব কলকারখানায় তৈরি বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রাংশ ব্যবহার হয়ে থাকে বাসাবাড়ি, কারখানা ও কৃষিকাজে। দেশের কৃষি যন্ত্রাংশের মোট চাহিদার ৮০ শতাংশের জোগানদাতা বগুড়ার ফাউন্ড্রি শিল্প। বগুড়া বিসিকের মিল্টন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের স্বত্বাধিকারী আজিজার রহমান মিল্টন জানান, আশির দশকে ব্যক্তি উদ্যোগে বগুড়াতে প্রথম ফাউন্ড্রি শিল্পকারখানা গড়ে ওঠে। উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলায় ঢালাইনির্ভর প্রায় ১০০ শিল্পকারখানা রয়েছে। এর মধ্যে বগুড়ার ২৭ কারখানায় অন্তত ৮০ ভাগ যন্ত্রাংশ তৈরি হয়। লোহা গলিয়ে বর্তমানে ১৬ ধরনের উন্নত যন্ত্রাংশ তৈরি হচ্ছে। বিসিক কর্মকর্তারা জানান, ১৯৬৪ সালে শহরের ফুলবাড়ি এলাকায় সাড়ে ১৪ একর জমির ওপর গড়ে তোলা হয় বিসিক শিল্পনগরী। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরপরই শেষ হয়ে যায় প্লটগুলো। উদ্যোক্তাদের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৮০ সালে আরো ১৮.৬৭ একর জায়গা সম্প্রসারণ করা হয়। কিন্তু সেটির বরাদ্দও ১৯৯০ সালের মধ্যেই শেষ হয়ে যায়। এভাবে দুই দফায় ২৩৩ প্লটে ৮৫টি শিল্প ইউনিট গড়ে ওঠে। বিএনপি সরকার ২০০৫ সালে শিল্পোদ্যোক্তাদের আগ্রহে দ্বিতীয় বিসিক শিল্পনগরী সম্প্রসারণে প্রকল্প গ্রহণ করে। তবে ২০০৬ সালের অক্টোবরে বিএনপি ক্ষমতা ছাড়ার পর এটি ফাইলবন্দি হয়ে পড়ে। বিএনপি চলতি বছর পুনরায় সরকার গঠন করার পর ২০ বছর আগের বিসিকের পক্ষ থেকে বগুড়ায় শিল্পনগরী সম্প্রসারণের সেই প্রকল্প সামনে আনা হয়েছে। বগুড়া বিসিক শিল্প মালিক সমিতির সভাপতি জানান, বগুড়ায় ইঞ্জিন বাদে প্রায় সব ধরনের পার্টস তৈরি হয়। বগুড়া মোটরসের তৈরি করা এয়ার ফিল্টার, মবিল ফিল্টার ইংল্যান্ডসহ কয়েকটি দেশে রপ্তানি করা হয়। এসব পার্টস দেশের প্রায় সব জেলায় কম-বেশি বিক্রি হয়। এ পেশার সঙ্গে জড়িয়ে আছেন প্রায় ৩০ হাজার শ্রমিক। বিসিকের উপমহাব্যবস্থাপক মাহফুজুর রহমান বলেন, যদি বড় শিল্পপার্ক না হয়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে কারখানা নির্মাণ হয়, তাহলে কৃষিজমি নষ্ট হবে। পুরান বগুড়া তিনমাথা রেলগেট টু কাহালু আঞ্চলিক রাস্তার পাশে ফাঁপোর ইউনিয়নের কৈচর এলাকায় প্রস্তাবিত এই শিল্পপার্কটি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বগুড়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আতিকুর রহমান বাদল ও সহসভাপতি হামিদুল হক চৌধুরী বলেন, ইতোমধ্যে বাণিজ্যমন্ত্রী বগুড়ায় এসে এর ঘোষণা দিয়েছেন। আমাদের প্রত্যাশা, এখানে যেন কোনো গাফিলতি না হয়। আমরা আশাবাদী, খুব তাড়াতাড়িই আলোর মুখ দেখতে পারব। শিল্পপার্ক নির্মিত হলে বগুড়াকে ঘিরে উত্তরাঞ্চলের সামগ্রিক শিল্পায়ন ত্বরান্বিত হবে।

News
অক্টোবর ৪, ২০২৬
0
জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিতে বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম
জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিতে বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম

  জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়ানোর প্রভাব পড়েছে নিত্যপণ্যের বাজারে। দাম বাড়ার এক দিনের মধ্যেই বিভিন্ন ধরনের সবজির দাম কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ডিজেলের দাম লিটারে ১১৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৩৫ টাকা হয়েছে। কেরোসিনের দাম ১৩৫ থেকে বেড়ে ১৫৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ থেকে ১৬৫ টাকা এবং পেট্রোল ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা হয়েছে। চলতি বছরে এটি জ্বালানি তেলের দামে তৃতীয় দফা বৃদ্ধি। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার সরাসরি প্রভাব পড়েছে সবজি পরিবহনে। ঢাকার কারওয়ান বাজারে ময়মনসিংহ, জামালপুর ও টাঙ্গাইল থেকে সবজি আনা আড়তদার মো. খলিলুর রহমান বলেন, একেকটি ট্রাকে পরিবহন খরচ কয়েক হাজার টাকা বেড়েছে। তার হিসাবে, ময়মনসিংহ থেকে ঢাকায় একটি ট্রাকের ভাড়া ১৪ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে ১৮ হাজার ৫০০ টাকা হয়েছে। বাড়তি পরিবহন ব্যয় শেষ পর্যন্ত পণ্যের দামের ওপরই পড়বে বলে জানান তিনি। মানিকগঞ্জ থেকে সবজি আনা পাইকারি ব্যবসায়ী সাইদুর রহমান বলেন, তার একটি পরিবহনের ভাড়া ২ হাজার ৬০০ টাকা থেকে বেড়ে ৩ হাজার ৫০০ টাকা হয়েছে। বাড়তি ব্যয় নিজের পকেট থেকে বহন করা সম্ভব নয়। ফলে এই ব্যয় ক্রেতার কাছ থেকে আদায় করতে হবে। তার হিসাবে, কিছু সবজির দাম কেজিতে প্রায় ১০ টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে। কেরানীগঞ্জ মডেল টাউনের খুচরা সবজি বিক্রেতা আনোয়ার হোসেন বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে এক দিনের ব্যবধানে বিভিন্ন ধরনের সবজির দাম কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে। দাম আরো বাড়তে পারে। কারওয়ান বাজারের খুচরা সবজি বিক্রেতা শাহানাজ বেগম বলেন, আগের দিনের তুলনায় মঙ্গলবার সকালে আড়তেই দাম বেড়েছে। ফলে কিছুটা লাভ রেখে কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। তবে আরও কিছুদিন পর নতুন সবজি বাজারে এলে দাম কমতে পারে। ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, শুধু সবজি নয়, দূরবর্তী এলাকা থেকে ঢাকাসহ বড় শহরে চাল, মাছ, মাংস, ডিম, আলু ও পেঁয়াজসহ বিভিন্ন পণ্য পরিবহনে ডিজেলনির্ভর যানবাহন ব্যবহার করা হয়। ফলে পরিবহন খরচ বাড়লে উৎপাদনস্থল থেকে পাইকারি বাজার এবং সেখান থেকে খুচরা বাজার পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে বাড়তি ব্যয় যুক্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সিপিডির গবেষক গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির সবচেয়ে বড় ভোগান্তি সাধারণ মানুষের ওপর পড়তে পারে। এর প্রভাব শুধু খাদ্যপণ্যে নয়, খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের ওপরও পড়বে। তিনি পরিবহন ভাড়া যৌক্তিক পর্যায়ে রাখা এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে নজরদারি জোরদারের পরামর্শ দিয়েছেন। বেনাপোল স্থলবন্দরেও জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর ট্রাক ভাড়া বেড়েছে। ব্যবসায়ী ও পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য অনুযায়ী, স্থানভেদে ট্রাক ভাড়া ৫ থেকে ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। একই সঙ্গে বেসরকারি কনটেইনার ডিপোগুলোতে হ্যান্ডলিং চার্জ গড়ে ৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। এতে আমদানি করা পণ্য দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছাতে বাড়তি খরচ হবে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, এই অতিরিক্ত ব্যয় শেষ পর্যন্ত পণ্যের বিক্রয়মূল্যে প্রতিফলিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর গণপরিবহনের ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাবও এসেছে। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) প্রস্তাব অনুযায়ী, দূরপাল্লার বাসে প্রতি কিলোমিটারে ২০ পয়সা এবং শহরের বাসে ১৮ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর বিষয়টি সামনে এসেছে। এরই মধ্যে কিছু রুটে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি নেওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে। অন্যদিকে, দূরপাল্লার বাসে প্রতি কিলোমিটারে ৮ পয়সা এবং সিটি সার্ভিসের বাসে ১০ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। একই সঙ্গে লঞ্চের ভাড়া প্রতি নটিক্যাল মাইলে ৫ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে সংগঠনটি। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এএসএম আহম্মেদ খোকন বলেন, ডিজেলের দাম বাড়ায় ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে একটি বাসে শুধু জ্বালানি বাবদ প্রায় ৪ হাজার টাকা বাড়তি খরচ হচ্ছে। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভাড়া সমন্বয় করা হবে বলে জানান তিনি। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর কারণ হিসেবে আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধি ও আমদানি ব্যয়ের চাপের কথা বলছে সরকার। জ্বালানি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, মার্চ থেকে আগস্ট সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেল ও জাহাজভাড়া বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) বড় ধরনের লোকসান হয়েছে। বিভাগের হিসাবে, বর্তমান আন্তর্জাতিক বাজারমূল্যে ডিজেলে বিপিসির লিটারপ্রতি লোকসান প্রায় ৮৯ টাকা। নতুন দাম কার্যকর করার ফলে বার্ষিক লোকসান কমানোর সুযোগ তৈরি হবে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় না করলে সরকারের টিকা কর্মসূচি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ও কম মূল্যে খাদ্য সরবরাহের মতো কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটতে পারত। জনগণের ওপর এর প্রভাবের বিষয়টি স্বীকার করে তিনি বলেছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে জ্বালানি তেলের দাম আবার সমন্বয় করে আগের পর্যায়ে বা তার চেয়েও কমিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বাড়লে দেশের অর্থনীতিকেও সেই চাপ বহন করতে হয়। নিত্যপণ্যের সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে বাজার নজরদারি জোরদারের কথাও জানিয়েছেন তিনি। অযৌক্তিকভাবে পণ্যের দাম বাড়ানো বা অতিরিক্ত মুনাফার চেষ্টা হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। অর্থনীতিবিদদের মতে, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব শুধু পণ্যের বাজারে সীমাবদ্ধ থাকবে না। পরিবহন, কৃষি, উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যয় বাড়লে পরিবারের দৈনন্দিন ব্যয়ও বাড়বে। আয় একই থাকলে মানুষের প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সীমিত আয়ের পরিবারগুলোতে এর প্রভাব তুলনামূলক বেশি হতে পারে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞ এম শামসুল আলমও মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে গেলে সরকার জ্বালানি খাত থেকে যে রাজস্ব বা ভর্তুকি-সংক্রান্ত সুবিধা পাওয়ার আশা করছে, তার ওপরও প্রভাব পড়তে পারে। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রথম ধাক্কা ইতোমধ্যে পরিবহন ও নিত্যপণ্যের বাজারে দেখা যাচ্ছে। এখন উৎপাদন, পরিবহন ও বিপণনের বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে এই বাড়তি ব্যয় নিত্যপণ্যের খুচরা বাজারে কতটা প্রভাব ফেলে, সেটিই বড় প্রশ্ন। বিশেষ করে দূরবর্তী এলাকা থেকে শহরের বাজারে আসা সবজি, মাছ, মাংস ও চালের ওপর দ্রুত প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা। বাজারে পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা, পরিবহন ভাড়া যৌক্তিক পর্যায়ে রাখা এবং বাড়তি দামের সুযোগ নিয়ে অতিরিক্ত মুনাফা ঠেকাতে নজরদারি জোরদার করা গেলে মূল্যবৃদ্ধির চাপ কতটা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়, এখন সেটিই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।  

News
সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
0
রাত ৩টায় লাইনে দাঁড়িয়েও সার পেলেন না কৃষকরা
রাত ৩টায় লাইনে দাঁড়িয়েও সার পেলেন না কৃষকরা

  কুড়িগ্রামে সার সংকট দেখা দিয়েছে। রাত ৩টায় ডিলার পয়েন্টে লাইনে দাঁড়িয়েও সার পেলেন না কৃষকরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় ব্যয় করেও সার না পেয়ে ক্ষোভ ও হতাশায় বাড়ি ফিরছেন তারা। সার সংকটে আমনের ফলনে বিপর্যয় ঘটার আশঙ্কা করছেন তারা। মঙ্গলবার জেলার রাজিবপুর উপজেলার কোদালকাটি ইউনিয়নে সার বিতরণের খবর পেয়ে ভোর ৩টা থেকেই শত শত কৃষক মেসার্স শাহজাহান সিরাজ ডিলার পয়েন্টে জড়ো হতে থাকেন। সকাল ৬টা পর্যন্ত পুরুষ ও নারীদের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। এরপর কয়েক হাজার কৃষকের সমাগমে সেখানে হট্টগোল সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে সিরিয়াল ভঙ্গ করে সার উত্তোলনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও অনেকেই সার না পাওয়ায় উত্তেজনা দেখা দেয়। সুরমান ও সাদেক আলী নামের দুই কৃষক বলেন, ‘আমরা রাত ৩টা থেকে লাইনে দাঁড়িয়েও সার পাইনি। ডিলার সার বিতরণ করেছে ৫৬০ বস্তা, অথচ কৃষকের চাহিদা প্রায় ৫ হাজার বস্তা। কৃষকেরা সার না পেলে এবার ধানের আবাদ খারাপ হবে।’ চরসাজাই গ্রামের তাইছার আহমেদ বলেন, ‘সার দেওয়ার কথা শুনে ভোর ৫টায় আসি। এসে দেখি হাজার হাজার মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে আছে। প্রচণ্ড গরমে কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করে সার পাইলাম না। কৃষি বিভাগ বলছে সারের সংকট নেই, তাহলে আমি সার পেলাম না কেন?’ মেসার্স শাহজাহান সিরাজ ডিলার পয়েন্টের পরিচালক ফজলুর রহমান বলেন, ‘আমরা ৪৬ টন ইউরিয়া সার বরাদ্দ পেয়েছিলাম। এর মধ্যে কয়েক দিন আগে ১৮ টন বিতরণ করেছি এবং আজ ২৮ টন বিতরণ করলাম। এই ইউনিয়নে মাত্র দুজন ডিলার হওয়ায় কৃষকদের চাপ অনেক বেশি।’ এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘রোপা আমনের জন্য সারের কোনো ঘাটতি নেই। তবে সামনে কৃষকেরা ভুট্টা চাষ করবেন, তাই অনেকে আগে থেকেই সার মজুত করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছেন।’

News
সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
0
ছুটি রিসোর্টের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ২০২৬, বৃক্ষ রোপন করলেন বিদ‍্যা সিনহা মিম
ছুটি রিসোর্টের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ২০২৬, বৃক্ষ রোপন করলেন বিদ‍্যা সিনহা মিম।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:  তারিখ: ১৮ মে ২০২৬  বাংলাদেশের স্বনামধন্য বৃহৎ রিসোর্ট ব্র্যান্ড ছুটি রিসোর্ট ২০২৬ সালের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে নতুন করে সবুজায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন ছুটি রিসোর্টের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর বিদ্যা সিনহা মিম, যিনি নিজ হাতে বিভিন্ন ফলজ, বনজ ও দেশীয় প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করেন। ২০১২ সাল থেকে ছুটি রিসোর্ট নিরলসভাবে দেশি-বিদেশি ফলজ, বনজ ও বিরল প্রজাতির গাছ রোপণের মাধ্যমে একটি সবুজ ও টেকসই পরিবেশ গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে চলতি বছরও ছুটি রিসোর্ট নতুন উদ্যমে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম শুরু করেছে।   আগামী এক মাসের মধ্যে ছুটি রিসোর্টের চারটি রিসোর্ট এবং নির্মাণাধীন নতুন প্রকল্পসমূহে প্রায় ৪,০০০ (চার হাজার) গাছের চারা রোপণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। আজকের এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ছুটি গ্রুপের চেয়ারম্যান এ‍্যডভোকেট মোস্তফা মাহমুদ আরিফি, ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোস্তফা কামাল, ছুটি রিসোর্ট পূর্বাচলের ম্যানেজিং ডিরেক্টর আলমগীর ফেরদৌস, ছুটি রিসোর্ট পুবাইলের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোঃ সামসুল ইসলাম মাসুদসহ রিসোর্টের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ এবং আগত অতিথিরা। সকলের অংশগ্রহণে এই সবুজ উদ্যোগ আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।       একটি সবুজ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে ছুটি রিসোর্ট সকলকে এই উদ্যোগে সম্পৃক্ত হওয়ার আন্তরিক আহ্বান জানায়। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে কৃষ্ণচূড়া গাছের চারা রোপণ শেষে মিম বলেন, “আসুন আমরা প্রত্যেকে অন্তত একটি করে গাছ রোপণ করি। এর মাধ্যমে দেশকে সবুজায়িত করি এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করি।” তিনি এই মহতী উদ্যোগের জন্য ছুটি রিসোর্টকে ধন্যবাদ জানান। ছুটি রিসোর্ট লি:  concern of Chuti group:  www.chutigroup.com

News
মে ১৮, ২০২৬
0
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

  বাংলাদেশে নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত হার এক্সেলেন্সি লিস্টিওয়াতি (H.E. Listyowati) রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ধারাবাহিকতায় দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরো জোরদার করার বিষয়ে মতবিনিময় করেন। বিশেষ করে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বাংলাদেশে ইন্দোনেশিয়ার বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র অনুসন্ধানের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এ সময় গভর্নর বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনীতি ও বিনিয়োগ সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে বাংলাদেশে ইন্দোনেশিয়ার বিনিয়োগ আরও সম্প্রসারণের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ককে আরো ভারসাম্যপূর্ণ ও বহুমুখী করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ থেকে ইন্দোনেশিয়ায় তৈরী পোশাকসহ ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী, ঔষধ, প্রভৃতি রপ্তানি বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়। ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যকার অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেন। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ওয়াহিউ রিয়াদি (Wahyu Riadi), Minister Counsellor/Head of Chancery; রবি ফিরলি হারখা (Robbi Firly Harkha), Third Secretary/Economic Affairs; এবং সাপতো রুদিয়ান্তো (Sapto Rudiyanto), Officer। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে ডেপুটি গভর্নর মো. সরোয়ার হোসেন ও নির্বাহী পরিচালক মোঃ হারুন-অর-রশিদ উপস্থিত ছিলেন।

News
অক্টোবর ৪, ২০২৬
0
অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বিক্রির অভিযোগে ইউপিএলের বিক্রয়কেন্দ্রে তালা, দুই কর্মীকে আটকের পর মুক্তি
অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বিক্রির অভিযোগে ইউপিএলের বিক্রয়কেন্দ্রে তালা, দুই কর্মীকে আটকের পর মুক্তি

  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা বই ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বিক্রির অভিযোগে প্রকাশনা সংস্থা দ্য ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেডের (ইউপিএল) বাংলাবাজার বিক্রয়কেন্দ্রে তালা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় বিক্রয়কেন্দ্রের দুই কর্মী আমিনুল ইসলাম ও হুমায়ূন কবীরকে তুলে নিয়ে আটকে রাখা হয়। পরে ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ আর বিক্রি না করার শর্তে পুলিশের সমঝোতায় ওই দুই কর্মীকে ছেড়ে দেয়। দ্য ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেডের পক্ষ থেকে বলা হয়, বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে দুই যুবক বাংলাবাজার বিক্রয়কেন্দ্রে এসে ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ কিনতে চান। বইটি বের করে দেওয়ার পর তারা এটি বিক্রি করা নিয়ে আপত্তি জানান এবং বইটি নিষিদ্ধ বলে দাবি করেন। একপর্যায়ে আশপাশের আরও কয়েকজনকে জড়ো করে তারা বিক্রয়কেন্দ্রের শাটার নামিয়ে তালা ঝুলিয়ে দেন। একই সময় বিক্রয়কেন্দ্রের দুই কর্মী আমিনুল ইসলাম ও হুমায়ূন কবীরকে আটক করা হয়। সূত্রাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিউর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন , তুলে নেওয়া দুই কর্মীকে থানায় আনা হয়নি। তাদের ফরিদাবাদ পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখান থেকেই তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ওসি আরও বলেন, ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ ২০২৪ সালের পর আর ছাপানো হয়নি। তাই বইটি আর বিক্রি না করার শর্তে পুলিশ ফাঁড়ি থেকেই দুই কর্মীকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় থানায় কোনো অভিযোগ জানানো হয়নি। এদিকে ইউপিএলের সম্পাদকমণ্ডলীর পরিচালক ফিরোজ আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সরকার নিষিদ্ধ ঘোষণা করলে আমরা বই সরিয়ে নিতে বাধ্য হবো। কিন্তু সরকার এমন কোনও পদক্ষেপ না নেওয়া পর্যন্ত আমরা নিজেরা কোনও বই বাজার থেকে সরাব না।’ তিনি বলেন, ‘শুধু অসমাপ্ত আত্মজীবনী নয়, আগেও বিভিন্ন বই নিয়ে চাপ এসেছে। কিন্তু আমরা কোনও বই বাজার থেকে সরাইনি। কারণ, বই প্রকাশের পেছনে আমাদের শ্রম ও বিনিয়োগ রয়েছে। সরকার আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ করলে অবশ্যই আমরা তা সরিয়ে নেবো।’  

News
সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
0
শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও রূপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে প্রেরণ
শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও রূপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে প্রেরণ

  জুলাই বিপ্লবে গণমাধ্যমে উসকানিমূলক বক্তব্যের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের নতুন মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তারা হলেন— শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রূপা। সোমবার দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন— বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবির। এদিন প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানিতে প্রসিকিউটর মইনুল করিম ট্রাইব্যুনালকে বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত টকশো বা অন্যান্য অনুষ্ঠানে উসকানিমূলক বক্তব্য দেন সাংবাদিক শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রূপা। এ ঘটনায় হওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার তদন্তে এরই মধ্যে এই তিন সাংবাদিকের সংশ্লিষ্টতা পেয়েছে তদন্ত সংস্থা। এজন্য তাদেরকে এ গ্রেপ্তারের আবেদন জানাচ্ছি। শুনানি শেষে আবেদন মঞ্জুর করে আসামিদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য জন্য ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়। এর আগে গত ১৭ আগস্ট এই তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়ে আজকের দিনে হাজিরের নির্দেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল। আজ সকালে তাদেরকে কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। শাপলা চত্বর গণহত্যা মামলায় বাবু-ফারজানা গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। এছাড়া জুলাই বিপ্লবে হত্যাকাণ্ডের একটি মামলায় কারাগারে রয়েছেন শ্যামল দত্ত।

News
আগস্ট ২৪, ২০২৬
0
ওসমানীনগরে ত্রাসের রাজত্ব ইউএনও মুনমুনের.
ওসমানীনগরে ত্রাসের রাজত্ব ইউএনও মুনমুনের.

  সিলেটের ওসমানীনগরে রীতিমতো ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুনমুন নাহার আশা। তার একের পর এক বিতর্কিত ও বেপরোয়া কর্মকাণ্ড জনমনে ত্রাস সৃষ্টি করেছে। ‘আপা’ সম্বোধন করায় জরিমানা করাসহ ক্ষমতার অপব্যবহার, জোরপূর্বক স্বাক্ষর গ্রহণ, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। গত বছরের ৮ ডিসেম্বর ওসমানীনগরে যোগদানের পর থেকেই ৩৬তম বিসিএসের এই কর্মকর্তার একের পর এক বিতর্কিত কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। বছরজুড়ে আলোচিত ইউএনও মুনমুনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং দাপ্তরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে মনোমালিন্যের বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি ‘আপা’ সম্বোধন করায় খাদ্যপণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান বনফুল অ্যান্ড কোংয়ের ওসমানীনগর শাখার এক কর্মচারীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে আলোচনায় আসেন ইউএনও মুনমুন। এ ঘটনার পর তার কর্মকাণ্ডের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জোরালো হয়েছে। ভুক্তভোগী কর্মচারী আব্দুল মান্নানের দাবি, ইউএনও মুনমুনকে ‘আপা’ সম্বোধন করায় ভয় দেখিয়ে ওই জরিমানায় স্বাক্ষর করানো হয়। এ ঘটনা নিয়ে গত বুধবার আমার দেশ অনলাইনে ‘ইউএনওকে আপা সম্বোধন করায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয়। এরপর থেকে ঘটনাটি আড়াল করতে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিতে শুরু করেন ইউএনও মুনমুন। গত বৃহস্পতিবার সরকারি দাপ্তরিক কার্যক্রম চলাকালে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলন করেন ইউএনও মুনমুন। নিজের অবস্থান তুলে ধরতে গিয়ে তিনি অফিসের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করেন। সংবাদ সম্মেলনে বনফুলের কর্মচারীকে জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার বিষয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের করা গুরুত্বপূর্ণ অনেক প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে যান তিনি। অভিযানে নিজের ছয় বছরের শিশু কন্যাকে সঙ্গে নেওয়ার বৈধতা, বনফুলের শাখা ব্যবস্থাপক (ম্যানেজার) উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও কর্মচারীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে কর্মচারীর স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেননি ইউএনও মুনমুন। ইউএনও মুনমুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন প্রকল্পকের অধীন উপজেলার ৫৪ ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ২০ কেন্দ্রে ছয়টি করে ক্যামেরা স্থাপনের জন্য নির্বাচন কমিশন ছয় লাখ ৫৬ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয় । কিন্তু ওই টাকা বণ্টন না করে আত্মসাৎ করেন ইউএনও মুনমুন। এছাড়া ইউনিয়ন পরিষদের এক শতাংশ বরাদ্দ খাত থেকে ৪৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ফান্ড থেকে ৫০ হাজার টাকা এবং ভোটকেন্দ্রে ব্যবহৃত বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ৫০ হাজার টাকা সংগ্রহ করা হয়। সব মিলিয়ে প্রায় কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। অথচ প্রকৃত সরকারি প্রাক্কলন অনুযায়ী ব্যয় হওয়ার কথা ছিল মাত্র ১৭ লাখ ৭১ হাজার টাকা। অভিযোগ রয়েছে, নির্বাচন কমিশনের বরাদ্দ গোপন রেখে ১০ ফেব্রুয়ারি উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিস থেকে অগ্রিম বিল উত্তোলন করা হয়। পরে বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে দ্রুত বিভিন্ন বাজার ও জনবহুল স্থানে ক্যামেরা স্থাপন শুরু করা হয়। ২২ ফেব্রুয়ারি তাজপুর বাজারে একটি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে ইউএনওর স্বামীর ঘনিষ্ঠ আত্মীয়ের প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স সাইফুল এন্টারপ্রাইজ’-এর সম্পৃক্ততার অভিযোগও ওঠে। সিসিটিভি প্রকল্পে অনিয়মের বিরুদ্ধে অবস্থান ও গণমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার ফলে উচ্চ আদালতে চলমান রিট মামলা থাকা অবস্থায় তাজপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কবির আহমদকে পদ থেকে সরিয়ে দিয়ে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়। পরে প্রশাসক নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট আবেদনের শুনানি শেষে হাইকোর্ট বিভাগ রুল জারি করে। একইসঙ্গে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, স্থানীয় সরকার শাখার উপপরিচালক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এবং ওসমানীনগর থানার ওসিসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়। এ নিয়োগকে বেআইনি এবং বিদ্যমান আদালতের নির্দেশনার পরিপন্থী দাবি করে কবির আহমদ গত ১২ মে পুনরায় হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করেন। ইউএনও মুনমুনের বিরুদ্ধে আরো অভিযোগ রয়েছে, তিনি উপজেলা পরিষদের প্রশাসক ও সহকারী কমিশনারের দায়িত্ব পালনকালে পরিষদের রাজস্ব খাতে একাধিক প্রকল্পে অনিয়ম করেন। গত বছরের ডিসেম্বরে সরকারি গাড়ি মেরামতের নামে ৯৬ হাজার টাকা, উপজেলা পরিষদ ভবনের সিসিটিভি ক্যামেরা ক্রয় ও মেরামতের নামে ৭৩ হাজার টাকা, বাংলোর পানির পাম্প মেরামত ও স্থাপনে ৭২ হাজার টাকা এবং ওয়াটার পিউরিফিকেশন প্লান্ট সংযোজন বাবদ এক লাখ ৫০ হাজার টাকার প্রকল্প অনুমোদনের তথ্য পাওয়া যায়। এসব প্রকল্পে আংশিক কাজ বা কোনো কাজ ছাড়াই বিল উত্তোলন করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এদিকে, গত ২৫ এপ্রিল সন্ধ্যায় উপজেলার তাজপুর বাজারে অবস্থিত ‘আয়ান এন্ড ইয়াকুব বিরিয়ানি হাউজে’ সরকারি চাল মজুত রয়েছে—এমন অভিযোগে স্থানীয়রা প্রশাসনকে খবর দেওয়া হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক রিপন রায় প্রাথমিকভাবে চালগুলো জব্দ করেন। পরদিন ২৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় ওই প্রতিষ্ঠানে ইউএনও মুনমুন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। সরকারি ১২০ বস্তা চাল জব্দের ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির মালিক উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আল মাছুম আবির ‘কাজের বিনিময়ে খাদ্য’ (কাবিখা) কর্মসূচির আওতায় চাল ক্রয়ের বৈধ কাগজপত্র উপস্থাপন করেন। আদালত যাচাই-বাছাই শেষে চালের বৈধতা স্বীকার করে দ্রুত বাজারজাত করার নির্দেশ দেয়। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, চাল বৈধ ঘোষণা করার পরও ফুডগ্রেইন (খাদ্যশস্য) সনদ না থাকার অভিযোগে প্রায় এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। আল মাছুম আবির অভিযোগ করেন, ইউএনওর দুর্নীতির বিরুদ্ধে আয়োজিত মানববন্ধনে অংশ নেওয়ার কারণেই তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জরিমানা করা হয়। রায় ঘোষণার পর গত ২৮ এপ্রিল স্থানীয় সংসদ সদস্যের নির্দেশে আল মাছুম আবির ইউএনওর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে রায় পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানান। এ সময় ইউএনও তার বিরুদ্ধে আগের মানববন্ধনের প্রসঙ্গ তুলে রায় পরিবর্তনের সুযোগ নেই বলে জানান। এর আগে হাইকোর্টের আপিল বিভাগে একটি রিট মামলা চলমান থাকাবস্থায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন প্রকল্পে ইউএনওর বিরুদ্ধে গণমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার পর একই ধরনের প্রক্রিয়ায় তাজপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কবির আহমদকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়। এ ঘটনায় স্থানীয় পর্যায়ে ইউএনওর বিরুদ্ধে আন্দালন করে কোনো লাভ হয়নি। এদিকে, গত ৩ এপ্রিল রাতে উপজেলার তাজপুর বাজারে বারণী মেলার নামে অবৈধভাবে র‌্যাফেল ড্র বিক্রির অভিযোগে ভাড়ায় কাজ করা লিপন আহমদ নামে একজনকে তিন দিনের কারাদণ্ড দেন ইউএনও মুনমুন। একই সঙ্গে প্রচারকাজে ব্যবহৃত ব্যাটারিচালিত টমটম ও মাইক জব্দ করা হয়। অথচ পরদিন ৪ এপ্রিল তাজপুর বাজারে জনসম্মুখে ওই লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতে জব্দ করা টমটম, মাইক ও টিকিট বই পরদিন আয়োজকরা ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে ছাড়িয়ে নেন। আয়োজকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে ভাড়ায় কাজ করা ব্যক্তিকে শাস্তি দেওয়ায় ইউএনওর রায় নিয়ে তুমুল সমালোচনা হয়। এসব অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে বিভাগীয় কমিশনার অতিরিক্ত সচিব মশিউর রহমানের মোবাইল ফোনে অনেকবার কল দেওয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

