রাজনীতি

এটিএম বুথের নিরাপত্তারক্ষীকে উপহার পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী

হোসেন মাঝি জুলাই ৮, ২০২৬ 0
এটিএম বুথের নিরাপত্তারক্ষীকে উপহার পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী

 


সচিবালয়ে যাওয়ার পথে বেইলী রোডে দাঁড়িয়ে ধানের শীষ প্রতীক হাতে নিয়ে প্রতিদিন প্রধানমন্ত্রীকে স্যালুট জানানো নিরাপত্তাকর্মী আব্দুস সালামকে উপহার পাঠিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ সকালে উপহার তুলে দেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সেক্রেটারি আতিকুর রহমান রুমন। উপহার পেয়ে তিনি বলেন, কল্পনাও করেননি তার মতো ক্ষুদ্র মানুষকে প্রধানমন্ত্রী মনে করবেন। আর্থিক টানাপোড়েনের বিষয়টি উল্লেখ করে তার ড্রাইভার ছেলের জন্য একটি চাকরির আবেদন জানান আব্দুস সালাম।
মুখের জড়তা নিয়ে আনন্দ প্রকাশ করছেন বেইলী রোডে অবস্থিত যমুনা ব্যাংকের বুথের নিরাপত্তকর্মী আব্দুস সালাম। কারণ আজ সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার জন্য উপহার পাঠিয়েছেন।


আব্দুস সালামের গ্রামের বাড়ি পাবনার বেড়া থানায়। ২৫ বছর ধরে গাড়ি চালাতেন তিনি। স্ট্রোক করার পর তিন বছর ঘরবন্দি ছিলেন। অভাবের সংসারের চাকা সচল রাখতেই ৮ মাস আগে নিরাপত্তাকর্মীর চাকরি নেন তিনি। সচিবালয়ে যাওয়ার পথে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ধানের শীষ প্রতীক হাতে নিয়ে প্রতিদিন প্রধানমন্ত্রীকে স্যালুট জানান আব্দুস সালাম। প্রধানমন্ত্রীও তার স্যালুট গ্রহণ করেন।    

একজন নিরাপত্তাকর্মীর এই আবেগকে মূল্যয়ন করতে তার বিষয়ে খোঁজ-খবর নেয়ার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। পরে আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তারেক রহমানের পক্ষ থেকে আব্দুস সালামকে উপহার তুলে দেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সেক্রেটারি আতিকুর রহমান রুমন। এসময় প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব সুজন মাহমুদও সেখানে ছিলেন।


১৭ বছর ধরে ধানের শীষকে বুকে ধারণ করেন জানিয়ে আব্দুস সালাম জানান, দেশ পরিচালনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সময় দিতে হবে। তাহলেই দেশ সামনের দিকে আগাবে।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

রাজনীতি

View more
জামায়াতের ‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ গঠন প্রায় চূড়ান্ত, থাকছেন যারা
জামায়াতের ‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ গঠন প্রায় চূড়ান্ত, থাকছেন যারা

  অনেকটা গোপনেই ‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ বা ‘শ্যাডো ক্যাবিনেট’ গঠন করেছে জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এতে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাখা হয়েছে দলের আমির ডা. শফিকুর রহমানকে। ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টন করে সদস্যদের প্রশিক্ষণও শুরু হয়েছে। সোমবার রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে সংবাদপত্রের সম্পাদকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বিষয়টি জানান ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ছায়া মন্ত্রিসভা এরই মধ্যে গঠন করা হয়েছে এবং শিগগিরই সদস্যদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, স্বরাষ্ট্রে ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ে সাইফুল আলম খান মিলনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। জামায়াত বলছে, সরকারের প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, দুর্বলতা চিহ্নিত করে বিকল্প নীতিপ্রস্তাব তৈরি এবং সংসদে সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করাই এই কাঠামোর মূল উদ্দেশ্য। দলীয় নেতারা জানিয়েছেন, গত মাসে গোপনে গঠিত এই ছায়া মন্ত্রিসভা ইতোমধ্যে সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের কর্মকাণ্ড, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম ও বাজেট পর্যালোচনা করেছে। এতে দলের শীর্ষ নেতা ও সংসদ সদস্যদের পাশাপাশি বিশেষজ্ঞ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং সাবেক ছাত্রশিবির নেতারাও যুক্ত রয়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংসদীয় গণতন্ত্রে ছায়া মন্ত্রিসভা নতুন কোনো ধারণা নয়। সরকারের নীতি ও বাজেটের বিকল্প প্রস্তাব তুলে ধরে বিরোধী দলকে আরও কার্যকর ও গঠনমূলক ভূমিকা রাখার সুযোগ দিতে পারে এই কাঠামো।

News আগস্ট ২৫, ২০২৬ 0
আগের চেয়ে ভালো স্থানীয় সরকার নির্বাচন করবেন সিইসি

আগের চেয়ে ভালো স্থানীয় সরকার নির্বাচন করবেন সিইসি

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বেশি দামে সার বিক্রি, ডিলারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বেশি দামে সার বিক্রি, ডিলারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিশু পরিবার ও এনএসআই অফিসের সামনে নতুন রাস্তার উদ্বোধন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিশু পরিবার ও এনএসআই অফিসের সামনে নতুন রাস্তার উদ্বোধন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে এর দায় নিতে হবে’, রংপুরের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে জামায়াত আমির
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে এর দায় নিতে হবে’, রংপুরের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে জামায়াত আমির

