শিক্ষা

নোবিপ্রবির তৃতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠানে থাকবেন রাষ্ট্রপতি

রতন লাল আগস্ট ৩১, ২০২৬ 0
নোবিপ্রবির তৃতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠানে থাকবেন রাষ্ট্রপতি
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

 


নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) তৃতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে সম্মত হয়েছেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানীর আমন্ত্রণে তিনি এ সম্মতি জানান।
সোমবার (৩১ আগস্ট) বঙ্গভবনে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন নোবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। এ সময় উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতিকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান। পাশাপাশি তার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সফলতা কামনা করেন।


সাক্ষাৎকালে উপাচার্য নোবিপ্রবির শিক্ষা, গবেষণা ও সামগ্রিক অগ্রগতি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। এ সময় দেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার বিকাশে নোবিপ্রবির অবদান, বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েও তাদের মধ্যে আলোচনা হয়।

পরে উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী আগামী ২৪ জানুয়ারি ২০২৭ অনুষ্ঠিতব্য নোবিপ্রবির তৃতীয় সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতিকে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আমন্ত্রণ গ্রহণ করে সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার সদয় সম্মতি জানান।


রাষ্ট্রপতির এ সম্মতিতে নোবিপ্রবি পরিবার আনন্দিত ও গর্বিত বলে জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। তার উপস্থিতি বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় সমাবর্তনকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ ও স্মরণীয় করে তুলবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

শিক্ষা

View more
কালাইয়ে ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন
কালাইয়ে ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

  মো: মিশিকুল মন্ডল  স্টাফ রিপোর্টার জয়পুরহাটের কালাইয়ে ‘নজরুল বর্ষ ২০২৬’ উদযাপন উপলক্ষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) সকাল ১০টায় কালাই উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন করা হয়। কালাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফয়সাল আহমেদ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল আলম এবং উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।  অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কালাই উপজেলা পরিষদের সিএ এস এম শওকত। উদ্বোধনী বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদ বলেন, “আমরা অতীতে দেখেছি, আমাদের তরুণ প্রজন্মের মাঝে কাজী নজরুল ইসলামের সৃষ্টিকর্ম ও চেতনার প্রতি ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে। নজরুল কেবল বিদ্রোহী কবি নন, তিনি আমাদের অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাতিঘর। ভবিষ্যতেও তরুণ প্রজন্মকে নজরুলের সেই সাম্য ও অসাম্প্রদায়িক আদর্শ ধারণ করে দেশপ্রেমের পথে এগিয়ে যেতে হবে। এ লক্ষ্যেই উপজেলা পর্যায়ে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।” আয়োজকরা জানান, এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা নজরুলের কবিতা, সংগীত ও জীবনদর্শন সম্পর্কে জানার সুযোগ পাবে, যা তাদের সুস্থ সাংস্কৃতিক বিকাশে সহায়ক হবে। উদ্বোধনী দিনে উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে।এসময় উপস্থিত ছিলেন পিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণ।

News আগস্ট ৩১, ২০২৬ 0
নোবিপ্রবির তৃতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠানে থাকবেন রাষ্ট্রপতি

নোবিপ্রবির তৃতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠানে থাকবেন রাষ্ট্রপতি

পবিপ্রবি'র প্রথম উপাচার্যের প্রয়াণে স্মরণসভা ও দোয়া মোনাজাত

পবিপ্রবি'র প্রথম উপাচার্যের প্রয়াণে স্মরণসভা ও দোয়া মোনাজাত

শূন্য পাস করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী

শূন্য পাস করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী

সব জাদুঘরে সপ্তাহে একদিন ফ্রি প্রবেশের সুযোগ, পাবেন যারা
সব জাদুঘরে সপ্তাহে একদিন ফ্রি প্রবেশের সুযোগ, পাবেন যারা

  জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরসহ দেশের সব জাদুঘর শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সে হিসেবে সপ্তাহে অন্তত একদিন কোনো ধরনের টিকিট ছাড়াই শিক্ষার্থীরা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করতে পারবেন। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের নানা কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তথ্য উপদেষ্টা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান জাদুঘরের একটি নির্দিষ্ট দিন শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারণ করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে স্কুলের ওপরের শ্রেণির শিক্ষার্থীরা এই সুযোগ পাবেন। এই ব্যবস্থা কেবল সরকারি স্কুলেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং পর্যায়ক্রমে সব ধরনের স্কুলের শিক্ষার্থীদের এর আওতায় আনা হবে। জাদুঘর পরিদর্শনে শিক্ষার্থীদের টিকিটের বিষয়ে জানতে চাইলে উপদেষ্টা স্পষ্ট করে বলেন, ‘টিকিট ফ্রি, ইটস ফ্রি অব কষ্ট।’ তিনি আরও জানান, এই উদ্যোগ কেবল একটি জাদুঘরেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরসহ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং অন্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা ঢাকার বাইরের সব জাদুঘরেও সরকারি ব্যবস্থাপনায় শিক্ষার্থীদের নিয়ে গিয়ে ঘুরিয়ে দেখানোর পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হচ্ছে। উদ্বোধনের পর থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান জাদুঘর ঘিরে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় ও ব্যাপক আগ্রহের কথা উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, শুরুর দিকে অতিরিক্ত উপচে পড়া মানুষের আগ্রহের কারণে একদিন সামান্য ব্যবস্থাপনার সমস্যা দেখা দিয়েছিল। তবে দ্রুত তা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়েছে এবং বর্তমানে অত্যন্ত শৃঙ্খলার সঙ্গেই দর্শনার্থীরা পরিদর্শন করছেন। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত জাদুঘরমুখী করা এবং তাদের কাছে দেশের সমৃদ্ধ ইতিহাস, ঐতিহ্য ও গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ঘটনাবলি সম্পর্কে সরাসরি প্রত্যক্ষ ধারণা তৈরির লক্ষ্যেই সরকারের এই পদক্ষেপ বলে জানান তিনি।

News আগস্ট ১১, ২০২৬ 0
রাঙ্গামাটির বিদ্যুৎহীন ৩০০ প্রাথমিক বিদ্যালয় পাচ্ছে সোলার প্যানেল

রাঙ্গামাটির বিদ্যুৎহীন ৩০০ প্রাথমিক বিদ্যালয় পাচ্ছে সোলার প্যানেল

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ ১০ আগস্ট

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ ১০ আগস্ট

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

এইচএসসি পরীক্ষা আজ, শিক্ষার্থীদের জন্য ১১ নির্দেশনা...
এইচএসসি পরীক্ষা আজ, শিক্ষার্থীদের জন্য ১১ নির্দেশনা...

  ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আজ, চলবে আগামী ৮ আগস্ট পর্যন্ত। এছাড়া ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করতে হবে ১৫ আগস্টের মধ্যে। এবার সব সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল ১০টায় শুরু হয়ে বেলা ১টা পর্যন্ত পরীক্ষা চলবে। পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার কক্ষে পরীক্ষার্থীদের আসন গ্রহণ করতে হবে। প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে এবার নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পরীক্ষা শুরুর তিন দিন আগে ট্রেজারি বা থানা লকারে সংরক্ষিত প্রশ্নপত্র সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে যাচাই করতে হবে। পরীক্ষার দিন নির্ধারিত প্রশ্নপত্র ট্যাগ অফিসার ও পুলিশের পাহারায় কেন্দ্রে আনা হবে। মোবাইলের মাধ্যমে নির্ধারিত সেট কোড পাওয়ার পরই প্রশ্নপত্র খোলা যাবে। নির্ধারিত সেটের বাইরে পরীক্ষা নেওয়া হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পরীক্ষার কক্ষে ২০ জন পরীক্ষার্থীর জন্য একজন করে কক্ষপরিদর্শক থাকবেন। কোনো কক্ষে দুজনের কম দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। বসার ক্ষেত্রেও নির্ধারণ করা হয়েছে নির্দিষ্ট মানদণ্ড। পাঁচ বাই ছয় ফুট দীর্ঘ বেঞ্চে দুজন এবং চার ফুট বেঞ্চে একজন পরীক্ষার্থী বসতে পারবেন। সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা আয়োজনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড। যদি প্রশ্নফাঁসের মতো ঘটনা ঘটে, তাহলে সারা দেশে সেই দিনের পরীক্ষা স্থগিত করে পরে নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া হবে। যদিও সব বোর্ডে একই মানদণ্ড বজায় রেখে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা এবং প্রশ্নফাঁস প্রতিরোধ করাই প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন শিক্ষাবিদরা। এবার এইচএসসি পরীক্ষায় ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন এবং আর মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ২ লাখ ৮৬৯ পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। বাংলা প্রথম প্রত্র দিয়ে শুরু হচ্ছে এবারের পরীক্ষা। চলতি বছর ২ হাজার ৯৯৭টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে পরীক্ষা। এর মধ্যে ১৪৫টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। যার ৪০টিই ঢাকায়। পরীক্ষার্থীদের জন্য ১১ নির্দেশনা পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা বোর্ড। এগুলো হলো: পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীকে নির্ধারিত কক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে। প্রথমে বহুনির্বাচনী ও পরে সৃজনশীল ও রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ নম্বরের বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ৩০ মিনিট, আর ৭০ নম্বরের সৃজনশীল (সিকিউ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে। পরীক্ষার্থীরা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানপ্রধানের নিকট হতে অন্তত সাত দিন আগে প্রশ্নপত্র সংগ্রহ করবেন। উত্তরপত্রে পরীক্ষার রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয় কোড ইত্যাদি ওএমআর ফরমে যথাযথভাবে লিখে বৃত্ত ভরাট করবেন পরীক্ষার্থীরা। কোনো অবস্থাতেই মার্জিনের মধ্যে লেখা কিংবা অন্য কোনো প্রয়োজনে উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না। পরীক্ষার্থীকে তত্ত্বীয়, বহুনির্বাচনী ও ব্যবহারিক অংশে (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) পৃথকভাবে পাস করতে হবে। প্রত্যেক পরীক্ষার্থী কেবল রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও প্রবেশপত্রে উল্লিখিত বিষয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। কোনো অবস্থাতেই অন্য বিষয়ের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। পরীক্ষার্থীরা কাঁটাযুক্ত হাতঘড়ি ব্যবহার করতে পারবেন। পরীক্ষায় শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর (নন-প্রোগ্রামেবল) ব্যবহার করতে পারবেন। প্রোগ্রামিং ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে না। পরীক্ষাকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না। কোনো পরীক্ষার্থী পরীক্ষাকেন্দ্রে মোবাইল ফোন আনতে পারবেন না। জরুরি যোগাযোগ ও সার্বিক সমন্বয় কার্যক্রম এই কন্ট্রোল রুম থেকেই পরিচালনা করা হবে। সেজন্য ১টি টেলিফোন নম্বর, তিনটি মোবাইল ফোন নম্বর এবং একটি ই-মেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হয়েছে। কন্ট্রোল রুমের ফোন নম্বর, মোবাইল নম্বর ও ই-মেইল ঠিকানা সর্বসাধারণের অবগতির জন্য বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচার এবং সংবাদ স্ক্রলে প্রদর্শনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কন্ট্রোল রুমের টেলিফোন নম্বরটি হলো- ০২-২২৩৩৬৯৮১৫। এছাড়া যোগাযোগের জন্য মোবাইল নম্বর ০১৫৫০৪১১২০৩, ০১৭১৪৯৯৪০৭৩ ও ০১৭৫৬১০৩১৫২ নির্ধারণ করা হয়েছে।

News জুলাই ২, ২০২৬ 0
আমাদের দেশে নিউটন-আইনস্টাইনের অভাব নেই: শিক্ষামন্ত্রী

আমাদের দেশে নিউটন-আইনস্টাইনের অভাব নেই: শিক্ষামন্ত্রী

সততা, জবাবদিহীতা ও আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে-- ভিসি ড. হেমায়েত জাহান

সততা, জবাবদিহীতা ও আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে-- ভিসি ড. হেমায়েত জাহান

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট: এক শিক্ষকেই সামলাচ্ছেন একাধিক শ্রেণি

0 Comments