News
জুন ৭, ২০২৬
0
ডাকসুর উদ্যোগে চুরি হওয়া ফোন ফিরে পেলেন ঢাবির তিন শিক্ষার্থী
ডাকসুর উদ্যোগে চুরি হওয়া ফোন ফিরে পেলেন ঢাবির তিন শিক্ষার্থী

  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদের সার্বিক প্রচেষ্টা ও সমন্বয়ে দীর্ঘদিন আগে চুরি হয়ে যাওয়া স্মার্টফোন ফিরে পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থী। বৃহস্পতিবার ডাকসু সভাকক্ষে এক আনুষ্ঠানিক আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের হাতে উদ্ধার হওয়া মুঠোফোনগুলো তুলে দেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম। ডাকসু সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই তিন শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত মুঠোফোন চুরি হয়ে যায়। পরবর্তীতে ভুক্তভোগীরা বিষয়টি ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদককে জানালে তিনি ১৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন), রাঙামাটির সাইবার ক্রাইম ইউনিটের সঙ্গে যোগাযোগ ও নিবিড় সমন্বয় শুরু করেন। পুলিশের দীর্ঘ অনুসন্ধান ও তথ্যপ্রযুক্তিগত তৎপরতায় ফোনগুলো উদ্ধার করা হয়। এরপর প্রকৃত মালিকানা যাচাই-বাছাই শেষে আজ তা শিক্ষার্থীদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। স্মার্টফোন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সব জায়গা থেকে আমাদেরকে ব্যর্থ প্রমাণ করার চেষ্টা করেছে। দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে পদে পদে বাধা তৈরি করা হয়েছে। তবে সব প্রতিকূলতা পেরিয়ে আমরা শিক্ষার্থীদের জন্য নিজেদের সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত সমস্যা থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক সংকট—সব ক্ষেত্রেই আমরা নিরলস কাজ করে যাচ্ছি।’ ডাকসুর কাজ নিয়ে সমালোচনাকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘অনেকে সমালোচনা করে বলতে চান—এটা কি ডাকসুর কাজ? শিক্ষার্থীদের যেকোনো প্রত্যাশা পূরণ করাই তো ডাকসুর কাজ। আর শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা মেটাতে যা যা করা দরকার, আমরা ঠিক তা-ই করার চেষ্টা করছি। ফোনগুলো ফিরে পেয়ে শিক্ষার্থীদের চোখে-মুখে যে আনন্দের ঝিলিক দেখেছি, সেটিই আমাদের কাজের সবচেয়ে বড় সার্থকতা।’ ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ বলেন, ‘একজন শিক্ষার্থী টিউশনির টাকা জমিয়ে কষ্ট করে একটা ফোন কেনেন। কিন্তু অনেক সময় তা ছিনতাই বা চুরি হয়ে যায়। থানায় জিডি করলেও অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর অগ্রগতি হয় না। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই শিক্ষার্থীদের এমন ভোগান্তি নিরসনে আমরা সরাসরি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের উদ্যোগ নিয়েছি।’ দ্রুততম সময়ে ফোনগুলো ট্র্যাকিং ও উদ্ধারে সহায়তার জন্য ১৮ এপিবিএন রাঙামাটির অধিনায়ক রেজাউল করিমসহ সাইবার ক্রাইম ইউনিটকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান তিনি। রিজওয়ান মানসুরীর সঞ্চালনায় উক্ত মুঠোফোন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে আহমেদ শাকিলসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

News
অক্টোবর ১৫, ২০২৬
0
বিলবিলাস আব্দুর রশিদ সরদার মা: বিদ্যালয়ের সভাপতিকে সংবর্ধনা প্রদান
বিলবিলাস আব্দুর রশিদ সরদার মা: বিদ্যালয়ের সভাপতিকে সংবর্ধনা প্রদান

  পটুয়াখালীর বাউফলের ঐতিহ্যবাহী    বিলবিলাস আবদুর রশিদ সরদার মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর নবনির্বাচিত ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো: মাহফুজুর রহমান সবুজ সহ অন্যান্য সদস্যদের  শিক্ষক-কর্মচারী,ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের পক্ষ থেকে  সংবর্ধনা প্রদান ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল  বিকেল ৪ টায় বিদ্যালয় অডিটোরিয়ামেপ্রধান শিক্ষক খায়রুল আলম    এর সভাপতিত্বে     প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন   অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (এ্যাব)এর কেন্দ্রীয় কমিটির ুসদস্যসচিব প্রকৌশলী  শোয়েব বাশরী হাবলু।প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন  বাউফল পৌর বিএনপি সভাপতি মো: হুমায়ুন কবির।    বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শহীদ জিয়া গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি   আনিসুর রহমান আনিস, জাসাস পটুয়াখালী জেলা শাখার যুগ্ম আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার মাহবুব হোসেন, বাউফল উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও   বিএনপির সাবেক যুব বিষয়ক সম্পাদক ইমতিয়াজ রসুল পান্নু, সূর্যমনি ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মো: মনিরুজ্জামান, কালিশুরি ডিগ্রি কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আরিফুর রহমান,   বাউফল প্রেসক্লাবের সভাপতি জলিলুর রহমান,অভিভাবক মো:নুরুল ইসলাম, বাউফল উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নিয়াজ হোসাইন খান।অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক মাও: মুহা:আবদুল মান্নান,মো: আমিনুল ইসলাম বাবুল, শিক্ষার্থীদের মধ্যে নাফিজা ইসলাম,আনিলা তাহসিন, আব্দুল্লাহ আল মারজান প্রমুখ।       অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথি ও সংবর্ধিত অতিথিকে   ফুলের তোড়া ও ক্রেস্ট প্রদান  করা হয়।বিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত কমিটির সভাপতি মাহফুজুর রহমান সবুজ সংবর্ধনার জবাবে   বলেন," বিদ্যালয়ের কমিটির সভাপতি হিসেবে আমার উপর যে গুরুদায়িত্ব অর্পিত হয়েছে আমি তা সততা,নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও জবাবদিহিতার সাথে পালন করবো। তিনি বলেন,শিক্ষা শুধু সার্টিফিকেট অর্জনের মাধ্যম  নয়,শিক্ষা হলো একটি জাতির মেরুদণ্ড এবং আলোকিত মানুষ গড়ার কারিগর।শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শিক্ষা ও উন্নয়ন দর্শনকে বুকে ধারণ করে আমি এই ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠকে একটি আধুনিক, মানসম্মত  এবং  আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে চাই"। প্রধান বক্তা মো:হুমায়ুন কবির বলেন, শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটি ও শিক্ষকদের মধ্যে সমন্বয় জরুরী। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আনিসুর রহমান আনিস বলেন, শিক্ষার মান উন্নয়ন, শিক্ষার পরিবেশ আরও সুন্দর করা, এবং শিক্ষার্থীদের মেধা ও প্রতিভা বিকাশে নবনিযুক্ত কমিটি,শিক্ষক ও অভিভাবকদের আন্তরিক হতে হবে।তিনি  শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি, শৃঙ্খলা,নৈতিক শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।           প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রকৌশলী শোয়েব বাশরী হাবলু বলেন, "শিক্ষাই একটি জাতির উন্নতি ও অগ্রগতির প্রধান ভিত্তি। একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন শুধু পরিচালনা কমিটির একার পক্ষে সম্ভব নয়।এজন্য শিক্ষক,শিক্ষার্থী,অভিভাবক ও স্হানীয় সুধীজনকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। শিক্ষার মানোন্নয়ন ও সার্বিক অগ্রগতিতে সংশ্লিষ্ট  সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। তিনি বিদ্যালয়ের উন্নয়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন

News
অক্টোবর ১৪, ২০২৬
0
বিলবিলাস আব্দুর রশিদ সরদার মা: বিদ্যালয়ের সভাপতিকে সংবর্ধনা প্রদান
বিলবিলাস আব্দুর রশিদ সরদার মা: বিদ্যালয়ের সভাপতিকে সংবর্ধনা প্রদান

আগামীকাল   পটুয়াখালীর বাউফল   বিলবিলাস আবদুর রশিদ সরদার মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর নবনির্বাচিত ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো: মাহফুজুর রহমান সবুজ সহ অন্যান্য সদস্যদের  শিক্ষক-কর্মচারী,ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের পক্ষ থেকে  সংবর্ধনা প্রদান ও মতবিনিময় সভা আগামীকাল মঙ্গলবার বিকেল ৩ টায় বিশ্ববিদ্যালয় অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে।      এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন  অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (এ্যাব)এর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যসচিব ও শহীদ  রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মরদেহ সনাক্ত ও উদ্ধারকারী ইঞ্জিনিয়ার শোয়েব বাশরী হাবলু। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো:খায়রুল আলমের সভাপতিত্বে বাউফল উপজেলা বিএনপি,যুবদল, ছাএদল নেতৃবৃন্দ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও অভিভাবক বক্তব্য রাখবেন।

News
অক্টোবর ১২, ২০২৬
0
রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলায় তদন্ত কমিটি গঠন, মামলা করবে হল প্রশাসন
রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলায় তদন্ত কমিটি গঠন, মামলা করবে হল প্রশাসন

  রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। হল প্রশাসনের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মাহবুবুর রহমান । . সোমবার দুপুরে তিনি এতথ্য জানান। এর আগে মামলা করার আশ্বাস পাওয়ার পর রোববার মধ্যরাতে রাতে প্রতিবাদ কর্মসূচি থেকে সরে এসেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সাংবাদিকেরা। আহতদের মধ্যে আছেন— দৈনিক আগামীর সময়ের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি জাহিদুল ইসলাম, দ্য ডেইলি স্টারের নূর আহসান, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের আরিফ উজ্জামান ও দৈনিক সমকালের মাঈনুল ইসলাম। প্রথমে আহত চারজনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হয়। পরে রাত ১০টার দিকে তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এর আগে গতকাল রাত সাড়ে আটটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হামলা করে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। এতে চার সাংবাদিকসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। হামলার প্রতিবাদে ওই রাতেই জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেফতার ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে সাংবাদিকেরা শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। এরপর রাত ১০টার পর ঘটনাস্থলে যান বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক আব্দুল আলিম ও সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মামুনুর রশীদসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে মামলা করার ঘোষণা দেওয়া হলে রাত সোয়া একটার দিকে সাংবাদিকেরা কর্মসূচি থেকে সরে আসেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মামলা না হলে পরবর্তী কর্মসূচি নেওয়া হবে বলে জানান তারা। এর আগে এ ঘটনার প্রতিবাদে শহীদ জিয়াউর হল সংসদ ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা হল প্রাধ্যক্ষের কক্ষে কয়েকটি দাবিতে বিক্ষোভ ও প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করেন। সাংবাদিকদের দাবিগুলোর মধ্যে আছে, হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে মামলা ও সোমবার বেলা ১২টার মধ্যে তাদের গ্রেফতার নিশ্চিত করা। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে যাদের ছাত্রত্ব আছে, তাদের ছাত্রত্ব বাতিল এবং যাদের পড়াশোনা শেষ হয়েছে, তাদের সনদ বাতিলের দাবিও জানানো হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষার্থী নন, এমন অভিযুক্ত ব্যক্তিদের ক্যাম্পাসে প্রবেশ নিষিদ্ধ করার দাবিও আছে। এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে গতকাল রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মামুনুর রশীদ সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীদের ওপর যেভাবে হামলা করা হয়েছে—তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। সাংবাদিকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এ ঘটনায় আগামীকাল (আজ সোমবার) হল প্রশাসনের উদ্যোগে মামলা করা হবে। অন্য দাবি যথাযথ প্রক্রিয়া মেনে বাস্তবায়ন করা হবে। প্রত্যক্ষদর্শী ও আহত সাংবাদিকদের ভাষ্য, হামলায় ছাত্রদলের অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী অংশ নেন। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের মধ্যে আছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি এম আহসান হাবীব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল ইসলাম, সহসভাপতি শরিফুল ইসলাম ও সহ-দপ্তর সম্পাদক শাহরিয়ার আলম। এদিকে এ হামলার অভিযোগ তদন্তে দুই সদস্যের কমিটি গঠন করেছে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত করে কেন্দ্রীয় সংসদে লিখিত প্রতিবেদন জমা দিতে কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রোববার রাতে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের দপ্তর সম্পাদক (সহসভাপতি পদমর্যাদা) জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একটি ‘অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার অভিযোগ’ পাওয়ার পর তদন্তের জন্য এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি এবিএম ইজাজুল কবির রুয়েল ও মনজুরুল আলমকে রাখা হয়েছে। ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরের নির্দেশনায় কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

News
অক্টোবর ৫, ২০২৬
0
জাপানের তোহুকু বিশ্ববিদ্যালয়ের আমন্ত্রণে পবিপ্রবি উপ-উপাচার্যের জাপান সফর "
জাপানের তোহুকু বিশ্ববিদ্যালয়ের আমন্ত্রণে পবিপ্রবি উপ-উপাচার্যের জাপান সফর "

"  জাপান-বাংলাদেশ যৌথ গবেষণা প্রকল্পের (জেএসপিএস-ইউজিসি বাই-লেটারাল জয়েন্ট রিসার্চ প্রজেক্ট) প্রজেক্ট মেম্বার ও জেএসপিএসের গবেষণা ফেলো হিসেবে গবেষণার কাজে জাপান যাচ্ছেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড.এ. বি.এম. সাইফুল ইসলাম। ৫ অক্টোবর ২০২৬ গবেষণাসংক্রান্ত কাজে জাপানের তোহোকু ইউনিভার্সিটির আমন্ত্রণে রাতে চায়না সাউদার্ণ এয়ারলাইন্সে ঢাকা ত্যাগ করবেন তিনি। জাপানে অবস্থানকালে তাঁর গবেষণার যাবতীয় ব্যয় জাপান সরকার বহন করবে। মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও বিশিষ্ট মৃত্তিকা বিজ্ঞানী ড.এ. বি.এম. সাইফুল ইসলাম “Reduction of arsenic contamination from rice fields through engineered biochar application: A fundamental understanding of metallomics at the soil-biochar interface.” শিরোনামে জাপান-বাংলাদেশ যৌথ গবেষণা প্রকল্পের একজন অন্যতম গবেষক ও ফেলো। উক্ত গবেষণা প্রকল্পের গবেষক টিমের জাপান সাইডের নেতৃত্ব দিচ্ছেন তোহুকু বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা বিজ্ঞান এর অধ্যাপক ড. তোময়ুকি মাকিনো এবং বাংলাদেশ সাইডে নেতৃত্ব দিচ্ছেন অধ্যাপক ড. এ.বি.এম. সাইফুল ইসলাম। প্রকল্পের অন্য গবেষকরা হলেন পবিপ্রবির আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী বিষয়ক পরিচালক ড. হাচিব মোহাম্মদ তুষার, বিএআরআই এর প্লানিং ডাইরেক্টর ড. হাবিব মোহাম্মদ নাসের এবং উক্ত প্রকল্পের প্রধান গবেষক ও কো-অর্ডিনেটর  হিসেবে আছেন পবিপ্রবির কৃষিতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. শামীম মিয়া যিনি বর্তমানে অষ্ট্রেলিয়ার নিউ ইংল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। উল্লেখ্য অধ্যাপক ড. এ.বি.এম. সাইফুল ইসলাম একজন বিশিষ্ট পেডোলজিস্ট ইতোপূর্বে তিনি বাংলাদেশের চলন বিলের মাটির শ্রেণীবিভাগ নিয়ে গবেষণা করে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি পবিপ্রবির উপ-উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করছেন। উক্ত সফরের জন্য তিনি সকলের নিকট দোয়া কামনা করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের সিনিয়র ডেপুটি ডিরেক্টর মো: মাহফুজুর রহমান সবুজ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

News
অক্টোবর ৫, ২০২৬
0
পবিপ্রবিতে কৃষক প্রশিক্ষণ ও চারা বিতরণ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান কাজ হলো তার গবেষণার সুফল সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়া -- পবিপ্রবি  ভিসি
পবিপ্রবিতে কৃষক প্রশিক্ষণ ও চারা বিতরণ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান কাজ হলো তার গবেষণার সুফল সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়া -- পবিপ্রবি  ভিসি

   পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের  বনায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধন কমিটির উদ্যোগে কৃষক ও কৃষাণী  প্রশিক্ষণ ও চারা বিতরণ অনুষ্ঠান অদ্য ৩০ সেপ্টেম্বর সকাল ১১ টায় উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের জার্মপ্লাজম সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের  বনায়ন ও সৌন্দর্য বর্ধন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মাহবুব রব্বানীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপাচার্য অধ্যাপক ড.এস.এম হেমায়েত জাহান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান,কৃষি বনায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান। প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস.এম হেমায়েত জাহান  বলেন,"আমি অত্যন্ত গর্বিত ও আনন্দিত যে, আজ আপনাদের মতো কঠোর ও  পরিশ্রমী মানুষের মাঝে উপস্থিত হতে পেরেছি। আপনারা দিন ও রাত পরিশ্রম করে রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে আমাদের মুখে অন্ন তুলে দেন। একটি  বিশ্ববিদ্যালয় শুধু  চার দেয়ালের মাঝে  শিক্ষা দেবার জায়গা নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের  অন্যতম প্রধান কাজ হলো তার গবেষণার সুফল সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া। বিশেষ করে পবিপ্রবি'র এই অঞ্চলের কৃষক দের প্রতি  একটি গভীর সামাজিক দায়বদ্ধতা ও অধিকার রয়েছে। এই এলাকার কৃষক দের উন্নয়ন মানেই আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থকতা।আপনাদের যে কোন কৃষিভিত্তিক সমস্যা সমাধানের জন্য  এ বিশ্ববিদ্যালয় সবসময় আপনাদের পাশে থাকবে এবং কাজ করে যাবে।   আমরা যে নতুন নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করলাম এটা আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। আপনারা আপনাদের কাজ করার ক্ষেত্রে কি কি সমস্যা ফেস করেন আমাদের বললে আমরা সমাধানের চেষ্টা করবো। তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের এই যুগে উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষি দিন দিন চ্যালেন্জিং হয়ে উঠেছে। এ চ্যালেন্জ মোকাবেলায় আপনাদের পাশে দাঁড়াতে আমরা যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছি। আমরা আপনাদের জন্য ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু করেছি। এ ওয়ান স্টপ সার্ভিসে এসে আপনারা এক জায়গাতেই কৃষি বিজ্ঞানীদের কাছ থেকে  সরাসরি আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত সমাধান পেয়ে যাবেন।         উক্ত কৃষক প্রশিক্ষণে এলাকার ৫০ জন কৃষক কৃষাণী  অংশগ্রহণ করেন। পরে কৃষকদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি অধ্যাপক ড. এস.এম হেমায়েত জাহান। বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের সিনিয়র ডেপুটি ডিরেক্টর মো  মাহফুজুর রহমান সবুজ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

News
সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬
0
অর্থাভাবে বন্ধ কুড়িগ্রামের ঐতিহ্যবাহী আদিনা মসজিদের নির্মাণকাজ
অর্থাভাবে বন্ধ কুড়িগ্রামের ঐতিহ্যবাহী আদিনা মসজিদের নির্মাণকাজ

  কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে অর্থ সংকটে বন্ধ হয়ে গেছে প্রায় ১৪০ বছরের পুরোনো ঐতিহ্যবাহী দেওয়ানের খামার আদিনা জামে মসজিদের নির্মাণকাজ। নতুন দ্বিতল মসজিদ ভবনের পিলার নির্মাণের কাজ শেষ হলেও অর্থের অভাবে দেয়াল নির্মাণ ও ছাদ ঢালাই করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে নির্মাণাধীন ভবনের পাশেই টিনের ছাউনির ঘরে চট বিছিয়ে নামাজ আদায় করছেন মুসল্লিরা। বৃষ্টির সময় চালের ছিদ্র দিয়ে পানি পড়ে এবং রোদে ঘরটি প্রচণ্ড গরম হয়ে ওঠে। এতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে মুসল্লিদের। উপজেলার সদর ইউনিয়নের দেওয়ানের খামার গ্রামে অবস্থিত মসজিদটি স্থানীয়দের কাছে দীর্ঘদিনের ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে পরিচিত। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৮৮৭ সালে খলিল ব্যাপারী খড়, বাঁশ ও পাটখড়ি দিয়ে মসজিদটি নির্মাণ করেন। সে হিসাবে মসজিদটির বয়স প্রায় ১৪০ বছর। পরে কাঠ ও টিন দিয়ে মসজিদটি সংস্কার করা হয়। খলিল ব্যাপারীর মৃত্যুর পর তার ছেলে মোজাম্মেল হক ব্যাপারী ইটের দেয়াল ও টিনের ছাউনি দিয়ে মসজিদটির নতুন ঘর নির্মাণ করেন। ওই ভবনেই দীর্ঘদিন ধরে নামাজ আদায় করে আসছিলেন এলাকার মুসল্লিরা। কয়েক বছর আগে পুরোনো ভবনের দেয়ালে ফাটল দেখা দেয় এবং পলেস্তারা খসে পড়তে থাকে। এতে মসজিদটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। পরে মসজিদ কমিটি ও মোজাম্মেল হক ব্যাপারীর বড় ছেলে মেজবাহুল হক বৈজু ব্যাপারী পুরোনো ভবনটি ভেঙে সেখানে নতুন দ্বিতল ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেন। এজন্য আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয়দের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করা হয়। পরে কুড়িগ্রাম-১ (ভূরুঙ্গামারী-নাগেশ্বরী) আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম ও জেলা জামায়াতের আমির আজিজুর রহমান স্বপনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে নির্মাণকাজের উদ্বোধন করা হয়। মসজিদ কমিটির সভাপতি মেজবাহুল হক বৈজু ব্যাপারী জানান, নির্মাণকাজ শুরু করার পর থেকে এ পর্যন্ত ৯-১০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। স্থানীয় এক ব্যক্তি ৬০ বস্তা সিমেন্ট দিয়ে সহযোগিতা করেছেন। আত্মীয়স্বজনদের কাছ থেকেও অর্থ সংগ্রহ করে কাজ এগিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে পিলার নির্মাণের পর দেয়াল ও ছাদ ঢালাইয়ের কাজ করতে যে অর্থ প্রয়োজন, তা জোগাড় করা সম্ভব হচ্ছে না। মসজিদের নিজস্ব কোনো তহবিল না থাকায় নির্মাণকাজ বন্ধ রয়েছে। গত ১৭ অক্টোবর সরেজমিন দেখা যায়, নির্মাণাধীন ভবনের পাশে টিনের একটি ঘরে চট বিছিয়ে নামাজ আদায় করছেন মুসল্লিরা। তারা জানান, বৃষ্টি হলে টিনের চালের ছিদ্র দিয়ে পানি পড়ে। অন্যদিকে রোদে ঘরটি অতিরিক্ত গরম হয়ে যায়। এমন পরিবেশে নামাজ আদায় করতে তাদের কষ্ট হয়। স্থানীয় রফিকুল ইসলাম মাস্টার বলেন, মসজিদটির ভিত্তি নির্মাণ করতে গিয়ে আমরা এখন বিপাকে পড়েছি। কারো কাছ থেকে অনুদান পাচ্ছি না, কাজেরও কোনো অগ্রগতি হচ্ছে না। তিনি মসজিদটির নির্মাণকাজ শেষ করতে সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। স্থানীয় প্রবীণদের ভাষ্য, মসজিদটি শুধু ধর্মীয় উপাসনালয় নয়, এলাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্যেরও অংশ। দীর্ঘদিন ধরে এখানে নামাজ আদায়ের পাশাপাশি বিভিন্ন ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। কিন্তু নির্মাণকাজ থমকে থাকায় এলাকাবাসীর মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে। মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে দেশ-বিদেশে অবস্থানরত ধর্মপ্রাণ ও সামর্থ্যবানদের কাছে আর্থিক সহায়তা চাওয়া হয়েছে। মসজিদের খতিব মাওলানা নজরুল ইসলাম নোমানী বলেন, মসজিদের আশপাশের এলাকার অধিকাংশ মানুষ দরিদ্র। তারা মসজিদের উন্নয়নে বেশি অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করতে পারছেন না। টাকার অভাবে কাজ বন্ধ রয়েছে। বিকল্প স্থানে নামাজ আদায় করতেও মুসল্লিদের কষ্ট হচ্ছে। মসজিদ কমিটির সভাপতি মেজবাহুল হক বৈজু ব্যাপারী বলেন, সমাজভুক্ত মুসল্লিদের অনুদান থেকে যে অর্থ আসে, তা দিয়ে ইমাম ও মুয়াজ্জিনের বেতন দিতেই কষ্ট হয়। তাই নির্মাণকাজ শেষ করতে দেশ-বিদেশের বিত্তবান ও হৃদয়বান মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। সহায়তা পাঠানোর জন্য মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, ভূরুঙ্গামারী শাখার হিসাব নম্বর ০২০০০২৫৮৪২২৪৮ (দেওয়ানের খামার আদিনা জামে মসজিদ) এবং বিকাশ/নগদ নম্বর ০১৭২৯৬৭৮২৯২ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, আমার এলাকার শুধু মসজিদ নয়; রাস্তাঘাট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে কাজ করার চেষ্টা করছি। সুযোগ পেলে ওই মসজিদের উন্নয়নেও চেষ্টা করব।  