  রংপুরের একটি বাসা থেকে স্কুলশিক্ষক ও তার পরিবারকে শ্বাসরোধে হত্যার মর্মান্তিক খবর পাওয়া গেছে। একইসঙ্গে ঢাকা ও ময়মনসিংহে চিকিৎসকদের ওপর হামলা এবং চাঁদা দাবির ঘটনাও ঘটেছে। এসব ঘটনা তুলে ধরে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। এ সময় তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে এর দায় নিতে হবে বলেও আখ্যায়িত করেন। বাংলাদেশ টাইমসের পাঠকদের জন্য ডা. শফিকুর রহমানের ফেসবুক পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো-    গতরাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ার একটি বাসা থেকে রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানা গেছে। নিহতরা হলেন- জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, ছেলে প্রীয়ম চক্রবর্তী এবং মেয়ে আগামী চক্রবর্তী। গোটা পরিবারকে যেভাবে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে, তা অত্যন্ত নিন্দনীয়, বেদনাদায়ক ও লোমহর্ষক। সম্প্রতি দেশে সামাজিক অপরাধ, খুন-খারাবি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। ঢাকায় একজন চিকিৎসকের কাছে ডলারে চাঁদা দাবি এবং পরবর্তীতে তার ওপর হামলা করে তাকে মারাত্মকভাবে আহত করা হয়েছে। ময়মনসিংহে একজন পশুচিকিৎসকের কাছেও অনুরূপভাবে চাঁদা দাবি করে হামলা করা হয়েছে। আর সর্বশেষ রংপুরে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটল। দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কতটা মারাত্মক অবনতি হয়েছে এবং তা কতটা ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে, এই তিনটি ঘটনাসহ অসংখ্য ঘটনা থেকেই তা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। জনগণ উদ্বিগ্ন। জনগণ এর সুরাহা চায়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে এর দায় নিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নির্লিপ্ত ভূমিকা জনগণকে শঙ্কিত করে তুলেছে। বিশেষ করে রংপুরের এ ঘটনায় যে দুর্বৃত্তরা এই ভয়ংকর ঘটনা ঘটিয়েছে, দ্রুত তাদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একটার পর একটা অপরাধ সংঘটিত হয়ে চলেছে। কিন্তু ভুক্তভোগীরা সঠিক বিচার পাচ্ছেন না। আদালতে বিচারের দীর্ঘসূত্রতা জনগণকে দারুণভাবে হতাশ করছে। এই হতাশা থেকে জনগণকে অবশ্যই রক্ষা করতে হবে। তাই সরকারের ব্যর্থতার দিকে তাকিয়ে না থেকে আমাদের নিজেদের মধ্যে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি করা প্রয়োজন। পাশাপাশি সরকারকে তার ব্যর্থতা কাটিয়ে উঠতে বাধ্য করা দরকার। আসুন, সকলে মিলে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি করে এসব অপরাধের হাত থেকে আমাদের দেশের প্রিয় জনগণকে রক্ষা করি। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে এসব অপরাধের হাত থেকে রক্ষা করুন। আমিন।

News আগস্ট ২৩, ২০২৬ 0
বঙ্গভবনে উঠেছেন মির্জা ফখরুল, গার্ড অব অনার প্রদান

বঙ্গভবনে উঠেছেন মির্জা ফখরুল, গার্ড অব অনার প্রদান

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা ও ন্যয়ের ভিত্তিতে: সারজিস

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা ও ন্যয়ের ভিত্তিতে: সারজিস

আস্থা তৈরি হলেই ভারত সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আস্থা তৈরি হলেই ভারত সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

তারেক রহমানের সফরের অপেক্ষায় ভারত: দীনেশ ত্রিবেদী
তারেক রহমানের সফরের অপেক্ষায় ভারত: দীনেশ ত্রিবেদী

  বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরের অপেক্ষায় রয়েছে নয়াদিল্লি বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ভারতীয় হাইকমিশনার। সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। তবে এ সফর নিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এটি একেবারেই একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল।’ প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন ভারত সফর নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। তবে বৈঠকে ভারতীয় হাইকমিশনার জানিয়েছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের জন্য নয়াদিল্লি অপেক্ষা করছে। কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশিদের মৃত্যু সাক্ষাতের শুরুতে কলকাতার একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নয় বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি জানান, এই মর্মান্তিক ঘটনায় ক্ষতিপূরণ দেওয়াসহ প্রয়োজনীয় সহযোগিতার ক্ষেত্রে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে যা যা করণীয়, তা করা হবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক ও সহযোগিতার বিষয়েও সৌজন্য আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে কোনো বিস্তারিত আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।  

News আগস্ট ২০, ২০২৬ 0
ইউনূস, আসিফ নজরুল, নাহিদ, হাসনাতসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

ইউনূস, আসিফ নজরুল, নাহিদ, হাসনাতসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

আ.লীগ নিষিদ্ধ করেই গেছে, বিএনপি মুখ ফিরিয়ে নিলে জামায়াত কি রাজনীতি করতে পারবে: নুর

আ.লীগ নিষিদ্ধ করেই গেছে, বিএনপি মুখ ফিরিয়ে নিলে জামায়াত কি রাজনীতি করতে পারবে: নুর

বর্তমান সরকারের আমলের মতো স্বাধীন গণমাধ্যম চর্চা আর কখনও ছিল না: তথ্যমন্ত্রী

বর্তমান সরকারের আমলের মতো স্বাধীন গণমাধ্যম চর্চা আর কখনও ছিল না: তথ্যমন্ত্রী

0 Comments