রাজনীতি

দেশব্যাপী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আজ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

Montu Mian জুন ২৯, ২০২৬ 0
দেশব্যাপী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আজ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী

 


এবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের ‘বাংলাদেশ–চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র’ থেকে সোমবার (২৯ জুন) একযোগে দেশের ২৯ হাজারেরও অধিক মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। গত রোববার (২৮ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তথ্যটি নিশ্চিত করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত ৫ বছরে ২৫ কোটি গাছের চারা লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা এবং প্রতিজন শিশুকে প্রতি বছর বৃক্ষরোপণে সম্পৃক্ত করতে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশের শিক্ষাঙ্গনে এই নতুন সবুজায়ন কর্মসূচি শুরু হয়েছে।

এর আওতায় আগামী ৫ বছরে দেশের স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় ৫ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, শেরেবাংলা নগরের ‘বাংলাদেশ–চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে’ আয়োজিত মূল অনুষ্ঠান থেকে প্রধানমন্ত্রী দুপুর ২টায় মাধ্যমিক পর্যায়ের মোট ২৯ হাজার ৬২১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ১৮ হাজার ৯০৭টি বিদ্যালয়, ১ হাজার ৪৪৬টি স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং ৯ হাজার ২৬৮টি মাদ্রাসা রয়েছে।


সোমবার সকাল ১০টায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও বিশেষ কারণে তা দুপুর ২টায় অনুষ্ঠিত হবে বলে রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে বলা হয়। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রতি বছর প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৫ হাজার টাকা করে বিশেষ জলবায়ু সচেতনতা অনুদান প্রদান করা হচ্ছে। এ বছর কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১টি ফলদ বৃক্ষ, ১টি বনজ বৃক্ষ ও ১টি ঔষধি বৃক্ষ রোপণ করা হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি দেশের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বড় পর্দায় সরাসরি প্রদর্শনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট এলাকার মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, সংসদ সদস্য, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপস্থিত থেকে সরাসরি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন।


অনুষ্ঠানটি সম্পূর্ণ অংশগ্রহণমূলক হবে এবং ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিত ব্যক্তিরা সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে নিজেদের অনুভূতি প্রকাশের সুযোগ পাবেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয় দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে অনুষ্ঠানটি সুন্দরভাবে উদযাপনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে। এ উপলক্ষে সোমবার প্রতিটি ক্যাম্পাসে জলবায়ু বিষয়ক ব্যানার ও ফেস্টুন টাঙানো হবে। একই সঙ্গে শিক্ষক–শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য র‌্যালির আয়োজন করা হবে বলেও জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।


এদিকে এদিন একই মঞ্চ থেকে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং’-এর জাতীয় পর্যায়ের তরুণ উদ্ভাবকদের তৈরি স্টার্টআপ ও বিজ্ঞান প্রদর্শনীর স্টল পরিদর্শন এবং সেরা উদ্ভাবকদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। এতে আরও বলা হয়, আয়োজনটি সফল করতে রোববার দুপুরে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন বাংলাদেশ–চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের মূল ভেন্যু ও প্রস্তুতি কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

রাজনীতি

View more
রাজনীতিতে ত্যাগীরা শ্রমিকের মতো, সুবিধা ভোগ করে এসি রুমে বসে টিভি দেখা সুবিধাবাদীরা: নয়ন
রাজনীতিতে ত্যাগীরা শ্রমিকের মতো, সুবিধা ভোগ করে এসি রুমে বসে টিভি দেখা সুবিধাবাদীরা: নয়ন