News
অক্টোবর ২৫, ২০২৬
0
বিমানবন্দরে বিশ্বজয়ী হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরাকে সংবর্ধনা
বিমানবন্দরে বিশ্বজয়ী হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরাকে সংবর্ধনা

  মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত ৬৬তম আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতার হিফজুল কোরআন বিভাগে প্রথম স্থান অর্জনকারী বাংলাদেশের ইহতেশামুল হক হিরাকে উষ্ণ সংবর্ধনা দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। সোমবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তাকে এ সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (ভারপ্রাপ্ত সচিব) এ এইচ এম কামরুজ্জামান আহমেদ এবং যুগ্ম সচিব আরিফুল ইসলাম উপস্থিত থেকে বিশ্বজয়ী হাফেজকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান। এ সময় হিরার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঢাকার মিরপুর-১-এর মারকাযু ফয়জিল কোরআন আল ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক মুফতি মাসুম ফয়েজী। গত ৬ থেকে ১০ অক্টোবর মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত হয় ৬৬তম আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতা ২০২৬। বিশ্বের শতাধিক দেশের প্রতিযোগীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় কয়েক ধাপের বাছাই শেষে ৩৮টি দেশের প্রতিনিধি চূড়ান্ত পর্বে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এ আয়োজনে হিফজুল কোরআন বিভাগে বিশ্বসেরা হওয়ার গৌরব অর্জন করেন বাংলাদেশের হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরা। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম এই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেছিলেন। পরবর্তীতে জমকালো সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন দেশটির ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী ড. জুলকিফলি হাসান। বিশ্বমঞ্চে প্রথম স্থান অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ হাফেজ হিরাকে নগদ ৪০ হাজার মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত, দৃষ্টিনন্দন সম্মাননা ট্রফি, ৫ হাজার রিঙ্গিত মূল্যের ওমরাহ প্যাকেজ ও ৩ হাজার রিঙ্গিত মূল্যের স্বর্ণের বার প্রদান করা হয়।

News
অক্টোবর ১২, ২০২৬
0
কল্যাণপুরে মাদরাসাতুর রাইহানের ২য় সাময়িক পরীক্ষার ফল প্রকাশ ও পুরস্কার বিতরণ
কল্যাণপুরে মাদরাসাতুর রাইহানের ২য় সাময়িক পরীক্ষার ফল প্রকাশ ও পুরস্কার বিতরণ

   মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ  চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি চাঁপাইনবাবগঞ্জের কল্যাণপুরে মাদরাসাতুর রাইহানের ২য় সাময়িক পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে মাদরাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাঝে পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা ও কৃতী শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানটি সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এইচ এম মুস্তাকিম বিল্লাহ নিশান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও দি চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক রাইহানুল ইসলাম লুনা। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন মাওলানা মুহসিন উদ্দিন। বিশেষ আলোচক ছিলেন মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোলাম নবী। অনুষ্ঠানে অতিথিরা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা ও আদর্শ চরিত্র গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ফলাফল ঘোষণার পর কৃতী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়। এ সময় মাদরাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। মাদরাসাতুর রাইহান পরিবারের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত সম্মানিত অতিথি, শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ইলমে দ্বীন ও আমলে বরকত এবং কুরআন-সুন্নাহর আদর্শে গড়ে ওঠার জন্য দোয়া করা হয়।

News
সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
0
বাবরের উদ্যোগে ৪৭ জন বিএনপি নেতা ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে রওনা
বাবরের উদ্যোগে ৪৭ জন বিএনপি নেতা ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে রওনা

  নেত্রকোনা-৪ (মদন, মোহনগঞ্জ ও খালিয়াজুরী) আসনের বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের ৪৭ জন নেতাকর্মী ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব যাচ্ছেন। সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও নেত্রকোনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবরের বিশেষ উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে তারা এ পবিত্র ওমরাহ পালনের সুযোগ পাচ্ছেন। মঙ্গলবার রাতে ৪৭ সদস্যের এই ওমরাহ কাফেলা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সৌদি আরবের উদ্দেশে যাত্রা করবে। বিষয়টি নিশ্চিত করে লুৎফুজ্জামান বাবরের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) মির্জা মো. হায়দার আলী জানান, এমপি মহোদয়ের নিজস্ব অর্থায়নে তার নির্বাচনি এলাকা নেত্রকোনা-৪-এর মোহনগঞ্জ উপজেলার ১৮ জন, মদন উপজেলার ১৭ জন, খালিয়াজুরী উপজেলার ১১ জন এবং আমি নিজে—মোট ৪৭ জনকে পবিত্র ওমরাহ পালনের সুব্যবস্থা করে দিয়েছেন। তবে এমপি মহোদয় নিজে এই কাফেলার সঙ্গে যাচ্ছেন না। উনার ইচ্ছা নির্বাচনি এলাকার নেতৃবৃন্দ যাতে ধর্মীয় অনুশাসনে নিজেদের পরিচালিত করেন, সেই ভাবনা থেকেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ওমরাহ কাফেলায় যারা যাচ্ছেন মোহনগঞ্জ উপজেলা (১৮ জন): উপজেলা বিএনপির সভাপতি সেলিম কার্ণায়েন, সিনিয়র সহসভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিব, সাধারণ সম্পাদক গোলাম এরশাদুর রহমান, পৌর বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ভিপি, সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী পুতুল, সাবেক পৌর মেয়র মাহাবুবুন্নবী শেখ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিরাজ উদ্দিন তালুকদার, সাবেক পৌর আহ্বায়ক ফজলুল হক মাসুম, সাবেক উপজেলা সদস্য সচিব টিপু সুলতান, সাবেক জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান খান চৌধুরী, সিনিয়র নেতা মোহাম্মদ মহসিন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম তালুকদার, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক জহিরুজ্জামান খান রনি, সদস্য সচিব ফয়সাল আহমেদ খোকন, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি জামিউল ইসলাম রাকিব, সাধারণ সম্পাদক নাজমুস সাদী চৌধুরী অপু, সাংগঠনিক সম্পাদক কিরন খাঁ ও সাবেক সদস্য সচিব জাকির আহমেদ বাবু। খালিয়াজুরী উপজেলা (১১ জন): উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুর রউফ স্বাধীন, সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান কেষ্ট, সহ-সভাপতি মাসুদ রানা, সহ-সভাপতি ইদ্রিস আলী মোল্লা, সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়া উদ্দিন জিয়া, যুগ্ম সম্পাদক তরিকুল ইসলাম তরুক, সদস্য হালিম আজাদ আকবরী, যুবদলের আহ্বায়ক এনামুল হক ছুটন, সদস্য সচিব রাজিব হোসেন পলাশ, ছাত্রদলের সভাপতি মাজহারুল হক পলিন ও সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন আরাফাত হৃদয়। এছাড়াও জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মদন উপজেলা সভাপতি মুফতি আনোয়ার হোসেন এই প্রতিনিধিদলে কাফেলার সদস্য হিসেবে যুক্ত রয়েছেন। এই উদ্যোগের বিষয়ে খালিয়াজুরী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুর রউফ স্বাধীন বলেন, এমপি মহোদয় এতজন নেতাকর্মীকে ওমরাহ পালনে পাঠানোর উদ্যোগ নিয়ে তার মহৎ মানসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। আমরা অত্যন্ত ভাগ্যবান যে উনার মতো একজন অভিভাবক ও নেতা পেয়েছি। একই অনুভূতি প্রকাশ করে মোহনগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি সেলিম কার্ণায়েন বলেন, আমাদের নেতা লুৎফুজ্জামান বাবর আমাদের পবিত্র ওমরাহ পালনের এই অসামান্য সুযোগ করে দিয়েছেন। এজন্য মোহনগঞ্জ উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে তার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এবং মহান আল্লাহর দরবারে উনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।

News
সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
0
পবিত্র কাবায় বৃষ্টিতে ভিজে নামাজ আদায় মুসল্লিদের
পবিত্র কাবায় বৃষ্টিতে ভিজে নামাজ আদায় মুসল্লিদের

  সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কায় ভারি বৃষ্টি ও বজ্রঝড় হয়েছে। এ সময় মসজিদুল হারামে কাবা শরিফ ঘিরে মুসল্লিদের নামাজ আদায়ের দৃশ্য ধারণ করা হয়েছে। ১৪ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত ভিডিও প্রতিবেদনে এ দৃশ্য তুলে ধরা হয়েছে। বৃষ্টির সময় মসজিদুল হারামের আকাশ কালো মেঘে ঢেকে যায় এবং প্রবল বর্ষণ শুরু হয়। ভারি বৃষ্টির মধ্যেও মুসল্লিরা মসজিদুল হারামে নামাজ আদায় অব্যাহত রাখেন। আবহাওয়ার অবনতির কারণে সৌদি কর্তৃপক্ষ বন্যার সতর্কতা জারি করেছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও দর্শনার্থীদের উপত্যকা এবং নিচু এলাকাগুলো এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সৌদি জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের পূর্বাভাসেও মক্কাসহ কয়েকটি অঞ্চলে মাঝারি থেকে ভারি বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছিল। এর সঙ্গে শিলাবৃষ্টি, প্রবল বাতাস এবং আকস্মিক বন্যার আশঙ্কার কথাও জানানো হয়। আল-জাজিরার ভিডিওতে বৃষ্টির মধ্যে মসজিদুল হারামের পরিবেশ এবং কাবা শরিফ ঘিরে মুসল্লিদের নামাজ আদায়ের দৃশ্য বিশেষভাবে ফুটে উঠেছে।

News
সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
0
বিরল ঘটনার সাক্ষী হচ্ছে কাবা শরিফ
বিরল ঘটনার সাক্ষী হচ্ছে কাবা শরিফ

  এক বিরল ঘটনার সাক্ষী হতে যাচ্ছে কাবা শরিফ। আজ বুধবার সূর্য সরাসরি কাবা শরিফের ওপরে অবস্থান করবে। এ সময় সূর্য ঠিক পবিত্র কাবার ওপর অবস্থান করবে, ফলে কয়েক মুহূর্তের জন্য কাবা শরিফের কোনো ছায়া দেখা যাবে না। এ ধরনের ঘটনা বছরে দুইবার ঘটে। ঘটে। এ ঘটনার ভিত্তিতে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে নির্ভুলভাবে কিবলার দিক নির্ণয় করে থাকেন। জেদ্দা অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির তথ্যমতে, স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ২৬ মিনিট ৪৪ সেকেন্ডে সূর্য পবিত্র কাবার ঠিক ৯০ ডিগ্রি ওপরে অবস্থান করবে। ওই মুহূর্তে সূর্য ও কাবা একই উল্লম্ব রেখায় অবস্থান করায় কাবার ছায়া সম্পূর্ণভাবে বিলীন হয়ে যাবে। জেদ্দা অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির সভাপতি মাজেদ আবু জাহরা বলেছেন, দিগন্তের ওপরে সূর্য দৃশ্যমান এমন সব স্থানে ওই মুহূর্তে সূর্য সরাসরি কাবার দিকে থাকবে। ফলে যেকোনো খাড়া বস্তুর ছায়া ঠিক বিপরীত দিকে পড়বে। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, এ ঘটনার মাধ্যমে কিবলার দিক নির্ধারণ করতে দর্শনার্থীরা বা পর্যবেক্ষকরা একটি সমতল জায়গায় খাড়াভাবে একটি বস্তু স্থাপন করতে পারেন। এরপর নির্ধারিত সময়ে সূর্য বা বস্তুর ছায়ার দিক অনুসরণ করে কিবলার দিক নির্ণয় করা সম্ভব হবে।  

News
জুলাই ১৫, ২০২৬
0
মেসির ২০১৬ সালের অবসরে যা বলেছিলেন রোনালদো
মেসির ২০১৬ সালের অবসরে যা বলেছিলেন রোনালদো

  লিওনেল মেসির আন্তর্জাতিক ফুটবল ক্যারিয়ারে ইতি টানার সিদ্ধান্ত ক্রীড়াবিশ্বকে ২০১৬ সালের সেই বিষাদময় স্মৃতির কথা নতুন করে মনে করিয়ে দিয়েছে। সেবারও আর্জেন্টিনার নীল-সাদা জার্সি চিরতরে তুলে রাখার ঘোষণা দিয়েছিলেন এই মহাতারকা। মেসির সেই আকস্মিক সিদ্ধান্তের পর ফুটবলপ্রেমীদের পাশাপাশি সংহতি ও প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বক্তব্য দিয়েছিলেন তার সর্বকালের সেরা প্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ঘটনাটি ঘটেছিল ২০১৬ সালের কোপা আমেরিকার ফাইনালে। নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ে গোল না হওয়ায় ম্যাচড়ায় পেনাল্টি শুটআউটে। সেখানে চিলির বিপক্ষে স্পটকিকে বল জালে পাঠাতে ব্যর্থ হন মেসি এবং শেষ পর্যন্ত শিরোপা হাতছাড়া হয় আলবিসেলেস্তেদের। পর পর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্টের ফাইনালে হেরে মানসিকভা ভেঙে পড়েছিলেন আর্জেন্টাইন এই জাদুকর। মাত্র ২৯ বছর বয়সেই জাতীয় দলকে বিদায় জানানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি। মেসির এই বিদায়ে পুরো ফুটবল বিশ্ব স্তম্ভিত হয়ে পড়েছিল। তবে মাঠের তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা ভুলে সেই কঠিন মুহূর্তে মেসির পাশে এসে দাঁড়ান পর্তুগিজ তারকা রোনালদো। পর্তুগালের এই মহাতারকা তখন বলেছিলেন, মেসি একটি অত্যন্ত কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং মানুষের উচিত তার পরিস্থিতি বোঝা। টাইব্রেকারে মেসির পেনাল্টি মিসের বিষয়ে সহানুভূতি প্রকাশ করে রোনালদো মন্তব্য করেছিলেন, মেসি কখনোই হার বা দ্বিতীয় হওয়াতে অভ্যস্ত নয়। তবে একটি পেনাল্টি মিস করলেই কোনো ফুটবলার খারাপ খেলোয়াড় হয়ে যান না। ক্লাব ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দুই মহাতারকার তীব্র লড়াই সবসময়ই খবরের শিরোনাম হলেও, রোনালদোর মনে মেসির জন্য ছিল গভীর সম্মান। ফাইনাল শেষে মেসিকে কাঁদতে দেখে নিজের কষ্টের কথা জানিয়ে সিআরসেভেন বলেছিলেন, মেসিকে চোখের পানি ফেলতে দেখে তারও কষ্ট লেগেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছিলেন যে, দেশ ও সমর্থকদের স্বার্থে মেসি যেন পুনরায় জাতীয় দলে প্রত্যাবর্তন করেন। রোনালদোর সেই প্রত্যাশা বাস্তব রূপ পেয়েছিল। অবসর নেওয়ার অল্প কিছুদিনের মধ্যেই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে আর্জেন্টিনার জার্সিতে ফিরে আসেন মেসি। এরপরের ঘটনা তো ইতিহাস-২০২১ সালে কোপা আমেরিকা, ২০২২ সালে স্বপ্নের বিশ্বকাপ এবং ২০২৪ সালে আবারও কোপা আমেরিকা জয় করে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারকে স্বর্ণাক্ষরে লিখিয়ে নেন তিনি। তবে সাম্প্রতিক চিত্রটা একেবারেই ভিন্ন। উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের শেষ ম্যাচে স্পেনের কাছে হেরে যাওয়ার পর আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির পথচলার ইতি ঘটে। গত সোমবার তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে নিজের শেষ সিদ্ধান্ত জানিয়ে নিশ্চিত করেন যে, আর্জেন্টিনার হয়ে তাকে আর মাঠে দেখা যাবে না। ২০১৬ সালে রোনালদো যে প্রত্যাবর্তনের আশা করেছিলেন, এবার হয়তো সেই ফিরে আসার আর কোনো সম্ভাবনা থাকছে না।

News
সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬
0
বাংলাদেশে আসতে পারে ব্রাজিল, স্টেডিয়াম পরিদর্শনে প্রতিনিধি দল
বাংলাদেশে আসতে পারে ব্রাজিল, স্টেডিয়াম পরিদর্শনে প্রতিনিধি দল

  বাংলাদেশে ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দলের প্রীতি ম্যাচ আয়োজনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এ লক্ষ্যে ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশনের একটি প্রতিনিধি দল ঢাকায় এসে জাতীয় স্টেডিয়াম ও বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনাসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পরিদর্শন করেছে। সফর শেষে বাংলাদেশের মাঠ ও অবকাঠামো নিয়ে ইতিবাচক মূল্যায়ন করেছে প্রতিনিধি দলটি। রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুর ১টায় ঢাকায় আসে ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশনের প্রতিনিধি দল। সফরকালে তারা রাজধানীর জাতীয় স্টেডিয়াম, ঢাকা এবং বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনার মাঠ, ড্রেসিংরুম, টেকনিক্যাল জোনসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ঘুরে দেখে। পাশাপাশি কয়েকটি আবাসিক হোটেলও পরিদর্শন করেন তারা। জাতীয় স্টেডিয়াম ও বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনার মাঠ এবং সংলগ্ন বিভিন্ন সুবিধা পরিদর্শন শেষে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা মাঠের মান ও বিদ্যমান অবকাঠামোকে ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দলের জন্য গ্রহণযোগ্য বলে অভিমত দেন। তবে আন্তর্জাতিক মানের বড় দলকে আতিথেয়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে ড্রেসিংরুম, টেকনিক্যাল জোন এবং প্রবেশ ও বহির্গমন গেটের নিরাপত্তাসহ কিছু অবকাঠামোগত উন্নয়নের প্রয়োজন রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন। তবে এসব উন্নয়ন স্বল্প সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন করা সম্ভব বলে মনে করছে ব্রাজিলের প্রতিনিধি দল। সফর শেষে সোমবার (২৪ আগস্ট) রাত ১টা ৪০ মিনিটে ঢাকা ত্যাগ করে প্রতিনিধি দলটি। চলতি সপ্তাহেই তারা ঢাকায় পরিদর্শনের বিস্তারিত পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশ ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে ধরবে। এরপর বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন বা বাফুফে দ্রুত ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশনের সঙ্গে একটি আনুষ্ঠানিক বৈঠক করার উদ্যোগ নেবে। ওই বৈঠকে ব্রাজিল জাতীয় দলকে বাংলাদেশের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলার আমন্ত্রণ জানানোর পাশাপাশি ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে ব্রাজিলের নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসেবে ব্যবহারের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হতে পারে। জাতীয় স্টেডিয়ামের মাঠ উন্নয়নে বাফুফে স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে যে সংস্কারকাজ করেছে, ব্রাজিলের প্রতিনিধি দলের ইতিবাচক মূল্যায়নকে সেই উদ্যোগের গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে দেখছে বাফুফে। আন্তর্জাতিক দল ও খেলোয়াড়দের জন্য জাতীয় স্টেডিয়ামকে আরও উপযোগী করে তুলতে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত অন্যান্য অবকাঠামোগত উন্নয়ন করার পরিকল্পনাও রয়েছে বাফুফের। সফরের শেষ পর্যায়ে ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশনের প্রতিনিধি দল এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে অবকাঠামো উন্নয়ন, মাঠ ও পিচ ডেভেলপমেন্ট, যৌথ কোচিং প্রোগ্রাম, স্পোর্টস সায়েন্সের উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ আয়োজনসহ বিভিন্ন বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করার বিষয়ে আলোচনা হয়। এদিকে বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ব্রাজিলের প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। তারা জানান, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ব্রাজিলের প্রীতি ম্যাচে বাংলাদেশি সমর্থকদের ব্যাপক উপস্থিতি তারা লক্ষ্য করেছেন। বাংলাদেশে ব্রাজিল জাতীয় দল খেলতে এলে এখানকার ফুটবলপ্রেমীদের কাছ থেকেও একই ধরনের সমর্থন ও ভালোবাসা পাওয়া যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তারা। বাংলাদেশে ব্রাজিলের জাতীয় দলের একটি ম্যাচ আয়োজন হলে তা দেশের ফুটবলের জন্য বড় ধরনের আন্তর্জাতিক আকর্ষণ তৈরি করতে পারে বলে মনে করছে বাফুফে। একই সঙ্গে দুই দেশের ফুটবল সম্পর্ক আরও জোরদার হওয়ার পাশাপাশি কোচিং, স্পোর্টস সায়েন্স, মাঠ উন্নয়ন ও অন্যান্য ক্ষেত্রে সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে। বাফুফের ম্যানেজার-মিডিয়া সাদমান সাকিব জানান, ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশনের প্রতিনিধি দলের এই সফরকে দুই দেশের ফুটবল সম্পর্ক উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রতিনিধি দলের সুপারিশ পাওয়ার পর পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে। সবকিছু ইতিবাচকভাবে এগোলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশের মাটিতে ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দলের ম্যাচ দেখার স্বপ্ন পূরণ হতে পারে দেশের কোটি কোটি ব্রাজিল সমর্থকের।

News
আগস্ট ২৫, ২০২৬
0
জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপে নাচোলকে ৪-০ গোলে হারিয়ে শিবগঞ্জের জয়
জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপে নাচোলকে ৪-০ গোলে হারিয়ে শিবগঞ্জের জয়

   মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ  চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি চাঁপাইনবাবগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে ‘জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬’। শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেল ৪টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা স্টেডিয়ামে (নতুন) টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।   এতে নাচোল উপজেলাকে ৪-০ গোলে হারিয়ে জয় পেয়েছে শিবগঞ্জ উপজেলা ফুটবল দল। জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া সংস্থা,চাঁপাইনবাবগঞ্জের যৌথ আয়োজনে এবং এরফান গ্রুপের পৃষ্ঠপোষকতায় টুর্নামেন্টটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দ্বিতীয় ম্যাচ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে  উপস্থিত ছিলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মোঃ মুসা জঙ্গী। আরও উপস্থিত ছিলেন,  চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. নাকিব হাসান তরফদার   । এছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মো. মশিউর রহমান মিঠু, সদস্য মো. তৌফিকুল ইসলাম তোফা, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক কোষাধ্যক্ষ মো. বদিউজ্জামান বুধু, সাবেক সদর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল হান্নান রজুসহ সংশ্লিষ্টরা। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে শিবগঞ্জ উপজেলা দল। প্রতিপক্ষ নাচোল উপজেলা দলও পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত শিবগঞ্জের দাপটের সামনে সুবিধা করতে পারেনি।   নির্ধারিত সময়ের খেলায় শিবগঞ্জ ৪-০ গোলের বড় ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে। ম্যাচে অসাধারণ পারফরম্যান্সের জন্য শিবগঞ্জ উপজেলার ৭ নম্বর জার্সিধারী খেলোয়াড় মোমিনুল ইসলাম  ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত করা হয়। খেলা দেখতে জেলা স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে দর্শক ও ফুটবলপ্রেমীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। দীর্ঘদিন পর জেলার ক্রীড়াঙ্গনে এমন বড় আয়োজন ঘিরে তরুণ ও ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। আয়োজকরা জানান, স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনকে পুনরুজ্জীবিত করা এবং তরুণ প্রজন্ম, যুবক, কিশোর ও শিক্ষার্থীদের মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রেখে সুস্থ ও সুন্দর ধারার খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করাই এ টুর্নামেন্ট আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।     খেলাধুলা তরুণদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই যুবসমাজকে মাদকমুক্ত ও সুস্থ রাখতে নিয়মিত ক্রীড়া আয়োজনের মাধ্যমে তাদের মাঠমুখী করার উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে এবং এরফান গ্রুপের পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিত ‘জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬’ জেলার ক্রীড়াঙ্গনে নতুন প্রাণচাঞ্চল্য সৃষ্টি করবে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

News
আগস্ট ২৩, ২০২৬
0
দক্ষিণ কোরিয়ায় এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদকে নাগরিক সংবর্ধনা
দক্ষিণ কোরিয়ায় এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদকে নাগরিক সংবর্ধনা

  দক্ষিণ কোরিয়া সফর উপলক্ষে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে নাগরিক সংবর্ধনা প্রদান করেছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। গতকাল রোববার স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় খিম্পু শহরের খিম্পু ফরেন সাপোর্ট সেন্টারে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে এনসিপি ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স, দক্ষিণ কোরিয়া। অনুষ্ঠানে দক্ষিণ কোরিয়ায় অবস্থানরত এনসিপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ছাড়াও নানান শ্রেণি-পেশার প্রবাসী বাংলাদেশিরা অংশগ্রহণ করেন। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ডায়াস্পোরা সদস্যদের এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের আন্তরিকতা ও আতিথেয়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় দেশ যখন অবরুদ্ধ ছিল, তখন প্রবাসীরা মুক্তির আশা জাগিয়ে রেখেছিল। গণঅভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্য তিনি প্রবাসীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময়ের মতো জুলাই সনদ ও গণভোটের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নেও প্রবাসীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থান সম্পর্কে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও বিশ্ববাসীকে অবহিত করতে প্রবাসীদের সক্রিয় ভূমিকার প্রত্যাশা করেন। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো ভবিষ্যতের নির্বাচনগুলোতেও প্রবাসীদের ভোটাধিকার অব্যাহত রাখতে এনসিপি কাজ করে যাবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি। এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব সালেহ উদ্দিন সিফাত বলেন, কোরিয়ার প্রবাসী বাংলাদেশিরা জুলাই অভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। আমরা চাই আগামীতে রাষ্ট্র পরিচালনার পলিসিতেও তারা ভূমিকা রাখবে। আমি এসেছিলাম গোয়াংজু ডেমোক্রেসি ফোরামে। এখানে এসে কোরিয়ার অভ্যুত্থান ও গণতান্ত্রিক লড়াই দেখেছি। আগামীতে বাংলাদেশের লড়াই-সংগ্রামকে বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে চাই। এ সময় উপস্থিত প্রবাসীরা তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। শিক্ষার্থীদের মরদেহ বিনা মূল্যে দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা, কোরিয়ায় বাংলাদেশি অভিবাসন প্রক্রিয়া সহজীকরণ, দালালদের অপতৎপরতা রোধ, বিমানবন্দরে হয়রানি বন্ধ এবং দেশে প্রবাসীদের বিভিন্ন বিষয়ে অধিক অন্তর্ভুক্তির দাবি জানান তারা। অনুষ্ঠানে এনসিপির কেন্দ্রীয় সদস্য আয়মান রাহাত, এনসিপি ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স দক্ষিণ কোরিয়ার আহ্বায়ক আরিফুর রহমান ও সদস্য সচিব বাবুল মিয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

News
মে ১৮, ২০২৬
0
নিজের সুখের রহস্য প্রকাশ করলেন পরীমনি
নিজের সুখের রহস্য প্রকাশ করলেন পরীমনি

  তারকাদের জীবনে আলো, ক্যামেরা আর ব্যস্ততার অভাব নেই। কিন্তু দিনশেষে প্রশান্তির ঠিকানা কোথায়? চিত্রনায়িকা পরীমনির সাম্প্রতিক ফেসবুক পোস্ট যেন সেই প্রশ্নেরই এক মিষ্টি উত্তর দিলো। খোলা আকাশের নিচে, কাশফুলের মতো দোল খাওয়া ঘাসের পাশে কখনো একা, কখনো সন্তানদের সঙ্গে সময় কাটাতে দেখা গেল তাকে। ছবিগুলোর সঙ্গে ছোট্ট একটি ক্যাপশন—‘মাই হ্যাপিনেস’। আর তাতেই যেন স্পষ্ট হয়ে উঠল, পরীমনির সুখের বড় একটি অংশজুড়ে রয়েছে তার সন্তানরা। বৃহস্পতিবার সকালে সামাজিক মাধ্যমে একগুচ্ছ ছবি প্রকাশ করেন পরীমনি। সেখানে তাকে দেখা গেছে বেশ ফুরফুরে মেজাজে। কখনো কাশবনের পাশে দাঁড়িয়ে আছেন, আবার বসে সময় কাটাচ্ছেন। মূলত, দুই সন্তানকে নিয়ে কাশবনে ছুটে গিয়েছিলেন নায়িকা। সকালের রৌদ্রজ্জ্বল আবহ, শরতের স্নিগ্ধতা যেন তাদের জন্য তৈরি করেছে মনোরম পরিবেশ। সব মিলিয়ে ছবিগুলোতে ধরা পড়েছে জীবনের ছোট ছোট মুহূর্তে আনন্দ খুঁজে নেওয়ার প্রতিচ্ছবি। আর এই মুহূর্তকেই, বিশেষ করে সন্তানদের নিয়ে কাটানো তার এই মুহূর্তকেই জীবনের পরম ‘সুখ’ বলেই আখ্যায়িত করলেন। ব্যক্তিজীবনে নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়েছেন এই অভিনেত্রী। চিত্রনায়ক শরিফুল রাজের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর পর তাদের ঘরে আসে ছেলে শাহীম মোহাম্মদ পূণ্য। তবে পরবর্তী সময়ে তাদের বিচ্ছেদ হয়। এরপর ছেলেকে একাই বড় করে তোলার দায়িত্ব নেন পরীমনি। কিছুদিন পর তার পরিবারে আসে নতুন সদস্য—কন্যাসন্তান সাফিরা সুলতানা প্রিয়ম। বর্তমানে এই দুই সন্তানকে ঘিরেই তার সংসার। অভিনয়ের ব্যস্ততার ফাঁকে সন্তানদের সঙ্গে সময় কাটানো, তাদের নিয়ে ঘুরতে যাওয়া কিংবা দৈনন্দিন জীবনের আনন্দঘন মুহূর্ত ভাগ করে নেওয়া—এসবের মধ্য দিয়েই বারবার সামনে এসেছে পরীমনির মাতৃত্বের দিকটি। নিউজ ফটো কার্ড শেয়ার করুনফেসবুকে শেয়ার বা ডাউনলোডনিজের সুখের রহস্য প্রকাশ করলেন পরীমনি

News
অক্টোবর ১৫, ২০২৬
0
চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় খল চরিত্রের জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী আশরাফুল হক ডনকে (ডন হক) আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
সালমান শাহ হত্যা মামলায় অভিনেতা ডন আটক

  চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় খল চরিত্রের জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী আশরাফুল হক ডনকে (ডন হক) আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আজ রোববার, ৯ আগস্ট, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে আটক এই অভিনেতাকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) হস্তান্তর করা হয়েছে। . ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রহস্যজনকভাবে উদ্ধার করা হয় চিত্রনায়ক সালমান শাহর মরদেহ। দীর্ঘ সময় অতিক্রম করলেও তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে আলোচনা থামেনি। অবশেষে এ ঘটনায় তদন্তের গতি ফেরাতে সালমান শাহর মামা আলমগীর কুমকুম বাদী হয়ে রমনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় সালমান শাহর সাবেক স্ত্রী সামিরা হক ও অভিনেতা ডনসহ মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়। সালমান শাহর পরিবারের দাবি, শুরু থেকেই ঘটনাটিকে সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হিসেবে আড়াল করার চেষ্টা করা হয়েছে। সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর অভিযোগ ছিল, ঘটনার পর তারা হত্যা মামলা করতে গেলে পুলিশ সেটিকে অপমৃত্যুর মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করে। নব্বইয়ের দশকের শুরুতে চলচ্চিত্রে পা রেখে মাত্র চার বছরের ক্যারিয়ারে ২৭টি বাণিজ্যিকভাবে সফল ও জনপ্রিয় চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন সালমান শাহ। দীর্ঘ সময় পর নতুন করে হত্যা মামলা দায়ের ও আসামি ডনকে আটকের ঘটনায় বহুল আলোচিত এই মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে নতুন আশার আলো দেখছেন ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীরা।  

News
আগস্ট ৯, ২০২৬
0
লালবাগ কেল্লা পরিদর্শন করলেন মার্কিন নৌ কমান্ডার
লালবাগ কেল্লা পরিদর্শন করলেন মার্কিন নৌ কমান্ডার

  যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক ফ্লিটের কমান্ডার অ্যাডমিরাল স্টিভ কেলার লালবাগ কেল্লা পরিদর্শন করেছেন। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ঢাকার মার্কিন দূতাবাস এক বার্তায় এ তথ্য জানায়। বার্তায় বলা হয়, ঢাকা সফরের শেষ দিনে অ্যাডমিরাল স্টিভ কেলার লালবাগ কেল্লা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পুনরুদ্ধার করা হাম্মামখানা ঘুরে দেখেন এবং বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের অবদান সম্পর্কে অবগত হন। তিন দি‌নের সফ‌রে গত মঙ্গলবার ঢাকায় আসেন মার্কিন প্যাসিফিক ফ্লিটের কমান্ডার অ্যাডমিরাল স্টিভ কেলার।  উল্লেখ্য, বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত লালবাগ কেল্লা মুঘল স্থাপত্যের একটি নিদর্শন।

News
আগস্ট ৬, ২০২৬
0
স্বচ্ছতার’ লটারিতেও সুবিধা পেলেন যে নির্বাহী প্রকৌশলীরা
স্বচ্ছতার’ লটারিতেও সুবিধা পেলেন যে নির্বাহী প্রকৌশলীরা

  স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতে আজ নির্বাহী প্রকৌশলীদের লটারির মাধ্যমে বদলি ও পদায়ন করে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। তবে এই লটারির বাইরে থেকে যান তিন প্রভাবশালী নির্বাহী প্রকৌশলী। তারা ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পদায়নে আছেন। তারা হলেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের সচিবালয়ে কর্মরত (ই/এম-৪) নিয়াজ মো. তানভীর আলম, ইডেন বিভাগে কর্মরত (সচিবালয়) মুনতাসির মামুন এবং সংসদে কর্মরত (ই/এম-৭) রিসালাত বারী। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ১৫৫ জন নির্বাহী প্রকৌশলীকে সরাসরি লটারির মাধ্যমে বদলি ও পদায়ন করা হয়। তাদের মধ্যে ১১৬ জন সিভিল ও ৩৯ জন ই/এম বিভাগের কর্মকর্তা। লটারিতে বেশ কয়েকটি রঙের বক্স রাখা হয়। এত বক্সের ব্যবহার নিয়েও কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন। গণপূর্তের সংস্থাপন শাখা থেকে মাজহারুল ইসলাম ও মো. জিয়াউর রহমানকে শেরেবাংলা নগর ১ ও ২ এ নতুন করে পদায়ন নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সচিবালয়ে কর্মরত নির্বাহী প্রকৌশলী নিয়াজ মো. তানভীর আলম (বিসিএস ২৮) বর্তমানে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ই/এম-৪ এ কর্মরত রয়েছেন। তিনি খুলনার সাবেক মেয়র তালুকদার আবদুল খালেকের ভাতিজা। এর আগে, গণপূর্ত অধিদপ্তরের ই/এম-৩ ও ই/এম-৬ এ নির্বাহী প্রকৌশলী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। নির্বাহী প্রকৌশলী মুনতাসির মামুন গণপূর্ত অধিদপ্তরের ইডেন বিভাগে কর্মরত (সচিবালয়)। তিনি ২৭তম বিসিএস (গণপূর্ত) ক্যাডারের কর্মকর্তা। এর আগে, ইডেন গণপূর্ত উপ-বিভাগ-১, ঢাকা-এ উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (সিভিল) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তারও আগে তিনি গণপূর্ত প্রকল্প বিভাগ-৩, ঢাকাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া, নির্বাহী প্রকৌশলী রিসালাত বারী ই/এম-৭ এ (সংসদ) কর্মরত। বিসিএস ৩২তম ব্যাচের এই কর্মকর্তা বিএনপির অঙ্গসংগঠনের এক নেতার স্ত্রী। তিনি একই স্টেশনে চার বছরের বেশি সময় ধরে উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলীর দায়িত্ব পালন করেছেন। সাবেক এক মুখ্য সচিবের নিকট আত্মীয় পরিচয়ে তিনি এখানে দায়িত্ব পালন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এদিকে, গণপূর্ত অধিদপ্তরের মহাখালী বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রাজিবুল ইসলামকে ডিভিশন-১ এ পদায়ন নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। একাধিক প্রকৌশলীর মতে, রাজিবুল ইসলাম প্রকৌশলীদের সংগঠনের শীর্ষ এক নেতাকে দিয়ে তদবির করিয়েছেন। তিনি এর আগেও ঢাকা বিভাগ ১ এবং নগর গণপূর্ত বিভাগে নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। অন্যদিকে, নিয়াজ মো. তানভীর আলম প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক শীর্ষ কর্মকর্তাকে দিয়ে তদবির করিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এসব বিষয়ে জানতে চাইলে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ‘কিছু জায়গা স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ। তাই হঠাৎ করে কাউকে দায়িত্ব দেওয়া যাচ্ছে না। সেই বিষয়টি কর্তৃপক্ষ বিবেচনায় নিয়েই এই বদলি ও পদায়ন করেছে।’ তিন প্রকৌশলীকে কেন লটারির আওতায় আনা হয়নি? জানতে চাইলে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন-২) মো. সারোয়ার আলম বলেন, ‘ভিআইপি কেপিআইভুক্ত চার এলাকা- রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বাংলাদেশ সচিবালয় ও জাতীয় সংসদের নির্বাহী প্রকৌশলীদের লটারির বাইরে রাখা হয়েছে।’ এর কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এসব জায়গায় যাতে ফ্যাসিস্টদের মধ্য থেকে কেউ আসতে না পারে সেজন্য এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’ সারোয়ার আলম আরও বলেন, ‘যেসব প্রকৌশলীকে লটারির আওতায় আনা হয়নি তাদের বিষয়ে ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে কথা বলে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। এরপরও কোনো অভিযোগ এলে, তখন যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

News
অক্টোবর ১৪, ২০২৬
0
র্ণাঢ্য আয়োজনে সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
বর্ণাঢ্য আয়োজনে সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

  স্বাধীন, বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা নিশ্চিতকরণ এবং গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত নিরাপত্তা ও অধিকার আদায়ের প্রত্যয়ে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে। রাজধানীর তথ্য ভবনের তৃতীয় তলায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠান দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা সাংবাদিক, সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, বুদ্ধিজীবী, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও বিশিষ্টজনদের অংশগ্রহণে এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। বুধবার (১৯ আগস্ট) আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদিন এমপি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সভাপতি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা হাবীবুর রহমান হাবীব এবং রামগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. মজিবুল হক মজু। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মো. দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা, অধিকার, মর্যাদা, কল্যাণ এবং স্বাধীন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশে বর্তমানে গণমাধ্যম সর্বোচ্চ স্বাধীনতা ভোগ করছে। বর্তমান সরকারের শাসনামলে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়নি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। সরকারের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে। স্বাধীন বাংলাদেশে এর আগে গণমাধ্যম কখনো এতটা স্বাধীনতা ভোগ করেনি। তবে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার সুযোগ নিয়ে যেন অপসাংবাদিকতা, মিথ্যা সংবাদ কিংবা ব্ল্যাকমেইলিংয়ের সংস্কৃতি তৈরি না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ভুয়া নিউজ পোর্টাল ব্যবহার করে অপপ্রচার ও চাঁদাবাজির বিষয়ে প্রতিনিয়ত অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। পেশাদার সাংবাদিকদের স্বার্থেই এ ধরনের অপসংস্কৃতি রোধ করা প্রয়োজন। রাজনীতি ও সাংবাদিকতার সম্পর্ক প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, রাজনীতির মূল কাজ জনগণের সেবা করা। আর সাংবাদিকদের দায়িত্ব হলো রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা জনগণের কল্যাণে ব্যবহৃত হচ্ছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা। তবে বিগত সময়ে যারা সাংবাদিকতার আড়ালে ফ্যাসিবাদের দালালি করেছে এবং গুম-খুন ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুণ্ঠনের সহযোগী হয়েছে, তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে। সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, অনলাইন ও ওটিটি প্ল্যাটফর্মসহ সব ক্ষেত্রে একটি আধুনিক, স্বচ্ছ ও সুস্থ ডিজিটাল মিডিয়া ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে। এ লক্ষ্যে তথ্য মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে সংবাদপত্রের মালিক, সম্পাদক ও সাংবাদিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেছে। ভবিষ্যতেও এ আলোচনা অব্যাহত থাকবে। প্রধান আলোচকের বক্তব্যে অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদিন এমপি সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন কার্যক্রমের প্রশংসা করে বলেন, সাংবাদিকদের সুরক্ষা ও কল্যাণে ফাউন্ডেশনের মহতী উদ্যোগকে তিনি স্বাগত জানান। সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষায় এ ধরনের উদ্যোগ আরও জোরদার করার আহ্বান জানান তিনি। বিশেষ অতিথি হাবীবুর রহমান হাবীব বলেন, সাংবাদিকতা একটি মহৎ পেশা। রাষ্ট্র ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষের উচিত সাংবাদিকদের সম্মান করা এবং তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা করা। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সাংবাদিকতাকে আধুনিক শ্রম ও শিল্প আইনের আওতায় এনে পেশাটিকে একটি শক্ত প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি দেওয়া প্রয়োজন। সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা, নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনকে আরও দায়িত্বশীল ও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি ছিল মৃত সাংবাদিকদের পরিবারের সদস্যদের হাতে আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেওয়া। একই সঙ্গে অসহায় ও অসুস্থ সাংবাদিকদের মধ্যেও আর্থিক ও মানবিক সহায়তা প্রদান করা হয়। বক্তারা বলেন, একজন সাংবাদিকের মৃত্যুর পর তার পরিবারের পাশে দাঁড়ানো পুরো সাংবাদিক সমাজের মানবিক দায়িত্ব। সাংবাদিকদের পরিবারকে সহযোগিতা এবং অসহায় ও অসুস্থ সাংবাদিকদের পাশে দাঁড়ানোর এই কার্যক্রম ভবিষ্যতেও আরও বড় পরিসরে অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনায় সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। বক্তারা বলেন, প্রতিকূল পরিবেশে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে গণমাধ্যমকর্মীরা বিভিন্ন সময় হামলা, হয়রানি, মামলা ও নানা ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়েন। এসব পরিস্থিতি মোকাবিলায় সাংবাদিকদের জন্য জরুরি সহায়তা তহবিল গঠন এবং আইনি সহায়তার পরিধি বাড়ানো প্রয়োজন। একই সঙ্গে কোনো ধরনের ভয়ভীতি বা বাধা ছাড়াই সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশে সাংবাদিকদের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়। ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সারা বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা কমিটি অনুমোদন করা হয়। পাশাপাশি সাংবাদিকতা, সমাজসেবা, মানবিক কর্মকাণ্ডসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য আমন্ত্রিত অতিথি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনের মহাসচিব তালুকদার রুমি। এ সময় সংগঠনের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মামুন, ডেইলি প্রেজেন্ট টাইমস-এর প্রধান সম্পাদক মো. ওমর ফারুক জালাল, দৈনিক ফলাফল-এর সম্পাদক মো. মোস্তাফিজুর রহমান, দুর্নীতি প্রতিরোধ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম হিরু, দৈনিক বঙ্গ সংবাদ -এর সম্পাদক ও প্রকাশক ডা. মির্জা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনিরুজ্জামান তোফায়েল, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মিরাজ হোসেন, সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ সনোয়ার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক, দৈনিক মুক্তির লড়াই পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান রনি, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক, দৈনিক নবজীবন পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক নুরুন্নাহার, মারিয়া ইসলাম, সারহিন আক্তার, দীপা আক্তার এবং কাজী রোকেয়া আক্তার কেয়া উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত জেলা কমিটি থানা কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সাব্বির আহম্মেদ রনি, আরজেএফ-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম, বিএনএন নিউজের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিক ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এর মধ্যে ছিল বর্ণাঢ্য র্যাালি, কেক কাটা, আলোচনা সভা, সম্মাননা প্রদান, মৃত সাংবাদিকদের পরিবারের মধ্যে চেক বিতরণ এবং অসহায় ও অসুস্থ সাংবাদিকদের আর্থিক ও মানবিক সহায়তা প্রদান। অতিথি ও অংশগ্রহণকারীদের জন্য সকাল, দুপুর ও বিকেলের খাবারের ব্যবস্থাও ছিল। বিভিন্ন পর্বে সাংবাদিকদের কল্যাণে সংগঠনের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্য দিয়ে সাংবাদিকদের অধিকার, পেশাগত নিরাপত্তা ও কল্যাণে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার প্রত্যয় নিয়ে সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বর্ণাঢ্য আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, বিগত পাঁচ বছর ধরে সাংবাদিকদের অধিকার, নিরাপত্তা ও কল্যাণে ফাউন্ডেশন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আগামী দিনে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা এবং জীবনমান উন্নয়নে ফাউন্ডেশন আরও যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

News
আগস্ট ২০, ২০২৬
0
গণপূর্তের কাঠের কারখানায় ভুতুড়ে নীরবতা, সরকারি সব কাজ পাচ্ছে পাশের নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠান
গণপূর্তের কাঠের কারখানায় ভুতুড়ে নীরবতা, সরকারি সব কাজ পাচ্ছে পাশের নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠান

  রাজধানীর মিরপুরের শিয়ালবাড়ীতে গণপূর্ত বিভাগের কাঠের কারখানা। একসময় সেখানে তৈরি হতো রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার দরজা-জানালা, আদালতের আসবাব, বিভিন্ন দপ্তরের কক্ষের টেবিল-চেয়ার, এমনকি শৈল্পিক কাঠের নকশাও। কর্মচঞ্চল সেই কারখানাজুড়ে এখন কেবল ভুতুড়ে নীরবতা। যেসব শেডে সারা দিন কাঠ কাটার শব্দ, মেশিনের গর্জন আর শ্রমিকদের ব্যস্ততা থাকত; সেখানে পড়েছে ধুলাবালির স্তর। প্রায় এক দশক ধরে কার্যত অচল হয়ে থাকা সরকারি এ কারখানার আশপাশে যদিও গড়ে উঠেছে আসবাবের অনেক কারখানা ও দোকান। সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ যাচ্ছে ব্যক্তিমালিকানাধীন এসব প্রতিষ্ঠানের হাতেই। আর সেগুলো পাইয়ে দিতে কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ রয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। সরকারি দপ্তর ও গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের জন্য রুচিশীল ও আলংকারিক কাঠের আসবাব তৈরির উদ্দেশ্যে পাকিস্তান আমলে কারখানাটি স্থাপন করা হয়। সময়ের পরিক্রমায় যুক্ত করা হয় কাঠ প্রক্রিয়াকরণের আধুনিক সব যন্ত্রপাতি। দীর্ঘ সময় ধরে এখান থেকেই সরবরাহ করা হয় বিভিন্ন স্থাপনায় প্রয়োজনীয় কাঠের সামগ্রী। বিশাল এ কর্মযজ্ঞ চালাতে কারখানার ছিল প্রায় ১ হাজার ২০০ শ্রমিক। কিন্তু এক দশক আগে নানা কারণ দেখিয়ে সেটি বন্ধ করে দেয়া হয়। এরপর সরকারি প্রকল্পের আসবাব তৈরির কাজ চলে যায় আশপাশের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোয়। গণপূর্ত বিভাগের কয়েকজন কর্মকর্তার দাবি, সরকারি বিভিন্ন ভবনে গত কয়েক বছরে ব্যবহৃত দরজা-জানালা ও কাঠের আসবাবের মান নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। অনেক প্রকল্পে উদ্বোধনের আগেই দরজা-জানালা নষ্ট হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। অথচ অতীতে সরকারি কাঠের কারখানায় তৈরি আসবাব এখনো বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করছে, যার মান নিয়ে নেই তেমন অভিযোগ। সম্প্রতি সরজমিনে দেখা যায়, মিরপুর-৬ নম্বরে সরকারি কর্মকর্তাদের আবাসন প্রকল্পের পাশে থাকা গণপূর্ত বিভাগের কাঠের কারখানার মূল ফটক বন্ধ। আবাসন প্রকল্পের ভেতর দিয়ে বিকল্প পথে প্রবেশ করতেই চোখে পড়ে বিশাল চত্বরজুড়ে সারিবদ্ধ ১৫টি শেড। রয়েছে কারখানা, মেকানিক্যাল স্টোর, গ্যারেজ ও স্টাফ কোয়ার্টার। কিন্তু অধিকাংশই তালাবদ্ধ। কোথাও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে আছে কিছু আসবাব। দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে সেগুলো নষ্ট হওয়ার উপক্রম। ফাটল ধরেছে ভবনগুলোর দেয়াল, ছাদের টিন মরিচা ধরা, চারপাশে জরাজীর্ণ পরিবেশ। আবার একটি শেডে হাঁস-মুরগি লালনপালন করতে দেখা যায়। সংশ্লিষ্টরা জানান, ইএম কাঠ কারখানা উপবিভাগ গণপূর্তের একটি বিশেষায়িত ইউনিট। অন্তর্বর্তী সরকার সেটি পুনরায় সচলের সিদ্ধান্ত নেয়। যদিও পরবর্তী সময়ে তা আর এগোয়নি। বন্ধ কারখানা চালুর বিষয়ে জানতে চাইলে গণপূর্তের ইএম কাঠের কারখানা উপবিভাগের প্রকৌশলী দেওয়ান মোহাম্মাদ আনোয়ার হোসেন ডেইলি ভয়েস নিউজ কে  বলেন, ‘চালু হয়নি ব্যাপারটা সে রকম না। বিভাগটির কার্যক্রম চালুর ব্যাপারে প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।’ এদিকে সরকারি প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ থাকায় আশপাশের প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকায় দুই শতাধিক ছোট-বড় আসবাবের কারখানা ও শোরুম গড়ে উঠেছে। বর্তমানে সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের আসবাবের বড় অংশই এসব প্রতিষ্ঠান থেকে নেয়া হয়। ১০০ শয্যার জেলা হাসপাতালগুলোকে সম্প্রতি ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ ও সংস্কার প্রকল্পে প্রয়োজনীয় আসবাব সরবরাহে প্রায় দেড়শ কোটি টাকার কাজ দেয়া হয়েছে নয় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে। কাজের দরপত্র পর্যালোচনা করে দেখা যায়, এতে অংশ নেয়ার শর্ত হিসেবে প্রতিষ্ঠানগুলোর যান্ত্রিক ও রাসায়নিক প্রক্রিয়াকরণ প্লান্ট, সিজনিং প্লান্ট, ল্যাকার প্লান্টসহ কাঠ ও ইস্পাতের আসবাব উৎপাদন কারখানা থাকা বাধ্যতামূলক। তবে যে প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ পেয়েছে তাদের অনেকেরই কোনো প্লান্ট নেই। তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে কাঠের সামগ্রী সরবরাহ করে থাকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকারি ক্রয় ব্যবস্থায় অনিয়ম ও দুর্নীতি দেশের দীর্ঘদিনের কাঠামোগত সমস্যা। উন্নয়ন প্রকল্পে অতিমূল্যায়ন, নিম্নমানের পণ্য সরবরাহ এবং সরকারি অর্থের অপচয়ের ঘটনা বারবারই ঘটছে। আর এর জন্য এক শ্রেণীর কর্মকর্তা ও ঠিকাদারের যোগসাজশে গড়ে উঠেছে শক্তিশালী সিন্ডিকেট। অনেক ক্ষেত্রে অসাধু কর্মকর্তা ও ঠিকাদারদের একটি অংশ পারস্পরিক যোগসাজশে দরপত্র নিয়ন্ত্রণ, অস্বাভাবিকভাবে ব্যয় বৃদ্ধি, কমিশন বা কাটমানির বিনিময়ে কাজ পাইয়ে দেয়া এবং কাজ শেষ হওয়ার আগেই বিল উত্তোলনের মতো অনিয়মে জড়িয়ে পড়ে। অনেক সময় এসব অনিয়মের তদন্তও একই প্রভাববলয়ের ব্যক্তিদের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। ফলে প্রকৃত দায়ীদের শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির অভাবে একই ধরনের অনিয়মের পুনরাবৃত্তি ঘটে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক রেজাউল করিম সোহাগ বণিক বার্তাকে বলেন, ‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পে আসবাবপত্র ও কাঠসংক্রান্ত ক্রয় নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছিল, সেটিও সরকারি ক্রয় ব্যবস্থার দুর্বলতার একটি উদাহরণ। এসব ঘটনা প্রমাণ করে এখনো সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়ায় কার্যকর নজরদারি ও জবাবদিহির ঘাটতি রয়েছে।’ জনসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও সরকারি ক্রয় ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করা বিশ্লেষকদের মতে, সরকারের নিজস্ব উৎপাদন সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও সেটিকে অকার্যকর রেখে একই ধরনের পণ্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে সংগ্রহের যৌক্তিকতা নেই। বরং সরকারি কারখানাগুলো আধুনিকায়নের মাধ্যমে পুনরায় উৎপাদনে ফিরিয়ে আনা গেলে একদিকে যেমন সরকারি ব্যয় কমানো সম্ভব, অন্যদিকে পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করা এবং ক্রয় প্রক্রিয়ায় অনিয়মের সুযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে। গণপূর্ত অধিদপ্তরের কাঠের কারখানা দীর্ঘদিন বন্ধ রেখে পাশের নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সরকারি কাজ করানোর পেছনে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে বলে মনে করেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। ডেইলি ভয়েস নিউজ কে তিনি বলেন, ‘বিগত কর্তৃত্ববাদী সরকারের সময়ে সরকারি ক্রয় ব্যবস্থার একটি বড় অংশ সুবিধাভোগী গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে চলে গিয়েছিল। দুঃখজনকভাবে সেই চর্চার ধারাবাহিকতা এখনো পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। সরকারি অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি। কিন্তু কীভাবে গণপূর্তের কাঠের কারখানা বন্ধ হয়ে গেল, কেন বন্ধ হলো এবং সে সিদ্ধান্তের কোনো দালিলিক ভিত্তি পাওয়া যাচ্ছে না—এটি প্রশাসনিক জবাবদিহির বড় ধরনের ঘাটতির ইঙ্গিত দেয়।’ কারখানাটি বন্ধ থাকার ফলে কারা আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছে এবং এর জন্য কারা দায়ী, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বের করা প্রয়োজন উল্লেখ করে ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার কারখানাটি পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নিলেও সেটি বাস্তবায়িত হয়নি। তাই বর্তমান সরকারের উচিত এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে জবাবদিহির আওতায় আনা।’ প্রায় এক দশক ধরে বন্ধ থাকা গণপূর্ত বিভাগের কাঠের কারখানাটি পুনরায় চালু করা গেলে সরকারি প্রকল্পে ব্যবহৃত কাঠের আসবাব ও সরঞ্জামের গুণগত মান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে মনে করেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) খালেকুজ্জামান চৌধুরী। তার মতে, নিজস্ব উৎপাদন সক্ষমতা থাকলে সরকারের একদিকে যেমন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে, অন্যদিকে মানসম্পন্ন পণ্য সরবরাহও নিশ্চিত করা যাবে। খালেকুজ্জামান চৌধুরী  ডেইলি ভয়েস নিউজ কে বলেন, ‘নিজস্ব কারখানা থাকলে আমাদের অনেক সুবিধা হয়। ঠিকাদারদের মাধ্যমে সবসময় ভালো মানের উপকরণ পাওয়া যায় না। কিন্তু নিজস্ব কারখানা থাকলে আমরা নিজেরাই মান নিয়ন্ত্রণ করতে পারি। বিশেষ করে আদালতসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য যেসব আসবাবপত্রে তুলনামূলক কম অলংকরণ থাকে, সেগুলো নিজস্ব কারখানাতেই দক্ষতার সঙ্গে উৎপাদন করা সম্ভব।’ একসময় কারখানাটিতে বিপুলসংখ্যক ওয়ার্ক-চার্জড কর্মী কাজ করতেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘অবসরের পর তাদের পদ বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ায় জনবল সংকট তৈরি হয়েছে। এ কারণে দীর্ঘদিন ধরে উৎপাদন কার্যক্রমও বন্ধ রয়েছে। তবে কারখানাটি পুনরায় চালুর লক্ষ্যে নতুন জনবল নিয়োগের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় জনবল ও আধুনিক যন্ত্রপাতি পাওয়া গেলে সরকারি এ উৎপাদন ইউনিট আবারো সচল করা সম্ভব হবে বলে আশা করছি।’