  যুবদল নেতা রবিউল ইসলাম নয়ন দলের দুঃসময়ে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নেওয়া ত্যাগী নেতাকর্মীদের অবমূল্যায়ন এবং সুবিধাবাদীদের প্রাধান্য পাওয়া নিয়ে আক্ষেপ করেছেন। তিনি বলেছেন, রাজনীতিতে ত্যাগীরা শ্রমিকের মতো—তারা কঠোর পরিশ্রম করলেও সেই পরিশ্রমের সুফল ভোগ করতে পারেন না। সোমবার (২৪ আগস্ট) রাতে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে ২০১৮ সালের ঈদের দিনের একটি পুরোনো ছবি শেয়ার করে নিজের স্মৃতিচারণ করেন রবিউল ইসলাম নয়ন। ছবিটি ২০১৮ সালের ১৬ জুনের বলে উল্লেখ করে তিনি জানান, সেসময় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে ছিলেন। রবিউল ইসলাম নয়ন লেখেন, ‘ছবিটা ১৬ জুন ২০১৮, শনিবার, ঈদের দিনের। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তখন জেলে। ঈদের দিন সকালবেলা, তখন সময় আটটা। হঠাৎ রুহুল কবির রিজভী ভাই ফোন করলেন। বললেন—‘নয়ন, তোমার লোকজন নিয়ে পল্টন পার্টি অফিসের সামনে চলে এসো। আমরা দেশনেত্রীর মুক্তির দাবিতে মিছিল করব।’ সেদিনের আবহাওয়ার বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, বাইরে তখন তুমুল বৃষ্টি ছিল। ঈদের দিন হওয়ায় নেতাকর্মীদের জড়ো করাও কঠিন ছিল। তবে রুহুল কবির রিজভী তাকে আন্দোলনে অংশ নেওয়ার জন্য উৎসাহিত করেন। নয়নের ভাষায়, ‘বাইরে তুমুল বৃষ্টি, ঈদের দিন। আমি বললাম—বাইরে তুমুল বৃষ্টি, ঈদের দিন। নেতাকর্মীদের পাওয়া খুব দুষ্কর হবে। রিজভী ভাই বললেন—‘নয়ন, আমরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সৈনিকেরা ঝড়-বৃষ্টি, আঁধার রাতে সব সময় রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম ও স্লোগানে প্রমাণ করেছি, আমরা সর্বদা থাকি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পাশে।’ এরপর নেতাকর্মীদের নিয়ে দ্রুত পল্টন কার্যালয়ের সামনে গিয়ে বৃষ্টির মধ্যেই মিছিল করার কথা জানান তিনি। মিছিল শেষে পার্টি অফিসের সামনে রাজপথে বসে রুহুল কবির রিজভীর বক্তব্য শোনার স্মৃতিও তুলে ধরেন। নয়নের দাবি, বর্তমানে রুহুল কবির রিজভী দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হওয়ায় বিষয়টি তার জন্য আনন্দ ও আবেগের। তিনি বলেন, ‘আজকে আমাদের রিজভী ভাই দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হয়েছেন। এটা আমাদের জন্য বড় খুশির, আবেগের।’ তবে দলের দুঃসময়ে যারা রাজপথে ছিলেন এবং যারা ছিলেন না—তাদের বর্তমান অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন যুবদল নেতা। তিনি লেখেন, ‘তখন রিজভী ভাই রাজপথে অনেককে ডেকে পাননি। যাদের পাননি, তারা এখন ক্ষমতার অলিন্দে সর্বত্র। আবার যারা তুমুল বৃষ্টি উপেক্ষা করে, ঈদের আনন্দ নিরানন্দ করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির মিছিলে ছুটে গিয়েছিল, তারা এখন দলের থেকে, ক্ষমতার বৃত্ত থেকে বহু দূরে ছিটকে গেছেন। কেউ কেউ অভিমান করে রাজনীতি থেকেই দূরে রয়েছেন।’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় নতুন প্রজন্মের রাজনৈতিক কর্মীদেরও ত্যাগীদের ইতিহাস দেখার আহ্বান জানান নয়ন। তিনি বলেন, ‘এখন যারা সোশ্যাল মিডিয়ায় বড় বড় কথা বলেন, ২৪-এর পর জুলাই যোদ্ধা সেজেছেন, যারা দিনরাত রাজনীতির ভাষায় রাজা-উজির মারেন আর যাকে তাকে ট্যাগ দেন, তারা ছবিটা ভালো করে দেখেন। বোঝার চেষ্টা করেন, ত্যাগীরা দলের দুঃসময়ে কতটা ত্যাগ স্বীকার করেছে, কতটা লড়াই-সংগ্রাম করেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘কতটা দলপাগল হলে বৃষ্টি ও ঈদের আনন্দ উপেক্ষা করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির মিছিলে রাজপথে হেঁটেছে। কষ্ট হয় যখন দেখি, সুবিধাবাদীদের ভিড়ে ত্যাগীরা হারিয়ে যাচ্ছেন।’ নয়ন লেখেন, ‘রাজনীতিতে ত্যাগীরা আসলে শ্রমিকের মতো। তারা শরীরের ঘাম পায়ে ফেলে, রক্ত পানি করে পণ্য উৎপাদন করে, কিন্তু সেই পণ্যে তাদের কোনো অধিকার থাকে না।’ তিনি আরও লেখেন, ‘ত্যাগীরা জীবন বাজি রেখে রাজপথে লড়াই-সংগ্রাম করে আর সুবিধা ভোগ করে রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রাম থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে এসি রুমে বসে টিভি দেখা সুবিধাবাদীরা।’

News আগস্ট ২৫, ২০২৬ 0
রাজধানীর ৫৪ ওয়ার্ডে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু জামায়াতের

রাজধানীর ৫৪ ওয়ার্ডে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু জামায়াতের