News
জুলাই ৯, ২০২৬
0
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নৌকায় বসা নিয়ে তর্ক বির্তক ঘুষির আঘাতে একজনের মৃত্যু

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার নবীনগর থেকে মেরকুটা যাওয়ার যাত্রীবাহী নৌকায়, মনু বাবুর ঘাটলা নামক স্থানে নৌকায় বসাকে কেন্দ্র করে তর্ক বির্তক একপর্যায়ে মোহাম্মদ খাঁর ছেলে এলেম খাঁর ঘুষির আঘাতে বগডহর গ্রামের মনসুর আলী বেপারি বাড়ির মৃত হারিজ মিয়ার ছেলে হানিফ মিয়া (৫০) মৃত্যু হয়।       ঘটনাস্থালে থাকা লোকজন জানান,হাঠাৎ করেই নৌকায় বসাকে কেন্দ্র করে কথা-কাটাকাটি একপর্যায়ে মহল্লা গ্রামের এলেম খাঁর ঘুষির আঘাতে পূর্ব ইউনিয়নের বগডহর গ্রামের হানিফ মিয়া অচেতন অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়লে সাথে সাথে স্থানীয়লোকজন ও তার স্ত্রী তাকে নবীনগর ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।       হানিফ মিয়ার স্ত্রী জানান, তারা তাদের মেয়ের স্বামির বাড়ি বেড়াতে মহল্লা গ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দিতে নৌকায় বসতে যান, তখন ভিতরে থাকা যাত্রী বলেন, এখানে বসতে পারবেন না, তখন আমার স্বামী বলেন কেন বসতে পারবো না,তখন ভিতরে থাকা সেই লোকটি আমার স্বামী কে গালাগাল করলে, এ নিয়ে দুইজনের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ঐ ব্যাক্তি আমার স্বামী কে ঘুষি মারলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন স্থানীয়লোকজন হাসপাতালে নিয়ে আসলে ডাক্তার আমার স্বামীর মৃত্যু হয়েছে জানান।       তিনি আরো বলেন, আমার স্বামীর অবস্থার অবনতি দেখে সেই লোকটি দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন,আমি তাকে চিনি না তবে দেখলে চিনতে পারবো,তার বাড়ি মহল্লা গ্রামে এতটুকুই জানি।   এবিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডিউটিতে থাকা ডাক্তার অঙ্কন জানান, উনাকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছে। হাসপাতালে আসার আগেই তিনি মারা যান।       এবিষয়ে নবীনগর থানা অফিসার ইনচার্জ রফিকুল ইসলাম জানান, আপনারা যা শুনেছেন আমরাও তাই শুনেছি, খবর পেয়ে নবীনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে ঘটনার সঠিক কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

News
এপ্রিল ২৭, ২০২৬
0
৩০ কোটি টাকার যন্ত্র আছে, ব্যবহার খুবই সীমিত
৩০ কোটি টাকার যন্ত্র আছে, ব্যবহার খুবই সীমিত

  উচ্চতর বৈজ্ঞানিক গবেষণার লক্ষ্যে ২০০৯ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) প্রতিষ্ঠিত হয় ওয়াজেদ মিয়া বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র। প্রায় ৩০ কোটি টাকা মূল্যের ২৬টি অত্যাধুনিক বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি রয়েছে সেখানে। তবে প্রতিষ্ঠার ১৬ বছর পরও প্রয়োজনীয় জনবল ও অর্থের অভাবে কেন্দ্রটি তার পূর্ণ সক্ষমতায় পরিচালিত হচ্ছে না। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, এত বড় গবেষণা অবকাঠামো থাকলেও সেখানে সরাসরি হাতে-কলমে যন্ত্রপাতি ব্যবহারের সুযোগ বেশ সীমিত। গবেষণা কেন্দ্রটিতে রয়েছে সিঙ্গেল ক্রিস্টাল ও পাউডার এক্স-রে ডিফ্রমেশন (এক্সআরডি), নিউক্লিয়ার ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স (এনএমআর), হাই পারফরম্যান্স লিকুইড ক্রোমাটোগ্রাফি (এইচপিসিএল), গ্যাস ক্রোমাটোগ্রাফি (জিসি), আরটি-পিসিআর, প্রোটিন পিউরিফিকেশন সিস্টেম, সাইটোফ্লোমেট্রি, এলিমেন্টাল অ্যানালাইজার, মাইক্রোস্কোপ ও আলট্রাসেন্ট্রিফিউজসহ বিভিন্ন আধুনিক যন্ত্র। এসব সরঞ্জামের মাধ্যমে রাসায়নিক ও জীববৈজ্ঞানিক নমুনা বিশ্লেষণ, স্ফটিকের গঠন নির্ণয়, ওষুধ ও বিভিন্ন উপাদান পরীক্ষা এবং নানা ধরনের বৈজ্ঞানিক গবেষণা করা সম্ভব। . জানা যায়, দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা ও বিভিন্ন প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান এই উচ্চ সক্ষমতার যন্ত্রগুলো থেকে নিয়মিত সেবা নিয়ে থাকেন। তবে বিপুল এই গবেষণা অবকাঠামোর বিপরীতে কেন্দ্রটির কারিগরি জনবল প্রয়োজনের তুলনায় একেবারেই অপ্রতুল। ১৯টি কারিগরি পদের বিপরীতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অনুমোদন রয়েছে মাত্র চারটির। এর মধ্যে একজন শিক্ষা ছুটিতে থাকায় বর্তমানে নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন মাত্র তিনজন। শুধু জনবল নয়, অর্থসংকটও কেন্দ্রটির কার্যক্রমের বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কেন্দ্র কর্তৃপক্ষের হিসাব অনুযায়ী, গবেষণাগার পরিচালনা, যন্ত্রপাতির রক্ষণাবেক্ষণ, রাসায়নিক এবং প্রয়োজনীয় বিভিন্ন যন্ত্রাংশ কিনতে বছরে প্রায় আড়াই কোটি টাকা প্রয়োজন। অথচ এর বিপরীতে বর্তমানে বরাদ্দ রয়েছে মাত্র ৩০ লাখ টাকা। বাজেট সংকটের কারণে ৬ কোটি টাকা মূল্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক মনোয়ার হোসেন বলেন, প্রতিবছর এখানে প্রায় দুই থেকে আড়াই কোটি টাকা লাগে। যন্ত্রাংশ, কেমিক্যালস এবং ওয়ান-টাইম ইউজের ছোট ছোট পার্টসের জন্য এই অর্থ প্রয়োজন। কিন্তু এ খাতে আমাদের বাজেট খুবই অপ্রতুল। তিনি আরো জানান, কেন্দ্রের সক্ষমতা বাড়াতে ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপ ও গ্যাস ক্রোমাটোগ্রাফি-মাস স্পেকট্রোমেট্রি (জিসি-এমএস) সংযোজনের জন্য ইউজিসির কাছে আবেদন করেছে কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের গবেষণায় সরাসরি যুক্ত করতে পাঁচটি প্রশিক্ষণ মডিউল প্রস্তুত করা হয়েছে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালযয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক শামছুল আলম বলেন, ছাত্রছাত্রীরা যাতে সেখানে আরো বেশি করে গবেষণা করতে পারে এবং জায়গাটি তাদের জন্য উন্মুক্ত থাকে, সেই বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের গবেষণাকাজে সংযুক্ত করা এবং সহকারী হিসেবে নিয়োগের বিষয়টিও আমরা সম্ভাব্যতা যাচাই করছি।

News
অক্টোবর ২৫, ২০২৬
0
গভীর রাতে ঢাকার ৬ প্রেস পরিদর্শনে শিক্ষামন্ত্রী, জানা গেল কারণ
গভীর রাতে ঢাকার ৬ প্রেস পরিদর্শনে শিক্ষামন্ত্রী, জানা গেল কারণ

  নতুন শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই ছাপার কাজ কতটা এগিয়েছে, বইয়ের মান ঠিক আছে কি না- তা সরেজমিনে দেখতে গভীর রাতে রাজধানীর ছয়টি ছাপাখানায় আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল মিলন। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টার পর পূর্বঘোষণা ছাড়াই এসব প্রেসে গিয়ে পাঠ্যবই ছাপার কাজের বাস্তব পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন তিনি। পরিদর্শন করা প্রেসগুলো হলো- মৌসুমী অফসেট প্রেস, ফায়িজা প্রিন্টিং প্রেস, শৈলী প্রিন্টার্স, বর্ণশিখা অফসেট প্রিন্টার্স, সোনালী ওয়েব প্রিন্টার্স ও ন্যাশনাল প্রিন্টার্স। নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরুর আগেই শিক্ষার্থীদের হাতে মানসম্মত পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়ার প্রস্তুতি কতটা সন্তোষজনক, তা যাচাই করতেই মন্ত্রীর এই আকস্মিক পরিদর্শন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। পরিদর্শনকালে মন্ত্রী বিভিন্ন প্রেসে পাঠ্যবই ছাপার কাজের অগ্রগতি সরেজমিনে দেখেন। পাশাপাশি বইয়ের ছাপার মান, কাগজের গুণগত মান এবং সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট প্রেস মালিক ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষার্থীদের হাতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মানসম্মত পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বই ছাপার ক্ষেত্রে নির্ধারিত মান বজায় রাখা এবং কোনো ধরনের গাফিলতি না করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মানসম্মত পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে ছাপার কাজে কোনো ধরনের গাফিলতি বা নির্ধারিত মানের সঙ্গে আপস করা যাবে না। পাঠ্যবই ছাপার কাজের সার্বিক অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি বইয়ের গুণগত মান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাও দেন শিক্ষামন্ত্রী।

News
সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
0
পবিপ্রবি'র বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ পরিদর্শনে ইউজিসি সদস্য
পবিপ্রবি'র বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ পরিদর্শনে ইউজিসি সদস্য

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সৃজণী স্কুল এন্ড কলেজ পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. মো:আসলাম হোসেন।অদ্য ২৮ সেপ্টেম্বর দুপুর সাড়ে ১২টায় তিনি সৃজনী স্কুল এন্ড কলেজ পরিদর্শন করেন।     এ উপলক্ষে কলেজ অডিটোরিয়ামে এক মতবিনিময় সভায় কলেজ অধ্যক্ষ অধ্যাপক আবুল বাশার খান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. মো:আসলাম হোসেন।  বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পবিপ্রবি'র উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম সাইফুল ইসলাম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. আসলাম হোসেন বলেন, এই ঐতিহ্যবাহী ও সুপরিচিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সৃজনী স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গনে আসতে পেরে আমি আনন্দিত। আজ আমি এখানে কেবল একজন অতিথি হিসেবে আসিনি,এসেছি  তোমাদের কথা শুনতে, তোমাদের স্বপ্ন ও প্রত্যাশাগুলোকে কাছ থেকে উপলব্ধি করতে। ছাত্র- ছাত্রীদের বিভিন্ন দাবির প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, আজ তোমরা আমার কাছে তোমাদের কিছু যৌক্তিক দাবির কথা তুলে ধরেছ।তোমরা একটি আধুনিক লাইব্রেরী,সায়েন্স ল্যাবরেটরি চেয়েছ এবং খেলার মাঠ ভরাটসহ ক্যাম্পাসের কিছু অবকাঠামোগত সমস্যার কথা জানিয়েছ।আমি বলতে চাই তোমাদের এ দাবীগুলো কোন বিলাসিতা নয়, এগুলো তোমাদের অধিকার। একটি মানসম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য সুসজ্জিত লাইব্রেরী ও ল্যাবরেটরি অপরিহার্য। তোমাদের এই সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য আমি ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগ গ্রহণ করবো।   তিনি আরও বলেন, তোমরাই এদেশের ভবিষ্যৎ। আজকের এ  বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যুগে নিজেকে শুধু জিপিএ ৫ এর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। নতুন নতুন জ্ঞান অর্জন করতে হবে এবং মানবিক গুণসম্পন্ন সত্যিকার মানুষ হতে হবে। প্রধান অতিথি সৃজনী স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের ফলাফল,শিক্ষা  ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে মুগ্ধ  হন।তিনি স্কুলের  শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মনমুগ্ধকর  সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। পরে তিনি সৃজনী বিদ্যানিকেতন প্রাঙ্গনে গাছের চারা রোপণ করেন।  এর আগে প্রধান অতিথি পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি  বিশ্ববিদ্যালয়ের  অবকাঠামোগত বিভিন্ন  উন্নয়নমূলক কাজ পরিদর্শন করেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে  উপ উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম সাইফুল ইসলাম,  বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও   কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের সিনিয়র ডেপুটি ডিরেক্টর মো মাহফুজুর রহমান সবুজ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে

News
সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
0
শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ও সংঘর্ষের আশঙ্কায় সাইন্সল্যাবে পুলিশ মোতায়েন
শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ও সংঘর্ষের আশঙ্কায় সাইন্সল্যাবে পুলিশ মোতায়েন

  ঢাকা কলেজ উচ্চমাধ্যমিক ও আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের আশঙ্কা এবং ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে নতুন ভিসি নিয়োগের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের কর্মসূচি ঘিরে সাইন্সল্যাবে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এ সময় জলকামানও প্রস্তুত রাখা হয়েছে ইউনিভার্সিটির শতাধিক শিক্ষার্থীকে সাইন্সল্যাব মোড়ে অবস্থান নেন। এর আগে বেলা ১১টার দিকে সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি নিয়োগের প্রতিবাদ জানিয়ে ঢাকা কলেজে জড়ো হতে থাকেন শিক্ষার্থীরা। পরবর্তীতে ঢাকা কলেজ মিছিল নিয়ে থেকে সাইন্সল্যাব মোড়ে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। এ বিষয়ে নিউমার্কেট থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আইয়ুব বলেন, সাইন্সল্যাবে ঢাকা কলেজ আর আইডিয়াল কলেজের ছাত্রদের মধ্যে একটু উত্তেজনা ছিল। সেটা যাতে না হয়, এজন্য পুলিশ সাইন্সল্যাবে অবস্থান করছে। কোনো অঘটন যাতে না ঘটে এজন্য পুলিশ ব্যবস্থা নিচ্ছে। তিনি বলেন, উভয় কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা কলেজের ভেতরে আছে। বাইরে থেকে কোনো ধরনের কেউ কাউকে ঢিল বা পাথর নিক্ষেপ না মারতে পারে, সেজন্য আমরা শক্ত অবস্থান নিয়েছি। সাইন্সল্যাবে ৬০ জনের মতো পুলিশ আছে। নিউমার্কেট, কলাবাগান এবং ধানমন্ডি তিন থানা থেকে আলাদা আলাদা স্থানে পুলিশ অবস্থান করছে।

News
সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
0
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে র‍্যাগিংয়ের দায়ে ৯৯ শিক্ষার্থী বহিষ্কার
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে র‍্যাগিংয়ের দায়ে ৯৯ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

  রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) র‍্যাগিং, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, শারীরিক হামলা এবং সিল জালিয়াতির ঘটনায় ৯৯ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শাস্তির মধ্যে রয়েছে এক শিক্ষাবর্ষ (দুই সেমিস্টার) ছাত্রত্ব স্থগিত, আবাসিকতা বাতিল ও ভবিষ্যতে আবাসিকতার জন্য বিবেচনা না করা, কঠোরভাবে সতর্ক করা এবং অভিভাবকদের চিঠির মাধ্যমে শাস্তির বিষয়টি অবহিত করা। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই সিন্ডিকেট সদস্যের কাছ থেকে এ তথ্য জানা গেছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪৯তম সিন্ডিকেট সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সিন্ডিকেট সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের মোট ৯৯ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে ১৪ জন, সিল জালিয়াতির অভিযোগে ৩ জন এবং জুনিয়র কর্তৃক সিনিয়রের ওপর শারীরিক হামলার অভিযোগে ১ জনসহ মোট ১৮ শিক্ষার্থীর ছাত্রত্ব এক বছরের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। এছাড়া দুই শিক্ষার্থীর আবাসিকতা বাতিল করা হয়েছে। এক বছরের জন্য ছাত্রত্ব স্থগিত হওয়া ১৮ জনসহ মোট ২০ শিক্ষার্থীকে ভবিষ্যতে আবাসিকতার জন্য বিবেচনা না করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এছাড়া র‍্যাগিংয়ের দায়ে বিভিন্ন বিভাগের ৭৯ শিক্ষার্থীকে কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে। ভবিষ্যতে তাদের বিরুদ্ধে র‍্যাগিংয়ে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্পৃক্ততা পেলে অধিকতর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের চিঠির মাধ্যমে উল্লিখিত শাস্তির বিষয়ে অবহিত করা হবে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ডিসিপ্লিনারি বোর্ডের সভা-২০২৬-এ উপস্থাপিত অভিযোগের তালিকা বিশ্লেষণ করে জানা গেছে, শাস্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের ৩১ জন, ইতিহাস বিভাগের ১৮ জন, লোকপ্রশাসন বিভাগের ১৫ জন, ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের ১৩ জন, অ্যাগ্রোনমি অ্যান্ড অ্যাগ্রিকালচার এক্সটেনশন বিভাগের ৭ জন, চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের ৪ জন, শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের ৪ জন, চিত্রকলা, প্রাচ্যকলা ও ছাপচিত্র বিভাগের ৪ জন, অর্থনীতি বিভাগের ২ জন এবং গ্রাফিক ডিজাইন, কারুশিল্প ও শিল্পকলার ইতিহাস বিভাগের ১ জন রয়েছেন। সব মিলিয়ে এসব বিভাগে মোট ৯৯ জনকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবর রহমান বলেন, ডিসিপ্লিনারি বোর্ডের সুপারিশ অনুযায়ী র‍্যাগিং, বিভাগের মারামারি এবং সিল জালিয়াতির ঘটনায় বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী বিষয়ে গতকাল অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় আলোচনা হয়েছে শুনেছি। তবে আমি সিন্ডিকেটের সদস্য না হওয়ায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলতে পারছি না। তিনি বলেন, ডিসিপ্লিনারি বোর্ডের সুপারিশ বহাল থাকলে র‍্যাগিংয়ের ঘটনায় কেউ কঠোর শাস্তি, কেউ সতর্কতামূলক শাস্তি এবং কারও হলের আবাসিকতা স্থায়ীভাবে বাতিল হতে পারে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের পরিবারের কাছে চিঠি দিয়ে তাদের সন্তানদের বিষয়ে অবহিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। প্রক্টর আরও বলেন, শাস্তির উদ্দেশ্য শিক্ষার্থীদের ধ্বংস করা নয়, বরং ভুল থেকে তাদের ফিরিয়ে এনে ভবিষ্যৎ জীবন সুন্দর করার সুযোগ দেওয়া। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের সংশোধনের সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি অভিভাবকদেরও বিষয়গুলো সম্পর্কে অবহিত রাখতে চায়। জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, র‍্যাগিংয়ের ঘটনায় ডিসিপ্লিনারি বোর্ডের সিদ্ধান্ত গতকাল সিন্ডিকেট সভায় উপস্থাপন করা হয়েছে। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে প্রায় শত শিক্ষার্থীকে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ এক বছরের জন্য ছাত্রত্ব স্থগিত, আবাসিকতা বাতিল ও কঠোর সতর্কতাসহ বিভিন্ন ধরনের শাস্তি রয়েছে। উপাচার্য আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বার্তা থাকবে র‍্যাগিংয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়ে কোনো ধরনের কম্প্রোমাইজ করবে না বর্তমান প্রশাসন। এছাড়াও আরও বেশকিছু বিভাগ উপকমিটিতে তদন্তনাধীন রয়েছে, পরবর্তী সিন্ডিকেটে তাদের বিষয়েও সিদ্ধান্ত আসবে বলে জানান এ উপাচার্য।

News
সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
0
বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট থেকে এক টাকাও না নেওয়ার দাবি মুসাদ্দিকের, ১২ মাসে প্রকাশ করেছেন ২৮টি বই
বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট থেকে এক টাকাও না নেওয়ার দাবি মুসাদ্দিকের, ১২ মাসে প্রকাশ করেছেন ২৮টি বই

  এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ২০২৫ কার্যনির্বাহী কমিটির সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ জানিয়েছেন, দায়িত্ব পালনের এক বছরে তিনি ডাকসু বা বিশ্ববিদ্যালয়ের বরাদ্দ থেকে কোনো অর্থ গ্রহণ বা উত্তোলন করেননি। বরং বরাদ্দ সংকটের কারণে ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও বিভিন্নজনের সহযোগিতায় অধিকাংশ কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়েছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে গত এক বছরে নিজের দায়িত্ব পালনের বিভিন্ন কার্যক্রমের খতিয়ান তুলে ধরেন মুসাদ্দিক। লিখেন, ‘ডাকসু দায়িত্ব পাওয়ার পর গত ৩৬৫ দিনে প্রতিদিন কি করেছি– তা দিনলিপি হিসেবে একটি পুস্তিকা আকারে প্রকাশ করার অভিপ্রায় রয়েছে, আমি শীঘ্রই সেটি প্রকাশ করব ইনশাআল্লাহ।’ তুলে ধরেন নিজের সম্পাদনায় ও ব্যবস্থাপনায় প্রকাশিত সাহিত্য পত্রিকা ও স্মারক গ্রন্থের তথ্যও। এর আগে ১৪ সেপ্টেম্বর রাতে তার দায়িত্বের প্রাথমিক মেয়াদ শেষ হয়। মুসাদ্দিক লিখেন, ‘গত এক বছর শুধু পাগলপ্রায় হয়ে ছুটে গিয়েছি, দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়িয়েছি। কাজ করতে গিয়ে অনেক রাত ঘুমানোর সুযোগ পাইনি। শুধু নিজের আত্মসম্মান এবং আমার উপর শিক্ষার্থীরা যে আস্থা রেখেছেন, সেটির রক্ষার তাগিদে প্রতিটি মুহুর্তকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছি। পরিচিত ও অপরিচিত অনেক শিক্ষার্থী, বন্ধু, সিনিয়র ভাই ও আপু, ছোট ভাই, ছোট বোন স্বতঃস্ফূর্তভাবে শিক্ষার্থীদের দ্বারে দ্বারে গিয়েছেন, আমার জন্য ভোট চেয়েছেন। আমি তাদের কাছে অত্যন্ত কৃতজ্ঞ।’ তার ভাষায়, ‘আমি সবসময়ই এই বিষয়টি নিয়ে শঙ্কিত ছিলাম যে, আমার জন্য যারা এত পরিশ্রম করেছেন, দিন শেষে বিজয়ী হওয়ার পর যদি আমি তাঁদের সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারি–যে প্রত্যাশা নিয়ে তাঁরা শিক্ষার্থীদের কাছে গিয়ে আমার পক্ষে ভোট চেয়েছেন–তাহলে তাঁদের মুখ কালিমালিপ্ত হবে; তারা তাদের নিজ নিজ সার্কেলে আমার কারণে ছোট হবে। আমার সহপাঠী, ছোট ভাই, ছোট বোন ও সহযোদ্ধারা যে আস্থা ও সম্মান নিয়ে আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের সেই সম্মান রক্ষা করা আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সে কারণেই আমি আপ্রাণ চেষ্টা করেছি, যেন মেয়াদকাল শেষে অন্তত শিক্ষার্থীরা আমার ওপর যে আস্থা রেখেছিলেন, সেই আস্থাটুকু অক্ষুণ্ন রেখে তাঁদের প্রত্যাশার প্রতি সুবিচার করে দায়িত্বটি শেষ করতে পারি। তার জন্য গত একবছর আমি এক মুহূর্ত সময়ও অপচয় করিনি। প্রতি মুহূর্তই শিক্ষার্থীদের জন্য ছুটে গিয়েছি। শিক্ষার্থীদের পাশে দাড়াতে গিয়ে আক্রমণের শিকার হয়েছি, তারপরও থামিনি, শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা পূরণে চেষ্টা করে গিয়েছি অব্যাহতভাবে।’ ডাকসুর উদ্যোগের প্রকাশিত গ্রন্থডাকসু নেতা লিখেন, ‘আমি আশা করেছিলাম যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে বরাদ্দ দেওয়ার ক্ষেত্রে সুবিচার করবে। ১৯–এর ডাকসু তো শিক্ষার্থীবিরোধী ফ্যাসিবাদী প্রশাসনের সময় হয়েছিল, তারপরেও সেই ফ্যাসিবাদী প্রশাসন ১ কোটি ৮৪ লক্ষ টাকা ডাকসুকে বরাদ্দ দিয়েছিল এবং সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে বরাদ্দ দিয়েছিল মোট ৩০ লক্ষ টাকা। অথচ এবারের ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদককে মাত্র দেড় লাখ টাকার কাছাকাছি কিছু টাকা বরাদ্দ দেওয়ার ব্যাপারে বলেছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আমার কাছে মনে হয়েছিল এই অপমানজনক বরাদ্দ যদি আমরা গ্রহণ করি, তাহলে তারা যে প্রতারণামূলকভাবে সাহিত্য–সংস্কৃতিকে অবজ্ঞা করে একটা ভিক্ষামূলক বরাদ্দ দিয়েছে, সেটিকে বৈধতা দেওয়া হবে। পাশাপাশি আমার দাবি ছিল বাজেট অধিবেশনের মাধ্যমে বাজেট পাশ হতে হবে এবং বিগত ৩৫ বছর (১৯ এর ডাকসু আগের ২৮ বছর এবং পরের ৬ বছর এবং ১৯–সহ মোট ৩৫ বছর) শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ডাকসু বাবদ যে চাঁদা নেওয়া হয়েছে, সেই চাঁদার টাকার হিসাব দিতে হবে এবং ১৯ এর ডাকসুকে দেওয়া ১.৮৪ কোটি টাকার বরাদ্দের অডিট সম্পন্ন করতে হবে। তা না হলে আমি বাজেট গ্রহণ করব না, আমাদেরকে যে বরাদ্দ দেওয়া হবে সেটাও গ্রহণ করব না। সেজন্য আমি এই বরাদ্দটি গ্রহণ করিনি। এই বাজেটকে অনুমোদনও করিনি। ডাকসুর ফান্ড থেকে আমি একটি টাকাও উত্তোলন করিনি।’ মুসাদ্দিক লিখেন, দীর্ঘদিন আমরা অপেক্ষা করেছি; আন্দোলন করেছি যে, প্রক্রিয়াগুলো অনুসরণ করা হবে এবং সম্মানজনক বরাদ্দ আমরা পাব, কিন্তু পাইনি। যে কারণে আমাদের প্রতিটা কাজই ব্যক্তিগত উদ্যোগে ম্যানেজ করে করতে হয়েছে। দায়িত্ব পাওয়ার পরপরই শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে আমরা অনেকগুলো প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছিলাম, অনেকগুলো পত্রিকা প্রকাশ ও কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছিলাম। ফান্ড ক্রাইসিস এর কারণে সেগুলো যথাসময়ে সম্পন্ন করতে পারিনি। যে প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিলাম ডিসেম্বর মাসে, যে লেখালেখির আহ্বান করেছিলাম ডিসেম্বর মাসে, সেই প্রতিযোগিতার পুরস্কার বা সেই লেখাটি প্রকাশ করতে আমাদের সেপ্টেম্বর মাস অর্থাৎ ৮ মাস লেগে গেছে। এই দীর্ঘসূত্রিতার একমাত্র কারণ ছিলো ফান্ড সংকট।তিনি আরও লিখেন, ‘আমি বিভিন্ন ছোট–বড় মিলিয়ে আনুমানিক প্রায় দেড়শতের মতো একক আয়োজন গত এক বছরে সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক হিসেবে করেছি। এর মধ্যে প্রকাশনা বের করেছি প্রায় ২৮টির মতো। এর বাইরে অসংখ্য সাংস্কৃতিক আয়োজন করেছি। আমরা চেষ্টা করেছি আমাদের সকল আয়োজনে সকলের অংশীদারত্ব নিশ্চিত করতে।’ স্ট্যাটাসের নিজের সম্পাদনায় ও ব্যবস্থাপনায় প্রকাশিত সাহিত্য পত্রিকা ও স্মারক গ্রন্থের তথ্য উল্লেখ করেন মুসাদ্দিক। এর মধ্যে রয়েছে– ১. ডাকসু সাহিত্য পত্রিকা, বর্ষ: ২০২৫, সংখ্যা: ০১ আভাস ২. ডাকসু সাহিত্য পত্রিকা, বর্ষ: ২০২৫, সংখ্যা: ০২ প্রকাশ ৩. সৈয়দ মীর নিসার আলী তিতুমীর এর শাহাদাৎ বার্ষিকী– ২০২৫ উপলক্ষ্যে স্মারকগ্রন্থ “তিতুমীরের বাঁশেরকেল্লা থেকে জুলাইয়ের নিরস্ত্র জনতার প্রতিরোধ” ৪. ভারতীয় আধিপত্যবাদের কাঁটাতারে ঝুলে থাকা শহিদ ফেলানী ৫. শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস স্মারকগ্রন্থ– ২০২৫ অধ্যাপক মুনীর চৌধুরীর বুদ্ধিবৃত্তিক উত্তরাধিকার ৬. ‘মানুষের এ মিছিলে দিতে পারো যদি গতিবেগ’ কবি ফররুখ আহমদ: পাঠ ও প্রাসঙ্গিকতা ৭. ২৮ অক্টোবর প্রেক্ষিত লগি–বৈঠার লাশতন্ত্র থেকে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের উত্থান ৮. ৭ নভেম্বর ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতি দিবস স্মরণে জনতার নয়া রাজনীতির আকাঙক্ষা: বিপ্লব ও সংহতি দিবস ৯. ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব: স্মরণে শহিদ আবরার ফাহাদ ১০. অবাঙালি অর্থাৎ চাকমা, মারমা, সাাঁওতাল ইত্যাদি জাতিগোষ্ঠীর মাতৃভাষার স্মারক গ্রন্থ– ২০২৬ বহুমাত্রিক ১১. ডাকসু সাহিত্য পত্রিকা, বর্ষ: ২০২৫, সংখ্যা: ০৩ প্রতিভাস ১২. গেস্টরুম–গণরুম: নির্যাতনের দাগ ও খতিয়ান ১৩. শহীদ শরিফ ওসমান হাদির বক্তব্য সংকলন বারুদমাখা কথামালা ১৪. দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য গেস্টরুম–গণরুম এর বই এর ব্রেইল ভার্সন। ১৫. ক্যাম্পাসে দখলবাজি ও আধিপত্য বিস্তারের লড়াইয়ে নিভে যাওয়া জীবন প্রদীপ স্মারক গ্রন্থ–২০২৫ রক্তের আখরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৬. ডাকসু লেখালেখি ও নাট্য কর্মশালা স্মারক–২০২৫ হাতেখড়ি ১৭. নবাব সলিমুল্লাহ স্মারক গ্রন্থ– ২০২৬ ইশারাত মনজিল ১৮. জুলাই বিপ্লব গল্প সংকলন ‘মহাকালের মর্সিয়া’ ১৯. জুলাই বিপ্লব শীর্ষক উপন্যাসের নাম: রক্তে লেখা জুলাই– জনতার অভ্যুত্থান ২০. জুলাই বিপ্লব শীর্ষক উপন্যাসের নাম: শ্রাবণের কান্না ২১. জুলাই বিপ্লব শীর্ষক উপন্যাসের নাম: ধূসর কৃষ্ণচূড়া ২২. জুলাই বিপ্লব শীর্ষক উপন্যাসের নাম: ব্যারিকেডের ওপারে ২৩. জুলাই বিপ্লব শীর্ষক উপন্যাসের নাম: রক্তাক্ত কোটায় কৃষ্ণচূড়া ২৪. জুলাই বিপ্লব শীর্ষক উপন্যাসের নাম: রক্তে ভেজা জুলাই. ২৫. জুলাই বিপ্লব শীর্ষক উপন্যাসের নাম: লস্করহাট ২৬. জুলাই বিপ্লব শীর্ষক উপন্যাসের নাম: লাল জুলাইয়ের দিনগুলো ২৭. জুলাই বিপ্লব শীর্ষক উপন্যাসের নাম: ইলিশ ফাইল ২৮. এফ আর হলে হল সংসদের সাথে যৌথভাবে দেয়াল পত্রিকা স্থাপন।

News
সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
0
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উত্থান: বাংলাদেশের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ

বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তি খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence - AI) এক নতুন বিপ্লবের সূচনা করেছে। তথ্য বিশ্লেষণ, অটোমেশন, স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি এবং শিক্ষা সহ প্রায় সব খাতে এআই-এর ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। বাংলাদেশও এ পরিবর্তনের বাইরে নয়। দেশীয় স্টার্টআপ, সফটওয়্যার কোম্পানি এবং প্রযুক্তি সংস্থাগুলো এআই প্রযুক্তি ব্যবহারে আগ্রহ দেখাচ্ছে, তবে এখনও অনেক পথ বাকি। বাংলাদেশের অগ্রগতি: দেশে বর্তমানে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান চ্যাটবট, অটোমেটেড কাস্টমার সার্ভিস, ফেস রিকগনিশন, এবং ডেটা অ্যানালিটিক্সে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। সরকারের আইসিটি বিভাগ 'AI ফর বাংলাদেশ' প্রকল্পের মাধ্যমে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোও এআই শিক্ষা চালু করছে ধীরে ধীরে। চ্যালেঞ্জ ও সীমাবদ্ধতা: যথাযথ ডেটা অবকাঠামো, দক্ষ মানবসম্পদ ও গবেষণার অভাবে এআই প্রযুক্তির পূর্ণ সম্ভাবনা এখনও বাস্তবায়ন হয়নি। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে ইন্টারনেট ও প্রযুক্তিগত জ্ঞানের অভাব, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে জনসচেতনতার অভাবও অন্যতম বড় বাধা। বিশেষজ্ঞ মতামত: প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশ যদি সময়মতো ডেটা সুরক্ষা আইন, এআই গবেষণা তহবিল এবং শিল্প-একাডেমিক সহযোগিতা গড়ে তুলতে পারে, তবে আগামী পাঁচ বছরে দেশের অর্থনীতিতে এআই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এখন আর ভবিষ্যতের কল্পনা নয়—এটি বর্তমানে বিশ্বকে বদলে দিচ্ছে। বাংলাদেশ যদি সঠিকভাবে বিনিয়োগ ও পরিকল্পনা করতে পারে, তবে এআই হতে পারে দেশের পরবর্তী ডিজিটাল বিপ্লবের চালিকা শক্তি।

News
জুন ২৮, ২০২৫
0
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি নিয়ে বিভ্রান্তি ও বিপদের আশঙ্কা: বিশেষজ্ঞরা সতর্ক

বিশ্বব্যাপী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence বা AI) প্রযুক্তির ব্যবহার বিস্ময়কর হারে বাড়ছে। তবে এর বিপুল সম্ভাবনার পাশাপাশি রয়েছে নানা বিভ্রান্তি, নিরাপত্তা ঝুঁকি ও নৈতিক চ্যালেঞ্জ। এসব বিষয়ে জনগণকে সচেতন করতে এবং নীতিমালার আওতায় আনতে বিশেষজ্ঞরা এখনই পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। সম্প্রতি ঢাকায় আয়োজিত "এআই অ্যান্ড সোশ্যাল ইমপ্যাক্ট" শীর্ষক এক আন্তর্জাতিক সেমিনারে বক্তারা বলেন, অতি দ্রুত এই প্রযুক্তির প্রসার ঘটলেও এর যথাযথ ব্যবহার, নিয়ন্ত্রণ ও জনসচেতনতা এখনও প্রয়োজনীয় মাত্রায় পৌঁছায়নি।   ভুয়া তথ্য ছড়ানোর আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের মতে, এআই দিয়ে তৈরি করা ভুয়া ভিডিও (ডিপফেইক), অটোমেটেড ভুয়া সংবাদ এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভ্রান্তিমূলক কনটেন্ট ইতিমধ্যেই সমাজে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহবুবুল হক বলেন, "অনেকেই এখন বিশ্বাস করছে না কোন ছবি বা ভিডিও আসল। এর ফলে সত্য-মিথ্যার সীমা মুছে যাচ্ছে। রাজনীতি, আইন ও সামাজিক সম্প্রীতিতেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।"   চাকরির বাজারে শঙ্কা বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিস্তারে অনেক শ্রমনির্ভর ও মধ্যম স্তরের পেশা অদূর ভবিষ্যতে বিলুপ্ত হতে পারে। বিশেষ করে কল সেন্টার, কনটেন্ট লেখক, গ্রাফিক ডিজাইনার এবং হিসাবরক্ষণ পেশায় ঝুঁকি বাড়ছে।   নীতিমালার ঘাটতি বাংলাদেশে এখনও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের জন্য কোনো পূর্ণাঙ্গ আইন বা জাতীয় নীতিমালা নেই। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন থাকলেও তা এআই-নির্ভর প্রযুক্তির গতিপ্রকৃতি অনুযায়ী যথেষ্ট নয় বলে মনে করছেন প্রযুক্তিবিদরা।   বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ তারা বলছেন, এখনই উচিত শিক্ষা, প্রযুক্তি ও প্রশাসনিক মহলে এআই ব্যবহারের রূপরেখা তৈরি করা। নৈতিক ও নিরাপদ এআই উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও স্টার্টআপদেরও একসঙ্গে কাজ করা জরুরি।

জানিফ হাসান
জুন ১২, ২০২৫
0
স্কুলে চালু হচ্ছে রোবটিক্স শিক্ষা, প্রস্তুত বিশেষ পাঠ্যক্রম

প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যতের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এবার দেশের স্কুল পর্যায়ে রোবটিক্স শিক্ষা চালু করতে উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই পাইলট প্রকল্প হিসেবে রাজধানীসহ বিভিন্ন অঞ্চলের শতাধিক স্কুলে এ পাঠ্যক্রম চালু করা হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির বিজ্ঞান ও কারিগরি শিক্ষায় “ভূমিকা ভিত্তিক রোবটিক্স” শীর্ষক একটি সংক্ষিপ্ত সিলেবাস তৈরি করা হয়েছে। এতে থাকবে সহজ প্রোগ্রামিং, সেন্সর ব্যবহার, অটোমেশন ধারণা, এবং ছোটখাটো রোবট তৈরি ও পরিচালনার হাতে-কলমে শিক্ষা।   ভবিষ্যতের কর্মদক্ষতা গড়ে তুলতেই এই উদ্যোগ জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটির সদস্য অধ্যাপক হাফিজুর রহমান বলেন, “বৈশ্বিক শ্রমবাজারে প্রযুক্তি-ভিত্তিক দক্ষতা সবচেয়ে বেশি চাহিদাসম্পন্ন। আমাদের শিক্ষার্থীরা যাতে পিছিয়ে না পড়ে, সে জন্যই এই প্রস্তুতি।” তিনি আরও জানান, শিক্ষকদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিও হাতে নেওয়া হয়েছে যাতে তারা ক্লাসে রোবটিক্স বিষয়টি সহজভাবে তুলে ধরতে পারেন।   শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়ছে ইতোমধ্যে কিছু বেসরকারি স্কুল পরীক্ষামূলকভাবে রোবটিক্স ক্লাব পরিচালনা করছে, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। রাজধানীর একটি স্কুলের শিক্ষার্থী সানজিদা রহমান জানায়, “আমরা নিজেরাই ছোট একটি রোবট বানিয়েছি, সেটি চলতে পারে এবং নির্দেশ মানতে পারে—এটা ভীষণ রোমাঞ্চকর।”   কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে দেশীয় স্টার্টআপ এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে সহযোগিতা করছে একাধিক দেশীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান। ‘টেকল্যাবস বাংলাদেশ’ নামের একটি স্টার্টআপ ইতোমধ্যে বিভিন্ন স্কুলে লো-কোস্ট রোবটিক্স কিট সরবরাহ শুরু করেছে।   বিশেষজ্ঞদের মত প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রাথমিক স্তরে রোবটিক্স শিক্ষা ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), মেকাট্রনিক্স এবং অটোমেশন সেক্টরে দক্ষ কর্মশক্তি গড়ার ভিত্তি তৈরি করবে।

জানিফ হাসান
জুন ২৮, ২০২৫
0
স্টার্টআপে ঝুঁকছে তরুণ উদ্যোক্তারা, বাড়ছে বিনিয়োগের সুযোগ

দেশের তরুণদের মধ্যে নতুন ধারণা ও প্রযুক্তি নির্ভর ব্যবসা শুরুর আগ্রহ বিগত কয়েক বছরে চোখে পড়ার মতোভাবে বেড়েছে। বিশেষ করে স্টার্টআপ খাতে প্রযুক্তি, ই-কমার্স, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষাভিত্তিক উদ্যোগগুলো এখন তরুণ উদ্যোক্তাদের প্রথম পছন্দ হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) জানায়, ২০২৪ সালে দেশে নিবন্ধিত স্টার্টআপের সংখ্যা ছিল প্রায় ২ হাজার, যা ২০২০ সালের তুলনায় দ্বিগুণ। এই বৃদ্ধির পেছনে উদ্যোক্তাদের উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা, সরকারের নীতিগত সহায়তা এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ কাজ করেছে।   তরুণদের চোখে সম্ভাবনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সাবেক শিক্ষার্থী রায়হান মৃধা সম্প্রতি “EduTrack” নামে একটি এডটেক স্টার্টআপ চালু করেছেন। তিনি বলেন, “আমরা চেয়েছি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সহজ ও ইন্টারেক্টিভ লার্নিং প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে। শুরুতে ঝুঁকি ছিল, তবে এখন মাসে ১০ হাজারের বেশি ব্যবহারকারী পাচ্ছি।” এমন বহু উদাহরণ রয়েছে যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া বা সদ্য পাস করা তরুণরা চাকরির পেছনে না ছুটে নিজেরাই উদ্যোগ নিচ্ছেন এবং কর্মসংস্থান তৈরি করছেন।   বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি বিদেশি ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফার্মগুলোও এখন বাংলাদেশি স্টার্টআপে অর্থ ঢালতে আগ্রহী। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসেই ১২টি স্টার্টআপ প্রায় ১৫ মিলিয়ন ডলার ফান্ডিং পেয়েছে। উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ ও বিনিয়োগ সহায়তা নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান ‘BD Venture’–এর নির্বাহী পরিচালক নাজমুল হোসেন বলেন, “বাংলাদেশের তরুণদের ধারণা অনেক সময় আন্তর্জাতিক মানের হয়, শুধু প্রয়োজন সঠিক দিকনির্দেশনা ও পুঁজি। এখন সেই সুযোগ ধীরে ধীরে তৈরি হচ্ছে।”   সরকারি উদ্যোগ ‘স্টার্টআপ বাংলাদেশ’ নামে আইসিটি বিভাগের একটি প্রকল্প ইতোমধ্যে ৫০টির বেশি উদ্যোগে প্রাথমিক অর্থায়ন করেছে। একইসঙ্গে রয়েছে উদ্যোক্তা হাব, মেন্টরশিপ প্রোগ্রাম এবং আন্তর্জাতিক সংযোগ তৈরির সুযোগ।

জানিফ হাসান
জুন ৫, ২০২৫
0
এআই প্রযুক্তি: কি কাজ হারাবে মানুষ, আর কোন কাজে হবে সহায়ক?

এআই প্রযুক্তি: কী কাজ হারাবে মানুষ, আর কোন কাজে হবে সহায়ক? কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (Artificial Intelligence) — একসময় যা ছিল কেবল বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনির বিষয়, এখন তা বাস্তব জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গুগলের সার্চ অ্যালগরিদম থেকে শুরু করে চ্যাটবট, ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট, মুখ চিনে ফেলা ক্যামেরা, কিংবা রোগ নির্ণয়ে ব্যবহৃত সফটওয়্যার—সব কিছুতেই এখন এআই ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে এই প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতি যেমন প্রশংসিত হচ্ছে, তেমনি মানুষের মনে প্রশ্ন জাগছে: “আমার চাকরি কি এখন নিরাপদ?” সত্যি বলতে, এআই কিছু চাকরি মানুষের কাছ থেকে নিয়ে নিচ্ছে—তবে একইসঙ্গে নতুন সম্ভাবনাও সৃষ্টি করছে। প্রথমেই দেখা যাক, কোন ধরনের কাজ সবচেয়ে বেশি হুমকির মুখে। সাধারণত, যেসব কাজ বারবার একই ধরনের কাজের পুনরাবৃত্তি করে—সেগুলোই প্রথমে এআই দ্বারা প্রতিস্থাপিত হচ্ছে। যেমন: ডাটা এন্ট্রি ও প্রসেসিং: এই ধরনের কাজ এখন সহজেই সফটওয়্যার দ্বারা করা যাচ্ছে, সময়ও কম লাগে। কাস্টমার সার্ভিস: চ্যাটবট ও ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট ইতোমধ্যেই হাজার হাজার কাস্টমার সার্ভিস কর্মীর কাজকে সীমিত করে ফেলেছে। টেলিমার্কেটিং ও ব্যাসিক অ্যাকাউন্টিং: সহজ হিসাব বা স্ক্রিপ্টভিত্তিক সেলস কলগুলো এখন এআই করতে পারে নিখুঁতভাবে। সার্ভিল্যান্স ও সিকিউরিটি মনিটরিং: স্বয়ংক্রিয় ক্যামেরা ও ফেস রিকগনিশন প্রযুক্তি মানুষের জায়গায় দ্রুত এবং নির্ভুলভাবে কাজ করছে। এই তালিকা দেখে ভয় পাওয়ার কারণ থাকলেও, একে একপেশেভাবে দেখলে ভুল হবে। কারণ এআই প্রযুক্তি অনেক কাজে মানুষের সহায়ক হিসেবেও কাজ করছে, বিশেষ করে যেখানে বিশ্লেষণ, সৃজনশীলতা ও মানবিক সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ। যেমন: চিকিৎসা ও রোগ নির্ণয়: এআই এখন ক্যানসার শনাক্তকরণ, হার্ট ডিজিজ বিশ্লেষণ, ওষুধের গবেষণা—এসব ক্ষেত্রে ডাক্তারদের সহায়তা করছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও মানুষের। ডিজাইন ও কনটেন্ট ক্রিয়েশন: গ্রাফিক ডিজাইন, ভিডিও এডিটিং, এমনকি কবিতা বা গল্প লেখায় এআই সাহায্য করছে—but human touch is still irreplaceable. এডুকেশন ও পার্সোনাল লার্নিং: এআই ভিত্তিক অ্যাপ যেমন Duolingo বা Khan Academy এখন শিক্ষার্থীদের জন্য পার্সোনালাইজড শিখন অভিজ্ঞতা তৈরি করছে। সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট: কোডিং এখন আগের চেয়ে অনেক সহজ হয়েছে কোড-সহায়ক এআই টুলের কারণে, যা সময় ও শ্রম দুটোই কমায়। তবে এই সবের মাঝেও একটা বিষয় পরিষ্কার—মানবিক গুণাবলি এখনও অপরিহার্য। নেতৃত্ব, সহানুভূতি, জটিল সমস্যা সমাধান, সৃজনশীল চিন্তা—এই গুণগুলো এখনো কোনো এআই পুরোপুরি আয়ত্ত করতে পারেনি। তবে ভবিষ্যতের কাজের দুনিয়া কেমন হবে, তা এখনই নির্দিষ্ট করে বলা যায় না। পরিবর্তনের গতি এত দ্রুত যে, আজকের নির্ভরযোগ্য কাজও আগামী দিনে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যেতে পারে। তাই করণীয় একটাই—মানুষকেও পরিবর্তিত হতে হবে। প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষতা, ক্রিটিক্যাল থিংকিং, নতুন স্কিল শেখা—এই তিনটি দিকেই বেশি জোর দিতে হবে। সবশেষে বললে বলা যায়, এআই শত্রু নয়, বরং এক শক্তিশালী সহচর, যদি আমরা তাকে বুঝে ব্যবহার করতে পারি। কাজ হারানোর ভয় না পেয়ে বরং নতুন কাজের ধরন ও দক্ষতার জন্য প্রস্তুত হওয়াটাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।

আয়ান তাহরিম
জুন ২৮, ২০২৫
0
AI আসছে, চাকরি যাচ্ছে? বাস্তবতা ও ভয়ের মাঝে সত্যটা কোথায়

“আপনার কি কখনও মনে হয়েছে, আপনার কাজটা একদিন হয়তো AI করে ফেলবে?” একসময় যে কাজগুলো ছিল কেবল মানুষের দক্ষতার ওপর নির্ভরশীল, আজ সেগুলো একে একে চলে যাচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার হাতে। লেখালেখি, ডিজাইন, কাস্টমার সার্ভিস, এমনকি কোডিং পর্যন্ত—সবখানে এখন AI-এর হাতছানি। এই পরিবর্তনের গতি দেখে অনেকেই আতঙ্কিত। কেউ বলছেন, "চাকরি হারাবো", আবার কেউ বলছেন, "AI আমাদের দাস বানাবে!" কিন্তু প্রশ্ন হলো—এই আতঙ্কের পেছনে আসল সত্যটা কী?   বস্তুত, AI হচ্ছে একটা দ্বিমুখী বাস্তবতা: একদিকে এটি অনেক কাজ অটোমেট করছে, কম খরচে, বেশি গতিতে। অন্যদিকে, এটি এমন কিছু কাজ তৈরি করছে, যা আগে কখনো ছিল না। ফলে ভয় যেমন আছে, তেমনি সুযোগও অসীম। এই লেখায় আমরা চেষ্টা করবো সেই “ভয়ের কুয়াশা” সরিয়ে দেখে নিতে বাস্তবতা কতটা গাঢ় বা আশাব্যঞ্জক। আপনি জানতে পারবেন—   AI ইতিমধ্যে কোন কোন খাতে প্রভাব ফেলছে ভবিষ্যতে কোন পেশা ঝুঁকিতে, আর কোনটা উন্নয়নের দিকে বাংলাদেশে কী ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে এবং কীভাবে নিজেকে প্রস্তুত রাখবেন এই প্রযুক্তির ঢেউয়ে টিকে থাকার জন্য   চলুন, চোখ রাখি সেই সত্যের দিকে—যেটা আতঙ্ক নয়, বরং সচেতনতার গল্প বলে।   ১. AI কোথায় কোথায় কাজ করছে ইতিমধ্যে?   এক সময় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) মানেই ছিল সাই-ফাই সিনেমার রোবট। এখন সেটা আমাদের প্রতিদিনের জীবনে ঢুকে পড়েছে—চুপচাপ, কিন্তু গভীরভাবে। আপনি হয়তো বুঝতেও পারছেন না, দিনে ৫–১০ বার আপনি AI-এর সাথে যোগাযোগ করছেন! চলুন দেখি AI ইতিমধ্যে কোন কোন জায়গায় কাজ করছে—   📝 কনটেন্ট তৈরি   চ্যাটজিপিটি (ChatGPT): ব্লগ লেখা, ইমেইল লেখা, এমনকি কবিতা বা স্ক্রিপ্টও লিখে দিচ্ছে Grammarly, Quillbot: লেখার ভুল ধরছে, লেখাকে প্রফেশনাল করছে Jasper.ai, Copy.ai: মার্কেটিং কনটেন্ট তৈরি করছে মাত্র কয়েক সেকেন্ডে   👉 অনেক কনটেন্ট রাইটার এখন AI-কে সহকারী হিসেবে নিচ্ছেন, কেউ কেউ চাকরি হারাচ্ছেনও।   🎨 ডিজাইন ও ভিজ্যুয়াল কনটেন্ট   Canva AI, Midjourney, DALL·E: ব্যানার, পোস্টার, থাম্বনেইল—সবই বানিয়ে দিচ্ছে AI Runway: ভিডিও জেনারেশন, ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ, অডিও ক্লিনিং—সেকেন্ডের মধ্যে ব্র্যান্ডিং/ক্যাম্পেইন ডিজাইনেও এখন মানুষ AI-এর সাহায্য নিচ্ছে 👉 ফলে গড়পড়তা ডিজাইনারদের কাজ কমে যাচ্ছে, কিন্তু দক্ষদের জন্য AI শক্তি বাড়াচ্ছে।   💬 কাস্টমার সার্ভিস ও কমিউনিকেশন   চ্যাটবট (Like Zendesk, Intercom): কাস্টমার সার্ভিসে মানুষ বসানো লাগছে না ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট (Siri, Alexa, Google): মানুষের ভাষা বুঝে উত্তর দিচ্ছে AI এখন এমনকি কল করে কথা বলছে (Google Duplex!)   👉 কোম্পানি খরচ কমাচ্ছে, অথচ ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা ঠিক রাখছে।   💻 কোডিং ও ডেভেলপমেন্ট   GitHub Copilot: ডেভেলপাররা কোড লেখার সময় AI থেকে সাজেশন পাচ্ছেন Code Interpreter/AI Debuggers: বাগ ধরছে, কোড অপটিমাইজ করছে   👉 জুনিয়র ডেভেলপারদের কাজ অনেকটাই অটোমেটেড হচ্ছে, কিন্তু সিনিয়রদের দক্ষতা আরও মূল্যবান হয়ে উঠছে।   📊 ডেটা অ্যানালাইসিস ও বিজনেস ইনটেলিজেন্স   AI Tools (Tableau AI, Power BI, ChatGPT plugins): বিশাল ডেটা বিশ্লেষণ করছে, ট্রেন্ড বের করছে পূর্বাভাস, গ্রাহকের আচরণ বিশ্লেষণ, ইনভেন্টরি ম্যানেজমেন্টেও AI ব্যবহৃত হচ্ছে   👉 যেসব কাজ আগে এক্সেল আর বিশ্লেষকের ওপর নির্ভর করতো, এখন সেখানে AI কাজের গতি বাড়িয়ে দিচ্ছে।   🔍 তাহলে প্রশ্ন: AI কি মানুষের কাজ কেড়ে নিচ্ছে?   আসলে AI “চাকরি নিচ্ছে” না, বরং চাকরির ধরন বদলে দিচ্ছে। যারা AI জানে না বা মানিয়ে নিচ্ছে না, তাদের ঝুঁকি বেশি। কিন্তু যারা শিখছে, তারা AI-কে সহকারী বানিয়ে আরও বেশি কার্যকর হয়ে উঠছে।   ২. কোন পেশাগুলো সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে? প্রযুক্তি এসেছে সুবিধা দিতে, তবে সেটা সবসময় সবার জন্য সুখবর নয়। বিশেষ করে যেসব পেশা পুনরাবৃত্তিমূলক (repetitive), পূর্বনির্ধারিত নিয়মে চলে বা খুব বেশি মানুষের সংবেদনশীলতা দরকার হয় না—সেই কাজগুলো এখন AI ও অটোমেশন দ্বারা প্রতিস্থাপনের ঝুঁকিতে।   চলুন দেখে নিই কিছু ঝুঁকিপূর্ণ পেশা ও সেক্টর:   🧮 ১. ডেটা এন্ট্রি ও ব্যাক-অফিস কাজ   এই কাজগুলোতে শুধু নিয়ম মেনে তথ্য বসানো হয়—যা AI খুব সহজে করতে পারে।   এক্সেল-ভিত্তিক ইনপুট ডকুমেন্ট প্রসেসিং রিপোর্ট তৈরি   👉 কোম্পানিগুলো এখন সফটওয়্যার বা AI টুল দিয়ে এসব কাজ মিনিটেই করে নিচ্ছে।   📞 ২. কাস্টমার সার্ভিস / কল সেন্টার   চ্যাটবট ও ভয়েসবট এখন অনেক প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে।   FAQ support প্রোডাক্ট ইনফো বেসিক সমস্যা সমাধান   👉 ফলে মানবিক কল সেন্টার এজেন্টদের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে।   ✍️ ৩. সাধারণ কনটেন্ট রাইটিং   AI এখন ব্লগ, ক্যাপশন, প্রোডাক্ট ডিসক্রিপশন লিখে ফেলতে পারে কয়েক সেকেন্ডে।   কম্পিটিশন বাড়ছে কনটেন্টের দাম কমছে   👉 যারা কেবল rewriting বা basic writing করতেন, তারা ঝুঁকিতে। তবে যারা স্ট্র্যাটেজি ও ক্রিয়েটিভিটি জানেন, তারা এখনো নিরাপদ।   🔁 ৪. অ্যাকাউন্টিং-এর নির্দিষ্ট কিছু অংশ   বেসিক হিসাব, ইনভয়েস, রিপোর্টিং—সবই সফটওয়্যার দিয়ে করা যাচ্ছে   QuickBooks, Xero, Zoho Books ব্যবহার করে কোম্পানিগুলো অটোমেট করছে রেকর্ড কিপিং আর রিপোর্ট জেনারেশনের কাজ কমে যাচ্ছে   👉 তবে কনসালটিং, ট্যাক্স স্ট্র্যাটেজি ও জটিল অডিট এখনো মানুষের ওপর নির্ভরশীল।   🌍 ৫. ট্রান্সলেশন ও সাবটাইটলিং   Google Translate, DeepL, বা AI-চালিত সাবটাইটল টুল এখন অনেক বেশি নিখুঁত বহুজাতিক মিডিয়া, ইউটিউবাররা এখন AI দিয়ে সাবটাইটেল বানাচ্ছেন Human translator এর প্রয়োজন কমে যাচ্ছে   👉 তবে সাহিত্যিক বা সাংস্কৃতিক অনুবাদে এখনো AI পুরোপুরি দক্ষ নয়।   📌 কেন এই কাজগুলো বেশি ঝুঁকিপূর্ণ?   কারণ এগুলোর কাজ খুব স্ট্রাকচার্ড ও পুনরাবৃত্তিমূলক AI এসব কাজ অল্প সময়ে, কম খরচে, ভুল কম করে করতে পারে কোম্পানিগুলো efficiency ও cost-saving-এর জন্য AI বেছে নিচ্ছে   🎯 তাহলে করণীয় কী?   এইসব পেশার সঙ্গে যুক্ত থাকলে এখনই নিজেকে রিস্ক থেকে বাঁচানোর সময়—   শুধু কাজ না, মূল্য যোগ করা শিখুন Creative thinking, emotion, human judgment যেখানে দরকার—সেই স্কিলে জোর দিন AI-কে প্রতিদ্বন্দ্বী না, সহযোগী বানিয়ে ফেলুন   ৩. AI চাকরি নিচ্ছে, কিন্তু তৈরি করছে না?   আমরা যখন বলি “AI চাকরি কেড়ে নিচ্ছে”, তখন একটা দুশ্চিন্তা তৈরি হয়—"তাহলে মানুষ কোথায় যাবে?" কিন্তু প্রশ্নটা শুধু চাকরি হারানোর না, বরং এটা জানা দরকার, AI কি নতুন চাকরিও তৈরি করছে না? 📊 বাস্তবতা: কিছু চাকরি যাচ্ছে, অনেক নতুন সুযোগ আসছে   বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম (WEF)-এর এক রিপোর্টে বলা হয়েছে:   ২০২৫ সালের মধ্যে ৮৫ মিলিয়ন চাকরি বিলুপ্ত হবে, তবে ৯৭ মিলিয়ন নতুন ধরনের চাকরি তৈরি হবে।   মানে স্পষ্ট—পুরনো কাজ হয়তো কমে যাচ্ছে, কিন্তু নতুন ধরণের স্কিলভিত্তিক কাজ বাড়ছে।   🌱 AI-ভিত্তিক নতুন পেশা ও রোল   🧠 ১. Prompt Engineer   AI-কে কাজ করাতে হলে তাকে ঠিকভাবে প্রশ্ন করতে হয়। 👉 যারা জানে কীভাবে গঠনমূলক, কৌশলী প্রম্পট দিতে হয়—তাদের চাহিদা বাড়ছে।   🛠️ ২. AI Trainer / Evaluator   AI যেন ভুল না শেখে, সেটা নিরীক্ষণ করার জন্য দরকার মানুষ। 👉 এই ট্রেইনাররা সিস্টেমকে “মানবিকভাবে” শেখাতে সাহায্য করেন।   🔍 ৩. AI Ethicist / Policy Expert   AI যেন পক্ষপাত না করে বা মানুষের ক্ষতি না করে—এ জন্য নীতিমালা দরকার। 👉 এই ক্ষেত্রেও তৈরি হচ্ছে নতুন চাকরি।   🧩 ৪. Human-AI Collaboration Specialist   মানুষ ও AI একসাথে কাজ করবে—এই সমন্বয় যারা বুঝবেন, তারা অনেক মূল্যবান হয়ে উঠবেন। 👉 বিশেষ করে বড় কোম্পানিতে AI Integration ম্যানেজ করতে।   📈 ৫. Automation Manager / Analyst   যেসব কোম্পানি AI বা অটোমেশন চালু করছে, তাদের জন্য দরকার বিশেষজ্ঞ 👉 যিনি বুঝবেন কোন অংশ অটোমেট করা উচিত, আর কোনটা নয়।   📌 উপসংহার: বদলাবে কাজ, থাকবে কাজ   AI হয়তো কিছু পুরনো স্কিলের দাম কমিয়ে দিচ্ছে, কিন্তু নতুন কাজের বাজার তৈরি করছে অন্যদিকে।   ✅ যারা বদলাবে, শিখবে, মানিয়ে নেবে—তারা আগেই থাকবে ❌ যারা ভাবছে “AI তো আমার জায়গা নিচ্ছে”, কিন্তু কিছু করছে না—তারা সত্যিই ঝুঁকিতে   ৪. বাংলাদেশে কী হবে?   বিশ্বে যখন AI নিয়ে বিপ্লব চলছে, তখন প্রশ্নটা খুব প্রাসঙ্গিক—বাংলাদেশ এর প্রভাবে কতটা বদলাবে, আর আমরা কতটা প্রস্তুত? বাংলাদেশের চাকরির বাজার এখনও মূলত শ্রমনির্ভর, তবে ডিজিটাল রূপান্তরের ঢেউ লাগতে শুরু করেছে। আর এই সময়েই AI ধীরে ধীরে গা ভাসিয়ে দিচ্ছে আমাদের জীবনে—অনেকে টেরও পাচ্ছেন না।   🖥️ 🧾 ১. আউটসোর্সিং ও ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে AI-এর প্রভাব   বাংলাদেশের তরুণদের বড় একটা অংশ কাজ করেন:   কনটেন্ট রাইটিং গ্রাফিক ডিজাইন ভিডিও এডিটিং ডেটা এন্ট্রি ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট   এই সব কাজেই এখন AI বিকল্প হয়ে উঠছে। যেমন—   Fiverr বা Upwork-এ অনেক ক্লায়েন্ট AI দিয়ে বেসিক কনটেন্ট করাচ্ছেন বেসিক ডিজাইন বা সাবটাইটল বানাতে Midjourney বা Descript ব্যবহার হচ্ছে Virtual Assistant-এর কাজ অনেকটাই এখন Zapier বা AI চ্যাটবট দিয়েই সেরে ফেলা যাচ্ছে   👉 যারা শুধু টাস্ক-ভিত্তিক কাজ করতেন, তাদের আয় হ্রাস পাচ্ছে বা কাজ হারানোর ঝুঁকিতে পড়ছেন।   🎓 ২. শিক্ষার মানসিকতা ও স্কিল-গ্যাপ   AI ব্যবহারের জন্য শুধু প্রযুক্তি না, দরকার mindset. কিন্তু এখনও—   অনেক শিক্ষার্থী টাইপিং শিখে মনে করছে, “আইটি পারি” কোডিং না শিখেও “ডেভেলপার” দাবি করা হয় বাস্তবভিত্তিক স্কিল শেখার চেয়ে সনদপত্র বেশি গুরুত্ব পায়   👉 এভাবে AI-সহযোগী বিশ্বে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হয়ে যাবে, যদি না mindset বদলানো যায়।   💡 ৩. AI-র মাধ্যমে নতুন সম্ভাবনা   সব খবর খারাপ না! বরং যদি সঠিকভাবে কাজে লাগানো যায়, বাংলাদেশ অনেকদূর এগোতে পারে।   ✅ গ্রামে বসেই একজন তরুণ ChatGPT, Canva AI, এবং freelancing দিয়ে আয় করতে পারেন ✅ AI দিয়ে কাস্টমার সার্ভিস, ডিজিটাল মার্কেটিং, কনটেন্ট অটোমেশন করে ছোট ব্যবসাও চালাতে পারেন ✅ SME বা ছোট প্রতিষ্ঠানগুলো অল্প খরচে প্রযুক্তিগত সমাধান পেতে পারেন   বাংলাদেশের তরুণদের অনেকেই এখন AI Tools-ভিত্তিক কোর্স, ইউটিউব চ্যানেল, এমনকি স্টার্টআপ গড়ে তুলছেন—এটাই ভবিষ্যতের পথে আশা জাগায়।   ⚠️ তাহলে চ্যালেঞ্জ কী?   AI নিয়ে সচেতনতা কম স্কিল গ্যাপ বেশি ইংরেজি দুর্বলতা AI ব্যবহারে বাধা হয়ে দাঁড়ায় সরকারি ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে প্রশিক্ষণের অভাব   📌 সমাধানের দিক   AI ও প্রযুক্তিভিত্তিক স্কিল শেখাতে স্কুল-কলেজ পর্যায়ে উদ্যোগ বাংলাভাষায় AI শেখার কোর্স, টিউটোরিয়াল তৈরি ফ্রিল্যান্সারদের রিস্ক থেকে বেরিয়ে “AI-Augmented Worker” হওয়ার প্রশিক্ষণ বাংলাদেশে AI একদিকে সুযোগ, আরেকদিকে হুমকি। যাদের মানসিকতা দ্রুত শিখে মানিয়ে নেওয়ার, তাদের জন্য AI হতে পারে জয় করার অস্ত্র। আর যারা পরিবর্তন মানতে ভয় পান—তাদের জন্য এটা হতে পারে পিছিয়ে পড়ার সাইরেন।     ৫. আতঙ্ক নয়, প্রস্তুত হও   AI নিয়ে যে ভয়, তা একেবারেই স্বাভাবিক। যখনই বড় ধরনের পরিবর্তন আসে, মানুষ উদ্বিগ্ন হয়। তবে ভয় আর হতাশায় আটকে থাকলে কোনো উন্নতি সম্ভব নয়। আসল কথা হলো—আমাদের কীভাবে এই পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে।   🔑 AI কে শত্রু না, বরং সহযোগী মনে করুন   AI আসছে মানুষকে বদলাতে নয়, সাহায্য করতে। যারা AI-কে বোঝে, তাকে হাতিয়ার বানায়, তারা আজকের পৃথিবীর শীর্ষে।   🧰 নিজের কাজকে AI-proof করতে করণীয়   ১. সৃজনশীলতা (Creativity)   যেসব কাজ AI করতে পারে না, যেমন নতুন কিছু ভাবা, নকশা করা, গল্প বলা—সেগুলো শিখুন। নতুন আইডিয়া দিয়ে কাজের মান বাড়ান।   ২. সমস্যা সমাধান (Problem Solving)   জটিল পরিস্থিতি বোঝা এবং উপযুক্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া AI-এর চেয়ে মানুষের হাতে। এই দক্ষতা উন্নত করুন।   ৩. মানবিক স্পর্শ (Human Touch)   মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ, বোঝাপড়া, সহানুভূতি—এগুলো AI এখনো সম্পূর্ণ অনুকরণ করতে পারে না। এই স্কিলগুলো বিকাশ করুন।   ৪. সফট স্কিলস ও নেতৃত্ব (Soft Skills & Leadership)   টিম ম্যানেজমেন্ট, কমিউনিকেশন, এবং নেতৃত্বের কাজ AI দিয়ে করা যায় না। এগুলো শিখে নিজেকে আলাদা করুন।   📚 লাইফটাইম লার্নিং—অর্থাৎ সারাজীবন শেখার মানসিকতা গড়ে তোলা   শুধু একবার কিছু শেখা নয়, বরং নিয়মিত নিজেকে আপডেট করতে হবে নতুন প্রযুক্তি, সফটওয়্যার, ট্রেন্ড জানতে আগ্রহী থাকতে হবে কোর্স, ওয়েবিনার, টিউটোরিয়াল থেকে শিখতে থাকা এখন জীবনের অপরিহার্য অংশ   🎯 ছোট থেকে শুরু করুন, বড় বদল আসবে   প্রতিদিন অল্প একটু AI টুল ব্যবহার করে অভ্যস্ত হোন নিজের কাজের ক্ষেত্রে AI কীভাবে সাহায্য করতে পারে, সেটা খুঁজে বের করুন নতুন স্কিল শেখার জন্য পরিকল্পনা তৈরি করুন   ভয়কে পেছনে ফেলে, সামনের দিকে এগোতেই হবে। AI-কে শত্রু নয়, ক্ষমতাবর্ধক হাতিয়ার হিসেবে গ্রহণ করুন। সেই শক্তি নিয়ে আপনার ক্যারিয়ার ও জীবনকে উন্নত করুন।   ৬. উপসংহার: বদলাও না, থেমে যাও না!   আগামী দশক প্রযুক্তিতে আসবে এক দারুণ রূপান্তর—AI, অটোমেশন, 6G, মেটাভার্স সব মিলিয়ে আমাদের জীবন বদলে দেবে। চাকরি যাবে কিছু, আসবে নতুন কাজ; ভয় আসবে, তবে সুযোগও থাকবে অসীম। তবে একটাই সত্যি — পরিবর্তন অবধারিত। যারা এই পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারবে, তারাই টিকে থাকবে এবং সফল হবে। যারা ভয় পেয়ে থেমে থাকবে, তারা পিছিয়ে যাবে।   তাই আজ থেকেই তৈরি হতে হবে—   নতুন দক্ষতা শিখে সচেতনতা ও নৈতিকতা বজায় রেখে AI ও প্রযুক্তিকে হাতিয়ার হিসেবে নিয়ে   আমাদের সামনে এখন এক প্রশ্ন:   “আপনি কী ভাবছেন? আগামী ১০ বছর আপনি কীভাবে প্রস্তুত হচ্ছেন?”  

আয়ান তাহরিম
জুন ২৬, ২০২৫
0
নোনা পানি শোধন করে পাইপলাইনে সরবরাহের পরিকল্পনায় সরকার: শাহে আলম
নোনা পানি শোধন করে পাইপলাইনে সরবরাহের পরিকল্পনায় সরকার: শাহে আলম

  সরকার লবণাক্ত পানি শোধন করে পাইপলাইনে সারা দেশে সরবরাহের পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। আজ মঙ্গলবার সকালে সচিবালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান। এর আগে তিনি ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক করেন। শাহে আলম বলেন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসারে একটি শহরের জন্য মাত্র ৩০ শতাংশ ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন করা যাবে। সেখানে ঢাকা শহরে আমরা ৭৪ শতাংশ উত্তোলন করছি। আর উপরিভাগের পানি (সারফেস ওয়াটার) মাত্র ২৪ শতাংশ। এতে জলবায়ু পরিবর্তন ও আমাদের পরিবেশের ওপর বড় ধরনের আঘাত আনবে। ভূমিকম্প হওয়ার একটা সম্ভাবনা থেকে যাবে। এই বিষয়টি মাথায় রেখে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মতো স্যালাইন ওয়াটারকে ট্রিটমেন্ট প্লান্টের মাধ্যমে সরবরাহের উদ্যোগ নিতে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন। ‘সমুদ্রের উপরিভাগ বা নদী গিয়ে যেখানে মিলিত হয়েছে, চাঁদপুর ও মোংলায় দুটি পয়েন্টে বড় ধরনের প্রকল্পের ফিজিবিলিটি স্টাডি করতে ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন,’ বলেন তিনি। স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রকল্প দুটির ফিজিবিলিটি স্টাডি শুরু হয়েছে এবং এডিবি এ ব্যাপারে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে। ‘গ্যাস বা বিদ্যুৎ যে রকম জাতীয় গ্রিড থেকে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হয়, আমরা এই পানি দেশের প্রত্যেকটি জেলা-উপজেলা পর্যায়ে পাইপলাইনের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেবো। গ্যাস যদি দেওয়া সম্ভব হয়, তাহলে পানিও সারা দেশে (সরবরাহ করা) অসম্ভব কিছুই হবে না,’ সরকারের সিদ্ধান্ত জানান তিনি। শাহে আলম জানান, ঢাকা শহরে প্রতিদিন পানির চাহিদা ৩ কোটি ২৫ লাখ লিটার। এর মধ্যে ভূগর্ভস্থ ও উপরিভাগ মিলিয়ে ওয়াসা সরবরাহ করে ২ কোটি ৯৫ লাখ থেকে ৩ কোটি ৫ লাখ লিটার পর্যন্ত। প্রতিদিনই আমাদের কিছু ঘাটতি থেকে যায়। তিনি জানান, এই ঘাটতি পূরণ এবং ঢাকার ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার কথা বিবেচনা করে ইতোমধ্যে গন্ধর্বপুর প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। শিগগির (নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে গন্ধর্বপুর পানি শোধনাগার) প্রকল্পটি চালু হবে। এটি চালু হলে মেঘনা থেকে প্রতিদিন ঢাকায় আমরা ৫০ কোটি লিটার পানি পাব। ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সায়েদাবাদ প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এটি মোট ১৬ হাজার কোটি টাকা প্রকল্প। আমরা শোধনাগার নির্মাণ করে ঢাকা ওয়াসার মাধ্যমে মেঘনা থেকে ৯৫ কোটি লিটার পানি নিয়ে আসব। এই ১৬ হাজার কোটি টাকার মধ্যে ইতোমধ্যে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকার কাজ শেষ হয়েছে। ২০১৫ সালে ‍শুরু হওয়া এই প্রকল্পটি ২০৩০ সালে শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আমাদের লক্ষ্য ২০২৯ সালের মধ্যে শেষ করব। শেষ পর্যায়ের কাজে ডেনমার্ক সরকার বাংলাদেশকে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা দিয়ে সহযোগিতা করবে উল্লেখ করে শাহে আলম বলেন, এর মধ্যে দেড় হাজার কোটি টাকা অনুদান এবং বাকি ৩ হাজার কোটি টাকা সহজ শর্তে ঋণ। মাত্র দেড় থেকে ২ শতাংশ সুদ হারে কাজ শেষ হওয়ার পরবর্তী ২০ বছরে শোধ করতে হবে। ‘ফলে সরকারের ওপর খুব একটা চাপ হবে না। আমরা এটা গ্রহণ করেছি এবং আমরা উনাদের সরকারের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়েছি।’ এর বাইরেও ডেনমার্ক রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ওয়াটার ট্রিটমেন্ট, ওয়াটার সাপ্লাই ও বিভিন্ন বিষয়ে প্রায় ১০০ কোটি টাকা সাহায্য করছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘উনারা বাংলাদেশে সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী।’ ‘আমরা অনুরোধ করেছি, তারা যাতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বিনিয়োগ করেন। বিশেষ করে সরাসরি ওয়েস্ট টু এনার্জিতে বিনিয়োগ করতে বলেছি। উনারা বলেছেন, ফিজিবিলিটি স্টাডি করে দেখবেন যে তারা কী ধরনের সহযোগিতা করতে পারেন।’

News
আগস্ট ২৫, ২০২৬
0
বিপিএল এই বছর নাও হতে পারে: তামিম.
বিপিএল এই বছর নাও হতে পারে: তামিম.

  চলতি বছরে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) মাঠে গড়ানো নিয়ে বড় ধরনের অনিশ্চয়তার আভাস দিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি তামিম ইকবাল। টুর্নামেন্টটি আরও গোছানোভাবে আয়োজন করতে চান তিনি।  দেশের একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে বিপিএল নিয়ে তামিম বলেন, ‘এ বছর নাও হতে পারে বিপিএল। বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান আরও ভালো বলতে পারবেন।’  বিপিএল পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার পরিকল্পনা আছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে বিসিবি প্রধান বলেন, ‘আমার ব্যক্তিগত ইচ্ছা বিপিএলটা গুছিয়ে করা। যেখানে খেলা নিয়ে আলোচনা হবে, হার-জিত নিয়ে কথা হবে। টাকাপয়সা নিয়ে নেতিবাচক খবর হোক, সেটা চাই না। বিপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট হলেও বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের টুর্নামেন্ট। ইমেজ রক্ষা করা আমাদের কর্তব্য। ২০২৮ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সামনে রেখে এ বছর বিপিএল না হলে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তামিম বলেন, ‘আমরা এ বছর করতে না পারলেও ২০২৭ সালে ভালোভাবে করতে পারব। এ ছাড়া টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট আছে।’ এছাড়া ঢাকার ক্লাব ক্রিকেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মোটামুটি ভালোই হয়েছে। আমরা আসার পর ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ হয়েছে। তৃতীয় বিভাগ হয়েছে। নতুন মৌসুম শুরু হয়ে যাবে। দ্বিতীয় বিভাগে দলগুলো অংশগ্রহণ করেনি, সেই খেলোয়াড়দের আর্থিক অনুদান দেওয়ার একটি ব্যাপার আছে। আলোচনা করে সেটাও সমাধান করে ফেলবো।’

News
আগস্ট ৯, ২০২৬
0
দেশের ১৯২ নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মাধ্যমে সেবা সম্প্রসারণ হবে: মন্ত্রী
দেশের ১৯২ নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মাধ্যমে সেবা সম্প্রসারণ হবে: মন্ত্রী

  প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের লক্ষ্যে সরকার দেশের ১৯২টি নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মাধ্যমে সেবা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। ফাইল ছবি বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাজধানীর একটি হোটেলে নগর এলাকায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ তথ্য জানান। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা না করেই নগরবাসী যেন সহজে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পায় সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। এতে বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেয়া আরও সহজ হবে।   দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য মানসম্মত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সরকারের প্রধান লক্ষ্য উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, উপজেলা পর্যায়ে কিডনি ডায়ালাইসিস সেবা চালু করা হচ্ছে। একইসঙ্গে ৫০ শয্যা ও জেলা হাসপাতালগুলোতেও ডায়ালাইসিস সুবিধা সম্প্রসারণ করা হবে।   তিনি বলেন, নতুন অবকাঠামো, ভবন ও বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে যাতে দেশের কোনো গ্রাম চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত না থাকে। চিকিৎসার অভাবে যেন কোনো মানুষের প্রাণহানি না ঘটে, সে লক্ষ্যেই স্বাস্থ্যসেবার পরিধি বাড়ানো হচ্ছে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।  

News
জুলাই ৯, ২০২৬
0
বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকের জন্য অধিদফতরের জরুরি নির্দেশনা
বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকের জন্য অধিদফতরের জরুরি নির্দেশনা

  দেশের সব বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে জেলা পর্যায়ে কঠোর মনিটরিংয়ের নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।  একই সঙ্গে প্রতি মাসে চিকিৎসকদের ডিউটি রোস্টার সংগ্রহ, আকস্মিক পরিদর্শন এবং অনিয়ম পাওয়া গেলে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রশাসন শাখা থেকে গত বুধবার (১ জুলাই) জারি করা এক নির্দেশনায় দেশের সব সিভিল সার্জনের কাছে এ নির্দেশনা পাঠানো হয়। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, চিকিৎসাসেবার গুণগত মান বজায় রাখতে প্রতিটি বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে শয্যা সংখ্যার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক, নার্স ও পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়োজিত রাখা বাধ্যতামূলক। অর্থাৎ প্রতি ১০টি শয্যার বিপরীতে অন্তত একজন মেডিকেল অফিসারের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে সিভিল সার্জনদের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, প্রতি মাসে জেলার সব বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক থেকে চিকিৎসকদের ডিউটি রোস্টার সংগ্রহ, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে চিকিৎসকদের নাম, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি)-র নিবন্ধন নম্বর ও মোবাইল নম্বরসহ তথ্য সংগ্রহ, প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে যাচাই-বাছাই এবং আকস্মিক পরিদর্শন পরিচালনা। এ ছাড়া কোনো হাসপাতাল বা ক্লিনিকে নির্দেশনা অনুযায়ী চিকিৎসক উপস্থিত না থাকলে কিংবা ভুয়া বা অসম্পূর্ণ তথ্য প্রদান করা হলে প্রচলিত বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে অবহিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, জেলা পর্যায়ের মনিটরিং কার্যক্রমের সারসংক্ষেপ প্রতিবেদন প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদফতরে পাঠাতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমী স্বাক্ষরিত এ নির্দেশনা দেশের সব সিভিল সার্জনের কাছে পাঠানো হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে নিবন্ধিত চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিত হলে রোগীরা আরও নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পাবেন। একই সঙ্গে কাগজে-কলমে চিকিৎসক দেখিয়ে হাসপাতাল পরিচালনা বা চিকিৎসক সংকট গোপনের মতো অনিয়মও কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

News
জুলাই ৫, ২০২৬
0
বিদেশে খেলা প্রতিভা দেশে তোলা BFF–র চেষ্টায় — প্রবাসী ফুটবলারদের ‘ট্রায়াল’ ডাকা হলো