প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে দিল্লির অস্থিরতা

প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে দিল্লির অস্থিরতা

মেয়েদের জন্য সর্বজনীন উপবৃত্তি পুনর্বহালের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

মেয়েদের জন্য সর্বজনীন উপবৃত্তি পুনর্বহালের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

স্থানীয় নির্বাচনে কেউ বিদ্রোহী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেই কঠোর ব্যবস্থা: রিজভী
স্থানীয় নির্বাচনে কেউ বিদ্রোহী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেই কঠোর ব্যবস্থা: রিজভী

  আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কেউ বিদ্রোহী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। সোমবার (২৪ আগস্ট) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। রুহুল কবির রিজভী বলেন, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলের পক্ষ থেকে কারা প্রার্থী হবেন, তা স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতামতের ভিত্তিতেই নির্ধারণ করা হবে। এক্ষেত্রে তৃণমূলের মতামত ও প্রার্থীদের যোগ্যতা বিবেচনা করা হবে। দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রতিটি নির্বাচনে দল থেকে একজন মাত্র একক প্রার্থী দেওয়া হবে। দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কেউ বিদ্রোহী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ার জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিয়ে রিজভী বলেন, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের নেতারা সবকিছু যাচাই–বাছাই করে ইউপি নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থীকে সমর্থন দেবেন। কারণ, এবার দলীয় প্রতীকে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে না। দলকে সুশৃঙ্খল ও সুসমন্বিতভাবে পরিচালনা করাই এখন প্রধান দায়িত্ব উল্লেখ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, দলের নেতাকর্মীরা সরকারের জনকল্যাণমূলক পদক্ষেপ সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করবেন এবং তাদের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত থাকবেন। নেতাকর্মীরা জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলে কেউ অনৈতিক চিন্তা করার সুযোগ পাবে না। জনস্বার্থের বাইরে বিএনপি কোনো কাজ করবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

News আগস্ট ২৫, ২০২৬ 0
জামায়াতের ‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ গঠন প্রায় চূড়ান্ত, থাকছেন যারা

জামায়াতের ‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ গঠন প্রায় চূড়ান্ত, থাকছেন যারা

আগের চেয়ে ভালো স্থানীয় সরকার নির্বাচন করবেন সিইসি

আগের চেয়ে ভালো স্থানীয় সরকার নির্বাচন করবেন সিইসি

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বেশি দামে সার বিক্রি, ডিলারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বেশি দামে সার বিক্রি, ডিলারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিশু পরিবার ও এনএসআই অফিসের সামনে নতুন রাস্তার উদ্বোধন
চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিশু পরিবার ও এনএসআই অফিসের সামনে নতুন রাস্তার উদ্বোধন

   মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ  চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা  প্রতিনিধি চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবকাঠামো উন্নয়নের অংশ হিসেবে সমাজসেবা অফিসের শিশু পরিবার ও এনএসআই অফিসের সামনে নতুন রাস্তার উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) এ রাস্তার উদ্বোধন করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য মো. হারুনুর রশিদ। আরও উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ নজরুল ইসলাম।  উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. হারুনুর রশিদ বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সার্বিক অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ অব্যাহত রয়েছে। উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা মানুষের চলাচল সহজ করার পাশাপাশি এলাকার সামগ্রিক উন্নয়ন ও নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।   নতুন রাস্তা নির্মাণের ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি সরকারি শিশু পরিবারের নিবাসী শিশু, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং এনএসআই অফিসসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আসা সাধারণ মানুষের যাতায়াত আরও সহজ হবে। স্থানীয়রা জানান, গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি চালু হওয়ায় দীর্ঘদিনের যাতায়াতের সমস্যা অনেকটাই কমবে।   তারা এ উন্নয়নমূলক কাজকে এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়নে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন। এর আগে একই দিন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা)-এর নিবাসী শিশুদের সঙ্গেও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. হারুনুর রশিদ। তিনি শিশুদের পড়ালেখা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও সার্বিক কল্যাণের বিষয়ে খোঁজখবর নেন এবং তাদের উৎসাহ ও দিকনির্দেশনা দেন। অনুষ্ঠানে সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা), চাঁপাইনবাবগঞ্জের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

News আগস্ট ২৪, ২০২৬ 0
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে এর দায় নিতে হবে’, রংপুরের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে জামায়াত আমির

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে এর দায় নিতে হবে’, রংপুরের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে জামায়াত আমির

বঙ্গভবনে উঠেছেন মির্জা ফখরুল, গার্ড অব অনার প্রদান

বঙ্গভবনে উঠেছেন মির্জা ফখরুল, গার্ড অব অনার প্রদান

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা ও ন্যয়ের ভিত্তিতে: সারজিস

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা ও ন্যয়ের ভিত্তিতে: সারজিস

0 Comments