Hamza Choudhury–র (লেস্টার সিটি) বাংলাদেশে খেলার ঘোষণা BFF–এর জন্য প্ররোচনা হিসেবে কাজ করেছে। স্পীডস্টার ফুটবলার হিসেবে তার অভিষেকের পর, BFF একাধিক প্রবাসী ট্যালেন্ট খুঁজে বের করে বাংলাদেশ দলে নেওয়ার পরিকল্পনা শুরু করেছে। 🔹 বিদেশি মূল–বিশ্বে পরিচিত কিছু নাম শামীট সোম (Shamit Som/Shamit Shome): কানাডায় থাকা ২৭ বছর বয়সী মিডফিল্ডার, কানাডার জাতীয় দলেরও অংশ ছিলেন। BFF–র ভাইস প্রেসিডেন্ট ফাহাদ করিম জানিয়েছেন, তৈরি হয়েছে দুই সপ্তাহের সময়, যাতে তিনি ক্লাব ও কোচদের সঙ্গে আলোচনা করে বাংলাদেশে খেলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন । এর পাশাপাশি, ফাহামিদুল ইসলাম (ইতালির চতুর্থ বিভাগ), ফারহান মাহমুদ (ফ্রান্স), ক্যারিম হাসান স্মিথ, ইলমান মাতিন, ও আশিকুর রহমান (ইংল্যান্ড), নাবিদ আহমেদ (কানাডা), আমির সামি (যুক্তরাষ্ট্র) সহ ১৩ দেশের ৩২ জন বিদেশি খেলোয়াড় BFF–র নজরে এসেছে । 🔹 ট্রায়াল ও পরিকল্পনা BFF ছয় থেকে সাত দিনব্যাপী ১–৫ জুন ২০২৫ ট্রায়ালের আয়োজন করেছে ঢাকায়, যেখানে প্রবাসী ১৬–২০ বছর বয়সী খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স যাচাই করা হবে । BFF–র ভাইস প্রেসিডেন্ট ফাহাদ করিম জানান, এটি দীর্ঘমেয়াদে বিদেশি–বাংলাদেশি যোগ উইঙ্গার বা মিডফিল্ডার হিসেবে সম্ভাবনাময় জুড়ির একটি চেষ্টার অংশ en.wikipedia.org। 🔹 Hamza Choudhury–এর ভূমিকা ও প্রভাব Hamza–র বাংলাদেশ দলে অন্তর্ভুক্তির পরে BFF–র উদ্যোগ আরো জোরালো হয়েছে। তিনি অক্টোবর ২০২৪–এ FIFA অনুমোদনের মাধ্যমে বাংলাদেশ দলের জন্য যোগ্যতা পান tds-images.thedailystar.net+3dhakatribune.com+3thedailystar.net+3। BFF–র প্রেসিডেন্ট তাবিথ আওয়াল ও নির্বাহী সদস্য ইমতিয়াজ হামিদ সভুজ–এর সাথে UK’র King Power স্টেডিয়ামে দেখা করেন; এসময় Hamza–র সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক তৈরি করা হয় — যা BFF–র বিদেশি খেলোয়াড়দের প্রলোভনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে । BFF মূলত চায়, Hamza কেবল মাঠেই নয়,Pro-ফর্ম ও আন্তর্জাতিক মানে গাইড হিসেবে কাজ করুক এবং তাকে অনুসরণ করে অন্য প্রতিভাবান খেলোয়াড়রা বাংলাদেশ দলে আসুক reddit.com+14jagonews24.com+14dhakatribune.com+14। 🔹 ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা সচরাচর বিদেশি জাতীয় দল ইতিবাচক ভাবে একাধিক ম্যাচের জটিলতা সামলে প্রবাসীদের গ্রহণে সময় নেয়, তবে BFF–র পরিকল্পনায় প্রথম ফোকাস থাকবে বিদেশে জন্ম বা প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত যুববলদের, যেন তারা দ্রুত জাতীয় দলের সঙ্গে তাল মিলাতে পারে । সামিট সোম–এর জিপিএস–ম্যাপ হওয়া, স্কুলছাত্রদের টুর্নামেন্ট থেকে উঠে আসা andere তরুণদের ধরে বাংলাদেশের শিবিরে যোগ দিতে ইচ্ছুক— জুজের পথ প্রশস্ত হতে পারে আগামী মাসগুলোতে। সংক্ষেপে বিষয় পরিস্থিতি প্রবাসী খেলোয়াড়দের সংখ্যা এখন পর্যন্ত ৩২ জন (১৩ দেশ) প্রধান উদাহরণ Hamza Choudhury, Shamit Shome ট্রায়াল সময় জুন ২০২৫ গতিগতি Hamza–র অভিষেক ও FIFA অনুমোদনের পর BFF–র আরো সক্রিয় পদক্ষেপ লক্ষ্য বিদেশি-প্রমাণ পয়েন্টে প্রয়োগযোগ্য ফুটবলারদের সন্ধান ও সংযোজন বিশ্লেষণ খেলোয়াড় sourced from Europe/N. America–এর সংখ্যা বাড়ছে—এটা বাংলাদেশের ফুটবলের জন্য স্বপ্নের সম্ভাবনা। Hamza Choudhury–র অভিজ্ঞতা মাইলফলক হিসেবে কাজ করছে। BFF–র লক্ষ্য, এই প্রবাসীদের inclusion–এর মাধ্যমে জাতীয় দলে গুণগত মান ও প্রতিযোগিতা বাড়ানো—এতে SAFF, AFC, ও বিশ্বমানের প্রতিযোগিতায় দলটি শক্তিশালী দাঁড়াতে পারবে। তবে এই পরিকল্পনা সফল করতে হলে BFF–কে পারমিট, ক্লাব-নমঞ্জুরি, এবং FIFA–এর clearance ত্বরান্বিত করতে হবে। পাশাপাশি ম্যাচফিটনেস ও জাতীয় আদর্শে খেলোয়াড়দের অভ্যস্ত করতে হবে। প্রবাসী প্রজন্মের সুশৃঙ্খল তালিকাভুক্তকরণ প্রতিযোগিতামূলক মান উন্নত করবে। Shamit Shome–এর মতো অভিজ্ঞ ও তরুণ মুখগুলোর দ্রুত বাংলাদেশ দলে সংযোজন সম্ভাব্য হলে, ভবিষ্যতে প্রবল প্রভাব বিস্তার করতে ব্যর্থ হবে না।

Mahidujjaman Tamim
জুন ২৮, ২০২৫
0
আগস্টেই আংশিক Camp Nou-তে ঘরোয়া ম্যাচের প্রস্তুতি

ফেসব্যাক্সট্ম Camp Nou রেনোভেশন প্রকল্প ২০২৩ সালের জুনে শুরু হয়ে দীর্ঘ বিলম্বের পর, অবশেষে গ্যাম্পার ট্রফির মাধ্যমে ১০ আগস্ট ২০২৫ সালে ‘আংশিক’ কার্যক্রমে ফিরছে বার্সেলোনা। এই সময় পর্যন্ত ক্লাব ও কর্তৃপক্ষের মধ্যে মিল রেখেও রয়েছে ফিনান্সিয়াল ও প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ, যা প্রকল্পকে ধাপে এগিয়ে দিয়েছে। সময়সূচির পরিবর্তন ও প্রগতির সারাংশ বার্সেলোনা থেকে ২০২৩–২০২৬ সময়ের ‘Espai Barça’ প্রকল্পের অংশ হিসেবে Camp Nou পুনর্নির্মাণ শুরু হয় ২০২৩ সালের জুনে, যা শুরুতে ডিসেম্বরে সমাপ্ত হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তা পিছিয়ে সেপ্টেম্বর ২০২৫–এ সরাসরি এবং ২০২৬–এর গ্রীষ্মে সম্পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে reuters.com+15padmagazine.co.uk+15fcbarcelonanoticias.com+15thisismoney.co.uk+3eurofootball.news+3reddit.com+3 । মাঠে বায়ো-হাইব্রিড ঘাস বসানো শুরু হয়েছে এপ্রিল ২০২৫–এ, যা মূল যাত্রার সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে । ১ম ও ২য় স্তরে প্রায় ৩৯,০০০ সিট বসানো সম্পন্ন, ৩য় শ্রেণির ভিত্তিক নির্মাণ চলছে ও VIP রিং‑এর কাঠামো তৈরি দ্রুতগতি পেয়েছে । আর্থিক পুনর্গঠন ও ঋণের অধঃবিন্যাস রেনোভেশনের জন্য €১.৪৫–€১.৫ বিলিয়ন ঋণ নেওয়া হয়েছিল। তার মধ্যে €৪২৪ মিলিয়ন বর্তমানে বন্ড ইস্যু করে, ২০২৮ থেকে ২০৩৩-৫০ পর্যন্ত সময়সীমা বাড়িয়ে পরিশোধ পরিকল্পনা করা হয়েছে । এই ধরণের আর্থিক পদক্ষেপ ক্লাবের বার্ষিক রাজস্ব বাড়াতে সাহায্য করবে, বিশেষ করে স্পন্সরশিপ ও টিকিট বিক্রয়ের মাধ্যমে €২০০–€৩৫০ মিলিয়ন সম্ভাব্যভাবে অর্জনের হিসেব আছে । প্রশাসনিক বাধা ও অনুমোদন প্রক্রিয়া গ্যাম্পার ট্রফির আগে সিটি কাউন্সিল, ফায়ার সার্ভিস, মসোস দ’Esquadra ও UEFA-র সাথে বেশ কিছু পারমিট নিতে হবে as.com । বার্সেলোনা পাত্তা দিচ্ছে নেই, এবং আশা করছে জুলাই মাসে আংশিকভাবে লাইসেন্স পেয়ে যাবে । তবে, VIP সেকশন, পঞ্চম তলা, ছাদ অর্থাৎ “roof” ইনস্টলেশন ২০২৬ গ্রীষ্মে সমাপ্ত হওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে । ⚽ গ্যাম্পার ট্রফি ও স্বাগতম চান্স ১০ আগস্ট Trofeu Joan Gamper আংশিকভাবে নতুন Camp Nou-তে আয়োজনের পরিকল্পনা, যেখানে আনুমানিক ৫০,০০০–৬০,০০০ দর্শক অংশ নিতে পারে cincodias.elpais.com+13as.com+13elpais.com+13 । ছাদ ছাড়া, লিফ্ট, গ্যালারি, ভিআইপি এলাকা ও বাথরুমে কিছু কাজ অসম্পূর্ণ থাকবে — ক্লাব এটি “ট্রায়াল ফেজ” হিসেবে দেখছে, এবং ভক্তদের ধৈর্য কামনা করেছে । সারসংক্ষেপ উপাদান অবস্থা উল্লেখযোগ্য তারিখ মাঠ ও সিট ঘাস বসানো–সিটিং প্রায় সম্পন্ন এপ্রিল–মে ২০২৫ VIP/তৃতীয় শ্রেণি কাঠামো তৈরি প্রক্রিয়াধীন চলমান ছাদ বিলম্বিত, ২০২৬ গ্রীষ্মে সম্ভাব্য — পারমিট অপেক্ষমাণ, জুলাইয়ে মিলতে পারে — আংশিক খোলা গ্যাম্পার ট্রফি: ১০ আগস্ট ২০২৫ ১০ আগস্ট ২০২৫ পূর্ণ উদ্বোধন ২০২৬ গ্রীষ্মের দিকে — ঋণ পুনর্গঠন €৪২৪ মিলিয়ন বন্ড, ২০৩৩–৫০ পর্যন্ত সময়সীমা জুন ২০২৫ Spotify Camp Nou ইউরোপের বৃহত্তম স্টেডিয়াম হিসেবে নতুন করে আত্মপ্রকাশের পথে; তবে নির্মাণ বিলম্ব এবং পারমিট-সংক্রান্ত বাধাগুলি টেকনিক্যাল চ্যালেঞ্জের শুরু। অর্থনৈতিক পুনর্গঠন অর্থসঙ্কট সামলে রাখা হচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদি রাজস্ব বৃদ্ধিতে অবদান রাখবে। ক্লাবের এখন মূল অগ্রাধিকার আছে — ১০ আগস্টে আংশিক রিটার্ন দিয়ে ফ্যানদের সাথে পুনঃমিলন ঘটানো। আর এটি যদি সাফল্যের সাথে সফল হয়, তাহলে পরবর্তী বছরের পূর্ণাঙ্গ ক্যাপাসিটিতে ফিরতে সহজ পথ উন্মোচিত হবে।

Mahidujjaman Tamim
জুন ২৮, ২০২৫
0
গালিবাফকে ছাড়াই ভারতে ব্রিকসের বৈঠকে অংশ নিচ্ছে ইরান
গালিবাফকে ছাড়াই ভারতে ব্রিকসের বৈঠকে অংশ নিচ্ছে ইরান

  ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার ও প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ ভারতের নয়াদিল্লিতে ব্রিকসের ১২তম পার্লামেন্টারি ফোরামে অংশ নিচ্ছেন না। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির’ কারণে তিনি বৈঠকে যোগ দিতে পারবেন না বলে জানিয়েছে ভারতে অবস্থিত ইরানের দূতাবাস। তবে গালিবাফ না গেলেও ইরানের একটি সংসদীয় প্রতিনিধিদল বৈঠকে অংশ নেবে। গতকাল শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে ইরানের দূতাবাস এ তথ্য জানায়। তবে গালিবাফের অনুপস্থিতির কারণ হিসেবে উল্লেখ করা ‘অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি’ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। বিবৃতিতে দূতাবাস বলেছে, ব্রিকসের শীর্ষ সম্মেলন ও বিভিন্ন বৈঠকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে সক্রিয় ও কার্যকরভাবে অংশ নেওয়ার বিষয়ে ইরান প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সেই ধারাবাহিকতায় দেশটির সংসদীয় প্রতিনিধিদল ব্রিকসের সদস্যদেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা ও পরামর্শ চালিয়ে যাবে। ২০০৬ সালে ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত ও চীনের উদ্যোগে ব্রিকসের যাত্রা শুরু হয়। তখন জোটটির নাম ছিল ‘ব্রিক’। চার বছর পর দক্ষিণ আফ্রিকা যোগ দিলে এর নাম হয় ‘ব্রিকস’। পরে জোটটি সম্প্রসারিত হয়। বর্তমানে এর সদস্যদেশের মধ্যে রয়েছে মিসর, ইথিওপিয়া, ইরান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব ও ইন্দোনেশিয়াও।

News
অক্টোবর ২৫, ২০২৬
0
ইন্ডিয়া জোটের বিক্ষোভে যোগ দিল থালাপতি বিজয়ের দল
ইন্ডিয়া জোটের বিক্ষোভে যোগ দিল থালাপতি বিজয়ের দল

  ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে কংগ্রেসের নেতৃত্বে আয়োজিত বিক্ষোভে যোগ দিয়েছে তামিলনাড়ুর ক্ষমতাসীন দল তামিলাগা ভেত্রি কাজাগাম (টিভিকে)। গতকাল চেন্নাইয়ে ভোটার তালিকার অনিয়ম ও বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে এ বিক্ষোভ হয়। বিরোধীদের ‘ইন্ডিয়া’ জোটে গত ৩ অক্টোবর যোগ দেওয়ার পর নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে এটিই টিভিকে ও দলটির প্রধান, মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয়ের প্রথম বিক্ষোভে অংশগ্রহণ। গণতন্ত্র রক্ষা’ ব্যানারে এ কর্মসূচির আয়োজন করেন কংগ্রেসের সংসদ সদস্য বি মানিকাম ঠাকুর ও তামিলনাড়ু কংগ্রেস কমিটি (টিএনসিসি)। ভোটার তালিকায় অনিয়মের অভিযোগে নয়াদিল্লিতেও বিক্ষোভ চলছে। এর মধ্যে চেন্নাইয়ের কর্মসূচিতে ইন্ডিয়া জোটের সাতটি শরিক দলের নেতারা অংশ নেন। গত ১০ অক্টোবর চেন্নাইয়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক করেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী ও টিভিকে প্রধান সি জোসেফ বিজয়। এর কয়েক দিন পরই কংগ্রেসের ডাকা বিক্ষোভে অংশ নিল তার দল। কংগ্রেসের নেতৃত্বের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম সাউথ ফার্স্ট জানিয়েছে, ক্ষমতাসীন বিজেপির বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে বিভিন্ন আলোচনা, প্রচার ও বিক্ষোভে অংশ নিতে বিজয় ও তার দলকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন রাহুল। বার্তা সংস্থা পিটিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, চেন্নাইয়ের শহরতলি নীলাঙ্করাইয়ে বিজয়ের বাসভবনে গিয়ে তার সঙ্গে দেখা করেন রাহুল। বৈঠকে দুই নেতা বিভিন্ন রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। সম্প্রতি ধারাপুরাম ও মাদুরান্তাকাম উপনির্বাচনে টিভিকের সাফল্যের জন্য বিজয়কে অভিনন্দন জানান রাহুল। তামিলনাড়ুতে ‘সেক্যুলার সোশ্যাল জাস্টিস ভিক্টরি অ্যালায়েন্স’ গঠনের পর দুই নেতার মধ্যে এটিই ছিল প্রথম বৈঠক। চেন্নাইয়ের বিক্ষোভে বক্তারা অভিযোগ করেন, বিশেষ নিবিড় সংশোধনের নামে বিপুলসংখ্যক ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। বাদ পড়া ভোটারদের বড় অংশ মুসলিম, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মানুষ বলে দাবি করেন তারা। তাদের হিসাব অনুযায়ী, শুধু তামিলনাড়ুতেই ৯৭ লাখের বেশি ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। বিক্ষোভে বক্তারা বলেন, এসআইআরের নামে বিপুলসংখ্যক ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার মধ্য দিয়ে সংবিধানের মূল চেতনার ওপর আঘাত করা হচ্ছে। তাদের অভিযোগ, এ প্রক্রিয়ায় মুসলিম ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মানুষ বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তাদের আশঙ্কা, ভোটার তালিকা সংশোধনের আড়ালে নির্বাচনী ব্যবস্থাকে এমনভাবে প্রভাবিত করা হচ্ছে, যাতে ক্ষমতাসীন বিজেপি রাজনৈতিকভাবে লাভবান হয়। এ কারণে তাঁরা পুরো প্রক্রিয়াকে ‘গণতান্ত্রিক হত্যাকাণ্ড’ বলে অভিহিত করেন। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

News
অক্টোবর ১৭, ২০২৬
0
বিশ্ব কারিগরি শিক্ষা সম্মেলনে ‘বেইজিং এগ্রিমেন্ট’ প্রকাশ
বিশ্ব কারিগরি শিক্ষা সম্মেলনে ‘বেইজিং এগ্রিমেন্ট’ প্রকাশ

  বৈশ্বিক দক্ষতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে ‘ফ্রেমওয়ার্ক অব ওয়ার্ল্ড ভোকেশনাল অ্যান্ড টেকনিক্যাল এডুকেশন স্ট্যান্ডার্ডস (বেইজিং এগ্রিমেন্ট)’ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। শনিবার তিয়ানজিন মেইজিয়াং কনভেনশন অ্যান্ড এক্সিবিশন সেন্টারে ২০২৬ সালের ‘বিশ্ব কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা উন্নয়ন সম্মেলন’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে এই বৈশ্বিক কাঠামোর ঘোষণা দেওয়া হয়। বাংলাদেশের পক্ষে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই ঐতিহাসিক বৈশ্বিক কাঠামোকে সমর্থনকারী দেশগুলোর অন্যতম প্রতিনিধি হিসেবে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। এই সম্মেলনে ৪০টিরও বেশি দেশের শিক্ষামন্ত্রী এবং ১০০টিরও বেশি দেশের সরকারি প্রতিনিধিদল অংশ নেন। বেইজিং এগ্রিমেন্টের পাশাপাশি সম্মেলনে ‘চীনে বৃত্তিমূলক শিক্ষা বিষয়ক শ্বেতপত্র’, ‘লুবান ওয়ার্কশপের জাতীয় মানদণ্ড’ এবং আন্তর্জাতিক কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সহযোগিতা এগিয়ে নিতে আরও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ উন্মোচন করা হয়। বেইজিং এগ্রিমেন্টে বাংলাদেশের সমর্থন কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা-প্রশিক্ষণের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড গড়ে তোলার মাধ্যমে দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীকে ভবিষ্যতের কর্মসংস্থানের জন্য প্রস্তুত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এই বৈশ্বিক ঘোষণার পাশাপাশি সম্মেলনের যৌথ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাক্ষেত্রে বাংলাদেশ-চীন সহযোগিতা জোরদার করার লক্ষ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং চীনের শিক্ষা উপমন্ত্রী ওয়াং গুয়াংইয়ান এই সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। এ সময় শিক্ষা মন্ত্রী উল্লেখ করেন, এই সমঝোতা স্মারক এবং বেইজিং এগ্রিমেন্ট একত্রে বাংলাদেশের দক্ষতা উন্নয়নে গতি সঞ্চার করবে। তিনি বলেন, ‘বৈশ্বিক কারিগরি শিক্ষার মানদণ্ড এবং বাস্তবধর্মী দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা তরুণ বাংলাদেশিদের জন্য বাস্তব কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে।’ এই সমঝোতা স্মারক বাংলাদেশ-চীনের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বকে আরও সুদৃঢ় করবে, মানবসম্পদ উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করবে এবং বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে বলে উভয় পক্ষই আশাবাদ ব্যক্ত করে।

News
অক্টোবর ১৭, ২০২৬
0
এবার লন্ডনে বিক্ষোভের ডাক দিলেন ধ্রুব রাঠি
এবার লন্ডনে বিক্ষোভের ডাক দিলেন ধ্রুব রাঠি

  ভারতে ‘ভোট চুরি’র অভিযোগে লন্ডনে বিক্ষোভের ঘোষণা দিয়েছেন ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি । শনিবার ব্রিটিশ রাজধানীতে পার্লামেন্ট স্কয়ারের বাইরে আয়োজিত এ বিক্ষোভে অংশ নিতে সমর্থকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। শুক্রবার গভীর রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে রাঠি জানান, তিনি লন্ডনে পৌঁছেছেন। সেখানে অবস্থানরত ব্যক্তিদের শনিবার দুপুর ১২টায় পার্লামেন্ট স্কয়ারে মহাত্মা গান্ধীর ভাস্কর্যের সামনে জড়ো হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। পোস্টে রাঠি লেখেন, ‘আপনারা যদি এখানে থাকেন, তাহলে আগামীকাল দুপুর ১২টায় পার্লামেন্ট স্কয়ারে মহাত্মা গান্ধীর ভাস্কর্যের সামনে বিক্ষোভে যোগ দিন।’ এ সময় বিষয়টি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। পোস্টে হিন্দিতে রাঠি লেখেন, ‘আন্তর্জাতিক মহলে ঢাক পেটানোর সময় এসে গেছে।’ পোস্টের শেষে তিনি ‘জয় হিন্দ’ লেখেন। লন্ডনে বিক্ষোভের এ ঘোষণা এমন এক সময়ে এল, যার এক সপ্তাহ আগে দিল্লিতে একটি বিক্ষোভ কর্মসূচির আগে ধ্রুব রাঠিকে আটক করেছিল পুলিশ। গত সপ্তাহে হরিয়ানার গুরুগ্রামের সেক্টর ৫৬ এলাকায় তার বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবিতে ওই বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল। সূত্র: ইকোনমিক টাইমস

News
অক্টোবর ১৭, ২০২৬
0
আমরা বাংলাদেশ বা নেপাল নয়, সরকার পরিবর্তন করতে চাই গণতান্ত্রিক উপায়ে: প্রকাশ রাজ
আমরা বাংলাদেশ বা নেপাল নয়, সরকার পরিবর্তন করতে চাই গণতান্ত্রিক উপায়ে: প্রকাশ রাজ

  অভিনেতা ও সমাজকর্মী প্রকাশ রাজ শুক্রবার সরকার পরিবর্তনের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। তবে তিনি বলেছেন, এই পরিবর্তন অবশ্যই নির্বাচন ও সাংবিধানিক পদ্ধতির মাধ্যমে হতে হবে। এক্ষেত্রে তিনি ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশ ও নেপালের তুলনা করেন, যেখানে যথাক্রমে ২০২৪ ও ২০২৫ সালে ব্যাপক গণবিক্ষোভের মুখে সরকার ক্ষমতাচ্যুত হয়েছিল। প্রকাশ রাজ বলেন, “আমরা সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরাতে চাই এবং এ দেশে গণতান্ত্রিকভাবেই তা করব।” উত্তরপ্রদেশ থেকে শুরু করে ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন পর্যন্ত নির্বাচনী লড়াইয়ের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি আরও বলেন, “আমরা নেপাল নই। আমরা বাংলাদেশ নই। আমাদের আম্বেদকর আছেন। আমাদের গান্ধী আছেন। আমাদের ভগৎ সিং আছেন। আমাদের সংবিধান আছে। আমাদের ভোট দেয়ার অধিকার আছে।” প্রকাশ রাজ অভিযোগ করেন, বিক্ষোভকারীদের কণ্ঠরোধ করতে কেন্দ্রীয় সরকার শক্তি প্রয়োগ করছে। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনা করতে সরকারের অস্বীকৃতিই সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরানোর দাবিকে আরও জোরালো করেছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “আপনারা আমাদের এমন অবস্থায় ঠেলে দিয়েছেন, কারণ আপনারা আমাদের সঙ্গে কথা বলছেন না। আপনারা শক্তি প্রয়োগ করছেন।” শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ ও নির্বাচনের মাধ্যমে পরিবর্তনের দাবিকে নৈরাজ্য সৃষ্টির প্রচেষ্টা হিসেবে দেখার ধারণা প্রত্যাখ্যান করে তিনি বলেন, নাগরিকেরা প্রশ্ন তোলা, প্রতিবাদ করা এবং ভোট দেয়ার সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগ করছেন। তিনি বলেন, “আমরা অস্ত্রধারী নই। আমাদের অস্ত্র হলো সংবিধান। আমাদের অস্ত্র হলো প্রতিবাদ করার অধিকার।”  

News
অক্টোবর ১৭, ২০২৬
0
মক্কায় মসজিদে অনৈতিক কাজ, দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর
মক্কায় মসজিদে অনৈতিক কাজ, দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

  সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কায় একটি মসজিদের ভেতরে অনৈতিক কাজের দায়ে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে দেশটির সরকার। গতকাল বুধবার মক্কা অঞ্চলে তাদের এ দণ্ড কার্যকর করা হয়। মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশি হলেন নজরুল ইসলাম আবদুল বাসির ও সিতি আক্তার। সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, মক্কার একটি মসজিদের ভেতরে অনৈতিক কাজ করার দায়ে তাদের দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল। নিরাপত্তা বাহিনী তাদের আটক করে। তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনা হয়। পরে মামলাটি সংশ্লিষ্ট আদালতে পাঠানো হয়। আদালত তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা পেয়ে দোষী সাব্যস্ত করে এবং মৃত্যুদণ্ড দেয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি অনুযায়ী, অপরাধের গুরুতরতা এবং সময় ও স্থানের পবিত্রতা লঙ্ঘনের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বিচারকের বিবেচনাধীন শাস্তি হিসেবে এ দণ্ড দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ রায় বহাল রাখার পর রাজকীয় আদেশে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নির্দেশ দেওয়া হয়। সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হিজরি ১৪৪৮ সালের ৩ জমাদিউল আউয়াল, অর্থাৎ ১৪ অক্টোবর ২০২৬, বুধবার মক্কা অঞ্চলে নাজেরুল ইসলাম আবদুল বাসির ও সিতি আখতারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। বিবৃতিতে মসজিদের পবিত্রতা লঙ্ঘন বা অনৈতিক কাজের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে সৌদি সরকার। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, নিরাপত্তা বজায় রাখা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং ইসলামী আইন কার্যকর করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ ধরনের অপরাধে জড়িত হলে আইন অনুযায়ী শাস্তি ভোগ করতে হবে বলেও সতর্ক করেছে মন্ত্রণালয়। সূত্র: আজেল নিউজ

News
অক্টোবর ১৫, ২০২৬
0